সহিহ বুখারী > কাফ্‌ফারা আদায়ের ক্ষেত্রে মুদাব্বার, উম্মু ওয়ালাদ, মুকাতাব এবং যিনার সন্তান আযাদ করা। এবং তাউস বলেছেন, (কাফ্‌ফারায়) উম্মু ওয়ালাদ এবং মুদাব্বার আযাদ করা যাবে।

সহিহ বুখারী ৬৭১৬

أبو النعمان أخبرنا حماد بن زيد عن عمرو عن جابر أن رجلا من الأنصار دبر مملوكا له ولم يكن له مال غيره فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يشتريه مني فاشتراه نعيم بن النحام بثمان مائة درهم فسمعت جابر بن عبد الله يقول عبدا قبطيا مات عام أول

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার গোত্রের এক লোক তার গোলামকে মুদাব্বির বানালো (মনিবের মৃত্যু হলে গোলাম মুক্ত হয়ে যাবে)। ঐ গোলাম ছাড়া তার আর কোন মাল ছিল না। খবরটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছল। তিনি বললেনঃ গোলামটিকে আমার নিকট হতে কে কিনে নেবে? নু’আয়ম ইব্‌নু নাহ্‌হা (রাঃ) তাকে আটশ’ দিরহামের বিনিময়ে কিনে নিল। রাবী ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, আমি জাবির ইব্‌নু ‘আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, গোলামটি ছিল কিব্‌তী আর (আযাদ করার) প্রথম বর্ষেই সে মারা গিয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৫৯)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার গোত্রের এক লোক তার গোলামকে মুদাব্বির বানালো (মনিবের মৃত্যু হলে গোলাম মুক্ত হয়ে যাবে)। ঐ গোলাম ছাড়া তার আর কোন মাল ছিল না। খবরটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছল। তিনি বললেনঃ গোলামটিকে আমার নিকট হতে কে কিনে নেবে? নু’আয়ম ইব্‌নু নাহ্‌হা (রাঃ) তাকে আটশ’ দিরহামের বিনিময়ে কিনে নিল। রাবী ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, আমি জাবির ইব্‌নু ‘আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, গোলামটি ছিল কিব্‌তী আর (আযাদ করার) প্রথম বর্ষেই সে মারা গিয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৫৯)

أبو النعمان أخبرنا حماد بن زيد عن عمرو عن جابر أن رجلا من الأنصار دبر مملوكا له ولم يكن له مال غيره فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يشتريه مني فاشتراه نعيم بن النحام بثمان مائة درهم فسمعت جابر بن عبد الله يقول عبدا قبطيا مات عام أول


সহিহ বুখারী > যখন কেউ এমন গোলাম আযাদ করে যার উপর তার ও অন্যের মালিকানা আছে ‎ অথবা কাফ্‌ফারার ক্ষেত্রে গোলাম আযাদ করলে উক্ত গোলামের পরিত্যক্ত সম্পদ কে পাবে?

সহিহ বুখারী ৬৭১৭

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة أنها أرادت أن تشتري بريرة فاشترطوا عليها الولاء فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اشتريها فإنما الولاء لمن أعتق

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারীরা নামক বাঁদীকে কিনতে চাইলে তার মালিকগণ শর্ত আরোপ করল যে এর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক তারাই হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে কিনে নাও। কেননা আযাদকৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা ঐ ব্যক্তির জন্য যে তাকে আযাদ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬০)

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারীরা নামক বাঁদীকে কিনতে চাইলে তার মালিকগণ শর্ত আরোপ করল যে এর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক তারাই হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে কিনে নাও। কেননা আযাদকৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা ঐ ব্যক্তির জন্য যে তাকে আযাদ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬০)

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة أنها أرادت أن تشتري بريرة فاشترطوا عليها الولاء فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اشتريها فإنما الولاء لمن أعتق


সহিহ বুখারী > কসমের ভিতর ইনশাআল্লাহ্‌ বলা।

সহিহ বুখারী ৬৭১৯

أبو النعمان حدثنا حماد وقال إلا كفرت عن يميني وأتيت الذي هو خير أو أتيت الذي هو خير وكفرت

হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করি আর যেটি কল্যাণকর সেটি করি। অথবা বলেছেনঃ যেটি কল্যাণকর সেটি করি এবং আর (কসমের) কাফ্‌ফারা আদায় করি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬২)

হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করি আর যেটি কল্যাণকর সেটি করি। অথবা বলেছেনঃ যেটি কল্যাণকর সেটি করি এবং আর (কসমের) কাফ্‌ফারা আদায় করি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬২)

أبو النعمان حدثنا حماد وقال إلا كفرت عن يميني وأتيت الذي هو خير أو أتيت الذي هو خير وكفرت


সহিহ বুখারী ৬৭১৮

قتيبة بن سعيد حدثنا حماد عن غيلان بن جرير عن أبي بردة بن أبي موسى عن أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من الأشعريين أستحمله فقال والله لا أحملكم ما عندي ما أحملكم ثم لبثنا ما شاء الله فأتي بإبل فأمر لنا بثلاثة ذود فلما انطلقنا قال بعضنا لبعض لا يبارك الله لنا أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم نستحمله فحلف أن لا يحملنا فحملنا فقال أبو موسى فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له فقال ما أنا حملتكم بل الله حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا كفرت عن يميني وأتيت الذي هو خير

আবূ মূসা-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার কতক আশ’আরী লোকের সাথে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একটি বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। আমার কাছে কিছু নেই যা বাহন হিসাবে তোমাদেরকে দিতে পারি। অতঃপর আল্লাহ্‌ যতক্ষণ চাইলেন আমরা অবস্থান করলাম। এমন সময় তাঁর কাছে কিছু উট আনা হল। তখন তিনি আমাদেরকে তিনটি উট দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন রওনা দিলাম, তখন আমরা বলাবলি করলাম যে, আল্লাহ্‌ বরকত দেবেন না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য যখন এলাম তখন তিনি আমাদেরকে বাহন দেবেন না বলে শপথ করলেন। তারপরেও আমাদেরকে বাহন দিলেন। আবূ মূসা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম এবং বিষয়টি তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাদেরকে বাহন দেইনি; বরং আল্লাহ্‌ দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র শপথ! ইনশাআল্লাহ্‌ আমি যখন কোন ব্যাপারে শপথ করি আর তার উল্টোটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই তখন কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করি। আর যেটি কল্যাণকর সেটিই করি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬১)

আবূ মূসা-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার কতক আশ’আরী লোকের সাথে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে একটি বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। আমার কাছে কিছু নেই যা বাহন হিসাবে তোমাদেরকে দিতে পারি। অতঃপর আল্লাহ্‌ যতক্ষণ চাইলেন আমরা অবস্থান করলাম। এমন সময় তাঁর কাছে কিছু উট আনা হল। তখন তিনি আমাদেরকে তিনটি উট দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন রওনা দিলাম, তখন আমরা বলাবলি করলাম যে, আল্লাহ্‌ বরকত দেবেন না। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য যখন এলাম তখন তিনি আমাদেরকে বাহন দেবেন না বলে শপথ করলেন। তারপরেও আমাদেরকে বাহন দিলেন। আবূ মূসা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলাম এবং বিষয়টি তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাদেরকে বাহন দেইনি; বরং আল্লাহ্‌ দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র শপথ! ইনশাআল্লাহ্‌ আমি যখন কোন ব্যাপারে শপথ করি আর তার উল্টোটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই তখন কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করি। আর যেটি কল্যাণকর সেটিই করি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬১)

قتيبة بن سعيد حدثنا حماد عن غيلان بن جرير عن أبي بردة بن أبي موسى عن أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من الأشعريين أستحمله فقال والله لا أحملكم ما عندي ما أحملكم ثم لبثنا ما شاء الله فأتي بإبل فأمر لنا بثلاثة ذود فلما انطلقنا قال بعضنا لبعض لا يبارك الله لنا أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم نستحمله فحلف أن لا يحملنا فحملنا فقال أبو موسى فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له فقال ما أنا حملتكم بل الله حملكم إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا كفرت عن يميني وأتيت الذي هو خير


