সহিহ বুখারী > সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে।
সহিহ বুখারী ৭০৯৯
عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن الحسن عن أبي بكرة قال لقد نفعني الله بكلمة أيام الجمل لما بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة.
আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যখন এ খবর পৌছল যে, পারস্যের লোকেরা কিস্রার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। [১৬০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)
আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যখন এ খবর পৌছল যে, পারস্যের লোকেরা কিস্রার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। [১৬০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)
عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن الحسن عن أبي بكرة قال لقد نفعني الله بكلمة أيام الجمل لما بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة.
সহিহ বুখারী ৭১০১
أبو نعيم حدثنا ابن أبي غنية عن الحكم عن أبي وائل قام عمار على منبر الكوفة فذكر عائشة وذكر مسيرها وقال إنها زوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكنها مما ابتليتم.
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আম্মার (রাঃ) কূফার (মাসজিদের) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) - ও তাঁর সফরের কথা উল্লেখ্য করলেন। এরপর তিনি বললেন, তিনি (‘আয়িশাহ (রাঃ)) দুনিয়া ও আখিরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু বর্তমানে তোমরা তাঁকে নিয়ে ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২০)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আম্মার (রাঃ) কূফার (মাসজিদের) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) - ও তাঁর সফরের কথা উল্লেখ্য করলেন। এরপর তিনি বললেন, তিনি (‘আয়িশাহ (রাঃ)) দুনিয়া ও আখিরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু বর্তমানে তোমরা তাঁকে নিয়ে ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২০)
أبو نعيم حدثنا ابن أبي غنية عن الحكم عن أبي وائل قام عمار على منبر الكوفة فذكر عائشة وذكر مسيرها وقال إنها زوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكنها مما ابتليتم.
সহিহ বুখারী ৭১০০
عبد الله بن محمد حدثنا يحيى بن آدم حدثنا أبو بكر بن عياش حدثنا أبو حصين حدثنا أبو مريم عبد الله بن زياد الأسدي قال لما سار طلحة والزبير وعائشة إلى البصرة بعث علي عمار بن ياسر وحسن بن علي فقدما علينا الكوفة فصعدا المنبر فكان الحسن بن علي فوق المنبر في أعلاه وقام عمار أسفل من الحسن فاجتمعنا إليه فسمعت عمارا يقول إن عائشة قد سارت إلى البصرة و والله إنها لزوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكن الله تبارك وتعالى ابتلاكم ليعلم إياه تطيعون أم هي.
আবূ মারইয়াম ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু যিয়াদ আসাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ত্বলহা, যুবায়র ও ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন বসরার দিকে গেলেন, তখন ‘আলী (রাঃ) আম্মার ইব্নু ইয়াসির ও হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) - কে পাঠালেন। তাঁরা আমাদের কুফায় আসলেন এবং (মাসজিদের) মিম্বরে উপবেশন করলেন। হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) মিম্বারের সর্বোচ্চ ধাপে উপবিষ্ট ছিলেন, আর আম্মার (রাঃ) হাসান (রাঃ)-এর নিচের ধাপে দন্ডায়মান ছিলেন। আমরা এসে তাঁর নিকট জড় হলাম। এ সময় আমি শোনলাম, আম্মার (রাঃ) বলেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বস্রার দিকে রওনা হয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের (আমাদের) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু আল্লাহ্ এ কথা স্পষ্ট করে জেনে নেয়ার জন্য তোমাদের পরীক্ষায় ফেলেছেন যে, তোমরা কি তাঁরই আনুগত্য কর, না তাঁর (অর্থাৎ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর) আনুগত্য কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৯)
আবূ মারইয়াম ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু যিয়াদ আসাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ত্বলহা, যুবায়র ও ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন বসরার দিকে গেলেন, তখন ‘আলী (রাঃ) আম্মার ইব্নু ইয়াসির ও হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) - কে পাঠালেন। তাঁরা আমাদের কুফায় আসলেন এবং (মাসজিদের) মিম্বরে উপবেশন করলেন। হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) মিম্বারের সর্বোচ্চ ধাপে উপবিষ্ট ছিলেন, আর আম্মার (রাঃ) হাসান (রাঃ)-এর নিচের ধাপে দন্ডায়মান ছিলেন। আমরা এসে তাঁর নিকট জড় হলাম। এ সময় আমি শোনলাম, আম্মার (রাঃ) বলেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বস্রার দিকে রওনা হয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের (আমাদের) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু আল্লাহ্ এ কথা স্পষ্ট করে জেনে নেয়ার জন্য তোমাদের পরীক্ষায় ফেলেছেন যে, তোমরা কি তাঁরই আনুগত্য কর, না তাঁর (অর্থাৎ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর) আনুগত্য কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৯)
عبد الله بن محمد حدثنا يحيى بن آدم حدثنا أبو بكر بن عياش حدثنا أبو حصين حدثنا أبو مريم عبد الله بن زياد الأسدي قال لما سار طلحة والزبير وعائشة إلى البصرة بعث علي عمار بن ياسر وحسن بن علي فقدما علينا الكوفة فصعدا المنبر فكان الحسن بن علي فوق المنبر في أعلاه وقام عمار أسفل من الحسن فاجتمعنا إليه فسمعت عمارا يقول إن عائشة قد سارت إلى البصرة و والله إنها لزوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكن الله تبارك وتعالى ابتلاكم ليعلم إياه تطيعون أم هي.
সহিহ বুখারী ৭১০২
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
সহিহ বুখারী ৭১০৩
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
সহিহ বুখারী ৭১০৪
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)
حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.
সহিহ বুখারী ৭১০৫
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
সহিহ বুখারী ৭১০৬
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
সহিহ বুখারী ৭১০৭
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
শাক্বীক্ব ইব্নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)
حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.
সহিহ বুখারী > যখন আল্লাহ্ কোন সম্প্রদায়-এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন ।
সহিহ বুখারী ৭১০৮
عبد الله بن عثمان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري أخبرني حمزة بن عبد الله بن عمر أنه سمع ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أنزل الله بقوم عذابا أصاب العذاب من كان فيهم ثم بعثوا على أعمالهم.
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্ কোন কাওমের এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী উঠানো হবে। [১৬১] [মুসলিম ৫১/১৯, হাঃ ২৮৭৯, আহমাদ ৪৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৩)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্ কোন কাওমের এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী উঠানো হবে। [১৬১] [মুসলিম ৫১/১৯, হাঃ ২৮৭৯, আহমাদ ৪৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৩)
عبد الله بن عثمان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري أخبرني حمزة بن عبد الله بن عمر أنه سمع ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أنزل الله بقوم عذابا أصاب العذاب من كان فيهم ثم بعثوا على أعمالهم.
সহিহ বুখারী > হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর উক্তিঃ অবশ্যই আমার এ দৌহিত্র সরদার। আর সম্ভবত আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর মাধ্যমে মুসলিমদের দু’টি দলের মধ্যে মীমাংসা করে দিবেন।
সহিহ বুখারী ৭১১০
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال قال عمرو أخبرني محمد بن علي أن حرملة مولى أسامة أخبره قال عمرو قد رأيت حرملة قال أرسلني أسامة إلى علي وقال إنه سيسألك الآن فيقول ما خلف صاحبك فقل له يقول لك لو كنت في شدق الأسد لأحببت أن أكون معك فيه ولكن هذا أمر لم أره فلم يعطني شيئا فذهبت إلى حسن وحسين وابن جعفر فأوقروا لي راحلتي.
