সহিহ বুখারী > যখন কোন যিম্মী বা অন্য কেউ নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বাক্‌চাতুরির মাধ্যমে গালি দেয় এবং স্পষ্ট করে না, যেমন তার কথা ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মরণ হোক)।

সহিহ বুখারী ৬৯২৮

مسدد حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان ومالك بن أنس قالا حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن اليهود إذا سلموا على أحدكم إنما يقولون سام عليك فقل عليك

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়াহূদীরা যখন তোমাদের কাউকে সালাম করে তারা ‘সামু ‘আলাইকুম’ বলে। তাই তোমরা বলবে, ‘আলাইকা - তোমাদের উপর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৯)

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়াহূদীরা যখন তোমাদের কাউকে সালাম করে তারা ‘সামু ‘আলাইকুম’ বলে। তাই তোমরা বলবে, ‘আলাইকা - তোমাদের উপর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৯)

مسدد حدثنا يحيى بن سعيد عن سفيان ومالك بن أنس قالا حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن اليهود إذا سلموا على أحدكم إنما يقولون سام عليك فقل عليك


সহিহ বুখারী ৬৯২৬

محمد بن مقاتل أبو الحسن أخبرنا عبد الله أخبرنا شعبة عن هشام بن زيد بن أنس بن مالك قال سمعت أنس بن مالك يقول مر يهودي برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال السام عليك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أتدرون ما يقول قال السام عليك قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا نقتله قال لا إذا سلم عليكم أهل الكتاب فقولوا وعليكم

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে গেল। আর বলল, আস্‌সামু আলাইকা। তার উত্তরে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়া আলাইকা। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের বললেনঃ তোমরা কি বুঝতে পেরেছ সে কী বলেছে? সে বলেছে, ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মরণ হোক)। তারা বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি তাকে হত্যা করব না? তিনি বললেনঃ না। বরং যখন কোন আহলে কিতাব তোমাদেরকে সালাম করবে তখন তোমরা বলবে, ‘ওয়া আলাইকুম’ (তোমাদের উপরও)। [১২৬](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৭)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে গেল। আর বলল, আস্‌সামু আলাইকা। তার উত্তরে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়া আলাইকা। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের বললেনঃ তোমরা কি বুঝতে পেরেছ সে কী বলেছে? সে বলেছে, ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মরণ হোক)। তারা বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি তাকে হত্যা করব না? তিনি বললেনঃ না। বরং যখন কোন আহলে কিতাব তোমাদেরকে সালাম করবে তখন তোমরা বলবে, ‘ওয়া আলাইকুম’ (তোমাদের উপরও)। [১২৬](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৭)

محمد بن مقاتل أبو الحسن أخبرنا عبد الله أخبرنا شعبة عن هشام بن زيد بن أنس بن مالك قال سمعت أنس بن مالك يقول مر يهودي برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال السام عليك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أتدرون ما يقول قال السام عليك قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا نقتله قال لا إذا سلم عليكم أهل الكتاب فقولوا وعليكم


সহিহ বুখারী ৬৯২৭

أبو نعيم عن ابن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت استأذن رهط من اليهود على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا السام عليك فقلت بل عليكم السام واللعنة فقال يا عائشة إن الله رفيق يحب الرفق في الأمر كله قلت أولم تسمع ما قالوا قال قلت وعليكم

আবূ নু‘আয়ম (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে প্রবেশের অনুমতি চাইল। (প্রবেশ করার সময়) তারা বলল ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মৃত্যু হোক)। তখন আমি বললাম, বরং তোদের উপর মৃত্যু ও লা‘নত হোক। নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! আল্লাহ্ কোমল। তিনি সকল কাজে কোমলতা পছন্দ করেন। আমি বললাম, আপনি কি শুনেননি তারা কী বলেছে? তিনি বললেনঃ আমিও তো বলেছি ওয়া-আলাইকুম (এবং তোমাদের উপরও)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৮)