সহিহ বুখারী ৬৭২০

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، سمع أبا هريرة، قال قال سليمان لأطوفن الليلة على تسعين امرأة، كل تلد غلاما يقاتل في سبيل الله‏.‏ فقال له صاحبه ـ قال سفيان يعني الملك ـ قل إن شاء الله‏.‏ فنسي، فطاف بهن، فلم تأت امرأة منهن بولد، إلا واحدة بشق غلام‏.‏ فقال أبو هريرة يرويه قال ‏"‏ لو قال إن شاء الله، لم يحنث وكان دركا في حاجته ‏"‏‏.‏ وقال مرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو استثنى ‏"‏‏.‏ وحدثنا أبو الزناد عن الأعرج مثل حديث أبي هريرة‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) একবার বলেছিলেন যে, অবশ্যই আজ রাতে আমি নব্বইজন স্ত্রীর সাথে মিলিত হব। তারা প্রত্যেকেই পুত্র সন্তান দিবে যারা আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করবে। তখন তার সাথী (রাবী সুফিয়ান সাথী দ্বারা ফেরেশতা বুঝিয়েছেন) তাকে বলল, আপনি ইন্‌শাআল্লাহ্‌ বলুন। কিন্তু তিনি তা ভুলে গেলেন এবং স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হলেন। কিন্ত একজন ছাড়া অন্য কোন স্ত্রীর কোন সন্তান হল না; আর সেটাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি কসমের মাঝে ইনশা আল্লাহ্‌ বললে তাঁর কসমও ভঙ্গ হত না, আর উদ্দেশ্যও পূর্ণ হত। [৮৬] একবার আবূ হুরায়রা (রাঃ) এরূপ বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি যদি ‘ইস্তিসনা’ করতেন (অর্থাৎ ইনশা আল্লাহ্‌ বলতেন)। আবূ যিনাদ আ’রাজের সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের মত বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) একবার বলেছিলেন যে, অবশ্যই আজ রাতে আমি নব্বইজন স্ত্রীর সাথে মিলিত হব। তারা প্রত্যেকেই পুত্র সন্তান দিবে যারা আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করবে। তখন তার সাথী (রাবী সুফিয়ান সাথী দ্বারা ফেরেশতা বুঝিয়েছেন) তাকে বলল, আপনি ইন্‌শাআল্লাহ্‌ বলুন। কিন্তু তিনি তা ভুলে গেলেন এবং স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হলেন। কিন্ত একজন ছাড়া অন্য কোন স্ত্রীর কোন সন্তান হল না; আর সেটাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি কসমের মাঝে ইনশা আল্লাহ্‌ বললে তাঁর কসমও ভঙ্গ হত না, আর উদ্দেশ্যও পূর্ণ হত। [৮৬] একবার আবূ হুরায়রা (রাঃ) এরূপ বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি যদি ‘ইস্তিসনা’ করতেন (অর্থাৎ ইনশা আল্লাহ্‌ বলতেন)। আবূ যিনাদ আ’রাজের সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের মত বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৩)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، سمع أبا هريرة، قال قال سليمان لأطوفن الليلة على تسعين امرأة، كل تلد غلاما يقاتل في سبيل الله‏.‏ فقال له صاحبه ـ قال سفيان يعني الملك ـ قل إن شاء الله‏.‏ فنسي، فطاف بهن، فلم تأت امرأة منهن بولد، إلا واحدة بشق غلام‏.‏ فقال أبو هريرة يرويه قال ‏"‏ لو قال إن شاء الله، لم يحنث وكان دركا في حاجته ‏"‏‏.‏ وقال مرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو استثنى ‏"‏‏.‏ وحدثنا أبو الزناد عن الأعرج مثل حديث أبي هريرة‏.‏


সহিহ বুখারী > কসম ভঙ্গ করার পূর্বে এবং পরে কাফ্‌ফারা আদায় করা। [৮৭]

সহিহ বুখারী ৬৭২২

محمد بن عبد الله حدثنا عثمان بن عمر بن فارس أخبرنا ابن عون عن الحسن عن عبد الرحمٰن بن سمرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل الإمارة فإنك إن أعطيتها من غير مسألة أعنت عليها وإن أعطيتها عن مسألة وكلت إليها وإذا حلفت على يمين فرأيت غيرها خيرا منها فأت الذي هو خير وكفر عن يمينك تابعه أشهل بن حاتم عن ابن عون وتابعه يونس وسماك بن عطية وسماك بن حرب وحميد وقتادة ومنصور وهشام والربيع

