সহিহ বুখারী > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী ফিতনা পূর্ব দিক থেকে শুরু হবে ।

সহিহ বুখারী ৭০৯২

عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف عن معمر عن الزهري عن سالم عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قام إلى جنب المنبر فقال الفتنة ها هنا الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان أو قال قرن الشمس.

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু্ ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু্ ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ ফিত্‌না এ দিকে, ফিত্‌না সে দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। কিংবা বলেছিলেনঃ সূর্যের মাথা উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৪৯৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১১)

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু্ ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিমের পিতা ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু্ ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একবার তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেনঃ ফিত্‌না এ দিকে, ফিত্‌না সে দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে। কিংবা বলেছিলেনঃ সূর্যের মাথা উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৪৯৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১১)

عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف عن معمر عن الزهري عن سالم عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قام إلى جنب المنبر فقال الفتنة ها هنا الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان أو قال قرن الشمس.


সহিহ বুখারী ৭০৯৩

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن نافع عن ابن عمر أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مستقبل المشرق يقول ألا إن الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিত্‌না সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১২)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে পূর্ব দিকে মুখ করে বলতে শুনেছেন, সাবধান! ফিত্‌না সে দিকে যে দিক থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। [৩১০৪; মুসলিম ৫২/১৬, হাঃ ২৯০৫, আহমাদ ৫৪১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১২)

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن نافع عن ابن عمر أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مستقبل المشرق يقول ألا إن الفتنة ها هنا من حيث يطلع قرن الشيطان.


সহিহ বুখারী ৭০৯৪

علي بن عبد الله حدثنا أزهر بن سعد عن ابن عون عن نافع عن ابن عمر قال ذكر النبي صلى الله عليه وسلم اللهم بارك لنا في شأمنا اللهم بارك لنا في يمننا قالوا يا رسول الله وفي نجدنا قال اللهم بارك لنا في شأمنا اللهم بارك لنا في يمننا قالوا يا رسول الله وفي نجدنا فأظنه قال في الثالثة هناك الزلازل والفتن وبها يطلع قرن الشيطان.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বারকাত দাও। লোকেরা বলল আমাদের নজদেও। তিনি বললেন হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিত্‌না। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে। [১৫৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৩)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বারকাত দাও। লোকেরা বলল আমাদের নজদেও। তিনি বললেন হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিত্‌না। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে। [১৫৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৩)

علي بن عبد الله حدثنا أزهر بن سعد عن ابن عون عن نافع عن ابن عمر قال ذكر النبي صلى الله عليه وسلم اللهم بارك لنا في شأمنا اللهم بارك لنا في يمننا قالوا يا رسول الله وفي نجدنا قال اللهم بارك لنا في شأمنا اللهم بارك لنا في يمننا قالوا يا رسول الله وفي نجدنا فأظنه قال في الثالثة هناك الزلازل والفتن وبها يطلع قرن الشيطان.


সহিহ বুখারী ৭০৯৫

إسحاق بن شاهين الواسطي حدثنا خالد عن بيان عن وبرة بن عبد الرحمن عن سعيد بن جبير قال خرج علينا عبد الله بن عمر فرجونا أن يحدثنا حديثا حسنا قال فبادرنا إليه رجل فقال يا أبا عبد الرحمن حدثنا عن القتال في الفتنة والله يقول وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة فقال هل تدري ما الفتنة ثكلتك أمك إنما كان محمد صلى الله عليه وسلم يقاتل المشركين وكان الدخول في دينهم فتنة وليس كقتالكم على الملك.

সা’ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একবার ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি আমাদের একটি উওম হাদীস বর্ণনা করবেন। এক ব্যক্তি তাঁর দিকে আমাদের চেয়ে এগিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! ফিত্‌নার সময় যুদ্ধ করা সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কেননা, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ "তাদের সঙ্গে যুদ্ধ কর, যতক্ষণ না ফিত্‌নার অবসান ঘটে" - (সূরাহ আল-বাক্কারাহ ২/১৯৩)। তখন তিনি বললেন, তোমার মা তোমার জন্য বিলাপ করুক। ফিত্‌না কাকে বলে জান কি? মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো যুদ্ধ করতেন মুশরিকদের বিরুদ্ধে। কেননা, তাদের শিরকের মধ্যে থাকাটাই আসলে ফিত্‌না। কিন্তু তা তোমাদের রাজ্য নিয়ে লড়াইয়ের মত ছিল না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৪)

