সহিহ বুখারী > যাবিল আরহাম।

সহিহ বুখারী ৬৭৪৭

إسحاق بن إبراهيم قال قلت لأبي أسامة حدثكم إدريس حدثنا طلحة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولكل جعلنا موالي والذين عاقدت أيمانكم} قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة يرث الأنصاري المهاجري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت {ولكل جعلنا موالي} قال نسختها{والذين عاقدت أيمانكم}

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি {وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ} এ আয়াত সম্বন্ধে বলেন, মুহাজিরগণ যখন মদিনা্য় আসলেন, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাজির ও আনসারগণের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেয়ার কারণে আনসারগণের সঙ্গে যাদের যাবিল আরহাম-এর সম্পর্ক ছিল তাদের ছাড়াও মুহাজিরগণ আনসারগণের সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতেন। অতঃপর وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ..... الآية- অর্থাৎ ‘যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছ’ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ অতঃপর আয়াতের বিধান রহিত হয়ে গেল। [২২৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯১)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি {وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ} এ আয়াত সম্বন্ধে বলেন, মুহাজিরগণ যখন মদিনা্য় আসলেন, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাজির ও আনসারগণের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেয়ার কারণে আনসারগণের সঙ্গে যাদের যাবিল আরহাম-এর সম্পর্ক ছিল তাদের ছাড়াও মুহাজিরগণ আনসারগণের সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতেন। অতঃপর وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ..... الآية- অর্থাৎ ‘যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছ’ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ অতঃপর আয়াতের বিধান রহিত হয়ে গেল। [২২৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯১)

إسحاق بن إبراهيم قال قلت لأبي أسامة حدثكم إدريس حدثنا طلحة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولكل جعلنا موالي والذين عاقدت أيمانكم} قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة يرث الأنصاري المهاجري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت {ولكل جعلنا موالي} قال نسختها{والذين عاقدت أيمانكم}


সহিহ বুখারী > যাদের উপর লি’আন করা হয় তাদের মীরাস।

সহিহ বুখারী ৬৭৪৮

يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمن النبي صلى الله عليه وسلم وانتفى من ولدها ففرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর উপর লি’আন করেছিল। এবং তার সন্তানটিকেও অস্বীকার করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনকে বিচ্ছেদ করে দিলেন এবং সন্তানটি মহিলাকে দিয়ে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯২)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর উপর লি’আন করেছিল। এবং তার সন্তানটিকেও অস্বীকার করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনকে বিচ্ছেদ করে দিলেন এবং সন্তানটি মহিলাকে দিয়ে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯২)

يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمن النبي صلى الله عليه وسلم وانتفى من ولدها ففرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة


সহিহ বুখারী > বিছানা যার, সন্তান তার-স্ত্রীলোকটি আযাদ হোক আর দাসীই হোক।

সহিহ বুখারী ৬৭৫০

مسدد عن يحيى عن شعبة عن محمد بن زياد أنه سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولد لصاحب الفراش

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ সন্তান হল শয্যাধিপতির।[৬৮১৮; মুসলিম ১৭/১০, হাঃ ১৪৫৮, আহমাদ ৭৭৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৯৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ সন্তান হল শয্যাধিপতির।[৬৮১৮; মুসলিম ১৭/১০, হাঃ ১৪৫৮, আহমাদ ৭৭৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৯৪)

مسدد عن يحيى عن شعبة عن محمد بن زياد أنه سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولد لصاحب الفراش


সহিহ বুখারী ৬৭৪৯

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة قالت كان عتبة عهد إلى أخيه سعد أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك فلما كان عام الفتح أخذه سعد فقال ابن أخي عهد إلي فيه فقام عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال النبي صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة فما رآها حتى لقي الله