আবূ নু‘আয়ম (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ইয়াহূদী নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে প্রবেশের অনুমতি চাইল। (প্রবেশ করার সময়) তারা বলল ‘আস্‌সামু আলাইকা’ (তোমার মৃত্যু হোক)। তখন আমি বললাম, বরং তোদের উপর মৃত্যু ও লা‘নত হোক। নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! আল্লাহ্ কোমল। তিনি সকল কাজে কোমলতা পছন্দ করেন। আমি বললাম, আপনি কি শুনেননি তারা কী বলেছে? তিনি বললেনঃ আমিও তো বলেছি ওয়া-আলাইকুম (এবং তোমাদের উপরও)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৮)

أبو نعيم عن ابن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت استأذن رهط من اليهود على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا السام عليك فقلت بل عليكم السام واللعنة فقال يا عائشة إن الله رفيق يحب الرفق في الأمر كله قلت أولم تسمع ما قالوا قال قلت وعليكم


সহিহ বুখারী > অত্যাচারিত হবার পর ও কাওম এর জন্য ক্ষমার পার্থনা করা

সহিহ বুখারী ৬৯২৯

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني شقيق قال قال عبد الله كأني أنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه فأدموه فهو يمسح الدم عن وجهه ويقول رب اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন লক্ষ্য করছিলাম যে, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক নবীর কথা বর্ণনা করেছেন যাকে তাঁর সম্প্রদায় প্রহার করে রক্তাক্ত করে ফেলে, আর তিনি আপন চেহারা থেকে রক্ত মুছছেন ও বলছেনঃ হে রব! তুমি আমার কাওমকে ক্ষমা করে দাও। কেননা, তারা বুঝে না। [১২৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬০)

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন লক্ষ্য করছিলাম যে, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক নবীর কথা বর্ণনা করেছেন যাকে তাঁর সম্প্রদায় প্রহার করে রক্তাক্ত করে ফেলে, আর তিনি আপন চেহারা থেকে রক্ত মুছছেন ও বলছেনঃ হে রব! তুমি আমার কাওমকে ক্ষমা করে দাও। কেননা, তারা বুঝে না। [১২৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬০)

عمر بن حفص حدثنا أبي حدثنا الأعمش قال حدثني شقيق قال قال عبد الله كأني أنظر إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه فأدموه فهو يمسح الدم عن وجهه ويقول رب اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون


সহিহ বুখারী > খারিজী সম্প্রদায় ও মুলহিদদের অপরাধ প্রমাণিত হবার পর তাদেরকে হত্যা করা।

সহিহ বুখারী ৬৯৩২

يحيى بن سليمان حدثني ابن وهب قال حدثني عمر أن أباه حدثه عن عبد الله بن عمر وذكر الحرورية فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হারূরিয়্যা সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তারা ইসলাম থেকে এমনিভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৩)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হারূরিয়্যা সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তারা ইসলাম থেকে এমনিভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৩)

يحيى بن سليمان حدثني ابن وهب قال حدثني عمر أن أباه حدثه عن عبد الله بن عمر وذكر الحرورية فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية


সহিহ বুখারী ৬৯৩০

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا خيثمة حدثنا سويد بن غفلة قال علي إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا فوالله لأن أخر من السماء أحب إلي من أن أكذب عليه وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإن الحرب خدعة وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سيخرج قوم في آخر الزمان أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول البرية لا يجاوز إيمانهم حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية فأينما لقيتموهم فاقتلوهم فإن في قتلهم أجرا لمن قتلهم يوم القيامة

সুয়ারদ ইব্‌নু গাফালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি যখন তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন হাদীস বয়ান করি ‘আল্লাহ্‌র শপথ! তখন তাঁর উপর মিথ্যা কথা আরোপ করার চেয়ে আকাশ থেকে নিচে পড়ে যাওয়াটা আমার কাছে শ্রেয়। কিন্তু আমি যদি আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয় সম্পর্কে কিছু বলি, তাহলে মনে রাখতে হবে যে, যুদ্ধ একটি কৌশল। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, শেষ যুগে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা হবে অল্পবয়স্ক যুবক, নির্বোধ। তারা সৃষ্টির সবচেয়ে শ্রেষ্ঠতম কথা থেকে আবৃত্তি করবে। অথচ ঈমান তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তাদেরকে যেখানেই তোমরা পাবে হত্যা করবে। কেননা তাদেরকে হত্যা করলে হত্যাকারীর জন্য কেয়ামতের দিনে প্রতিদান আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬১)