সা’ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একবার ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি আমাদের একটি উওম হাদীস বর্ণনা করবেন। এক ব্যক্তি তাঁর দিকে আমাদের চেয়ে এগিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! ফিত্‌নার সময় যুদ্ধ করা সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কেননা, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ "তাদের সঙ্গে যুদ্ধ কর, যতক্ষণ না ফিত্‌নার অবসান ঘটে" - (সূরাহ আল-বাক্কারাহ ২/১৯৩)। তখন তিনি বললেন, তোমার মা তোমার জন্য বিলাপ করুক। ফিত্‌না কাকে বলে জান কি? মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো যুদ্ধ করতেন মুশরিকদের বিরুদ্ধে। কেননা, তাদের শিরকের মধ্যে থাকাটাই আসলে ফিত্‌না। কিন্তু তা তোমাদের রাজ্য নিয়ে লড়াইয়ের মত ছিল না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৪)

إسحاق بن شاهين الواسطي حدثنا خالد عن بيان عن وبرة بن عبد الرحمن عن سعيد بن جبير قال خرج علينا عبد الله بن عمر فرجونا أن يحدثنا حديثا حسنا قال فبادرنا إليه رجل فقال يا أبا عبد الرحمن حدثنا عن القتال في الفتنة والله يقول وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة فقال هل تدري ما الفتنة ثكلتك أمك إنما كان محمد صلى الله عليه وسلم يقاتل المشركين وكان الدخول في دينهم فتنة وليس كقتالكم على الملك.


সহিহ বুখারী > সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ফিত্‌নার ঢেউ হইবে ।

সহিহ বুখারী ৭০৯৬

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا شقيق سمعت حذيفة يقول بينا نحن جلوس عند عمر إذ قال أيكم يحفظ قول النبي صلى الله عليه وسلم في الفتنة قال فتنة الرجل في أهله وماله وولده وجاره تكفرها الصلاة والصدقة والأمر بالمعروف والنهي عن المنكر قال ليس عن هذا أسألك ولكن التي تموج كموج البحر قال ليس عليك منها بأس يا أمير المؤمنين إن بينك وبينها بابا مغلقا قال عمر أيكسر الباب أم يفتح قال بل يكسر قال عمر إذا لا يغلق أبدا قلت أجل قلنا لحذيفة أكان عمر يعلم الباب قال نعم كما يعلم أن دون غد ليلة وذلك أني حدثته حديثا ليس بالأغاليط فهبنا أن نسأله من الباب فأمرنا مسروقا فسأله فقال من الباب قال عمر.

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। হঠাৎ তিনি বললেন, ফিত্‌না সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য তোমাদের মধ্যে কে স্মরণ রেখেছে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন) মানুষ নিজের পরিবার, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশীর ব্যাপারে যে ফিত্‌নায় পতিত হয়, সালাত, সদাকাহ, সৎকাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ তার সে পাপকে মুছে ফেলে। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি, এবং সে ফিত্‌নার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি যা সাগর লহরীর মত ঢেউ খেলবে। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! সে ফিত্‌নায় আপনার কোন অসুবিধা হবে না। কেননা, সে ফিত্‌না ও আপনার মাঝে একটি বন্ধ দরজা আছে। উমার (রাঃ) বললেন, দরজাটি কি ভেঙ্গে ফেলা হবে, না খুলে দেওয়া হবে? তিনি বললেন, না বরং ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে তো সেটা আর কখনো বন্ধ করা যাবে না। (হুযাইফাহ বলেন) আমি বললাম হ্যাঁ। (শাকীক বলেন) আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘উমার (রাঃ) কি দরজাটি সম্পর্কে জানতেন? উওরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। যেমন আমি সুনিশ্চিতভাবে জানি যে আগামী দিনের পর রাত আসবে। কেননা আমি তাকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছিলাম যা ত্রুটিমুক্ত। (শাকীক বলেন) দরজাটি কে সম্পর্কে আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম, তাই আমরা মাসরুককে জিজ্ঞেস করতে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, দরজাটি কে? উওরে তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) (নিজেই)। [১৫৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৫)

