সহিহ বুখারী > রাস্তায় বিচার করা কিংবা ফাত্‌ওয়া দেয়া ।

সহিহ বুখারী ৭১৫৩

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، حدثنا أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال بينما أنا والنبي، صلى الله عليه وسلم خارجان من المسجد فلقينا رجل عند سدة المسجد فقال يا رسول الله متى الساعة قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أعددت لها ‏"‏ فكأن الرجل استكان ثم قال يا رسول الله ما أعددت لها كبير صيام ولا صلاة ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله‏.‏ قال ‏"‏ أنت مع من أحببت ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’জনে মাসজিদ থেকে বের হচ্ছিলাম। এমন সময় এক লোক মাসজিদের আঙ্গিনায় আমাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? এতে লোকটি যেন কিছুটা লজ্জিত হল। তারপর বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সওম, সালাত, সদকাহ খুব একটা তার জন্য করতে পারিনি। তবে আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালোবাস (ক্বিয়ামাতে) তার সঙ্গেই থাকবে। (১৭২)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’জনে মাসজিদ থেকে বের হচ্ছিলাম। এমন সময় এক লোক মাসজিদের আঙ্গিনায় আমাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? এতে লোকটি যেন কিছুটা লজ্জিত হল। তারপর বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সওম, সালাত, সদকাহ খুব একটা তার জন্য করতে পারিনি। তবে আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালোবাস (ক্বিয়ামাতে) তার সঙ্গেই থাকবে। (১৭২)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، حدثنا أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال بينما أنا والنبي، صلى الله عليه وسلم خارجان من المسجد فلقينا رجل عند سدة المسجد فقال يا رسول الله متى الساعة قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أعددت لها ‏"‏ فكأن الرجل استكان ثم قال يا رسول الله ما أعددت لها كبير صيام ولا صلاة ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله‏.‏ قال ‏"‏ أنت مع من أحببت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > উল্লেখ্য আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন দ্বাররক্ষী ছিল না।

সহিহ বুখারী ৭১৫৪

إسحاق بن منصور أخبرنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني قال سمعت أنس بن مالك يقول لامرأة من أهله تعرفين فلانة قالت نعم قال فإن النبي صلى الله عليه وسلم مر بها وهي تبكي عند قبر فقال اتقي الله واصبري فقالت إليك عني فإنك خلو من مصيبتي قال فجاوزها ومضى فمر بها رجل فقال ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما عرفته قال إنه لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال فجاءت إلى بابه فلم تجد عليه بوابا فقالت يا رسول الله والله ما عرفتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن الصبر عند أول صدمة.

সাবিত বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে তাঁর পরিবারের একজন মহিলাকে এ মর্মে বলতে শুনেছি যে, তুমি কি অমুক মহিলাকে চেন? সে বলল,হ্যাঁ। আনাস (রাঃ) বললেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তখন একটি কবরের পাশে কাঁদছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। তখন সে বলল, আমার নিকট হতে সরে যাও, কেননা, তুমি আমার বিপদ থেকে মুক্ত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। এ সময় অপর লোক তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাকে জিজ্ঞেস করল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কি বললেন। মহিলাটি বলল, আমি তো তাঁকে চিনতে পারি নি। লোকটি বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, পরে সে (মহিলাটি) রসূলুল্লাহ্‌-এর দরজায় এল। তবে দরজায় কোন দ্বাররক্ষী দেখতে পেল না। তখন সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আপনাকে চিনতে পারি নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাতের প্রথম চোটেই ধৈর্য ধারণ করতে হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

