সহিহ বুখারী > (আল্লাহ্র বাণী): লোকেরা তোমার নিকট জানতে চায়। বল, আল্লাহ্ তোমাদেরকে পিতৃ মাতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে ফতোয়া দিচ্ছেন তোমাদের বিধান দিচ্ছেন “কালালা” – (পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি) সম্বন্ধে। যদি কোন ব্যক্তি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়। (পিতা-মাতা না থাকে) এবং তার এক বোন থাকে তবে সে পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে; সে যদি সন্তানহীনা হয় তবে তার ভাই তার ওয়ারিস হবে। তবে যদি বোন দু’জন থাকে তাহলে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে; আর যদি ভাই-বোন কয়েকজন থাকে তবে এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান হবে। তোমরা গুমরাহ হবে এ আশংকায় আল্লাহ্ তোমাদের জন্য পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। (সূরাহ আন্-নিসা ৪/১৭৬)।
সহিহ বুখারী ৬৭৪৪
عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال آخر آية نزلت خاتمة سورة النساء {يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة}
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত হল সূরা নিসার শেষ আয়াতঃ {يَسْتَفْتُونَكَ قُلْ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ} । [৪৩৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৮৮)
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত হল সূরা নিসার শেষ আয়াতঃ {يَسْتَفْتُونَكَ قُلْ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ} । [৪৩৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৮৮)
عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن البراء قال آخر آية نزلت خاتمة سورة النساء {يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة}
সহিহ বুখারী > দু’জন চাচাতো ভাই, এদের একজন বৈপিত্রেয় ভাই আর অন্যজন যদি স্বামী হয়।
সহিহ বুখারী ৬৭৪৬
أمية بن بسطام حدثنا يزيد بن زريع عن روح عن عبد الله بن طاوس عن أبيه عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألحقوا الفرائض بأهلها فما تركت الفرائض فلأولى رجل ذكر
ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হাকদারকে মীরাস দাও। এরপর যা অবশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষ আত্মীয়দের প্রাপ্য। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯০)
ইব্নু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সুনির্দিষ্ট অংশের হাকদারকে মীরাস দাও। এরপর যা অবশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষ আত্মীয়দের প্রাপ্য। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯০)
أمية بن بسطام حدثنا يزيد بن زريع عن روح عن عبد الله بن طاوس عن أبيه عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألحقوا الفرائض بأهلها فما تركت الفرائض فلأولى رجل ذكر
সহিহ বুখারী ৬৭৪৫
محمود أخبرنا عبيد الله عن إسرائيل عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا أولى بالمؤمنين من أنفسهم فمن مات وترك مالا فماله لموالي العصبة ومن ترك كلا أو ضياعا فأنا وليه فلأدعى له الكل العيال
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মু’মিনদের নিকট তাদের প্রানের চেয়েও প্রিয়। তবে যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে মারা যায় তার সম্পদ তার নিকটতম আত্মীয়রা পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ অথবা নাবালক সন্তানাদি রেখে মারা যায় আমিই তার অভিভাবক। তার জন্য আমাকেই যেন ডাকা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৮৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মু’মিনদের নিকট তাদের প্রানের চেয়েও প্রিয়। তবে যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে মারা যায় তার সম্পদ তার নিকটতম আত্মীয়রা পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ অথবা নাবালক সন্তানাদি রেখে মারা যায় আমিই তার অভিভাবক। তার জন্য আমাকেই যেন ডাকা হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৮৯)
محمود أخبرنا عبيد الله عن إسرائيل عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا أولى بالمؤمنين من أنفسهم فمن مات وترك مالا فماله لموالي العصبة ومن ترك كلا أو ضياعا فأنا وليه فلأدعى له الكل العيال
সহিহ বুখারী > যাবিল আরহাম।
সহিহ বুখারী ৬৭৪৭
إسحاق بن إبراهيم قال قلت لأبي أسامة حدثكم إدريس حدثنا طلحة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولكل جعلنا موالي والذين عاقدت أيمانكم} قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة يرث الأنصاري المهاجري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت {ولكل جعلنا موالي} قال نسختها{والذين عاقدت أيمانكم}
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি {وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ} এ আয়াত সম্বন্ধে বলেন, মুহাজিরগণ যখন মদিনা্য় আসলেন, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাজির ও আনসারগণের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেয়ার কারণে আনসারগণের সঙ্গে যাদের যাবিল আরহাম-এর সম্পর্ক ছিল তাদের ছাড়াও মুহাজিরগণ আনসারগণের সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতেন। অতঃপর وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ..... الآية- অর্থাৎ ‘যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছ’ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ অতঃপর আয়াতের বিধান রহিত হয়ে গেল। [২২৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯১)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি {وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ} এ আয়াত সম্বন্ধে বলেন, মুহাজিরগণ যখন মদিনা্য় আসলেন, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাজির ও আনসারগণের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেয়ার কারণে আনসারগণের সঙ্গে যাদের যাবিল আরহাম-এর সম্পর্ক ছিল তাদের ছাড়াও মুহাজিরগণ আনসারগণের সম্পত্তির উত্তরাধিকার হতেন। অতঃপর وَلِكُلٍّ جَعَلْنَا مَوَالِيَ..... الآية- অর্থাৎ ‘যাদের সাথে তোমরা অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছ’ আয়াতটি অবতীর্ণ হলে وَالَّذِينَ عَاقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ অতঃপর আয়াতের বিধান রহিত হয়ে গেল। [২২৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯১)
إسحاق بن إبراهيم قال قلت لأبي أسامة حدثكم إدريس حدثنا طلحة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولكل جعلنا موالي والذين عاقدت أيمانكم} قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة يرث الأنصاري المهاجري دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى النبي صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت {ولكل جعلنا موالي} قال نسختها{والذين عاقدت أيمانكم}
সহিহ বুখারী > যাদের উপর লি’আন করা হয় তাদের মীরাস।
সহিহ বুখারী ৬৭৪৮
يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمن النبي صلى الله عليه وسلم وانتفى من ولدها ففرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর উপর লি’আন করেছিল। এবং তার সন্তানটিকেও অস্বীকার করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনকে বিচ্ছেদ করে দিলেন এবং সন্তানটি মহিলাকে দিয়ে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯২)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর উপর লি’আন করেছিল। এবং তার সন্তানটিকেও অস্বীকার করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনকে বিচ্ছেদ করে দিলেন এবং সন্তানটি মহিলাকে দিয়ে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৯২)
يحيى بن قزعة حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمن النبي صلى الله عليه وسلم وانتفى من ولدها ففرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة