সহিহ বুখারী > জনগণের নেতৃত্ব পাওয়ার পর তাদের কল্যাণ কামনা করা ।

সহিহ বুখারী ৭১৫০

أبو نعيم حدثنا أبو الأشهب عن الحسن أن عبيد الله بن زياد عاد معقل بن يسار في مرضه الذي مات فيه فقال له معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ما من عبد استرعاه الله رعية فلم يحطها بنصيحة إلا لم يجد رائحة الجنة.

হাসান বাস্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যিয়াদ (রহঃ) মাকিল ইব্‌নু ইয়াসারের মৃত্যুশয্যায় তাকে দেখতে গেলেন। তখন মাকিল (রাঃ) তাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করছি যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি যে, কোন বান্দাকে যদি আল্লাহ্‌ জনগণের নেতৃত্ব প্রদান করেন,আর সে কল্যাণ কামনার সঙ্গে তাদের তত্ত্বাবধান না করে, তাহলে সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবেনা। (১৭১) [মুসলিম ১/৬৩, হাঃ ১৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৫)

হাসান বাস্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যিয়াদ (রহঃ) মাকিল ইব্‌নু ইয়াসারের মৃত্যুশয্যায় তাকে দেখতে গেলেন। তখন মাকিল (রাঃ) তাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করছি যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি যে, কোন বান্দাকে যদি আল্লাহ্‌ জনগণের নেতৃত্ব প্রদান করেন,আর সে কল্যাণ কামনার সঙ্গে তাদের তত্ত্বাবধান না করে, তাহলে সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবেনা। (১৭১) [মুসলিম ১/৬৩, হাঃ ১৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৫)

أبو نعيم حدثنا أبو الأشهب عن الحسن أن عبيد الله بن زياد عاد معقل بن يسار في مرضه الذي مات فيه فقال له معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ما من عبد استرعاه الله رعية فلم يحطها بنصيحة إلا لم يجد رائحة الجنة.


সহিহ বুখারী ৭১৫১

إسحاق بن منصور أخبرنا حسين الجعفي قال زائدة ذكره عن هشام عن الحسن قال أتينا معقل بن يسار نعوده فدخل علينا عبيد الله فقال له معقل أحدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما من وال يلي رعية من المسلمين فيموت وهو غاش لهم إلا حرم الله عليه الجنة.

হাসান বাস্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মা’কিল ইব্‌নু ইয়াসারের কাছে তার সেবা-শুশ্রূষার জন্য আসলাম। এ সময় ‘উবাইদুল্লাহ্‌ প্রবেশ করল। তখন মাকিল (রাঃ) বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করে শোনাবো যা আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি মুসলিম জনসাধারণের দায়িত্ব লাভ করল আর তার মৃত্যু হল এই হালতে যে, সে ছিল খিয়ানাতকারী, তাহলে আল্লাহ্‌ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।[মুসলিম ১/৬৩, হাঃ ১৪২, আহমাদ ২০১৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৬)

হাসান বাস্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মা’কিল ইব্‌নু ইয়াসারের কাছে তার সেবা-শুশ্রূষার জন্য আসলাম। এ সময় ‘উবাইদুল্লাহ্‌ প্রবেশ করল। তখন মাকিল (রাঃ) বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি হাদিস বর্ণনা করে শোনাবো যা আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি মুসলিম জনসাধারণের দায়িত্ব লাভ করল আর তার মৃত্যু হল এই হালতে যে, সে ছিল খিয়ানাতকারী, তাহলে আল্লাহ্‌ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।[মুসলিম ১/৬৩, হাঃ ১৪২, আহমাদ ২০১৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৬)

إسحاق بن منصور أخبرنا حسين الجعفي قال زائدة ذكره عن هشام عن الحسن قال أتينا معقل بن يسار نعوده فدخل علينا عبيد الله فقال له معقل أحدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما من وال يلي رعية من المسلمين فيموت وهو غاش لهم إلا حرم الله عليه الجنة.


সহিহ বুখারী > যে কঠোর ব্যবহার করবে আল্লাহ্‌ও তার প্রতি কঠোর ব্যবহার করবেন

সহিহ বুখারী ৭১৫২

إسحاق الواسطي حدثنا خالد عن الجريري عن طريف أبي تميمة قال شهدت صفوان وجندبا وأصحابه وهو يوصيهم فقالوا هل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا قال سمعته يقول من سمع سمع الله به يوم القيامة قال ومن يشاقق يشقق الله عليه يوم القيامة فقالوا أوصنا فقال إن أول ما ينتن من الإنسان بطنه فمن استطاع أن لا يأكل إلا طيبا فليفعل ومن استطاع أن لا يحال بينه وبين الجنة بملء كفه من دم أهراقه فليفعل قلت لأبي عبد الله من يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم جندب قال نعم جندب.