উসামাহ (রাঃ)-এর গোলাম হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) আমাকে’ ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন। আর তিনি বলে দিলেন যে, সেখানে যাওয়ার পরই (‘আলী (রাঃ)) তোমাকে জিজ্ঞেস করবেন যে, তোমার সাথীকে (আমার সহযোগিতা থেকে) কিসে ফিরিয়ে রেখেছে? তুমি তাঁকে বলবে, তিনি আপনার কাছে এ কথা বলে পাঠিয়েছেন যে, যদি আপনি সিংহের মুখে পড়েন, তবুও আমি আপনার সঙ্গে সেখানে থাকাকে ভাল মনে করব। তবে এ বিষয়টি (অর্থাৎ মুসলিমদের মধ্যে) আমি ভাল মনে করছি না। (হারমালাহ বলেন) তিনি (‘আলী (রাঃ)) আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি হাসান, হুসাইন ও ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু জা’ফর (রাঃ)-এর কাছ গেলাম। তাঁরা আমার বাহন বোঝাই করে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৫)
উসামাহ (রাঃ)-এর গোলাম হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) আমাকে’ ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন। আর তিনি বলে দিলেন যে, সেখানে যাওয়ার পরই (‘আলী (রাঃ)) তোমাকে জিজ্ঞেস করবেন যে, তোমার সাথীকে (আমার সহযোগিতা থেকে) কিসে ফিরিয়ে রেখেছে? তুমি তাঁকে বলবে, তিনি আপনার কাছে এ কথা বলে পাঠিয়েছেন যে, যদি আপনি সিংহের মুখে পড়েন, তবুও আমি আপনার সঙ্গে সেখানে থাকাকে ভাল মনে করব। তবে এ বিষয়টি (অর্থাৎ মুসলিমদের মধ্যে) আমি ভাল মনে করছি না। (হারমালাহ বলেন) তিনি (‘আলী (রাঃ)) আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি হাসান, হুসাইন ও ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু জা’ফর (রাঃ)-এর কাছ গেলাম। তাঁরা আমার বাহন বোঝাই করে দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৫)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان قال قال عمرو أخبرني محمد بن علي أن حرملة مولى أسامة أخبره قال عمرو قد رأيت حرملة قال أرسلني أسامة إلى علي وقال إنه سيسألك الآن فيقول ما خلف صاحبك فقل له يقول لك لو كنت في شدق الأسد لأحببت أن أكون معك فيه ولكن هذا أمر لم أره فلم يعطني شيئا فذهبت إلى حسن وحسين وابن جعفر فأوقروا لي راحلتي.
সহিহ বুখারী ৭১০৯
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا إسرائيل أبو موسى ولقيته بالكوفة وجاء إلى ابن شبرمة فقال أدخلني على عيسى فأعظه فكأن ابن شبرمة خاف عليه فلم يفعل قال حدثنا الحسن قال لما سار الحسن بن علي إلى معاوية بالكتائب قال عمرو بن العاص لمعاوية أرى كتيبة لا تولي حتى تدبر أخراها قال معاوية من لذراري المسلمين فقال أنا فقال عبد الله بن عامر وعبد الرحمن بن سمرة نلقاه فنقول له الصلح قال الحسن ولقد سمعت أبا بكرة قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يخطب جاء الحسن فقال النبي صلى الله عليه وسلم ابني هذا سيد ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين.
হাসান বস্রী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সেনাবাহিনী নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রওনা হলেন, তখন ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) - কে বললেন, আমি এমন এক সেনাবাহিনী দেখছি, যারা বিপক্ষকে না ফিরিয়ে যাবে না। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) বললেন, তাহলে মুসলিমদের সন্তান-সন্ততির দেখাশুনা কে করবে? ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি। এ সময় ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আমির (রাঃ) ও ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করব এবং তাঁকে সন্ধির কথা বলব। হাসান বস্রী (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিচ্ছিলেন। এমন সময় হাসান (রাঃ) আসলেন। তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে দেখে) বললেনঃ আমার এ দৌহিত্র সরদার আর সম্ভবত আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মাধ্যমে মুসলিমদের দু‘টি দলের মাঝে মীমাংসা করে দিবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৪)
হাসান বস্রী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সেনাবাহিনী নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) এর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রওনা হলেন, তখন ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) মু‘আবিয়াহ (রাঃ) - কে বললেন, আমি এমন এক সেনাবাহিনী দেখছি, যারা বিপক্ষকে না ফিরিয়ে যাবে না। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) বললেন, তাহলে মুসলিমদের সন্তান-সন্ততির দেখাশুনা কে করবে? ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি। এ সময় ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আমির (রাঃ) ও ‘আবদুর রহমান ইব্নু সামুরাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর সঙ্গে দেখা করব এবং তাঁকে সন্ধির কথা বলব। হাসান বস্রী (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিচ্ছিলেন। এমন সময় হাসান (রাঃ) আসলেন। তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে দেখে) বললেনঃ আমার এ দৌহিত্র সরদার আর সম্ভবত আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মাধ্যমে মুসলিমদের দু‘টি দলের মাঝে মীমাংসা করে দিবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৪)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا إسرائيل أبو موسى ولقيته بالكوفة وجاء إلى ابن شبرمة فقال أدخلني على عيسى فأعظه فكأن ابن شبرمة خاف عليه فلم يفعل قال حدثنا الحسن قال لما سار الحسن بن علي إلى معاوية بالكتائب قال عمرو بن العاص لمعاوية أرى كتيبة لا تولي حتى تدبر أخراها قال معاوية من لذراري المسلمين فقال أنا فقال عبد الله بن عامر وعبد الرحمن بن سمرة نلقاه فنقول له الصلح قال الحسن ولقد سمعت أبا بكرة قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يخطب جاء الحسن فقال النبي صلى الله عليه وسلم ابني هذا سيد ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين.
