সহিহ বুখারী > যে লোক অন্য লোকেদের ঘরে উঁকি মারল আর তারা তার চক্ষু ফুঁড়ে দিল, এতে ঐ ব্যাক্তির জন্য দিয়াত নেই।

সহিহ বুখারী ৬৯০০

أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس عن أنس أن رجلا اطلع من حجر في بعض حجر النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه بمشقص أو بمشاقص وجعل يختله ليطعنه

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন একটি হুজরার ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন তিনি তার প্রতি লক্ষ্য করে একটি তীক্ষ্ণ প্রশস্ত ছুরি নিয়ে দাড়ালেন এবং তার অজান্তে তাকে খোঁচা দেয়ার সুযোগ খুঁজতে লাগলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন একটি হুজরার ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন তিনি তার প্রতি লক্ষ্য করে একটি তীক্ষ্ণ প্রশস্ত ছুরি নিয়ে দাড়ালেন এবং তার অজান্তে তাকে খোঁচা দেয়ার সুযোগ খুঁজতে লাগলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৩)

أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس عن أنس أن رجلا اطلع من حجر في بعض حجر النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه بمشقص أو بمشاقص وجعل يختله ليطعنه


সহিহ বুখারী ৬৯০১

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن ابن شهاب أن سهل بن سعد الساعدي أخبره أن رجلا اطلع في جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو أعلم أنك تنتظرني لطعنت به في عينيك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما جعل الإذن من قبل البصر

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন হুজরার দরজার এক ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট চিরুনির মত একখন্ড লোহা ছিল। এ দিয়ে তিনি নিজ মাথা চুল্‌কাচ্ছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখলেন তখন বললেনঃ যদি আমি নিশ্চিত হতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তাহলে এটা দিয়ে আমি তোমার চোখে আঘাত করতাম। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ চোখের কারণেই অনুমতির বিধান রাখা হয়েছে। [১১৯] [৫৯২৪; মুসলিম ৩৮/৯, হাঃ ২১৫৬, আহমাদ ২২৮৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৪)

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন হুজরার দরজার এক ছিদ্র দিয়ে উঁকি মারল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট চিরুনির মত একখন্ড লোহা ছিল। এ দিয়ে তিনি নিজ মাথা চুল্‌কাচ্ছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখলেন তখন বললেনঃ যদি আমি নিশ্চিত হতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তাহলে এটা দিয়ে আমি তোমার চোখে আঘাত করতাম। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ চোখের কারণেই অনুমতির বিধান রাখা হয়েছে। [১১৯] [৫৯২৪; মুসলিম ৩৮/৯, হাঃ ২১৫৬, আহমাদ ২২৮৬৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৪)

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن ابن شهاب أن سهل بن سعد الساعدي أخبره أن رجلا اطلع في جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو أعلم أنك تنتظرني لطعنت به في عينيك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما جعل الإذن من قبل البصر


সহিহ বুখারী ৬৯০২

علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم لو أن امرأ اطلع عليك بغير إذن فخذفته بعصاة ففقأت عينه لم يكن عليك جناح

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূল কাসিম (রাঃ) বলেছেনঃ যদি কোন লোক অনুমতি ছাড়া তোমার দিকে উঁকি মারে আর তখন তুমি তার প্রতি কংকর ছুঁড়ে তার চক্ষু উপড়ে ফেল, এতে তোমার কোন অপরাধ হবে না। [১২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূল কাসিম (রাঃ) বলেছেনঃ যদি কোন লোক অনুমতি ছাড়া তোমার দিকে উঁকি মারে আর তখন তুমি তার প্রতি কংকর ছুঁড়ে তার চক্ষু উপড়ে ফেল, এতে তোমার কোন অপরাধ হবে না। [১২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৫)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم لو أن امرأ اطلع عليك بغير إذن فخذفته بعصاة ففقأت عينه لم يكن عليك جناح


সহিহ বুখারী > আকিলা (রক্তপণ) প্রসঙ্গে

সহিহ বুখারী ৬৯০৩

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف قال سمعت الشعبي قال سمعت أبا جحيفة قال سألت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القرآن وقال مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرأ النسمة ما عندنا إلا ما في القرآن إلا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الأسير وأن لا يقتل مسلم بكافر

আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, যা কুরআনে নেই এমন কিছু আপনাদের নিকট আছে কি? একবার তিনি বলেছেন, যা মানুষের নিকট নেই...তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যিনি খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত করেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেন! কুরআনে যা কিছু আছে তা ছাড়া আমাদের নিকট অন্য কিছু নেই। তবে এমন জ্ঞান যা আল্লাহ্‌র কিতাব বুঝবার জন্য কোন ব্যাক্তিকে দেয়া হয় এবং এ কাগজের টুকরায় যা রয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কাগজের টুক্‌রায় কী রয়েছে? তিনি বললেন, রক্তপণ ও মুক্তিপণের বিধান। আর (এ নীতি) কোন কাফেরের বদলে কোন মুসলিম কে হত্যা করা হবে না। [১২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৬)

আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, যা কুরআনে নেই এমন কিছু আপনাদের নিকট আছে কি? একবার তিনি বলেছেন, যা মানুষের নিকট নেই...তখন তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম! যিনি খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত করেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেন! কুরআনে যা কিছু আছে তা ছাড়া আমাদের নিকট অন্য কিছু নেই। তবে এমন জ্ঞান যা আল্লাহ্‌র কিতাব বুঝবার জন্য কোন ব্যাক্তিকে দেয়া হয় এবং এ কাগজের টুকরায় যা রয়েছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কাগজের টুক্‌রায় কী রয়েছে? তিনি বললেন, রক্তপণ ও মুক্তিপণের বিধান। আর (এ নীতি) কোন কাফেরের বদলে কোন মুসলিম কে হত্যা করা হবে না। [১২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৬)

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا مطرف قال سمعت الشعبي قال سمعت أبا جحيفة قال سألت عليا هل عندكم شيء مما ليس في القرآن وقال مرة ما ليس عند الناس فقال والذي فلق الحبة وبرأ النسمة ما عندنا إلا ما في القرآن إلا فهما يعطى رجل في كتابه وما في الصحيفة قلت وما في الصحيفة قال العقل وفكاك الأسير وأن لا يقتل مسلم بكافر


সহিহ বুখারী > মহিলার ভ্রূণ

সহিহ বুখারী ৬৯০৫

موسى بن إسماعيل حدثنا وهيب حدثنا هشام عن أبيه عن المغيرة بن شعبة عن عمر أنه استشارهم في إملاص المرأة فقال المغيرة قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالغرة عبد أو أمة

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহিলাদের গর্ভপাত সম্বন্ধে সাহাবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। তখন মুগীরা (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত লোকটিকে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহিলাদের গর্ভপাত সম্বন্ধে সাহাবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। তখন মুগীরা (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত লোকটিকে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)

موسى بن إسماعيل حدثنا وهيب حدثنا هشام عن أبيه عن المغيرة بن شعبة عن عمر أنه استشارهم في إملاص المرأة فقال المغيرة قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالغرة عبد أو أمة


সহিহ বুখারী ৬৯০৭

عبيد الله بن موسى عن هشام عن أبيه أن عمر نشد الناس من سمع النبي صلى الله عليه وسلم قضى في السقط فقال المغيرة أنا سمعته قضى فيه بغرة عبد أو أمة

হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) লোকদের কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভ্রূণ হত্যার ব্যাপারে ফায়সালা দিতে কে শুনেছে? তখন মুগীরা (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে এরূপ ক্ষেত্রে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তোমার সাক্ষী নিয়ে এসো।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৯)

হিশামের পিতা ‘উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমর (রাঃ) লোকদের কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ভ্রূণ হত্যার ব্যাপারে ফায়সালা দিতে কে শুনেছে? তখন মুগীরা (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে এরূপ ক্ষেত্রে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তোমার সাক্ষী নিয়ে এসো।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৯)

عبيد الله بن موسى عن هشام عن أبيه أن عمر نشد الناس من سمع النبي صلى الله عليه وسلم قضى في السقط فقال المغيرة أنا سمعته قضى فيه بغرة عبد أو أمة


সহিহ বুখারী ৬৯০৮

م حدثني محمد بن عبد الله حدثنا محمد بن سابق حدثنا زائدة حدثنا هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع المغيرة بن شعبة يحدث عن عمر أنه استشارهم في إملاص المرأة مثله

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাস্‌লামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাস্‌লামাহ (রাঃ) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ ফায়সালা প্রদান করেছেন। (আঃপ্রঃ, ইঃফাঃ ৬৪৩৯) ------------------------- ৬৯০৮/১. মুহাম্মাদ ইব্‌নু 'আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) 'উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি সাহাবীগণের সঙ্গে গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়ে এরূপ পরামর্শ করেছেন। [৬৯০৫; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮২, আহমাদ ১৮১৬১] (আঃপ্রঃ ৬৪২৮, ইঃফাঃ ৬৪৪০)

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাস্‌লামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাস্‌লামাহ (রাঃ) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ ফায়সালা প্রদান করেছেন। (আঃপ্রঃ, ইঃফাঃ ৬৪৩৯) ------------------------- ৬৯০৮/১. মুহাম্মাদ ইব্‌নু 'আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) 'উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি সাহাবীগণের সঙ্গে গর্ভপাত ঘটানোর বিষয়ে এরূপ পরামর্শ করেছেন। [৬৯০৫; মুসলিম ২৮/১১, হাঃ ১৬৮২, আহমাদ ১৮১৬১] (আঃপ্রঃ ৬৪২৮, ইঃফাঃ ৬৪৪০)

