সহিহ বুখারী > স্বপ্নে বন্ধন দেখা ।

সহিহ বুখারী ৭০১৭

حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر، سمعت عوفا، حدثنا محمد بن سيرين، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ إذا اقترب الزمان لم تكد تكذب رؤيا المؤمن، ورؤيا المؤمن جزء من ستة وأربعين جزءا من النبوة‏.‏ ‏"‏ قال محمد وأنا أقول هذه قال وكان يقال الرؤيا ثلاث حديث النفس، وتخويف الشيطان، وبشرى من الله، فمن رأى شيئا يكرهه فلا يقصه على أحد، وليقم فليصل‏.‏ قال وكان يكره الغل في النوم، وكان يعجبهم القيد، ويقال القيد ثبات في الدين‏.‏ وروى قتادة ويونس وهشام وأبو هلال عن ابن سيرين عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وأدرجه بعضهم كله في الحديث، وحديث عوف أبين‏.‏ وقال يونس لا أحسبه إلا عن النبي صلى الله عليه وسلم في القيد‏.‏ قال أبو عبد الله لا تكون الأغلال إلا في الأعناق‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হবে তখন মু’মিনের স্বপ্ন খুব কমই অবাস্তবায়িত থাকবে। আর মু’মিনের স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। আর নবুয়তের কোন কিছুই অসত্য হতে পারে না। রাবী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আমি এমন বলছি। তিনি বলেন, এ কথা বলা হয় যে, স্বপ্ন তিন প্রকার, মনের কল্পনা, শয়তানের তরফ থেকে ভয় দেখানো এবং আল্লাহ্‌র তরফ হতে সুসংবাদ। তাই যদি কেউ অপছন্দনীয় কিছু দেখে তবে সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। বরং উঠে যেন (নফল) সালাত আদায় করে নেয়। রাবী বলেন, স্বপ্নে শিকল দেখা অপছন্দনীয় মনে করা হত এবং পায়ে বেড়ি দেখাকে তারা পছন্দ করতেন। বলা হত, পায়ে বেড়ি দেখার ব্যাখ্যা হলো দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা। ক্বাতাদাহ, ইউনুস, হিশাম ও আবূ হিলাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসকে বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ এসবকে হাদীসের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করেছেন। (অপরদিকে) আউফের বর্ণনা কৃত হাদীস সুস্পষ্ট। ইউনুস (রহঃ) বলেছেন, আমি বন্ধনের ব্যাখ্যাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ থেকেই মনে করি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমামু বুখারী (রহঃ) বলেন, শিকল গলাতেই বাঁধা হয়।[মুসলিম পর্ব ৪২/হাঃ ২২৬৩, আহমাদ ১০৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হবে তখন মু’মিনের স্বপ্ন খুব কমই অবাস্তবায়িত থাকবে। আর মু’মিনের স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ। আর নবুয়তের কোন কিছুই অসত্য হতে পারে না। রাবী মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আমি এমন বলছি। তিনি বলেন, এ কথা বলা হয় যে, স্বপ্ন তিন প্রকার, মনের কল্পনা, শয়তানের তরফ থেকে ভয় দেখানো এবং আল্লাহ্‌র তরফ হতে সুসংবাদ। তাই যদি কেউ অপছন্দনীয় কিছু দেখে তবে সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। বরং উঠে যেন (নফল) সালাত আদায় করে নেয়। রাবী বলেন, স্বপ্নে শিকল দেখা অপছন্দনীয় মনে করা হত এবং পায়ে বেড়ি দেখাকে তারা পছন্দ করতেন। বলা হত, পায়ে বেড়ি দেখার ব্যাখ্যা হলো দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা। ক্বাতাদাহ, ইউনুস, হিশাম ও আবূ হিলাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসকে বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ এসবকে হাদীসের মধ্যে অর্ন্তভুক্ত করেছেন। (অপরদিকে) আউফের বর্ণনা কৃত হাদীস সুস্পষ্ট। ইউনুস (রহঃ) বলেছেন, আমি বন্ধনের ব্যাখ্যাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ থেকেই মনে করি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমামু বুখারী (রহঃ) বলেন, শিকল গলাতেই বাঁধা হয়।[মুসলিম পর্ব ৪২/হাঃ ২২৬৩, আহমাদ ১০৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৪)

حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر، سمعت عوفا، حدثنا محمد بن سيرين، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم"‏ إذا اقترب الزمان لم تكد تكذب رؤيا المؤمن، ورؤيا المؤمن جزء من ستة وأربعين جزءا من النبوة‏.‏ ‏"‏ قال محمد وأنا أقول هذه قال وكان يقال الرؤيا ثلاث حديث النفس، وتخويف الشيطان، وبشرى من الله، فمن رأى شيئا يكرهه فلا يقصه على أحد، وليقم فليصل‏.‏ قال وكان يكره الغل في النوم، وكان يعجبهم القيد، ويقال القيد ثبات في الدين‏.‏ وروى قتادة ويونس وهشام وأبو هلال عن ابن سيرين عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وأدرجه بعضهم كله في الحديث، وحديث عوف أبين‏.‏ وقال يونس لا أحسبه إلا عن النبي صلى الله عليه وسلم في القيد‏.‏ قال أبو عبد الله لا تكون الأغلال إلا في الأعناق‏.‏


সহিহ বুখারী > স্বপ্নের ভিতর প্রবাহিত ঝর্ণা দেখা ।

সহিহ বুখারী ৭০১৮

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن خارجة بن زيد بن ثابت عن أم العلاء وهي امرأة من نسائهم بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت طار لنا عثمان بن مظعون في السكنى حين اقترعت الأنصار على سكنى المهاجرين فاشتكى فمرضناه حتى توفي ثم جعلناه في أثوابه فدخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت رحمة الله عليك أبا السائب فشهادتي عليك لقد أكرمك الله قال وما يدريك قلت لا أدري والله قال أما هو فقد جاءه اليقين إني لأرجو له الخير من الله والله ما أدري وأنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يفعل بي ولا بكم قالت أم العلاء فوالله لا أزكي أحدا بعده قالت ورأيت لعثمان في النوم عينا تجري فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ذاك عمله يجري له.

উম্মুল ‘আলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতে বায়‘আত করেছিলেন তিনি তাদের একজন। তিনি বলেন, যখন মুহাজিরদের বাসস্থান নির্ধারণের জন্য আনসারগণ লটারী দিলেন, তখন আমাদের ঘরে বসবাসের জন্য ‘উসমান ইব্‌নু মাযউন (রাঃ) আমাদের ভাগে পড়েন। তিনি রোগগ্রস্ত হয়ে পড়লে আমরা তাঁর সেবা-শুশ্রূষা করি। অবশেষে তিনি মারা যান। এরপর আমরা তাকে তার কাপড় দিয়েই কাফন পরিয়ে দেই। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে আসলেন। আমি বললাম, হে আবূ সাঈব! তোমার ওপর আল্লাহ্‌র রহমত হোক। তোমার বেলায় আমার সাক্ষ্য এই যে, আল্লাহ্‌ তোমাকে সম্মানিত করেছেন। তিনি বললেনঃতুমি কী করে জানলে? আমি বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমি জানি না। তিনি বললেনঃতার তো মৃত্যু হয়ে গেছে, আমি তার জন্য আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে কল্যাণই আশা করছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি আল্লাহ্‌র রসূল হওয়া সত্ত্বেও জানি না যে, আমার সঙ্গে এবং তোমাদের সঙ্গে কী ব্যবহার করা হবে? উম্মুল আলা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি আর কক্ষনো কারো পবিত্রতার প্রত্যয়ন করব না। উম্মুল আলা (রাঃ) বলেন, আমি স্বপ্নে ‘উসমান (রাঃ)-এর জন্য প্রবাহিত ঝর্ণা দেখেছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এসে সেটা বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃএটা তাঁর ‘আমাল’ তার জন্য জারি থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৫)