সহিহ বুখারী > যখন কেউ কোন সম্প্রদায়ের কাছে কিছু বলে অতঃপর বেরিয়ে এসে উল্টো কথা বলে।
সহিহ বুখারী ৭১১৩
آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة عن واصل الأحدب عن أبي وائل عن حذيفة بن اليمان قال إن المنافقين اليوم شر منهم على عهد النبي صلى الله عليه وسلم كانوا يومئذ يسرون واليوم يجهرون.
হুযাইফাহ ইব্নু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বর্তমান কালের মুনাফিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কালের মুনাফিকদের চেয়েও জঘন্য। কেননা, সে কালে তারা (মুনাফিকী) করত গোপনে আর আজ করে প্রকাশ্যে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৮)
হুযাইফাহ ইব্নু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বর্তমান কালের মুনাফিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কালের মুনাফিকদের চেয়েও জঘন্য। কেননা, সে কালে তারা (মুনাফিকী) করত গোপনে আর আজ করে প্রকাশ্যে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৮)
آدم بن أبي إياس حدثنا شعبة عن واصل الأحدب عن أبي وائل عن حذيفة بن اليمان قال إن المنافقين اليوم شر منهم على عهد النبي صلى الله عليه وسلم كانوا يومئذ يسرون واليوم يجهرون.
সহিহ বুখারী ৭১১৪
خلاد حدثنا مسعر عن حبيب بن أبي ثابت عن أبي الشعثاء عن حذيفة قال إنما كان النفاق على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فأما اليوم فإنما هو الكفر بعد الإيمان.
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নিফাক বস্তুত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে ছিল। আর এখন হল তা ঈমান গ্রহণের পর কুফরী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৯)
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নিফাক বস্তুত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে ছিল। আর এখন হল তা ঈমান গ্রহণের পর কুফরী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৯)
خلاد حدثنا مسعر عن حبيب بن أبي ثابت عن أبي الشعثاء عن حذيفة قال إنما كان النفاق على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فأما اليوم فإنما هو الكفر بعد الإيمان.
সহিহ বুখারী ৭১১১
سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن نافع قال لما خلع أهل المدينة يزيد بن معاوية جمع ابن عمر حشمه وولده فقال إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ينصب لكل غادر لواء يوم القيامة وإنا قد بايعنا هذا الرجل على بيع الله ورسوله وإني لا أعلم غدرا أعظم من أن يبايع رجل على بيع الله ورسوله ثم ينصب له القتال وإني لا أعلم أحدا منكم خلعه ولا بايع في هذا الأمر إلا كانت الفيصل بيني وبينه.