তারীফ আবূ তামীমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান (রহঃ), জুনদাব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের কাছে ছিলাম। তখন তিনি তাঁদের নাসীহাত করছিলেন। তাঁরা জিজ্ঞেস করল, আপনি কি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -থেকে কোন কথা শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, যারা মানুষকে শোনাবার জন্য কোন কাজ করে, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তার এ কথা শুনিয়ে দেবেন। আর যারা অন্যের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করে, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা তার প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করবেন। তাঁরা পুনরায় বলল, আমাদেরকে কিছু নাসীহাত করুন। তিনি বললেন, মানুষের দেহের যে অংশ প্রথম দুর্গন্ধময় হবে, তা হল তার পেট। কাজেই যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে যে একমাত্র পবিত্র (হালাল) খাদ্য ব্যতীত আর কিছু সে আহার করবে না, সে যেন তাই করতে চেষ্টা করে। আর যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে যে এক আঁজলা পরিমাণ রক্তপাত ঘটিয়ে তার ও জান্নাতের মাঝে বাধা সৃষ্টি করবে না, সে যেন অবশ্যই তা করে। [ইমাম বুখারী (রহঃ)-এর ছাত্র ফেরাবরী] বলেন, আমি আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) (ইমাম বুখারী) –কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমি শুনেছি -এ কথা কি জুন্‌দাব বলেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জুনদাবই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৭)

তারীফ আবূ তামীমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান (রহঃ), জুনদাব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের কাছে ছিলাম। তখন তিনি তাঁদের নাসীহাত করছিলেন। তাঁরা জিজ্ঞেস করল, আপনি কি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -থেকে কোন কথা শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, যারা মানুষকে শোনাবার জন্য কোন কাজ করে, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তার এ কথা শুনিয়ে দেবেন। আর যারা অন্যের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করে, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা তার প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করবেন। তাঁরা পুনরায় বলল, আমাদেরকে কিছু নাসীহাত করুন। তিনি বললেন, মানুষের দেহের যে অংশ প্রথম দুর্গন্ধময় হবে, তা হল তার পেট। কাজেই যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে যে একমাত্র পবিত্র (হালাল) খাদ্য ব্যতীত আর কিছু সে আহার করবে না, সে যেন তাই করতে চেষ্টা করে। আর যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে যে এক আঁজলা পরিমাণ রক্তপাত ঘটিয়ে তার ও জান্নাতের মাঝে বাধা সৃষ্টি করবে না, সে যেন অবশ্যই তা করে। [ইমাম বুখারী (রহঃ)-এর ছাত্র ফেরাবরী] বলেন, আমি আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) (ইমাম বুখারী) –কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমি শুনেছি -এ কথা কি জুন্‌দাব বলেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জুনদাবই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৭)

إسحاق الواسطي حدثنا خالد عن الجريري عن طريف أبي تميمة قال شهدت صفوان وجندبا وأصحابه وهو يوصيهم فقالوا هل سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا قال سمعته يقول من سمع سمع الله به يوم القيامة قال ومن يشاقق يشقق الله عليه يوم القيامة فقالوا أوصنا فقال إن أول ما ينتن من الإنسان بطنه فمن استطاع أن لا يأكل إلا طيبا فليفعل ومن استطاع أن لا يحال بينه وبين الجنة بملء كفه من دم أهراقه فليفعل قلت لأبي عبد الله من يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم جندب قال نعم جندب.