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা উমার (রাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। হঠাৎ তিনি বললেন, ফিত্‌না সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য তোমাদের মধ্যে কে স্মরণ রেখেছে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন) মানুষ নিজের পরিবার, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি ও প্রতিবেশীর ব্যাপারে যে ফিত্‌নায় পতিত হয়, সালাত, সদাকাহ, সৎকাজের আদেশ, অসৎ কাজের নিষেধ তার সে পাপকে মুছে ফেলে। তিনি বলেন, আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি, এবং সে ফিত্‌নার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি যা সাগর লহরীর মত ঢেউ খেলবে। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! সে ফিত্‌নায় আপনার কোন অসুবিধা হবে না। কেননা, সে ফিত্‌না ও আপনার মাঝে একটি বন্ধ দরজা আছে। উমার (রাঃ) বললেন, দরজাটি কি ভেঙ্গে ফেলা হবে, না খুলে দেওয়া হবে? তিনি বললেন, না বরং ভেঙ্গে ফেলা হবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে তো সেটা আর কখনো বন্ধ করা যাবে না। (হুযাইফাহ বলেন) আমি বললাম হ্যাঁ। (শাকীক বলেন) আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘উমার (রাঃ) কি দরজাটি সম্পর্কে জানতেন? উওরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। যেমন আমি সুনিশ্চিতভাবে জানি যে আগামী দিনের পর রাত আসবে। কেননা আমি তাকে এমন হাদীস বর্ণনা করেছিলাম যা ত্রুটিমুক্ত। (শাকীক বলেন) দরজাটি কে সম্পর্কে আমরা হুযাইফাহ (রাঃ) - কে জিজ্ঞেস করতে আমরা ভয় পাচ্ছিলাম, তাই আমরা মাসরুককে জিজ্ঞেস করতে বললাম। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, দরজাটি কে? উওরে তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) (নিজেই)। [১৫৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৫)

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا شقيق سمعت حذيفة يقول بينا نحن جلوس عند عمر إذ قال أيكم يحفظ قول النبي صلى الله عليه وسلم في الفتنة قال فتنة الرجل في أهله وماله وولده وجاره تكفرها الصلاة والصدقة والأمر بالمعروف والنهي عن المنكر قال ليس عن هذا أسألك ولكن التي تموج كموج البحر قال ليس عليك منها بأس يا أمير المؤمنين إن بينك وبينها بابا مغلقا قال عمر أيكسر الباب أم يفتح قال بل يكسر قال عمر إذا لا يغلق أبدا قلت أجل قلنا لحذيفة أكان عمر يعلم الباب قال نعم كما يعلم أن دون غد ليلة وذلك أني حدثته حديثا ليس بالأغاليط فهبنا أن نسأله من الباب فأمرنا مسروقا فسأله فقال من الباب قال عمر.


