সহিহ বুখারী > পশু আহত করলে তাতে কোন ক্ষতিপূরন নেই ।

সহিহ বুখারী ৬৯১৩

مسلم حدثنا شعبة عن محمد بن زياد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال العجماء عقلها جبار والبئر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس

আবূ হুরাইরাহ (রহঃ)’র মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পশু আহত করলে, খণি বা কূপে পড়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারে কোন ক্ষতিপূরণ নেই। গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ দেয়া ওয়াজিব। [১৪৯৯; মুসলিম ২৯/১১, হাঃ ১৭১০, আহমাদ ৭২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৫)

আবূ হুরাইরাহ (রহঃ)’র মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পশু আহত করলে, খণি বা কূপে পড়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারে কোন ক্ষতিপূরণ নেই। গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ দেয়া ওয়াজিব। [১৪৯৯; মুসলিম ২৯/১১, হাঃ ১৭১০, আহমাদ ৭২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৫)

مسلم حدثنا شعبة عن محمد بن زياد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال العجماء عقلها جبار والبئر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس


সহিহ বুখারী > যে ব্যক্তি যীম্মিকে বিনা অপরাধে হত্যা করে তার পাপ

সহিহ বুখারী ৬৯১৪

قيس بن حفص حدثنا عبد الواحد حدثنا الحسن حدثنا مجاهد عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قتل نفسا معاهدا لم يرح رائحة الجنة وإن ريحها ليوجد من مسيرة أربعين عاما

'আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আম্‌র (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি প্রদত্ত কোন লোককে হত্যা করে, সে ব্যক্তি জান্নাতের সুগন্ধির ঘ্রান নিতে পারবে না। অথচ তার সুগন্ধ চল্লিশ বছরের দুরত্ব থেকে পাওয়া যায়। [১২২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৬)

'আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আম্‌র (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি প্রদত্ত কোন লোককে হত্যা করে, সে ব্যক্তি জান্নাতের সুগন্ধির ঘ্রান নিতে পারবে না। অথচ তার সুগন্ধ চল্লিশ বছরের দুরত্ব থেকে পাওয়া যায়। [১২২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৬)

قيس بن حفص حدثنا عبد الواحد حدثنا الحسن حدثنا مجاهد عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قتل نفسا معاهدا لم يرح رائحة الجنة وإن ريحها ليوجد من مسيرة أربعين عاما


সহিহ বুখারী > কাফেরের বদলে মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না

সহিহ বুখারী ৬৯১৫

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا مطرف أن عامرا حدثهم عن أبي جحيفة قال قلت لعلي ح حدثنا صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف سمعت الشعبي يحدث قال سمعت أبا جحيفة قال سألت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القرآن وقال ابن عيينة مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرأ النسمة ما عندنا إلا ما في القرآن إلا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الأسير وأن لا يقتل مسلم بكافر

আবূ জুহাইফাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের কাছে এমন কিছু আছে কি যা কুরাআনে নেই? তিনি বললেন, দিয়াতের বিধান, বন্দী-মুক্তির বিধান এবং (এ বিধান যে) কাফেরের বদলে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৭)

আবূ জুহাইফাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের কাছে এমন কিছু আছে কি যা কুরাআনে নেই? তিনি বললেন, দিয়াতের বিধান, বন্দী-মুক্তির বিধান এবং (এ বিধান যে) কাফেরের বদলে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৭)

أحمد بن يونس حدثنا زهير حدثنا مطرف أن عامرا حدثهم عن أبي جحيفة قال قلت لعلي ح حدثنا صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف سمعت الشعبي يحدث قال سمعت أبا جحيفة قال سألت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القرآن وقال ابن عيينة مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرأ النسمة ما عندنا إلا ما في القرآن إلا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الأسير وأن لا يقتل مسلم بكافر


সহিহ বুখারী > যখন কোন মুসলিম কোন ইয়াহুদীকে ক্রোধের সময় থাপ্‌পড় মারল ।

সহিহ বুখারী ৬৯১৬

أبو نعيم حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تخيروا بين الأنبياء

আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ তোমরা নবীদের একজনকে অন্য জনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিওনা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৮)

আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ তোমরা নবীদের একজনকে অন্য জনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিওনা। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৮)

أبو نعيم حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تخيروا بين الأنبياء


সহিহ বুখারী ৬৯১৭

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه عن أبي سعيد الخدري قال جاء رجل من اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم قد لطم وجهه فقال يا محمد إن رجلا من أصحابك من الأنصار قد لطم في وجهي قال ادعوه فدعوه قال لم لطمت وجهه قال يا رسول الله إني مررت باليهود فسمعته يقول والذي اصطفى موسى على البشر قال قلت وعلى محمد صلى الله عليه وسلم قال فأخذتني غضبة فلطمته قال لا تخيروني من بين الأنبياء فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أفاق قبلي أم جوزي بصعقة الطور

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহূদী, যার মুখে চপেটাঘাত করা হয়েছিল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার জনৈক আনসারী সাহাবী আমার মুখে চপেটাঘাত করেছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে ডেকে আন। তারা তাকে ডেকে আনল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কেন চড় মারলে? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি এক ইয়াহূদীর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন আমি তাকে বলতে শুনলাম যে, ঐ সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানবকুলের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তখন আমি বললাম, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপরেও কি? অতঃপর আমার ভীষণ রাগ এসে গেল। ফলে আমি তাকে চড় মেরে দেই। তিনি বলেনঃ তোমরা আমাকে নবীদের মাঝে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। কেননা সকল মানুষই ক্বিয়ামতের দিন বেহুঁশ হয়ে পড়বে। তখন আমিই হব প্রথম ব্যক্তি যে হুঁশ ফিরে পাবে। কিন্তু আমি তখন মুসা (আঃ) - কে এমন অবস্থায় পাব যে, তিনি আরশের খুঁটিগুলো থেকে একটি খুঁটি ধরে আছেন। আমি বুঝতে পারব না যে, তিনি আমার আগে হুঁশ ফিরে পেলেন, না তূর পর্বতে বেহুঁশ হবার প্রতিদান দেয়া হয়েছে ( যে জন্য তিনি পুনরায় বেহুঁশই হননি)?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৯)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহূদী, যার মুখে চপেটাঘাত করা হয়েছিল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার জনৈক আনসারী সাহাবী আমার মুখে চপেটাঘাত করেছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে ডেকে আন। তারা তাকে ডেকে আনল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কেন চড় মারলে? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি এক ইয়াহূদীর কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন আমি তাকে বলতে শুনলাম যে, ঐ সত্তার কসম! যিনি মূসাকে মানবকুলের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তখন আমি বললাম, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপরেও কি? অতঃপর আমার ভীষণ রাগ এসে গেল। ফলে আমি তাকে চড় মেরে দেই। তিনি বলেনঃ তোমরা আমাকে নবীদের মাঝে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। কেননা সকল মানুষই ক্বিয়ামতের দিন বেহুঁশ হয়ে পড়বে। তখন আমিই হব প্রথম ব্যক্তি যে হুঁশ ফিরে পাবে। কিন্তু আমি তখন মুসা (আঃ) - কে এমন অবস্থায় পাব যে, তিনি আরশের খুঁটিগুলো থেকে একটি খুঁটি ধরে আছেন। আমি বুঝতে পারব না যে, তিনি আমার আগে হুঁশ ফিরে পেলেন, না তূর পর্বতে বেহুঁশ হবার প্রতিদান দেয়া হয়েছে ( যে জন্য তিনি পুনরায় বেহুঁশই হননি)?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪৯)

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه عن أبي سعيد الخدري قال جاء رجل من اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم قد لطم وجهه فقال يا محمد إن رجلا من أصحابك من الأنصار قد لطم في وجهي قال ادعوه فدعوه قال لم لطمت وجهه قال يا رسول الله إني مررت باليهود فسمعته يقول والذي اصطفى موسى على البشر قال قلت وعلى محمد صلى الله عليه وسلم قال فأخذتني غضبة فلطمته قال لا تخيروني من بين الأنبياء فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أفاق قبلي أم جوزي بصعقة الطور


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00