সাবিত বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে তাঁর পরিবারের একজন মহিলাকে এ মর্মে বলতে শুনেছি যে, তুমি কি অমুক মহিলাকে চেন? সে বলল,হ্যাঁ। আনাস (রাঃ) বললেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তখন একটি কবরের পাশে কাঁদছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। তখন সে বলল, আমার নিকট হতে সরে যাও, কেননা, তুমি আমার বিপদ থেকে মুক্ত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। এ সময় অপর লোক তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাকে জিজ্ঞেস করল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কি বললেন। মহিলাটি বলল, আমি তো তাঁকে চিনতে পারি নি। লোকটি বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, পরে সে (মহিলাটি) রসূলুল্লাহ্‌-এর দরজায় এল। তবে দরজায় কোন দ্বাররক্ষী দেখতে পেল না। তখন সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আপনাকে চিনতে পারি নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাতের প্রথম চোটেই ধৈর্য ধারণ করতে হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

إسحاق بن منصور أخبرنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني قال سمعت أنس بن مالك يقول لامرأة من أهله تعرفين فلانة قالت نعم قال فإن النبي صلى الله عليه وسلم مر بها وهي تبكي عند قبر فقال اتقي الله واصبري فقالت إليك عني فإنك خلو من مصيبتي قال فجاوزها ومضى فمر بها رجل فقال ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما عرفته قال إنه لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال فجاءت إلى بابه فلم تجد عليه بوابا فقالت يا رسول الله والله ما عرفتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن الصبر عند أول صدمة.


সহিহ বুখারী > বিচারক উপরস্থ শাসনকর্তার বিনা অনুমতিতেই হত্যাযোগ্য আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে পারেন ।

সহিহ বুখারী ৭১৫৫

محمد بن خالد الذهلي حدثنا الأنصاري محمد بن عبد الله قال حدثني أبي عن ثمامة عن أنس بن مالك قال إن قيس بن سعد كان يكون بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم بمنزلة صاحب الشرط من الأمير.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, কায়স ইব্‌নু সা’দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এরূপ থাকতেন যেরূপ আমীরের (রাষ্ট্রপ্রধানের) সামনে পুলিশ প্রধান থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, কায়স ইব্‌নু সা’দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এরূপ থাকতেন যেরূপ আমীরের (রাষ্ট্রপ্রধানের) সামনে পুলিশ প্রধান থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭০)

محمد بن خالد الذهلي حدثنا الأنصاري محمد بن عبد الله قال حدثني أبي عن ثمامة عن أنس بن مالك قال إن قيس بن سعد كان يكون بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم بمنزلة صاحب الشرط من الأمير.


সহিহ বুখারী ৭১৫৬

مسدد حدثنا يحيى هو القطان عن قرة بن خالد حدثني حميد بن هلال حدثنا أبو بردة عن أبي موسى أن النبي صلى الله عليه وسلم بعثه وأتبعه بمعاذ.

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (শাসনকর্তা) পাঠালেন আর তাঁর পশ্চাতে মু’আয (রাঃ) -কেও পাঠালেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭১)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে (শাসনকর্তা) পাঠালেন আর তাঁর পশ্চাতে মু’আয (রাঃ) -কেও পাঠালেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭১)

مسدد حدثنا يحيى هو القطان عن قرة بن خالد حدثني حميد بن هلال حدثنا أبو بردة عن أبي موسى أن النبي صلى الله عليه وسلم بعثه وأتبعه بمعاذ.


সহিহ বুখারী ৭১৫৭

عبد الله بن الصباح حدثنا محبوب بن الحسن حدثنا خالد عن حميد بن هلال عن أبي بردة عن أبي موسى أن رجلا أسلم ثم تهود فأتى معاذ بن جبل وهو عند أبي موسى فقال ما لهذا قال أسلم ثم تهود قال لا أجلس حتى أقتله قضاء الله ورسوله صلى الله عليه وسلم.