উম্মুল ‘আলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতে বায়‘আত করেছিলেন তিনি তাদের একজন। তিনি বলেন, যখন মুহাজিরদের বাসস্থান নির্ধারণের জন্য আনসারগণ লটারী দিলেন, তখন আমাদের ঘরে বসবাসের জন্য ‘উসমান ইব্‌নু মাযউন (রাঃ) আমাদের ভাগে পড়েন। তিনি রোগগ্রস্ত হয়ে পড়লে আমরা তাঁর সেবা-শুশ্রূষা করি। অবশেষে তিনি মারা যান। এরপর আমরা তাকে তার কাপড় দিয়েই কাফন পরিয়ে দেই। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে আসলেন। আমি বললাম, হে আবূ সাঈব! তোমার ওপর আল্লাহ্‌র রহমত হোক। তোমার বেলায় আমার সাক্ষ্য এই যে, আল্লাহ্‌ তোমাকে সম্মানিত করেছেন। তিনি বললেনঃতুমি কী করে জানলে? আমি বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমি জানি না। তিনি বললেনঃতার তো মৃত্যু হয়ে গেছে, আমি তার জন্য আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে কল্যাণই আশা করছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি আল্লাহ্‌র রসূল হওয়া সত্ত্বেও জানি না যে, আমার সঙ্গে এবং তোমাদের সঙ্গে কী ব্যবহার করা হবে? উম্মুল আলা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি আর কক্ষনো কারো পবিত্রতার প্রত্যয়ন করব না। উম্মুল আলা (রাঃ) বলেন, আমি স্বপ্নে ‘উসমান (রাঃ)-এর জন্য প্রবাহিত ঝর্ণা দেখেছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এসে সেটা বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃএটা তাঁর ‘আমাল’ তার জন্য জারি থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৫)

عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن خارجة بن زيد بن ثابت عن أم العلاء وهي امرأة من نسائهم بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت طار لنا عثمان بن مظعون في السكنى حين اقترعت الأنصار على سكنى المهاجرين فاشتكى فمرضناه حتى توفي ثم جعلناه في أثوابه فدخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت رحمة الله عليك أبا السائب فشهادتي عليك لقد أكرمك الله قال وما يدريك قلت لا أدري والله قال أما هو فقد جاءه اليقين إني لأرجو له الخير من الله والله ما أدري وأنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يفعل بي ولا بكم قالت أم العلاء فوالله لا أزكي أحدا بعده قالت ورأيت لعثمان في النوم عينا تجري فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ذاك عمله يجري له.


সহিহ বুখারী > স্বপ্নে কূপ থেকে এমনভাবে পানি তুলতে দেখা যে লোকদের পিপাসা মিটে যায় । নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ ব্যাপারে হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন ।

সহিহ বুখারী ৭০১৯

يعقوب بن إبراهيم بن كثير حدثنا شعيب بن حرب حدثنا صخر بن جويرية حدثنا نافع أن ابن عمر حدثه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا على بئر أنزع منها إذ جاء أبو بكر وعمر فأخذ أبو بكر الدلو فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف فغفر الله له ثم أخذها عمر بن الخطاب من يد أبي بكر فاستحالت في يده غربا فلم أر عبقريا من الناس يفري فريه حتى ضرب الناس بعطن.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ একবার (আমি স্বপ্নে দেখলাম) আমি একটি কূপের কাছে বসে কূপ থেকে পানি তুলছি। এমন সময় আমার কাছে আবূ বাক্‌র ও ‘উমার আসল। আবূ বাক্‌র বালতিটি হাতে নিয়ে এক বা দু’বালতি পানি উঠাল। আর তার উঠানোতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। এরপর আবূ বাক্‌রের হাত থেকে ‘উমার তা নিল। তার হাতে বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। আমি কোন শক্তিশালী লোককে ‘উমারের মত এত অভিজ্ঞ কর্মঠ দেখিনি। যার ফলে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল। [১৫০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৬)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ একবার (আমি স্বপ্নে দেখলাম) আমি একটি কূপের কাছে বসে কূপ থেকে পানি তুলছি। এমন সময় আমার কাছে আবূ বাক্‌র ও ‘উমার আসল। আবূ বাক্‌র বালতিটি হাতে নিয়ে এক বা দু’বালতি পানি উঠাল। আর তার উঠানোতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। এরপর আবূ বাক্‌রের হাত থেকে ‘উমার তা নিল। তার হাতে বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। আমি কোন শক্তিশালী লোককে ‘উমারের মত এত অভিজ্ঞ কর্মঠ দেখিনি। যার ফলে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল। [১৫০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৬)

يعقوب بن إبراهيم بن كثير حدثنا شعيب بن حرب حدثنا صخر بن جويرية حدثنا نافع أن ابن عمر حدثه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا على بئر أنزع منها إذ جاء أبو بكر وعمر فأخذ أبو بكر الدلو فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف فغفر الله له ثم أخذها عمر بن الخطاب من يد أبي بكر فاستحالت في يده غربا فلم أر عبقريا من الناس يفري فريه حتى ضرب الناس بعطن.


