সহিহ বুখারী > চোর যখন চুরি করে।

সহিহ বুখারী ৬৭৮২

عمرو بن علي حدثنا عبد الله بن داود حدثنا فضيل بن غزوان عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ولا يسرق السارق حين يسرق وهو مؤمن.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন থাকে না। এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মু’মিন থাকে না। [৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৫)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মু’মিন থাকে না। এবং চোর যখন চুরি করে তখন সে মু’মিন থাকে না। [৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৫)

عمرو بن علي حدثنا عبد الله بن داود حدثنا فضيل بن غزوان عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ولا يسرق السارق حين يسرق وهو مؤمن.


সহিহ বুখারী > চোরের নাম উল্লেখ না করে তার উপর লা’নত করা।

সহিহ বুখারী ৬৭৮৩

عمر بن حفص بن غياث حدثني أبي حدثنا الأعمش قال سمعت أبا صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعن الله السارق يسرق البيضة فتقطع يده ويسرق الحبل فتقطع يده قال الأعمش كانوا يرون أنه بيض الحديد والحبل كانوا يرون أنه منها ما يسوى دراهم.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, চোরের উপর আল্লাহ্‌র লা’নত হোক, যখন সে একটি হেলমেট চুরি করে এবং এ জন্য তার হাত কাটা হয় এবং সে একটি রশি চুরি করে এ জন্য তার হাত কাটা হয়। আ’মাশ (রহঃ) বলেন, তারা মনে করত যে, হেলমেট লোহার হতে হবে আর রশির ব্যাপারে তারা ধারণা করত তা কয়েক দিরহামের সমমূল্যের হবে।[৬৭৯৯; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৭, আহমাদ ৭৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৬)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, চোরের উপর আল্লাহ্‌র লা’নত হোক, যখন সে একটি হেলমেট চুরি করে এবং এ জন্য তার হাত কাটা হয় এবং সে একটি রশি চুরি করে এ জন্য তার হাত কাটা হয়। আ’মাশ (রহঃ) বলেন, তারা মনে করত যে, হেলমেট লোহার হতে হবে আর রশির ব্যাপারে তারা ধারণা করত তা কয়েক দিরহামের সমমূল্যের হবে।[৬৭৯৯; মুসলিম ২৯/১, হাঃ ১৬৮৭, আহমাদ ৭৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৬)

عمر بن حفص بن غياث حدثني أبي حدثنا الأعمش قال سمعت أبا صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعن الله السارق يسرق البيضة فتقطع يده ويسرق الحبل فتقطع يده قال الأعمش كانوا يرون أنه بيض الحديد والحبل كانوا يرون أنه منها ما يسوى دراهم.


সহিহ বুখারী > হুদুদ (শরীয়াতের শাস্তি) (গুনাহ্র) কাফ্ফারা হয়ে যায়।

সহিহ বুখারী ৬৭৮৪

محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي إدريس الخولاني عن عبادة بن الصامت قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال بايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا وقرأ هذه الآية كلها فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب به فهو كفارته ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله عليه إن شاء غفر له وإن شاء عذبه.

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এক মজলিসে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছে এ বায়’আত কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না এবং ব্যভিচার করবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পুরো তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বায়’আতের শর্তসমূহ) পুরো করে তার বিনিময় আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে ব্যক্তি এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর তার জন্য শাস্তি দেয়া হয়, তবে এটা তার জন্য কাফ্‌ফারা হয়ে যায়। আর যদি কেউ এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর আল্লাহ্‌ তা গোপন রাখেন তবে এটা তাঁর ইচ্ছাধীন। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করবেন, ইচ্ছে করলে শাস্তি দিবেন।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৭)

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এক মজলিসে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার কাছে এ বায়’আত কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না এবং ব্যভিচার করবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পুরো তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বায়’আতের শর্তসমূহ) পুরো করে তার বিনিময় আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে ব্যক্তি এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর তার জন্য শাস্তি দেয়া হয়, তবে এটা তার জন্য কাফ্‌ফারা হয়ে যায়। আর যদি কেউ এত্থেকে কিছু ক’রে বসে আর আল্লাহ্‌ তা গোপন রাখেন তবে এটা তাঁর ইচ্ছাধীন। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করবেন, ইচ্ছে করলে শাস্তি দিবেন।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৭)

محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي إدريس الخولاني عن عبادة بن الصامت قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال بايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا وقرأ هذه الآية كلها فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب به فهو كفارته ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله عليه إن شاء غفر له وإن شاء عذبه.