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু সাব্বাহ্ (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক লোক ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার ইয়াহূদী হয়ে যায়। তার কাছে মু‘আয ইব্‌নু যাবাল (রাঃ) এলেন। তখন সে লোকটি আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে ছিল। তিনি [মু‘আয (রহঃ)] জিজ্ঞেস করলেন, এর কী হয়েছে? তিনি বললেন, ইসলাম গ্রহণ করেছিল। আবার ইয়াহূদী হয়ে গেছে। মু‘আয (রাঃ) বললেন, একে হত্যা না করে আমি বসব না। আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের (এটাই) বিধান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭১)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু সাব্বাহ্ (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক লোক ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার ইয়াহূদী হয়ে যায়। তার কাছে মু‘আয ইব্‌নু যাবাল (রাঃ) এলেন। তখন সে লোকটি আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে ছিল। তিনি [মু‘আয (রহঃ)] জিজ্ঞেস করলেন, এর কী হয়েছে? তিনি বললেন, ইসলাম গ্রহণ করেছিল। আবার ইয়াহূদী হয়ে গেছে। মু‘আয (রাঃ) বললেন, একে হত্যা না করে আমি বসব না। আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের (এটাই) বিধান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭১)

عبد الله بن الصباح حدثنا محبوب بن الحسن حدثنا خالد عن حميد بن هلال عن أبي بردة عن أبي موسى أن رجلا أسلم ثم تهود فأتى معاذ بن جبل وهو عند أبي موسى فقال ما لهذا قال أسلم ثم تهود قال لا أجلس حتى أقتله قضاء الله ورسوله صلى الله عليه وسلم.


সহিহ বুখারী > রাগের হালতে বিচারক বিচার করতে এবং মুফ্তী ফাত্ওয়া দিতে পারবেন কি?

সহিহ বুখারী ৭১৫৮

آدم حدثنا شعبة حدثنا عبد الملك بن عمير سمعت عبد الرحمن بن أبي بكرة قال كتب أبو بكرة إلى ابنه وكان بسجستان بأن لا تقضي بين اثنين وأنت غضبان فإني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لا يقضين حكم بين اثنين وهو غضبان.

আবদুর রাহমান ইব্‌নু আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আবূ বকরাহ (রাঃ) তাঁর ছেলেকে লিখে পাঠালেন- সে সময় তিনি সিজিস্তানে অবস্থান করছিলেন- যে তুমি রাগের হালতে বিবদমান দু’লোকের মাঝে ফায়সালা করো না। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক রাগের হালতে দু’জনের মধ্যে বিচার করবে না। [মুসলিম ৩০/৭, হাঃ ১৭১৭, আহমাদ ২০৪০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭২)

আবদুর রাহমান ইব্‌নু আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আবূ বকরাহ (রাঃ) তাঁর ছেলেকে লিখে পাঠালেন- সে সময় তিনি সিজিস্তানে অবস্থান করছিলেন- যে তুমি রাগের হালতে বিবদমান দু’লোকের মাঝে ফায়সালা করো না। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক রাগের হালতে দু’জনের মধ্যে বিচার করবে না। [মুসলিম ৩০/৭, হাঃ ১৭১৭, আহমাদ ২০৪০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭২)

آدم حدثنا شعبة حدثنا عبد الملك بن عمير سمعت عبد الرحمن بن أبي بكرة قال كتب أبو بكرة إلى ابنه وكان بسجستان بأن لا تقضي بين اثنين وأنت غضبان فإني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لا يقضين حكم بين اثنين وهو غضبان.


সহিহ বুখারী ৭১৫৯

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم عن أبي مسعود الأنصاري قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني والله لأ×تأخر عن صلاة الغداة من أجل فلان مما يطيل بنا فيها قال فما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم قط أشد غضبا في موعظة منه يومئذ ثم قال يا أيها الناس إن منكم منفرين فأيكم ما صلى بالناس فليوجز فإن فيهم الكبير والضعيف وذا الحاجة.