সুয়ারদ ইব্‌নু গাফালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি যখন তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন হাদীস বয়ান করি ‘আল্লাহ্‌র শপথ! তখন তাঁর উপর মিথ্যা কথা আরোপ করার চেয়ে আকাশ থেকে নিচে পড়ে যাওয়াটা আমার কাছে শ্রেয়। কিন্তু আমি যদি আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয় সম্পর্কে কিছু বলি, তাহলে মনে রাখতে হবে যে, যুদ্ধ একটি কৌশল। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, শেষ যুগে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা হবে অল্পবয়স্ক যুবক, নির্বোধ। তারা সৃষ্টির সবচেয়ে শ্রেষ্ঠতম কথা থেকে আবৃত্তি করবে। অথচ ঈমান তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তাদেরকে যেখানেই তোমরা পাবে হত্যা করবে। কেননা তাদেরকে হত্যা করলে হত্যাকারীর জন্য কেয়ামতের দিনে প্রতিদান আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬১)

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا خيثمة حدثنا سويد بن غفلة قال علي إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا فوالله لأن أخر من السماء أحب إلي من أن أكذب عليه وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإن الحرب خدعة وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سيخرج قوم في آخر الزمان أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول البرية لا يجاوز إيمانهم حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية فأينما لقيتموهم فاقتلوهم فإن في قتلهم أجرا لمن قتلهم يوم القيامة


সহিহ বুখারী ৬৯৩১

محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد قال أخبرني محمد بن إبراهيم عن أبي سلمة وعطاء بن يسار أنهما أتيا أبا سعيد الخدري فسألاه عن الحرورية أسمعت النبي صلى الله عليه وسلم قال لا أدري ما الحرورية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يخرج في هذه الأمة ولم يقل منها قوم تحقرون صلاتكم مع صلاتهم يقرءون القرآن لا يجاوز حلوقهم أو حناجرهم يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية فينظر الرامي إلى سهمه إلى نصله إلى رصافه فيتمارى في الفوقة هل علق بها من الدم شيء

আবূ সালামা ও ‘আত্বা ইব্‌নু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তারা আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-এর কাছে এলেন। তারা তাঁকে ‘হারূরিয়্যা’ সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন যে, আপনি কি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এদের ব্যাপারে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন, হারূরিয়্যা কী তা আমি জানি না। তবে নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি এ উম্মাতের মধ্যে বের হবে। তার থেকে সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে কথাটি বলেননি। যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ ভাববে। তারা কুরআন পড়বে বটে কিন্তু তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তীর নিক্ষেপকারী তীরের প্রতি, তার অগ্রাংশের প্রতি, তীরের মুখে বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করে, তীরের ছিলার বেলায়ও সন্দেহ হয় যে তাতে কিছু রক্ত লেগে থাকল কি না। [১২৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬২)

আবূ সালামা ও ‘আত্বা ইব্‌নু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তারা আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-এর কাছে এলেন। তারা তাঁকে ‘হারূরিয়্যা’ সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন যে, আপনি কি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এদের ব্যাপারে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন, হারূরিয়্যা কী তা আমি জানি না। তবে নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি এ উম্মাতের মধ্যে বের হবে। তার থেকে সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে কথাটি বলেননি। যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ ভাববে। তারা কুরআন পড়বে বটে কিন্তু তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তীর নিক্ষেপকারী তীরের প্রতি, তার অগ্রাংশের প্রতি, তীরের মুখে বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করে, তীরের ছিলার বেলায়ও সন্দেহ হয় যে তাতে কিছু রক্ত লেগে থাকল কি না। [১২৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬২)