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মাদীনার লোকেরা ইয়াযীদ ইব্নু মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর বাই‘আত ভঙ্গ করল, তখন ইব্নু ‘উমার (রাঃ) তাঁর বিশেষ ভক্তবৃন্দ ও সন্তানদের একত্রিত করলেন এবং বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে ঝান্ডা (পতাকা) উঠানো হবে। আর আমরা এ লোকটির (ইয়াযীদের) প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের বর্ণিত শর্তানুযায়ী বাই‘আত গ্রহণ করেছি। বস্তুত কোন একজন লোকের প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের দেয়া শর্ত মুতাবিক বাই‘আত গ্রহণ করার পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে বড় কোন বিশ্বাসঘাতকতা আছে বলে জানি না। ইয়াযীদের বাই‘আত ভঙ্গ করেছে, কিংবা তার আনুগত্য করছে না আমি যেন কারো সম্পর্কে জানতে না পাই। তা না হলে তার ও আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৬)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মাদীনার লোকেরা ইয়াযীদ ইব্নু মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর বাই‘আত ভঙ্গ করল, তখন ইব্নু ‘উমার (রাঃ) তাঁর বিশেষ ভক্তবৃন্দ ও সন্তানদের একত্রিত করলেন এবং বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে ঝান্ডা (পতাকা) উঠানো হবে। আর আমরা এ লোকটির (ইয়াযীদের) প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের বর্ণিত শর্তানুযায়ী বাই‘আত গ্রহণ করেছি। বস্তুত কোন একজন লোকের প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের দেয়া শর্ত মুতাবিক বাই‘আত গ্রহণ করার পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে বড় কোন বিশ্বাসঘাতকতা আছে বলে জানি না। ইয়াযীদের বাই‘আত ভঙ্গ করেছে, কিংবা তার আনুগত্য করছে না আমি যেন কারো সম্পর্কে জানতে না পাই। তা না হলে তার ও আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৬)
سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن نافع قال لما خلع أهل المدينة يزيد بن معاوية جمع ابن عمر حشمه وولده فقال إني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ينصب لكل غادر لواء يوم القيامة وإنا قد بايعنا هذا الرجل على بيع الله ورسوله وإني لا أعلم غدرا أعظم من أن يبايع رجل على بيع الله ورسوله ثم ينصب له القتال وإني لا أعلم أحدا منكم خلعه ولا بايع في هذا الأمر إلا كانت الفيصل بيني وبينه.
সহিহ বুখারী ৭১১২
أحمد بن يونس حدثنا أبو شهاب عن عوف عن أبي المنهال قال لما كان ابن زياد ومروان بالشأم ووثب ابن الزبير بمكة ووثب القراء بالبصرة فانطلقت مع أبي إلى أبي برزة الأسلمي حتى دخلنا عليه في داره وهو جالس في ظل علية له من قصب فجلسنا إليه فأنشأ أبي يستطعمه الحديث فقال يا أبا برزة ألا ترى ما وقع فيه الناس فأول شيء سمعته تكلم به إني احتسبت عند الله أني أصبحت ساخطا على أحياء قريش إنكم يا معشر العرب كنتم على الحال الذي علمتم من الذلة والقلة والضلالة وإن الله أنقذكم بالإسلام وبمحمد صلى الله عليه وسلم حتى بلغ بكم ما ترون وهذه الدنيا التي أفسدت بينكم إن ذاك الذي بالشأم والله إن يقاتل إلا على الدنيا وإن هؤلاء الذين بين أظهركم والله إن يقاتلون إلا على الدنيا وإن ذاك الذي بمكة والله إن يقاتل إلا على الدنيا.