‘আবদুর রাহ্‌মান ইব্‌নু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি নেতৃত্ব চেও না। কেননা, চাওয়া ছাড়া যদি তোমাকে তা দেয়া হয় তাহলে তোমাকে তাতে সাহায্য করা হবে। আর যদি চাওয়ার পর তা তোমাকে দেয়া হয়, তবে তা তোমার দায়িত্বেই ছেড়ে দেয়া হবে (অর্থাৎ এর ভাল মন্দের দায়িত্ব তোমারই থাকবে)। তুমি যখন কোন বিষয়ে কসম কর আর অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাও, তখন যেটার মাঝে কল্যাণ সেটাই কর। আর তোমার কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে দাও। (৬৬২২) আশহাল ইব্‌নু হাতিম, ইব্‌নু আউন থেকে এবং উস্‌মান ইব্‌নু আমার-এর অনুসরণ করেছেন এবং ইউনুস, সিমাক ইব্‌নু আতিয়্যা, সিমাক ইব্‌নু হারব্‌, হুমায়দ, ক্বাতাদাহ্‌, মানসুর, হিশাম ও রাবী’ উক্ত বর্ণনায় ইব্‌নু আউন-এর অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৭)

‘আবদুর রাহ্‌মান ইব্‌নু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি নেতৃত্ব চেও না। কেননা, চাওয়া ছাড়া যদি তোমাকে তা দেয়া হয় তাহলে তোমাকে তাতে সাহায্য করা হবে। আর যদি চাওয়ার পর তা তোমাকে দেয়া হয়, তবে তা তোমার দায়িত্বেই ছেড়ে দেয়া হবে (অর্থাৎ এর ভাল মন্দের দায়িত্ব তোমারই থাকবে)। তুমি যখন কোন বিষয়ে কসম কর আর অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাও, তখন যেটার মাঝে কল্যাণ সেটাই কর। আর তোমার কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে দাও। (৬৬২২) আশহাল ইব্‌নু হাতিম, ইব্‌নু আউন থেকে এবং উস্‌মান ইব্‌নু আমার-এর অনুসরণ করেছেন এবং ইউনুস, সিমাক ইব্‌নু আতিয়্যা, সিমাক ইব্‌নু হারব্‌, হুমায়দ, ক্বাতাদাহ্‌, মানসুর, হিশাম ও রাবী’ উক্ত বর্ণনায় ইব্‌নু আউন-এর অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৭)

محمد بن عبد الله حدثنا عثمان بن عمر بن فارس أخبرنا ابن عون عن الحسن عن عبد الرحمٰن بن سمرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل الإمارة فإنك إن أعطيتها من غير مسألة أعنت عليها وإن أعطيتها عن مسألة وكلت إليها وإذا حلفت على يمين فرأيت غيرها خيرا منها فأت الذي هو خير وكفر عن يمينك تابعه أشهل بن حاتم عن ابن عون وتابعه يونس وسماك بن عطية وسماك بن حرب وحميد وقتادة ومنصور وهشام والربيع


সহিহ বুখারী ৬৭২১

علي بن حجر حدثنا إسماعيل بن إبراهيم عن أيوب عن القاسم التميمي عن زهدم الجرمي قال كنا عند أبي موسى وكان بيننا وبين هذا الحي من جرم إخاء ومعروف قال فقدم طعام قال وقدم في طعامه لحم دجاج قال وفي القوم رجل من بني تيم الله أحمر كأنه مولى قال فلم يدن فقال له أبو موسى ادن فإني قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه قال إني رأيته يأكل شيئا قذرته فحلفت أن لا أطعمه أبدا فقال ادن أخبرك عن ذلك أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من الأشعريين أستحمله وهو يقسم نعما من نعم الصدقة قال أيوب أحسبه قال وهو غضبان قال والله لا أحملكم وما عندي ما أحملكم عليه قال فانطلقنا فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب إبل فقيل أين هؤلاء الأشعريون فأتينا فأمر لنا بخمس ذود غر الذرى قال فاندفعنا فقلت لأصحابي أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم نستحمله فحلف أن لا يحملنا ثم أرسل إلينا فحملنا نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه والله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه لا نفلح أبدا ارجعوا بنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلنذكره يمينه فرجعنا فقلنا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أتيناك نستحملك فحلفت أن لا تحملنا ثم حملتنا فظننا أو فعرفنا أنك نسيت يمينك قال انطلقوا فإنما حملكم الله إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها تابعه حماد بن زيد عن أيوب عن أبي قلابة والقاسم بن عاصم الكليبي حدثنا قتيبة حدثنا عبد الوهاب عن أيوب عن أبي قلابة والقاسم التميمي عن زهدم بهذا حدثنا أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم بهذا