আবূ মাস‘ঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অমুক ব্যক্তির কারণে ফজরের জামা‘আতে হাজির হই না। কেননা, তিনি আমাদেরকে নিয়ে দীর্ঘ সালাত আদায় করেন। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কোন ওয়াজে সে দিনের মত বেশি রাগান্বিত হতে আর দেখিনি। এরপর তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ বিতৃষ্ণার সৃষ্টিকারী রয়েছে। অতএব তোমাদের মধ্যে যে কেউ লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করবে, সে যেন সংক্ষিপ্ত করে। কারণ, তাদের মাঝে আছে বয়স্ক, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত মানুষ।[৯০; মুসলিম ৪/৩৭, হাঃ ৪৬৬, আহমাদ ২২৪০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭৩)

আবূ মাস‘ঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অমুক ব্যক্তির কারণে ফজরের জামা‘আতে হাজির হই না। কেননা, তিনি আমাদেরকে নিয়ে দীর্ঘ সালাত আদায় করেন। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কোন ওয়াজে সে দিনের মত বেশি রাগান্বিত হতে আর দেখিনি। এরপর তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ বিতৃষ্ণার সৃষ্টিকারী রয়েছে। অতএব তোমাদের মধ্যে যে কেউ লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করবে, সে যেন সংক্ষিপ্ত করে। কারণ, তাদের মাঝে আছে বয়স্ক, দুর্বল ও কর্মব্যস্ত মানুষ।[৯০; মুসলিম ৪/৩৭, হাঃ ৪৬৬, আহমাদ ২২৪০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭৩)

محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد عن قيس بن أبي حازم عن أبي مسعود الأنصاري قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني والله لأ×تأخر عن صلاة الغداة من أجل فلان مما يطيل بنا فيها قال فما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم قط أشد غضبا في موعظة منه يومئذ ثم قال يا أيها الناس إن منكم منفرين فأيكم ما صلى بالناس فليوجز فإن فيهم الكبير والضعيف وذا الحاجة.


সহিহ বুখারী ৭১৬০

محمد بن أبي يعقوب الكرماني حدثنا حسان بن إبراهيم حدثنا يونس قال حدثنا محمد هو الزهري أخبرني سالم أن عبد الله بن عمر أخبره أنه طلق امرأته وهي حائض فذكر عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فتغيظ عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ليراجعها ثم ليمسكها حتى تطهر ثم تحيض فتطهر فإن بدا له أن يطلقها فليطلقها.

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি স্বীয় স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় ত্বালাক দিয়েছিলেন। ‘উমর (রাঃ) এ ঘটনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বর্ণনা করেন। এতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হন। এরপর তিনি বলেনঃ সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং তাকে ধরে রাখে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে পবিত্র হয়ে আবার ঋতুবতী না হয় এবং পুনরায় পবিত্র না হয়। এরপরও যদি সে তালাক দিতে চায়, তাহলে যেন তখন (পবিত্রাবস্থায়) ত্বলাক দেয়। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, যুহ্রী-ই মুহাম্মাদ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭৪)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি স্বীয় স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় ত্বালাক দিয়েছিলেন। ‘উমর (রাঃ) এ ঘটনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বর্ণনা করেন। এতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হন। এরপর তিনি বলেনঃ সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং তাকে ধরে রাখে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে পবিত্র হয়ে আবার ঋতুবতী না হয় এবং পুনরায় পবিত্র না হয়। এরপরও যদি সে তালাক দিতে চায়, তাহলে যেন তখন (পবিত্রাবস্থায়) ত্বলাক দেয়। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, যুহ্রী-ই মুহাম্মাদ। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৭৪)

محمد بن أبي يعقوب الكرماني حدثنا حسان بن إبراهيم حدثنا يونس قال حدثنا محمد هو الزهري أخبرني سالم أن عبد الله بن عمر أخبره أنه طلق امرأته وهي حائض فذكر عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فتغيظ عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ليراجعها ثم ليمسكها حتى تطهر ثم تحيض فتطهر فإن بدا له أن يطلقها فليطلقها.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00