আবু মিনহাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু যিয়াদ ও মারওয়ান যখন সিরিয়ার শাসনকর্তা নিযুক্ত ছিলেন এবং ইব্নু যুবায়র (রাঃ) মক্কার শাসন ক্ষমতা দখল করেন, আর ক্বারী নামধারীরা (খারেজীরা) বসরায় ক্ষমতায় চেপে বসল, তখন একদিন আমি আমার পিতার সাথে আবূ বারযা আসলামী (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে রওনা করে আমরা তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি তাঁর বাঁশের তৈরি ঘরের ছায়ায় উপবিষ্ট ছিলেন। আমরা তাঁর কাছে বসলাম। আমার পিতা তাঁর নিকট হতে কিছু হাদীস শুনতে চাইলেন। পিতা বললেন, হে আবূ বারযা! লোকেরা কী ভীষণ বিপদে পড়েছে তা কি আপনি দেখছেন না? সর্বপ্রথম যে কথাটি তাঁকে বলতে শুনলাম তা হল, আমি যে কুরাইশের গোত্রগুলোর প্রতি বিরূপ ভাব পোষণ করি, এজন্য আল্লাহ্র কাছে অবশ্যই সওয়াবের আশা করি। হে আরববাসীরা! তোমরা যে কেমন ভ্রষ্টতা, অভাব-অনটন ও লাঞ্ছনার মধ্যে ছিলে তা তোমরা জান। মহান আল্লাহ্ তা’আলা ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাধ্যমে সে অবস্থা থেকে মুক্ত করে তোমাদের বর্তমান অবস্থায় পৌঁছিয়েছেন, যা তোমরা দেখছ। আর এ পার্থিব দুনিয়াই তোমাদের মাঝে গোলযোগের সৃষ্টি করেছে। ঐ যে লোকটা সিরিয়ায় (ক্ষমতা বসে আছে) আছে, আল্লাহ্র কসম! কেবল পার্থিব স্বার্থ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে সে লড়াই করেনি। [১৬২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৭)
আবু মিনহাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু যিয়াদ ও মারওয়ান যখন সিরিয়ার শাসনকর্তা নিযুক্ত ছিলেন এবং ইব্নু যুবায়র (রাঃ) মক্কার শাসন ক্ষমতা দখল করেন, আর ক্বারী নামধারীরা (খারেজীরা) বসরায় ক্ষমতায় চেপে বসল, তখন একদিন আমি আমার পিতার সাথে আবূ বারযা আসলামী (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে রওনা করে আমরা তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি তাঁর বাঁশের তৈরি ঘরের ছায়ায় উপবিষ্ট ছিলেন। আমরা তাঁর কাছে বসলাম। আমার পিতা তাঁর নিকট হতে কিছু হাদীস শুনতে চাইলেন। পিতা বললেন, হে আবূ বারযা! লোকেরা কী ভীষণ বিপদে পড়েছে তা কি আপনি দেখছেন না? সর্বপ্রথম যে কথাটি তাঁকে বলতে শুনলাম তা হল, আমি যে কুরাইশের গোত্রগুলোর প্রতি বিরূপ ভাব পোষণ করি, এজন্য আল্লাহ্র কাছে অবশ্যই সওয়াবের আশা করি। হে আরববাসীরা! তোমরা যে কেমন ভ্রষ্টতা, অভাব-অনটন ও লাঞ্ছনার মধ্যে ছিলে তা তোমরা জান। মহান আল্লাহ্ তা’আলা ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাধ্যমে সে অবস্থা থেকে মুক্ত করে তোমাদের বর্তমান অবস্থায় পৌঁছিয়েছেন, যা তোমরা দেখছ। আর এ পার্থিব দুনিয়াই তোমাদের মাঝে গোলযোগের সৃষ্টি করেছে। ঐ যে লোকটা সিরিয়ায় (ক্ষমতা বসে আছে) আছে, আল্লাহ্র কসম! কেবল পার্থিব স্বার্থ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে সে লড়াই করেনি। [১৬২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৭)
أحمد بن يونس حدثنا أبو شهاب عن عوف عن أبي المنهال قال لما كان ابن زياد ومروان بالشأم ووثب ابن الزبير بمكة ووثب القراء بالبصرة فانطلقت مع أبي إلى أبي برزة الأسلمي حتى دخلنا عليه في داره وهو جالس في ظل علية له من قصب فجلسنا إليه فأنشأ أبي يستطعمه الحديث فقال يا أبا برزة ألا ترى ما وقع فيه الناس فأول شيء سمعته تكلم به إني احتسبت عند الله أني أصبحت ساخطا على أحياء قريش إنكم يا معشر العرب كنتم على الحال الذي علمتم من الذلة والقلة والضلالة وإن الله أنقذكم بالإسلام وبمحمد صلى الله عليه وسلم حتى بلغ بكم ما ترون وهذه الدنيا التي أفسدت بينكم إن ذاك الذي بالشأم والله إن يقاتل إلا على الدنيا وإن هؤلاء الذين بين أظهركم والله إن يقاتلون إلا على الدنيا وإن ذاك الذي بمكة والله إن يقاتل إلا على الدنيا.