সহিহ বুখারী > স্বপ্নে দুর্বলতার সঙ্গে কূপ থেকে এক বা দু’বালতি পানি তুলতে দেখা ।

সহিহ বুখারী ৭০২০

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا موسى بن عقبة عن سالم عن أبيه عن رؤيا النبي صلى الله عليه وسلم في أبي بكر وعمر قال رأيت الناس اجتمعوا فقام أبو بكر فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم قام ابن الخطاب فاستحالت غربا فما رأيت من الناس من يفري فريه حتى ضرب الناس بعطن.

সালিমের পিতা [‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)] থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ) সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্বপ্ন বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি লোকদেরকে জড় হতে দেখলাম। তখন আবূ বাক্‌র দাঁড়িয়ে এক বা দু’বালতি পানি উঠালো। আর তার উঠানোতে কিছু দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। এরপর ইব্‌নুল খাত্তাব দাঁড়াল। আর তার হাতে বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। আমি লোকদের মধ্যে ‘উমারের মত এতটা অভিজ্ঞ কর্মঠ কাউকে দেখিনি। যার ফলে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৭)

সালিমের পিতা [‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)] থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ বাক্‌র ও ‘উমার (রাঃ) সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্বপ্ন বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি লোকদেরকে জড় হতে দেখলাম। তখন আবূ বাক্‌র দাঁড়িয়ে এক বা দু’বালতি পানি উঠালো। আর তার উঠানোতে কিছু দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। এরপর ইব্‌নুল খাত্তাব দাঁড়াল। আর তার হাতে বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। আমি লোকদের মধ্যে ‘উমারের মত এতটা অভিজ্ঞ কর্মঠ কাউকে দেখিনি। যার ফলে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৭)

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا موسى بن عقبة عن سالم عن أبيه عن رؤيا النبي صلى الله عليه وسلم في أبي بكر وعمر قال رأيت الناس اجتمعوا فقام أبو بكر فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم قام ابن الخطاب فاستحالت غربا فما رأيت من الناس من يفري فريه حتى ضرب الناس بعطن.


সহিহ বুখারী ৭০২১

سعيد بن عفير حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب أخبرني سعيد أن أبا هريرة أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بينا أنا نائم رأيتني على قليب وعليها دلو فنزعت منها ما شاء الله ثم أخذها ابن أبي قحافة فنزع منها ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم استحالت غربا فأخذها عمر بن الخطاب فلم أر عبقريا من الناس ينزع نزع عمر بن الخطاب حتى ضرب الناس بعطن.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। দেখলাম, আমি একটি কূপের কাছে আছি। আর এর নিকট একটি বালতি আছে। আমি কূপ থেকে পানি উঠালাম - যতখানি আল্লাহ্‌র ইচ্ছা ছিল। এরপর বালতিটি ইব্‌নু আবূ কুহাফা নিলেন। তিনি কূপ থেকে এক বা দু’বালতি পানি উঠালেন। তার উঠানোতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। তারপর বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। তখন তা ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাব নিলেন। আমি কোন শক্তিশালী লোককে ‘উমারের মত পানি উঠাতে দেখিনি। অবশেষে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। দেখলাম, আমি একটি কূপের কাছে আছি। আর এর নিকট একটি বালতি আছে। আমি কূপ থেকে পানি উঠালাম - যতখানি আল্লাহ্‌র ইচ্ছা ছিল। এরপর বালতিটি ইব্‌নু আবূ কুহাফা নিলেন। তিনি কূপ থেকে এক বা দু’বালতি পানি উঠালেন। তার উঠানোতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ্‌ তাকে ক্ষমা করুন। তারপর বালতিটি বেশ বড় হয়ে গেল। তখন তা ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাব নিলেন। আমি কোন শক্তিশালী লোককে ‘উমারের মত পানি উঠাতে দেখিনি। অবশেষে লোকেরা তাদের পরিতৃপ্ত উটগুলো নিয়ে বাসস্থানে পৌঁছে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৪৮)

سعيد بن عفير حدثني الليث قال حدثني عقيل عن ابن شهاب أخبرني سعيد أن أبا هريرة أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بينا أنا نائم رأيتني على قليب وعليها دلو فنزعت منها ما شاء الله ثم أخذها ابن أبي قحافة فنزع منها ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم استحالت غربا فأخذها عمر بن الخطاب فلم أر عبقريا من الناس ينزع نزع عمر بن الخطاب حتى ضرب الناس بعطن.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00