সহিহ বুখারী ৭০৯৮

بشر بن خالد أخبرنا محمد بن جعفر عن شعبة عن سليمان سمعت أبا وائل قال قيل لأسامة ألا تكلم هذا قال قد كلمته ما دون أن أفتح بابا أكون أول من يفتحه وما أنا بالذي أقول لرجل بعد أن يكون أميرا على رجلين أنت خير بعد ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يجاء برجل فيطرح في النار فيطحن فيها كطحن الحمار برحاه فيطيف به أهل النار فيقولون أي فلان ألست كنت تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر فيقول إني كنت آمر بالمعروف ولا أفعله وأنهى عن المنكر وأفعله.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) - কে বলা হল আপনি কি এ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে বলেছি, তবে এমন পথে নয় যে, আমি তোমার জন্য একটি দ্বার (ফিতনার) উম্মোচিত করব যাতে আমিই হব এর প্রথম উন্মোচনকারী এবং আমি এমন ব্যক্তি নই যে, কোন লোক দুই ব্যক্তির আমীর নিযুক্ত হবার পর তার ব্যাপারে বলব, আপনি উত্তম। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে (কিয়ামতের দিন) এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে এবং তাকে জাহান্নামে ফেলা হবে। এরপর তাকে গাধা দিয়ে চাকা ঘুরিয়ে যেমন গম পিষা হয়, তেমনি পিষে ফেলা হবে। জাহান্নামবাসীরা তার পাশে এসে জড় হবে এবং বলবে, হে অমুক! তুমিই কি আমাদের ভাল কাজের হুকুম ও মন্দ কাজের থেকে নিষেধ করতে না? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, আমি ভালকাজের হুকুম দিতাম, তবে আমি নিজে তা করতাম না এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতাম, তবে আমি নিজেই তা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৭)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ) - কে বলা হল আপনি কি এ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে বলেছি, তবে এমন পথে নয় যে, আমি তোমার জন্য একটি দ্বার (ফিতনার) উম্মোচিত করব যাতে আমিই হব এর প্রথম উন্মোচনকারী এবং আমি এমন ব্যক্তি নই যে, কোন লোক দুই ব্যক্তির আমীর নিযুক্ত হবার পর তার ব্যাপারে বলব, আপনি উত্তম। কেননা, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে (কিয়ামতের দিন) এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে এবং তাকে জাহান্নামে ফেলা হবে। এরপর তাকে গাধা দিয়ে চাকা ঘুরিয়ে যেমন গম পিষা হয়, তেমনি পিষে ফেলা হবে। জাহান্নামবাসীরা তার পাশে এসে জড় হবে এবং বলবে, হে অমুক! তুমিই কি আমাদের ভাল কাজের হুকুম ও মন্দ কাজের থেকে নিষেধ করতে না? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, আমি ভালকাজের হুকুম দিতাম, তবে আমি নিজে তা করতাম না এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করতাম, তবে আমি নিজেই তা করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৭)

بشر بن خالد أخبرنا محمد بن جعفر عن شعبة عن سليمان سمعت أبا وائل قال قيل لأسامة ألا تكلم هذا قال قد كلمته ما دون أن أفتح بابا أكون أول من يفتحه وما أنا بالذي أقول لرجل بعد أن يكون أميرا على رجلين أنت خير بعد ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يجاء برجل فيطرح في النار فيطحن فيها كطحن الحمار برحاه فيطيف به أهل النار فيقولون أي فلان ألست كنت تأمر بالمعروف وتنهى عن المنكر فيقول إني كنت آمر بالمعروف ولا أفعله وأنهى عن المنكر وأفعله.


সহিহ বুখারী ৭০৯৭

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر عن شريك بن عبد الله عن سعيد بن المسيب عن أبي موسى الأشعري قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوما إلى حائط من حوائط المدينة لحاجته وخرجت في إثره فلما دخل الحائط جلست على بابه وقلت لأكونن اليوم بواب النبي صلى الله عليه وسلم ولم يأمرني فذهب النبي صلى الله عليه وسلم وقضى حاجته وجلس على قف البئر فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فجاء أبو بكر يستأذن عليه ليدخل فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فوقف فجئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا نبي الله أبو بكر يستأذن عليك قال ائذن له وبشره بالجنة فدخل فجاء عن يمين النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فجاء عمر فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فقال النبي صلى الله عليه وسلم ائذن له وبشره بالجنة فجاء عن يسار النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه فدلاهما في البئر فامتلا القف فلم يكن فيه مجلس ثم جاء عثمان فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فقال النبي صلى الله عليه وسلم ائذن له وبشره بالجنة معها بلاء يصيبه فدخل فلم يجد معهم مجلسا فتحول حتى جاء مقابلهم على شفة البئر فكشف عن ساقيه ثم دلاهما في البئر فجعلت أتمنى أخا لي وأدعو الله أن يأتي قال ابن المسيب فتأولت ذلك قبورهم اجتمعت ها هنا وانفرد عثمان.