محمد بن المثنى حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد قال أخبرني محمد بن إبراهيم عن أبي سلمة وعطاء بن يسار أنهما أتيا أبا سعيد الخدري فسألاه عن الحرورية أسمعت النبي صلى الله عليه وسلم قال لا أدري ما الحرورية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يخرج في هذه الأمة ولم يقل منها قوم تحقرون صلاتكم مع صلاتهم يقرءون القرآن لا يجاوز حلوقهم أو حناجرهم يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية فينظر الرامي إلى سهمه إلى نصله إلى رصافه فيتمارى في الفوقة هل علق بها من الدم شيء


সহিহ বুখারী > যারা মনোতুষ্টির জন্য খারিজীদের সঙ্গে যুদ্ধ ত্যাগ করে এবং এজন্য যে যাতে লোকেরা তাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ না করে।

সহিহ বুখারী ৬৯৩৪

موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني حدثنا يسير بن عمرو قال قلت لسهل بن حنيف هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في الخوارج شيئا قال سمعته يقول وأهوى بيده قبل العراق يخرج منه قوم يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية

ইউসায়র ইব্‌নু ‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাহ্‌ল ইব্‌নু হুনায়ফ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খারিজীদের সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেন, আমি তাকে বলতে শুনেছি, আর তখন তিনি তাঁর হাত ইরাকের দিকে বাড়িয়েছিলেন যে, সেখান থেকে এমন একটি সম্প্রদায় বের হবে যারা কুরআন পড়বে সত্য, কিন্তু তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না, তারা ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। [৩৩৪৪; মুসলিম ১২/৪৯, হাঃ ১০৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৫)

ইউসায়র ইব্‌নু ‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাহ্‌ল ইব্‌নু হুনায়ফ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খারিজীদের সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেন, আমি তাকে বলতে শুনেছি, আর তখন তিনি তাঁর হাত ইরাকের দিকে বাড়িয়েছিলেন যে, সেখান থেকে এমন একটি সম্প্রদায় বের হবে যারা কুরআন পড়বে সত্য, কিন্তু তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না, তারা ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। [৩৩৪৪; মুসলিম ১২/৪৯, হাঃ ১০৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৫)

موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني حدثنا يسير بن عمرو قال قلت لسهل بن حنيف هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول في الخوارج شيئا قال سمعته يقول وأهوى بيده قبل العراق يخرج منه قوم يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية


সহিহ বুখারী ৬৯৩৩

عبد الله بن محمد حدثنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي سعيد قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يقسم جاء عبد الله بن ذي الخويصرة التميمي فقال اعدل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ويلك ومن يعدل إذا لم أعدل قال عمر بن الخطاب دعني أضرب عنقه قال دعه فإن له أصحابا يحقر أحدكم صلاته مع صلاته وصيامه مع صيامه يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ينظر في قذذه فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في نصله فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في رصافه فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في نضيه فلا يوجد فيه شيء قد سبق الفرث والدم آيتهم رجل إحدى يديه أو قال ثدييه مثل ثدي المرأة أو قال مثل البضعة تدردر يخرجون على حين فرقة من الناس قال أبو سعيد أشهد سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم وأشهد أن عليا قتلهم وأنا معه جيء بالرجل على النعت الذي نعته النبي صلى الله عليه وسلم قال فنزلت فيه ومنهم من يلمزك في الصدقات