যাহ্‌দাম জারমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। আমাদের এবং জার্‌ম সম্প্রদায়ের মাঝে ভ্রাতৃভাব ও সুসম্পর্ক বজায় ছিল। রাবী বলেন, তার জন্য খানা হাজির করা হল, আর তাতে ছিল মুরগীর গোশ্‌ত। তাদের দলের মাঝে বানী তাইমিল্লাহ্‌ সম্প্রদায়ের এক লোক ছিল যার গায়ের রং ছিল লাল যেন দেখতে গোলাম। রাবী বলেন, লোকটি খানার কাছেও গেল না। আবূ মূসা আশ’আরী তাকে বললেন, কাছে এসো (খানা খাও) কেননা, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এর গোশ্‌ত খেতে দেখেছি। লোকটি বলল, আমি একে (মুরগীকে) কিছু খেতে দেখেছি; তাই আমি এটাকে ঘৃণা করি। আর আমি হলফ করেছি যে, আমি এটি কক্ষনো খাব না। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, কাছে এসো; আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জানাচ্ছি। একবার আমরা আশ’আরী গো্ত্রের একটি দলের সাথে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তখন তিনি যাকাতের উট বন্টন করছিলেন। আইয়্যুব বলেন, আমার মনে হয় তিনি তখন রাগান্বিত হয়ে বলেছিলেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিব না। আমার কাছে কোন বাহন নেই। রাবী বলেন, তখন আমরা চলে গেলাম। এমন সময় তাঁর নিকট যুদ্ধে প্রাপ্ত কয়েকটি উট আনা হল। তিনি বললেনঃ ঐ আশ’আরী লোকগুলো কোথায়? ঐ আশ’আরী লোকগুলো কোথায়? তখন আমরা ফিরে এলাম এবং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি মোটা তাজা সুন্দর উট আমাদেরকে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমরা উটগুলো নিয়ে রওনা হলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিলাম। আর তিনি আমাদেরকে বাহন দিবেন না বলে কসম করেছিলেন। কিন্ত তারপর আমাদের কাছে লোক পাঠালেন এবং আমাদেরকে বাহন দিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসম ভূলে গেছেন। আল্লাহর কসম! আমরা যদি রসূলুল্লাহ্‌কে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসম সম্পর্কে গাফেল রাখি তাহলে তো আমরা কখনও সফলকাম হব না। চল, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে যাই এবং তাঁর কসমের কথা স্মরণ করিয়ে দেই। অতঃপর আমরা ফিরে গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিলাম, আপনি আমাদেরকে বাহন দিবেন না বলে কসম করেছিলেন। কিন্তু পরে আবার বাহন দিলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম বা বুঝতে পারলাম, আপনি আপনার কসমের কথা ভুলে গেছেন। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা চলে যাও। আল্লাহ্‌ই তো তোমাদেরকে বাহন দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র কসম! নিশ্চয়ই আমি যখন আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় কোন ব্যাপারে কসম করি আর অন্যটির ভিতর কল্যাণ দেখতে পাই তখন যেটার মাঝে কল্যাণ আছে সেটা করি এবং কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে দেই। হাম্মাদ ইব্‌নু যায়দ, আইউব, আবূ কিলাবা এবং কাসিম ইব্‌নু আসিম কুলায়বী (রহঃ) থেকে এ হাদীসে ইসমাঈল ইব্‌নু ইব্‌রাহীমের অনুসরণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৪) কুতায়বা সূত্রে যাহদাম (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৫) আবূ মা’মার সূত্রে যাহদাম (রাঃ) থেকেও এরকমই বর্ণিত আছে।(ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৬)