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রয়োজনবশত মাদীনার (দেয়াল ঘেরা) বাগানগুলোর একটি বাগানের উদ্দেশ্যে বের হলেন। আমি তাঁর পিছনে গেলাম। তিনি যখন বাগানে প্রবেশ করলেন, আমি এর দরজায় বসে থাকলাম এবং মনে মনে বললাম, আজ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রহরীর কাজ করব। অবশ্য তিনি আমাকে এর নির্দেশ দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভিতরে গেলেন এবং স্বীয় প্রয়োজন সেরে নিলেন। এরপর একটি কূপের পোস্তার উপর বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশের কাপড় তুলে নিয়ে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এমন সময় আবূ বাকর (রাঃ) এসে তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি বললাম, আপনি অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসছি। তিনি অপেক্ষা করলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্‌র নাবী! আবূ বাকর (রাঃ) আপনার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। আবূ বাকর (রাঃ) প্রবেশ করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ডান পার্শে গিয়ে বসলেন। এরপর তিনিও হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এরপর ‘উমার (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন। আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসি। (অনুমতি প্রার্থনা করলে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বামদিকে বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এতে কূপের পোস্তা পূর্ণ হয়ে গেল এবং সেখানে বসার আর কোন স্থান অবশিষ্ট বাকী থাকল না। এরপর ‘উসমান (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে না আসি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে বিপদগ্রস্ত হওয়াসহ জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি প্রবেশ করলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে বসার কোন জায়গা পেলেন না। কাজেই তিনি উল্টো দিকে এসে তাঁদের মুখোমুখী হয়ে কুয়ার পাড়ে বসে গেলেন এবং হাঁটুদ্বয়ের নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কুয়ার ভিতরে ঝুলিয়ে দিলেন। আমি তখন আমার অন্য এক ভাই-এর (আগমন) কামনা করছিলাম এবং আল্লাহর নিকট দু’আ করছিলাম যেন সে (এ মূহূর্তে) আগমন করে। ইব্‌নু মুসাইয়্যাব বলেন, আমি এ ঘটনার ভাবার্থ এভাবে গ্রহণ করেছি যে, তা হল তাঁদের তিনজনের কবর যা এখানে একসঙ্গে হয়েছে। আর ‘উসমান (রাঃ)-এর অন্য স্থানে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৬)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রয়োজনবশত মাদীনার (দেয়াল ঘেরা) বাগানগুলোর একটি বাগানের উদ্দেশ্যে বের হলেন। আমি তাঁর পিছনে গেলাম। তিনি যখন বাগানে প্রবেশ করলেন, আমি এর দরজায় বসে থাকলাম এবং মনে মনে বললাম, আজ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রহরীর কাজ করব। অবশ্য তিনি আমাকে এর নির্দেশ দেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভিতরে গেলেন এবং স্বীয় প্রয়োজন সেরে নিলেন। এরপর একটি কূপের পোস্তার উপর বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশের কাপড় তুলে নিয়ে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এমন সময় আবূ বাকর (রাঃ) এসে তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি বললাম, আপনি অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ না আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসছি। তিনি অপেক্ষা করলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্‌র নাবী! আবূ বাকর (রাঃ) আপনার কাছে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। আবূ বাকর (রাঃ) প্রবেশ করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ডান পার্শে গিয়ে বসলেন। এরপর তিনিও হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এরপর ‘উমার (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন। আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে আসি। (অনুমতি প্রার্থনা করলে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বামদিকে বসলেন এবং হাঁটুর নিচের অংশ অনাবৃত করে দু’পা কূপের মধ্যে ঝুলিয়ে দিলেন। এতে কূপের পোস্তা পূর্ণ হয়ে গেল এবং সেখানে বসার আর কোন স্থান অবশিষ্ট বাকী থাকল না। এরপর ‘উসমান (রাঃ) আসলেন। আমি বললাম, আপনি নিজ জায়গায় অপেক্ষা করুন, যতক্ষণ আমি আপনার জন্য অনুমতি নিয়ে না আসি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকে আসার অনুমতি দাও এবং তাঁকে বিপদগ্রস্ত হওয়াসহ জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি প্রবেশ করলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে বসার কোন জায়গা পেলেন না। কাজেই তিনি উল্টো দিকে এসে তাঁদের মুখোমুখী হয়ে কুয়ার পাড়ে বসে গেলেন এবং হাঁটুদ্বয়ের নিচের অংশ অনাবৃত করে উভয় পা কুয়ার ভিতরে ঝুলিয়ে দিলেন। আমি তখন আমার অন্য এক ভাই-এর (আগমন) কামনা করছিলাম এবং আল্লাহর নিকট দু’আ করছিলাম যেন সে (এ মূহূর্তে) আগমন করে। ইব্‌নু মুসাইয়্যাব বলেন, আমি এ ঘটনার ভাবার্থ এভাবে গ্রহণ করেছি যে, তা হল তাঁদের তিনজনের কবর যা এখানে একসঙ্গে হয়েছে। আর ‘উসমান (রাঃ)-এর অন্য স্থানে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৬)

