সহিহ বুখারী > দাঁত দিয়ে কামড়ানোর কারণে কারো দাঁত উপড়ে গেলে।
সহিহ বুখারী ৬৮৯২
آدم حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت زرارة بن أوفى عن عمران بن حصين أن رجلا عض يد رجل فنزع يده من فمه فوقعت ثنيتاه فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يعض أحدكم أخاه كما يعض الفحل لا دية لك.
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক অন্য এক লোকের হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। সে তার হাত ঐ লোকের মুখ থেকে টেনে বের করল। ফলে তার দু’টো দাঁত উপড়ে গেল। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট তাদের মুকাদ্দমা হাজির করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইকে কি কামড়াবে উট যেমন কামড়ায়? তোমার জন্য কোন রক্তপণ নেই। [১১৮][মুসলিম ১৭/৪, হাঃ ১৬৭৩, আহমাদ ১৯৮৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৫)
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক অন্য এক লোকের হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। সে তার হাত ঐ লোকের মুখ থেকে টেনে বের করল। ফলে তার দু’টো দাঁত উপড়ে গেল। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট তাদের মুকাদ্দমা হাজির করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইকে কি কামড়াবে উট যেমন কামড়ায়? তোমার জন্য কোন রক্তপণ নেই। [১১৮][মুসলিম ১৭/৪, হাঃ ১৬৭৩, আহমাদ ১৯৮৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৫)
آدم حدثنا شعبة حدثنا قتادة قال سمعت زرارة بن أوفى عن عمران بن حصين أن رجلا عض يد رجل فنزع يده من فمه فوقعت ثنيتاه فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يعض أحدكم أخاه كما يعض الفحل لا دية لك.
সহিহ বুখারী ৬৮৯৩
أبو عاصم عن ابن جريج عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن أبيه قال خرجت في غزوة فعض رجل فانتزع ثنيته فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم.
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কোন একটি যুদ্ধে বেরিয়েছিলাম। তখন এক লোক দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে, যার ফলে তার দাঁত উপড়ে যায়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (দাঁতের) রক্তপণকে বাতিল করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৬)
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কোন একটি যুদ্ধে বেরিয়েছিলাম। তখন এক লোক দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে, যার ফলে তার দাঁত উপড়ে যায়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (দাঁতের) রক্তপণকে বাতিল করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৬)
أبو عاصم عن ابن جريج عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن أبيه قال خرجت في غزوة فعض رجل فانتزع ثنيته فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > দাঁতের বদলে দাঁত
সহিহ বুখারী ৬৮৯৪
الأنصاري حدثنا حميد عن أنس أن ابنة النضر لطمت جارية فكسرت ثنيتها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقصاص.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাযরের কন্যা একটি বালিকাকে চড় দিয়ে তার দাঁত ভেঙ্গে ফেলল। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। তখন তিনি কিসাসের হুকুম দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাযরের কন্যা একটি বালিকাকে চড় দিয়ে তার দাঁত ভেঙ্গে ফেলল। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। তখন তিনি কিসাসের হুকুম দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪২৭)
الأنصاري حدثنا حميد عن أنس أن ابنة النضر لطمت جارية فكسرت ثنيتها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقصاص.
সহিহ বুখারী > আঙ্গুলের রক্তপণ
সহিহ বুখারী ৬৮৯৫
آدم حدثنا شعبة عن قتادة عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال هذه وهذه سواء يعني الخنصر والإبهام حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن قتادة عن عكرمة عن ابن عباس قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন: রক্তপণের ব্যাপারে এটি এবং ওটির সমান। অর্থাৎ কনিষ্ঠাঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি। (আঃপ্রঃ ৬৪১৫, ইঃফাঃ ৬৪২৮)। ---------------------- ৬৮৯৫/১. ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ঐরূপই বলতে শুনেছি। (আঃপ্রঃ ৬৪১৬, ইঃফাঃ ৬৪২৯)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন: রক্তপণের ব্যাপারে এটি এবং ওটির সমান। অর্থাৎ কনিষ্ঠাঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি। (আঃপ্রঃ ৬৪১৫, ইঃফাঃ ৬৪২৮)। ---------------------- ৬৮৯৫/১. ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ঐরূপই বলতে শুনেছি। (আঃপ্রঃ ৬৪১৬, ইঃফাঃ ৬৪২৯)
آدم حدثنا شعبة عن قتادة عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال هذه وهذه سواء يعني الخنصر والإبهام حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن قتادة عن عكرمة عن ابن عباس قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نحوه.
সহিহ বুখারী > যখন একটি দল কোন এক লোককে বিপদগ্রস্ত করে তোলে, তখন তাদের সবাইকে শাস্তি দেয়া হবে কি? অথবা সবার নিকট থেকে কিসাস গ্রহণ করা হবে কি?