সহিহ বুখারী > রাস্তায় বিচার করা কিংবা ফাত্‌ওয়া দেয়া ।

সহিহ বুখারী ৭১৫৩

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، حدثنا أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال بينما أنا والنبي، صلى الله عليه وسلم خارجان من المسجد فلقينا رجل عند سدة المسجد فقال يا رسول الله متى الساعة قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أعددت لها ‏"‏ فكأن الرجل استكان ثم قال يا رسول الله ما أعددت لها كبير صيام ولا صلاة ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله‏.‏ قال ‏"‏ أنت مع من أحببت ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’জনে মাসজিদ থেকে বের হচ্ছিলাম। এমন সময় এক লোক মাসজিদের আঙ্গিনায় আমাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? এতে লোকটি যেন কিছুটা লজ্জিত হল। তারপর বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সওম, সালাত, সদকাহ খুব একটা তার জন্য করতে পারিনি। তবে আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালোবাস (ক্বিয়ামাতে) তার সঙ্গেই থাকবে। (১৭২)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’জনে মাসজিদ থেকে বের হচ্ছিলাম। এমন সময় এক লোক মাসজিদের আঙ্গিনায় আমাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? এতে লোকটি যেন কিছুটা লজ্জিত হল। তারপর বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সওম, সালাত, সদকাহ খুব একটা তার জন্য করতে পারিনি। তবে আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালোবাস (ক্বিয়ামাতে) তার সঙ্গেই থাকবে। (১৭২)(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، حدثنا أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال بينما أنا والنبي، صلى الله عليه وسلم خارجان من المسجد فلقينا رجل عند سدة المسجد فقال يا رسول الله متى الساعة قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أعددت لها ‏"‏ فكأن الرجل استكان ثم قال يا رسول الله ما أعددت لها كبير صيام ولا صلاة ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله‏.‏ قال ‏"‏ أنت مع من أحببت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > উল্লেখ্য আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন দ্বাররক্ষী ছিল না।

সহিহ বুখারী ৭১৫৪

إسحاق بن منصور أخبرنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني قال سمعت أنس بن مالك يقول لامرأة من أهله تعرفين فلانة قالت نعم قال فإن النبي صلى الله عليه وسلم مر بها وهي تبكي عند قبر فقال اتقي الله واصبري فقالت إليك عني فإنك خلو من مصيبتي قال فجاوزها ومضى فمر بها رجل فقال ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما عرفته قال إنه لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال فجاءت إلى بابه فلم تجد عليه بوابا فقالت يا رسول الله والله ما عرفتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن الصبر عند أول صدمة.

সাবিত বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে তাঁর পরিবারের একজন মহিলাকে এ মর্মে বলতে শুনেছি যে, তুমি কি অমুক মহিলাকে চেন? সে বলল,হ্যাঁ। আনাস (রাঃ) বললেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তখন একটি কবরের পাশে কাঁদছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। তখন সে বলল, আমার নিকট হতে সরে যাও, কেননা, তুমি আমার বিপদ থেকে মুক্ত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। এ সময় অপর লোক তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাকে জিজ্ঞেস করল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কি বললেন। মহিলাটি বলল, আমি তো তাঁকে চিনতে পারি নি। লোকটি বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, পরে সে (মহিলাটি) রসূলুল্লাহ্‌-এর দরজায় এল। তবে দরজায় কোন দ্বাররক্ষী দেখতে পেল না। তখন সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আপনাকে চিনতে পারি নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাতের প্রথম চোটেই ধৈর্য ধারণ করতে হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

সাবিত বুনানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) -কে তাঁর পরিবারের একজন মহিলাকে এ মর্মে বলতে শুনেছি যে, তুমি কি অমুক মহিলাকে চেন? সে বলল,হ্যাঁ। আনাস (রাঃ) বললেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তখন একটি কবরের পাশে কাঁদছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। তখন সে বলল, আমার নিকট হতে সরে যাও, কেননা, তুমি আমার বিপদ থেকে মুক্ত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে অতিক্রম করে চলে গেলেন। এ সময় অপর লোক তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাকে জিজ্ঞেস করল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কি বললেন। মহিলাটি বলল, আমি তো তাঁকে চিনতে পারি নি। লোকটি বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি বললেন, পরে সে (মহিলাটি) রসূলুল্লাহ্‌-এর দরজায় এল। তবে দরজায় কোন দ্বাররক্ষী দেখতে পেল না। তখন সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আপনাকে চিনতে পারি নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আঘাতের প্রথম চোটেই ধৈর্য ধারণ করতে হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৬৮)

إسحاق بن منصور أخبرنا عبد الصمد حدثنا شعبة حدثنا ثابت البناني قال سمعت أنس بن مالك يقول لامرأة من أهله تعرفين فلانة قالت نعم قال فإن النبي صلى الله عليه وسلم مر بها وهي تبكي عند قبر فقال اتقي الله واصبري فقالت إليك عني فإنك خلو من مصيبتي قال فجاوزها ومضى فمر بها رجل فقال ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما عرفته قال إنه لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال فجاءت إلى بابه فلم تجد عليه بوابا فقالت يا رسول الله والله ما عرفتك فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن الصبر عند أول صدمة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00