سعيد بن أبي مريم أخبرنا محمد بن جعفر عن شريك بن عبد الله عن سعيد بن المسيب عن أبي موسى الأشعري قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم يوما إلى حائط من حوائط المدينة لحاجته وخرجت في إثره فلما دخل الحائط جلست على بابه وقلت لأكونن اليوم بواب النبي صلى الله عليه وسلم ولم يأمرني فذهب النبي صلى الله عليه وسلم وقضى حاجته وجلس على قف البئر فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فجاء أبو بكر يستأذن عليه ليدخل فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فوقف فجئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا نبي الله أبو بكر يستأذن عليك قال ائذن له وبشره بالجنة فدخل فجاء عن يمين النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه ودلاهما في البئر فجاء عمر فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فقال النبي صلى الله عليه وسلم ائذن له وبشره بالجنة فجاء عن يسار النبي صلى الله عليه وسلم فكشف عن ساقيه فدلاهما في البئر فامتلا القف فلم يكن فيه مجلس ثم جاء عثمان فقلت كما أنت حتى أستأذن لك فقال النبي صلى الله عليه وسلم ائذن له وبشره بالجنة معها بلاء يصيبه فدخل فلم يجد معهم مجلسا فتحول حتى جاء مقابلهم على شفة البئر فكشف عن ساقيه ثم دلاهما في البئر فجعلت أتمنى أخا لي وأدعو الله أن يأتي قال ابن المسيب فتأولت ذلك قبورهم اجتمعت ها هنا وانفرد عثمان.


সহিহ বুখারী > সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে।

সহিহ বুখারী ৭০৯৯

عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن الحسن عن أبي بكرة قال لقد نفعني الله بكلمة أيام الجمل لما بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة.

আবূ বাক্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যখন এ খবর পৌছল যে, পারস্যের লোকেরা কিস্‌রার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। [১৬০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)

আবূ বাক্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একটি কথা দিয়ে আল্লাহ জঙ্গে জামাল (উষ্ট্রের যুদ্ধ) এর সময় আমাকে বড়ই উপকৃত করেছেন। (তা হল) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যখন এ খবর পৌছল যে, পারস্যের লোকেরা কিস্‌রার মেয়েকে তাদের শাসক নিযুক্ত করেছে, তখন তিনি বললেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোন স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। [১৬০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৮)

عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن الحسن عن أبي بكرة قال لقد نفعني الله بكلمة أيام الجمل لما بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أن فارسا ملكوا ابنة كسرى قال لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة.


সহিহ বুখারী ৭১০১

أبو نعيم حدثنا ابن أبي غنية عن الحكم عن أبي وائل قام عمار على منبر الكوفة فذكر عائشة وذكر مسيرها وقال إنها زوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكنها مما ابتليتم.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আম্মার (রাঃ) কূফার (মাসজিদের) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) - ও তাঁর সফরের কথা উল্লেখ্য করলেন। এরপর তিনি বললেন, তিনি (‘আয়িশাহ (রাঃ)) দুনিয়া ও আখিরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু বর্তমানে তোমরা তাঁকে নিয়ে ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২০)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আম্মার (রাঃ) কূফার (মাসজিদের) মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ) - ও তাঁর সফরের কথা উল্লেখ্য করলেন। এরপর তিনি বললেন, তিনি (‘আয়িশাহ (রাঃ)) দুনিয়া ও আখিরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু বর্তমানে তোমরা তাঁকে নিয়ে ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২০)

أبو نعيم حدثنا ابن أبي غنية عن الحكم عن أبي وائل قام عمار على منبر الكوفة فذكر عائشة وذكر مسيرها وقال إنها زوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكنها مما ابتليتم.