সহিহ বুখারী ৬৮৯৬
وقال لي ابن بشار حدثنا يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أن غلاما قتل غيلة فقال عمر لو اشترك فيها أهل صنعاء لقتلتهم وقال مغيرة بن حكيم عن أبيه إن أربعة قتلوا صبيا فقال عمر مثله وأقاد أبو بكر وابن الزبير وعلي وسويد بن مقرن من لطمة وأقاد عمر من ضربة بالدرة وأقاد علي من ثلاثة أسواط واقتص شريح من سوط وخموش
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাকে ইব্নু বাশশার (রহঃ) ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একটি বালককে গোপনে হত্যা করা হয়। তখন উমর (রাঃ) বললেন, যদি গোটা সান’আবাসী এতে অংশ নিত তাহলে আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। মুগীরাহ ইব্নু হাকীম (রহঃ) আপন পিতা হাকীম থেকে বর্ণনা করেন যে, চারজন লোক একটি বালককে হত্যা করেছিল। তখন ‘উমর (রাঃ) ঐরকম কথা বলেছিলেন। আবূ বকর ও ইব্নু যুবায়র, ‘আলী ও সুওয়ায়দ ইব্নু মুকাররিন (রাঃ) চড়ের বিষয়ে কিসাসের নির্দেশ দেন। উমর (রাঃ) ছড়ি দিয়ে মারা ব্যাপারে কিসাসের নির্দেশ দেন। আর ‘আলী (রাঃ) তিনটি বেত্রাঘাতের জন্য কিসাসের নির্দেশ দেন এবং শুরায়হ (রহঃ) একটি বেত্রাঘাত ও নখের আঁচড়ের জন্য কিসাস বলবৎ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ই.ফা, অনুচ্ছেদ)
আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাকে ইব্নু বাশশার (রহঃ) ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একটি বালককে গোপনে হত্যা করা হয়। তখন উমর (রাঃ) বললেন, যদি গোটা সান’আবাসী এতে অংশ নিত তাহলে আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। মুগীরাহ ইব্নু হাকীম (রহঃ) আপন পিতা হাকীম থেকে বর্ণনা করেন যে, চারজন লোক একটি বালককে হত্যা করেছিল। তখন ‘উমর (রাঃ) ঐরকম কথা বলেছিলেন। আবূ বকর ও ইব্নু যুবায়র, ‘আলী ও সুওয়ায়দ ইব্নু মুকাররিন (রাঃ) চড়ের বিষয়ে কিসাসের নির্দেশ দেন। উমর (রাঃ) ছড়ি দিয়ে মারা ব্যাপারে কিসাসের নির্দেশ দেন। আর ‘আলী (রাঃ) তিনটি বেত্রাঘাতের জন্য কিসাসের নির্দেশ দেন এবং শুরায়হ (রহঃ) একটি বেত্রাঘাত ও নখের আঁচড়ের জন্য কিসাস বলবৎ করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ই.ফা, অনুচ্ছেদ)
وقال لي ابن بشار حدثنا يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أن غلاما قتل غيلة فقال عمر لو اشترك فيها أهل صنعاء لقتلتهم وقال مغيرة بن حكيم عن أبيه إن أربعة قتلوا صبيا فقال عمر مثله وأقاد أبو بكر وابن الزبير وعلي وسويد بن مقرن من لطمة وأقاد عمر من ضربة بالدرة وأقاد علي من ثلاثة أسواط واقتص شريح من سوط وخموش
সহিহ বুখারী ৬৮৯৭
مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا موسى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله قال قالت عائشة لددنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه وجعل يشير إلينا لا تلدوني قال فقلنا كراهية المريض بالدواء فلما أفاق قال ألم أنهكم أن تلدوني قال قلنا كراهية للدواء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبقى منكم أحد إلا لد وأنا أنظر إلا العباس فإنه لم يشهدكم
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর অসুস্থতার সময় তাঁর মুখের এক পাশে ঔষধ ঢেলে দিলাম। আর তিনি আমাদের দিকে ইঙ্গিত করতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখের এক পাশে ঔষধ ঢেলে দিও না। আমরা মনে করলাম যে , রোগীর ঔষধের প্রতি অনাসক্তিই এর কারণ। যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন , তখন বললেনঃ আমাকে ( জোর পূর্বক ) ঔষধ সেবন করাতে কি তোমাদেরকে নিষেধ করিনি? আমরা বললাম , রোগীর ঔষধের প্রতি অনাসক্তিই এর কারণ বলে আমরা মনে করেছি। তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ যেন না থাকে যার মুখে জোরপূর্বক ঔষধ ঢালা না হবে আর আমি দেখব শুধু ‘আব্বাস ছাড়া। কারণ, সে তোমাদের সাথে উপস্থিত ছিল না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩০)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর অসুস্থতার সময় তাঁর মুখের এক পাশে ঔষধ ঢেলে দিলাম। আর তিনি আমাদের দিকে ইঙ্গিত করতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখের এক পাশে ঔষধ ঢেলে দিও না। আমরা মনে করলাম যে , রোগীর ঔষধের প্রতি অনাসক্তিই এর কারণ। যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন , তখন বললেনঃ আমাকে ( জোর পূর্বক ) ঔষধ সেবন করাতে কি তোমাদেরকে নিষেধ করিনি? আমরা বললাম , রোগীর ঔষধের প্রতি অনাসক্তিই এর কারণ বলে আমরা মনে করেছি। তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ যেন না থাকে যার মুখে জোরপূর্বক ঔষধ ঢালা না হবে আর আমি দেখব শুধু ‘আব্বাস ছাড়া। কারণ, সে তোমাদের সাথে উপস্থিত ছিল না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩০)
مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا موسى بن أبي عائشة عن عبيد الله بن عبد الله قال قالت عائشة لددنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه وجعل يشير إلينا لا تلدوني قال فقلنا كراهية المريض بالدواء فلما أفاق قال ألم أنهكم أن تلدوني قال قلنا كراهية للدواء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبقى منكم أحد إلا لد وأنا أنظر إلا العباس فإنه لم يشهدكم