সহিহ বুখারী > শরীয়াতের শাস্তি বা হক ব্যতীত মু’মিনের পিঠ সংরক্ষিত।

সহিহ বুখারী ৬৭৮৫

محمد بن عبد الله حدثنا عاصم بن علي حدثنا عاصم بن محمد عن واقد بن محمد سمعت أبي قال عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع ألا أي شهر تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا شهرنا هذا قال ألا أي بلد تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا بلدنا هذا قال ألا أي يوم تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا يومنا هذا قال فإن الله تبارك وتعالى قد حرم عليكم دماءكم وأموالكم وأعراضكم إلا بحقها كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا في شهركم هذا ألا هل بلغت ثلاثا كل ذلك يجيبونه ألا نعم قال ويحكم أو ويلكم لا ترجعن بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض.

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জে বললেনঃ আচ্ছা বলতো কোন্‌ মাসকে তোমরা সবচেয়ে সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ মাস নয় কি? তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কোন্‌ শহরকে সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ শহর নয় কি? তিনি বললেনঃ বলতো! কোন্‌ দিনকে তোমরা সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ দিন নয় কি? তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তোমাদের রক্ত, ধন-সম্পদ ও সম্মানকে শারী’আতের হক ব্যতীত এমন পবিত্র করে দিয়েছেন, যেমন পবিত্র তোমাদের এ মাসে এ শহরের মাঝে আজকের এ দিনটি। ওহে! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। প্রত্যেকবারেই তারা উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তোমাদের জন্য আফসোস অথবা ধ্বংস! তোমরা আমার পরে একে অপরের গর্দান মেরে কাফির হয়ে পেছনের দিকে ফিরে যেও না। [৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৮)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জে বললেনঃ আচ্ছা বলতো কোন্‌ মাসকে তোমরা সবচেয়ে সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ মাস নয় কি? তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কোন্‌ শহরকে সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ শহর নয় কি? তিনি বললেনঃ বলতো! কোন্‌ দিনকে তোমরা সর্বাধিক সম্মানিত বলে জান? তাঁরা বললেন, আমাদের এ দিন নয় কি? তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তোমাদের রক্ত, ধন-সম্পদ ও সম্মানকে শারী’আতের হক ব্যতীত এমন পবিত্র করে দিয়েছেন, যেমন পবিত্র তোমাদের এ মাসে এ শহরের মাঝে আজকের এ দিনটি। ওহে! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। প্রত্যেকবারেই তারা উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তোমাদের জন্য আফসোস অথবা ধ্বংস! তোমরা আমার পরে একে অপরের গর্দান মেরে কাফির হয়ে পেছনের দিকে ফিরে যেও না। [৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩২৮)

محمد بن عبد الله حدثنا عاصم بن علي حدثنا عاصم بن محمد عن واقد بن محمد سمعت أبي قال عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع ألا أي شهر تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا شهرنا هذا قال ألا أي بلد تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا بلدنا هذا قال ألا أي يوم تعلمونه أعظم حرمة قالوا ألا يومنا هذا قال فإن الله تبارك وتعالى قد حرم عليكم دماءكم وأموالكم وأعراضكم إلا بحقها كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا في شهركم هذا ألا هل بلغت ثلاثا كل ذلك يجيبونه ألا نعم قال ويحكم أو ويلكم لا ترجعن بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00