সহিহ বুখারী ৭১০০

عبد الله بن محمد حدثنا يحيى بن آدم حدثنا أبو بكر بن عياش حدثنا أبو حصين حدثنا أبو مريم عبد الله بن زياد الأسدي قال لما سار طلحة والزبير وعائشة إلى البصرة بعث علي عمار بن ياسر وحسن بن علي فقدما علينا الكوفة فصعدا المنبر فكان الحسن بن علي فوق المنبر في أعلاه وقام عمار أسفل من الحسن فاجتمعنا إليه فسمعت عمارا يقول إن عائشة قد سارت إلى البصرة و والله إنها لزوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكن الله تبارك وتعالى ابتلاكم ليعلم إياه تطيعون أم هي.

আবূ মারইয়াম ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যিয়াদ আসাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ত্বলহা, যুবায়র ও ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন বসরার দিকে গেলেন, তখন ‘আলী (রাঃ) আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির ও হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) - কে পাঠালেন। তাঁরা আমাদের কুফায় আসলেন এবং (মাসজিদের) মিম্বরে উপবেশন করলেন। হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) মিম্বারের সর্বোচ্চ ধাপে উপবিষ্ট ছিলেন, আর আম্মার (রাঃ) হাসান (রাঃ)-এর নিচের ধাপে দন্ডায়মান ছিলেন। আমরা এসে তাঁর নিকট জড় হলাম। এ সময় আমি শোনলাম, আম্মার (রাঃ) বলেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বস্‌রার দিকে রওনা হয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের (আমাদের) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু আল্লাহ্‌ এ কথা স্পষ্ট করে জেনে নেয়ার জন্য তোমাদের পরীক্ষায় ফেলেছেন যে, তোমরা কি তাঁরই আনুগত্য কর, না তাঁর (অর্থাৎ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর) আনুগত্য কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৯)

আবূ মারইয়াম ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যিয়াদ আসাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ত্বলহা, যুবায়র ও ‘আয়িশাহ (রাঃ) যখন বসরার দিকে গেলেন, তখন ‘আলী (রাঃ) আম্মার ইব্‌নু ইয়াসির ও হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) - কে পাঠালেন। তাঁরা আমাদের কুফায় আসলেন এবং (মাসজিদের) মিম্বরে উপবেশন করলেন। হাসান ইব্‌নু ‘আলী (রাঃ) মিম্বারের সর্বোচ্চ ধাপে উপবিষ্ট ছিলেন, আর আম্মার (রাঃ) হাসান (রাঃ)-এর নিচের ধাপে দন্ডায়মান ছিলেন। আমরা এসে তাঁর নিকট জড় হলাম। এ সময় আমি শোনলাম, আম্মার (রাঃ) বলেছেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বস্‌রার দিকে রওনা হয়ে গেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে তোমাদের (আমাদের) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পত্নী। কিন্তু আল্লাহ্‌ এ কথা স্পষ্ট করে জেনে নেয়ার জন্য তোমাদের পরীক্ষায় ফেলেছেন যে, তোমরা কি তাঁরই আনুগত্য কর, না তাঁর (অর্থাৎ ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর) আনুগত্য কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৯)

عبد الله بن محمد حدثنا يحيى بن آدم حدثنا أبو بكر بن عياش حدثنا أبو حصين حدثنا أبو مريم عبد الله بن زياد الأسدي قال لما سار طلحة والزبير وعائشة إلى البصرة بعث علي عمار بن ياسر وحسن بن علي فقدما علينا الكوفة فصعدا المنبر فكان الحسن بن علي فوق المنبر في أعلاه وقام عمار أسفل من الحسن فاجتمعنا إليه فسمعت عمارا يقول إن عائشة قد سارت إلى البصرة و والله إنها لزوجة نبيكم صلى الله عليه وسلم في الدنيا والآخرة ولكن الله تبارك وتعالى ابتلاكم ليعلم إياه تطيعون أم هي.


সহিহ বুখারী ৭১০২

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.


সহিহ বুখারী ৭১০৩

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.