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কিছু বণ্টন করছিলেন। ঘটনাক্রমে ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু যুলখুওয়ায়সিরা তামীমী এল এবং বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইনসাফ করুন। তিনি বললেনঃ আফসোস তোমার জন্য! আমি যদি ইনসাফ না করি তা হলে আর কে ইনসাফ করবে? ‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, তার গর্দান উড়িয়ে দেই। তিনি বললেনঃ তাকে ছেড়ে দাও। তার জন্য সাথীরা আছে। যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ মনে করবে। যাদের সিয়ামের তুলনায় তোমরা তোমাদের সিয়ামকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা দ্বীন থেকে এমনিভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। তীরের প্রতি লক্ষ্য করলে তাতে কিছু পাওয়া যায় না। তীরের মুখের বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করলেও কিছু পাওয়া যায় না। তীরের কাঠের অংশের দিকে দেখলেও তাতে কিছু পাওয়া যায় না। বরং তীর তীব্র গতিতে বেরিয়ে যাবার সময় তাতে মল ও রক্তের দাগ পর্যন্ত লাগে না। তাদের পরিচয় এই যে, তাদের একটি লোকের একটি হাত অথবা বলেছেন, একটি স্তন হবে মহিলাদের স্তনের ন্যায়। অথবা বলেছেন, অতিরিক্ত গোশতের টুকরার ন্যায়। লোকদের মধ্যে বিরোধের সময় তাদের আবির্ভাব ঘটবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তা নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ‘আলী (রাঃ) তাদেরকে হত্যা করেছেন। আমি তখন তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তখন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেয়া বর্ণনার সংগে মিলে এমন ব্যক্তিকে আনা হয়েছিল। তিনি বলেন, ওর সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছেঃ “ওদের মধ্যে এমন লোক আছে যে সদকা সম্পর্কে তোমাকে দোষারোপ করে”– (সূরা আত্-তওবা ৯/৫৮)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৪)

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কিছু বণ্টন করছিলেন। ঘটনাক্রমে ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু যুলখুওয়ায়সিরা তামীমী এল এবং বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইনসাফ করুন। তিনি বললেনঃ আফসোস তোমার জন্য! আমি যদি ইনসাফ না করি তা হলে আর কে ইনসাফ করবে? ‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন, তার গর্দান উড়িয়ে দেই। তিনি বললেনঃ তাকে ছেড়ে দাও। তার জন্য সাথীরা আছে। যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ মনে করবে। যাদের সিয়ামের তুলনায় তোমরা তোমাদের সিয়ামকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা দ্বীন থেকে এমনিভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়। তীরের প্রতি লক্ষ্য করলে তাতে কিছু পাওয়া যায় না। তীরের মুখের বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করলেও কিছু পাওয়া যায় না। তীরের কাঠের অংশের দিকে দেখলেও তাতে কিছু পাওয়া যায় না। বরং তীর তীব্র গতিতে বেরিয়ে যাবার সময় তাতে মল ও রক্তের দাগ পর্যন্ত লাগে না। তাদের পরিচয় এই যে, তাদের একটি লোকের একটি হাত অথবা বলেছেন, একটি স্তন হবে মহিলাদের স্তনের ন্যায়। অথবা বলেছেন, অতিরিক্ত গোশতের টুকরার ন্যায়। লোকদের মধ্যে বিরোধের সময় তাদের আবির্ভাব ঘটবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তা নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, ‘আলী (রাঃ) তাদেরকে হত্যা করেছেন। আমি তখন তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তখন নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেয়া বর্ণনার সংগে মিলে এমন ব্যক্তিকে আনা হয়েছিল। তিনি বলেন, ওর সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছেঃ “ওদের মধ্যে এমন লোক আছে যে সদকা সম্পর্কে তোমাকে দোষারোপ করে”– (সূরা আত্-তওবা ৯/৫৮)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৪)

عبد الله بن محمد حدثنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي سعيد قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يقسم جاء عبد الله بن ذي الخويصرة التميمي فقال اعدل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ويلك ومن يعدل إذا لم أعدل قال عمر بن الخطاب دعني أضرب عنقه قال دعه فإن له أصحابا يحقر أحدكم صلاته مع صلاته وصيامه مع صيامه يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ينظر في قذذه فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في نصله فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في رصافه فلا يوجد فيه شيء ثم ينظر في نضيه فلا يوجد فيه شيء قد سبق الفرث والدم آيتهم رجل إحدى يديه أو قال ثدييه مثل ثدي المرأة أو قال مثل البضعة تدردر يخرجون على حين فرقة من الناس قال أبو سعيد أشهد سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم وأشهد أن عليا قتلهم وأنا معه جيء بالرجل على النعت الذي نعته النبي صلى الله عليه وسلم قال فنزلت فيه ومنهم من يلمزك في الصدقات


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00