م حدثني محمد بن عبد الله حدثنا محمد بن سابق حدثنا زائدة حدثنا هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع المغيرة بن شعبة يحدث عن عمر أنه استشارهم في إملاص المرأة مثله


সহিহ বুখারী ৬৯০৬

فشهد محمد بن مسلمة أنه شهد النبي صلى الله عليه وسلم قضى به

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ ফায়সালা করতে দেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ ফায়সালা করতে দেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)

فشهد محمد بن مسلمة أنه شهد النبي صلى الله عليه وسلم قضى به


সহিহ বুখারী ৬৯০৪

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك وحدثنا إسماعيل حدثنا مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمٰن عن أبي هريرة أن امرأتين من هذيل رمت إحداهما الأخرى فطرحت جنينها فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها بغرة عبد أو أمة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুযায়ল গোত্রের দু’জন মহিলার একজন আরেকজন কে পাথর ছুঁড়ে গর্ভপাত ঘটিয়ে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মহিলার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুযায়ল গোত্রের দু’জন মহিলার একজন আরেকজন কে পাথর ছুঁড়ে গর্ভপাত ঘটিয়ে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মহিলার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৭)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك وحدثنا إسماعيل حدثنا مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمٰن عن أبي هريرة أن امرأتين من هذيل رمت إحداهما الأخرى فطرحت جنينها فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها بغرة عبد أو أمة


সহিহ বুখারী > মহিলার ভ্রুন এবং দিয়াত পিতা ও পিতার নিকটাত্মীয়দের উপর বর্তায়, সন্তানের উপর নয়।

সহিহ বুখারী ৬৯০৯

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في جنين امرأة من بني لحيان بغرة عبد أو أمة ثم إن المرأة التي قضى عليها بالغرة توفيت فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ميراثها لبنيها وزوجها وأن العقل على عصبتها

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাণী লিহ্‌য়ানের এক মহিলার ভ্রুন হত্যার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেন। তারপর দণ্ডপ্রাপ্ত মহিলার মৃত্যু হল, যার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ফায়সালা করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় ফায়সালা প্রদান করলেন যে, তার ত্যাজ্য সম্পত্তি তার ছেলে সন্তান ও স্বামী পাবে। আর দিয়াত আদায় করবে তার আসাবা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪১)

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাণী লিহ্‌য়ানের এক মহিলার ভ্রুন হত্যার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেন। তারপর দণ্ডপ্রাপ্ত মহিলার মৃত্যু হল, যার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ফায়সালা করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় ফায়সালা প্রদান করলেন যে, তার ত্যাজ্য সম্পত্তি তার ছেলে সন্তান ও স্বামী পাবে। আর দিয়াত আদায় করবে তার আসাবা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪১)

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في جنين امرأة من بني لحيان بغرة عبد أو أمة ثم إن المرأة التي قضى عليها بالغرة توفيت فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ميراثها لبنيها وزوجها وأن العقل على عصبتها


সহিহ বুখারী ৬৯১০

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب حدثنا يونس عن ابن شهاب عن ابن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمٰن أن أبا هريرة قال اقتتلت امرأتان من هذيل فرمت إحداهما الأخرى بحجر فقتلتها وما في بطنها فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقضى أن دية جنينها غرة عبد أو وليدة وقضى أن دية المرأة على عاقلتها

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযায়ল গোত্রের দু'জন মহিলা ঝগড়াকালে একে অন্যের প্রতি পাথর ছুঁড়ে মারে এবং একজন অন্য জনের গর্ভস্থিত সন্তানকে হত্যা করে ফেলল। তারপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে বিচার নিয়ে এল। তিনি ফায়সালা দিলেন যে, ভ্রুনের দিয়াত হল একটি গোলাম অথবা বাঁদী আর এ ফায়সালাও দিলেন যে, নিহত মহিলার দিয়াত হত্যাকারিণীর আসাবার উপর আসবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪২)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযায়ল গোত্রের দু'জন মহিলা ঝগড়াকালে একে অন্যের প্রতি পাথর ছুঁড়ে মারে এবং একজন অন্য জনের গর্ভস্থিত সন্তানকে হত্যা করে ফেলল। তারপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে বিচার নিয়ে এল। তিনি ফায়সালা দিলেন যে, ভ্রুনের দিয়াত হল একটি গোলাম অথবা বাঁদী আর এ ফায়সালাও দিলেন যে, নিহত মহিলার দিয়াত হত্যাকারিণীর আসাবার উপর আসবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪২)

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب حدثنا يونس عن ابن شهاب عن ابن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمٰن أن أبا هريرة قال اقتتلت امرأتان من هذيل فرمت إحداهما الأخرى بحجر فقتلتها وما في بطنها فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقضى أن دية جنينها غرة عبد أو وليدة وقضى أن دية المرأة على عاقلتها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00