সহিহ বুখারী ৭১০৪

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহবান জানাতে আম্মার (রাঃ) - কে কূফাবাসীদের নিকট পাঠালেন, তখন আবূ মূসা ও আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাঁর কাছে হাজির হয়ে বললেন, তোমার ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমাদের জানামতে বর্তমান বিষয়ে (যুদ্ধের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করার বিষয়ে) দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে অপছন্দনীয় কোন কাজ করতে আমরা তোমাকে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, যখন থেকে আপনারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আমি আপনাদের কোন কাজ দেখিনি যা আমাদের কাছে অপছন্দনীয় মনে হয়েছে বর্তমানের এ কাজে দেরী করা ব্যতীত। তখন আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) তাদের দু’জনকেই একজোড়া করে পোশাক পরিয়ে দিলেন। এরপর সকলেই (কূফা) মাসজিদের দিকে রওনা হলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২১)

حدثنا بدل بن المحبر حدثنا شعبة أخبرني عمرو سمعت أبا وائل يقول دخل أبو موسى وأبو مسعود على عمار حيث بعثه علي إلى أهل الكوفة يستنفرهم فقالا ما رأيناك أتيت أمرا أكره عندنا من إسراعك في هذا الأمر منذ أسلمت فقال عمار ما رأيت منكما منذ أسلمتما أمرا أكره عندي من إبطائكما عن هذا الأمر وكساهما حلة حلة ثم راحوا إلى المسجد.


সহিহ বুখারী ৭১০৫

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.


সহিহ বুখারী ৭১০৬

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.


সহিহ বুখারী ৭১০৭

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

শাক্বীক্ব ইব্‌নু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ), আবূ মূসা (রাঃ) ও আম্মার (রাঃ)-এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমি ছাড়া তোমার সঙ্গীদের মাঝে এমন কেউ নেই, যার ব্যাপারে আমি ইচ্ছা করলে কিছু না কিছু বলতে পারি। তবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে দূষণীয় কোন কাজ তোমার নিকট হতে দেখিনি। তখন আম্মার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তোমাদের সঙ্গ লাভ করার পর থেকে এ ব্যাপারে ইতস্তত করার চেয়ে আমার দৃষ্টিতে অধিক দূষণীয় কোন কাজ তোমার থেকে এবং তোমার এ সঙ্গী থেকে দেখিনি। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) ধনবান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি (তাঁর খাদেমকে) বললেন, হে বৎস! দু’জোড়া পোশাক নিয়ে এস। এরপর তিনি তার একটি আবূ মূসা (রাঃ) - কে ও অন্যটি আম্মার (রাঃ) - কে দিলেন এবং বললেন, এগুলো প’রে জুম’আহ্‌র সালাতে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২২)

حدثنا عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن شقيق بن سلمة كنت جالسا مع أبي مسعود وأبي موسى وعمار فقال أبو مسعود ما من أصحابك أحد إلا لو شئت لقلت فيه غيرك وما رأيت منك شيئا منذ صحبت النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من استسراعك في هذا الأمر قال عمار يا أبا مسعود وما رأيت منك ولا من صاحبك هذا شيئا منذ صحبتما النبي صلى الله عليه وسلم أعيب عندي من إبطائكما في هذا الأمر فقال أبو مسعود وكان موسرا يا غلام هات حلتين فأعطى إحداهما أبا موسى والأخرى عمارا وقال روحا فيه إلى الجمعة.


সহিহ বুখারী > যখন আল্লাহ্‌ কোন সম্প্রদায়-এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন ।

সহিহ বুখারী ৭১০৮

عبد الله بن عثمان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري أخبرني حمزة بن عبد الله بن عمر أنه سمع ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أنزل الله بقوم عذابا أصاب العذاب من كان فيهم ثم بعثوا على أعمالهم.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্‌ কোন কাওমের এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী উঠানো হবে। [১৬১] [মুসলিম ৫১/১৯, হাঃ ২৮৭৯, আহমাদ ৪৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৩)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ্‌ কোন কাওমের এর উপর আযাব অবতীর্ণ করেন তখন সেখানে বসবাসরত সকলের উপরই সেই আযাব পতিত হয়। অবশ্য পরে প্রত্যেককে তার ‘আমাল অনুযায়ী উঠানো হবে। [১৬১] [মুসলিম ৫১/১৯, হাঃ ২৮৭৯, আহমাদ ৪৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৩)

عبد الله بن عثمان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري أخبرني حمزة بن عبد الله بن عمر أنه سمع ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أنزل الله بقوم عذابا أصاب العذاب من كان فيهم ثم بعثوا على أعمالهم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00