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, 'উত্‌বাহ তার ভাই সা’দকে ওসীয়্যত করল যে, যামাআ নামক বাঁদীর গর্ভের সন্তানটি আমার। তাই তুমি তাকে তোমার অধিকারে নিয়ে নাও। মাক্কাহ বিজয়ের বছর সা’দ তাকে নিজের অধিকারে নিলেন এবং বললেন যে, এ আমার ভাতিজা। আমার ভাই এর সম্পর্কে ওসীয়্যত করে গিয়েছিলেন। তখন আবদ ইব্‌নু যাম’আহ উত্থান করল এবং বললো, এ তো আমার ভাই। কারণ, এ হল আমার পিতার দাসীর পুত্র। এবং আমার পিতার বিছানায় তার জন্ম হয়েছে। উভয়েই তাঁদের বিবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম - এর কাছে উত্থাপন করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবদ ইব্‌নু যা‘মআ, এ ছেলে তুমিই পাবে। কেননা, শয্যা যার, সন্তান তার। আর ব্যভিচারীর জন্য হল পাথর। এরপর তিনি সাওদা বিন্‌ত যাম‘আহকে বললেনঃ এ ছেলে থেকে তুমি পর্দা পালন করবে। কারণ, তিনি ছেলেটির মাঝে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছিলেন। কাজেই সে মৃত্যু পর্যন্ত সাওদা (রাঃ)- কে দেখতে পায়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৩)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, 'উত্‌বাহ তার ভাই সা’দকে ওসীয়্যত করল যে, যামাআ নামক বাঁদীর গর্ভের সন্তানটি আমার। তাই তুমি তাকে তোমার অধিকারে নিয়ে নাও। মাক্কাহ বিজয়ের বছর সা’দ তাকে নিজের অধিকারে নিলেন এবং বললেন যে, এ আমার ভাতিজা। আমার ভাই এর সম্পর্কে ওসীয়্যত করে গিয়েছিলেন। তখন আবদ ইব্‌নু যাম’আহ উত্থান করল এবং বললো, এ তো আমার ভাই। কারণ, এ হল আমার পিতার দাসীর পুত্র। এবং আমার পিতার বিছানায় তার জন্ম হয়েছে। উভয়েই তাঁদের বিবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম - এর কাছে উত্থাপন করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবদ ইব্‌নু যা‘মআ, এ ছেলে তুমিই পাবে। কেননা, শয্যা যার, সন্তান তার। আর ব্যভিচারীর জন্য হল পাথর। এরপর তিনি সাওদা বিন্‌ত যাম‘আহকে বললেনঃ এ ছেলে থেকে তুমি পর্দা পালন করবে। কারণ, তিনি ছেলেটির মাঝে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছিলেন। কাজেই সে মৃত্যু পর্যন্ত সাওদা (রাঃ)- কে দেখতে পায়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৩)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن ابن شهاب عن عروة عن عائشة قالت كان عتبة عهد إلى أخيه سعد أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك فلما كان عام الفتح أخذه سعد فقال ابن أخي عهد إلي فيه فقام عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال النبي صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة فما رآها حتى لقي الله


সহিহ বুখারী > যে আযাদ করবে অভিভাবকত্ব হল তার। এবং লা-ওয়ারিশ সন্তানের মীরাস।‘উমার (রাঃ) বলেন, লাকীত (কুড়িয়ে পাওয়া) ব্যক্তি আযাদ।

সহিহ বুখারী ৬৭৫২

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما الولاء لمن أعتق

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ দাস-দাসীর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক হবে যে তাকে আযাদ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৬)

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ দাস-দাসীর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক হবে যে তাকে আযাদ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৬)

إسماعيل بن عبد الله قال حدثني مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما الولاء لمن أعتق


সহিহ বুখারী ৬৭৫১

حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة قالت اشتريت بريرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم اشتريها فإن الولاء لمن أعتق وأهدي لها شاة فقال هو لها صدقة ولنا هدية قال الحكم وكان زوجها حرا وقول الحكم مرسل وقال ابن عباس رأيته عبدا

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বারীরা (নামক এক দাসীকে)- কে কিনতে চাইলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে কিনে নাও। কারণ, তার পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা তার হবে যে তাকে আযাদ করবে। বারীরাকে (একদা একটি বক্‌রী) সদাকাহ দেয়া হল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটি তার জন্য সদাকাহ আর আমাদের জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন। [৯১] হাকাম বলেন, বারীরার স্বামী ছিল একজন আযাদ ব্যক্তি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, হাকামের বর্ণনা মুরসাল। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি তাকে (অর্থাৎ বারীরার স্বামীকে) গোলামরূপে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৫)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বারীরা (নামক এক দাসীকে)- কে কিনতে চাইলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে কিনে নাও। কারণ, তার পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা তার হবে যে তাকে আযাদ করবে। বারীরাকে (একদা একটি বক্‌রী) সদাকাহ দেয়া হল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটি তার জন্য সদাকাহ আর আমাদের জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন। [৯১] হাকাম বলেন, বারীরার স্বামী ছিল একজন আযাদ ব্যক্তি। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, হাকামের বর্ণনা মুরসাল। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি তাকে (অর্থাৎ বারীরার স্বামীকে) গোলামরূপে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯৫)

حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة قالت اشتريت بريرة فقال النبي صلى الله عليه وسلم اشتريها فإن الولاء لمن أعتق وأهدي لها شاة فقال هو لها صدقة ولنا هدية قال الحكم وكان زوجها حرا وقول الحكم مرسل وقال ابن عباس رأيته عبدا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00