যাহ্‌দাম জারমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। আমাদের এবং জার্‌ম সম্প্রদায়ের মাঝে ভ্রাতৃভাব ও সুসম্পর্ক বজায় ছিল। রাবী বলেন, তার জন্য খানা হাজির করা হল, আর তাতে ছিল মুরগীর গোশ্‌ত। তাদের দলের মাঝে বানী তাইমিল্লাহ্‌ সম্প্রদায়ের এক লোক ছিল যার গায়ের রং ছিল লাল যেন দেখতে গোলাম। রাবী বলেন, লোকটি খানার কাছেও গেল না। আবূ মূসা আশ’আরী তাকে বললেন, কাছে এসো (খানা খাও) কেননা, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এর গোশ্‌ত খেতে দেখেছি। লোকটি বলল, আমি একে (মুরগীকে) কিছু খেতে দেখেছি; তাই আমি এটাকে ঘৃণা করি। আর আমি হলফ করেছি যে, আমি এটি কক্ষনো খাব না। আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, কাছে এসো; আমি তোমাকে এ সম্পর্কে জানাচ্ছি। একবার আমরা আশ’আরী গো্ত্রের একটি দলের সাথে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তখন তিনি যাকাতের উট বন্টন করছিলেন। আইয়্যুব বলেন, আমার মনে হয় তিনি তখন রাগান্বিত হয়ে বলেছিলেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিব না। আমার কাছে কোন বাহন নেই। রাবী বলেন, তখন আমরা চলে গেলাম। এমন সময় তাঁর নিকট যুদ্ধে প্রাপ্ত কয়েকটি উট আনা হল। তিনি বললেনঃ ঐ আশ’আরী লোকগুলো কোথায়? ঐ আশ’আরী লোকগুলো কোথায়? তখন আমরা ফিরে এলাম এবং রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি মোটা তাজা সুন্দর উট আমাদেরকে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমরা উটগুলো নিয়ে রওনা হলাম। তখন আমি আমার সাথীদের বললাম, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিলাম। আর তিনি আমাদেরকে বাহন দিবেন না বলে কসম করেছিলেন। কিন্ত তারপর আমাদের কাছে লোক পাঠালেন এবং আমাদেরকে বাহন দিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসম ভূলে গেছেন। আল্লাহর কসম! আমরা যদি রসূলুল্লাহ্‌কে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কসম সম্পর্কে গাফেল রাখি তাহলে তো আমরা কখনও সফলকাম হব না। চল, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে যাই এবং তাঁর কসমের কথা স্মরণ করিয়ে দেই। অতঃপর আমরা ফিরে গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার কাছে বাহন চাওয়ার জন্য এসেছিলাম, আপনি আমাদেরকে বাহন দিবেন না বলে কসম করেছিলেন। কিন্তু পরে আবার বাহন দিলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম বা বুঝতে পারলাম, আপনি আপনার কসমের কথা ভুলে গেছেন। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা চলে যাও। আল্লাহ্‌ই তো তোমাদেরকে বাহন দিয়েছেন। আল্লাহ্‌র কসম! নিশ্চয়ই আমি যখন আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় কোন ব্যাপারে কসম করি আর অন্যটির ভিতর কল্যাণ দেখতে পাই তখন যেটার মাঝে কল্যাণ আছে সেটা করি এবং কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে দেই। হাম্মাদ ইব্‌নু যায়দ, আইউব, আবূ কিলাবা এবং কাসিম ইব্‌নু আসিম কুলায়বী (রহঃ) থেকে এ হাদীসে ইসমাঈল ইব্‌নু ইব্‌রাহীমের অনুসরণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৪) কুতায়বা সূত্রে যাহদাম (রাঃ) থেকে এ রকমই বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৫) আবূ মা’মার সূত্রে যাহদাম (রাঃ) থেকেও এরকমই বর্ণিত আছে।(ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৬৬)

علي بن حجر حدثنا إسماعيل بن إبراهيم عن أيوب عن القاسم التميمي عن زهدم الجرمي قال كنا عند أبي موسى وكان بيننا وبين هذا الحي من جرم إخاء ومعروف قال فقدم طعام قال وقدم في طعامه لحم دجاج قال وفي القوم رجل من بني تيم الله أحمر كأنه مولى قال فلم يدن فقال له أبو موسى ادن فإني قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه قال إني رأيته يأكل شيئا قذرته فحلفت أن لا أطعمه أبدا فقال ادن أخبرك عن ذلك أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من الأشعريين أستحمله وهو يقسم نعما من نعم الصدقة قال أيوب أحسبه قال وهو غضبان قال والله لا أحملكم وما عندي ما أحملكم عليه قال فانطلقنا فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب إبل فقيل أين هؤلاء الأشعريون فأتينا فأمر لنا بخمس ذود غر الذرى قال فاندفعنا فقلت لأصحابي أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم نستحمله فحلف أن لا يحملنا ثم أرسل إلينا فحملنا نسي رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه والله لئن تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه لا نفلح أبدا ارجعوا بنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلنذكره يمينه فرجعنا فقلنا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أتيناك نستحملك فحلفت أن لا تحملنا ثم حملتنا فظننا أو فعرفنا أنك نسيت يمينك قال انطلقوا فإنما حملكم الله إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها تابعه حماد بن زيد عن أيوب عن أبي قلابة والقاسم بن عاصم الكليبي حدثنا قتيبة حدثنا عبد الوهاب عن أيوب عن أبي قلابة والقاسم التميمي عن زهدم بهذا حدثنا أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم بهذا


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00