সহিহ বুখারী > কসমের মধ্যে নিয়ত করা।

সহিহ বুখারী ৬৬৮৯

قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد يقول أخبرني محمد بن إبراهيم أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما الأعمال بالنية وإنما لا÷مرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه

উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তা হিজরাত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে। [৭৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩২)

উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তা হিজরাত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে। [৭৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩২)

قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد يقول أخبرني محمد بن إبراهيم أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما الأعمال بالنية وإنما لا÷مرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه


সহিহ বুখারী > যখন কোন ব্যক্তি তার মাল মানত এবং তাওবার উদ্দেশ্যে দান করে।

সহিহ বুখারী ৬৯৯০

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب أخبرني عبد الرحمٰن بن عبد الله بن كعب بن مالك عن عبد الله بن كعب وكان قائد كعب من بنيه حين عمي قال سمعت كعب بن مالك في حديثه {وعلى الثلاثة الذين خلفوا} فقال في آخر حديثه إن من توبتي أني أنخلع من مالي صدقة إلى الله ورسوله فقال النبي صلى الله عليه وسلم أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك

‘আব্দুল্লাহ ইব্‌নু কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহ্‌র বাণী): ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইব্‌নু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তাওবাহ এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর। [৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৩)

‘আব্দুল্লাহ ইব্‌নু কা’ব ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহ্‌র বাণী): ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইব্‌নু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তাওবাহ এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর। [৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৩)

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب أخبرني عبد الرحمٰن بن عبد الله بن كعب بن مالك عن عبد الله بن كعب وكان قائد كعب من بنيه حين عمي قال سمعت كعب بن مالك في حديثه {وعلى الثلاثة الذين خلفوا} فقال في آخر حديثه إن من توبتي أني أنخلع من مالي صدقة إلى الله ورسوله فقال النبي صلى الله عليه وسلم أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك


সহিহ বুখারী > যখন কেউ কোন খাদ্যকে হারাম করে নেয়। [৭৭]

সহিহ বুখারী ৬৬৯১

الحسن بن محمد حدثنا الحجاج عن ابن جريج قال زعم عطاء أنه سمع عبيد بن عمير يقول سمعت عائشة تزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يمكث عند زينب بنت جحش ويشرب عندها عسلا فتواصيت أنا وحفصة أن أيتنا دخل عليها النبي صلى الله عليه وسلم فلتقل إني أجد منك ريح مغافير أكلت مغافير فدخل على إحداهما فقالت ذلك له فقال لا بل شربت عسلا عند زينب بنت جحش ولن أعود له فنزلت {يا أيها النبي لم تحرم ما أحل الله لك} {إن تتوبا إلى الله} لعائشة وحفصة {وإذ أسر النبي إلى بعض أزواجه حديثا} لقوله بل شربت عسلا و قال لي إبراهيم بن موسى عن هشام ولن أعود له وقد حلفت فلا تخبري بذلك أحدا

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করেছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি এবং হাফসাহ (রাঃ) পরস্পরে পরামর্শ করলাম যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’জনের মধ্যে যার কাছেই আগে আসবেন আমরা তাঁকে বলব, আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। আপনি কি মাগাফীর খেয়েছেন? এরপর তিনি কোন একজনের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাঁকে ঐ কথাটা বললেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন, না, আমি তো যাইনাব বিন্ত জাহাশের কাছে মধু পান করেছি। এরপরে আর কক্ষনো এটা করব না। তখনই এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ ‘‘তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর কাছে তাওবাহ কর’’ এখানে সম্বোধন ‘আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)-এর প্রতি। আর وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ নাবী যখন তাঁর কোন স্ত্রীর কাছে কথাকে গোপন করেন- এ আয়াতটি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً বরং আমি মধু পান করেছি-এর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। ইব্রাহীম ইবনু মূসা (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কসম করেছি কাজটি আমি আর কক্ষনো করব না।’’ তুমি এ বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করো না।[১] [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৪)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করেছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি এবং হাফসাহ (রাঃ) পরস্পরে পরামর্শ করলাম যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’জনের মধ্যে যার কাছেই আগে আসবেন আমরা তাঁকে বলব, আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। আপনি কি মাগাফীর খেয়েছেন? এরপর তিনি কোন একজনের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাঁকে ঐ কথাটা বললেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন, না, আমি তো যাইনাব বিন্ত জাহাশের কাছে মধু পান করেছি। এরপরে আর কক্ষনো এটা করব না। তখনই এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ ‘‘তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর কাছে তাওবাহ কর’’ এখানে সম্বোধন ‘আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)-এর প্রতি। আর وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ নাবী যখন তাঁর কোন স্ত্রীর কাছে কথাকে গোপন করেন- এ আয়াতটি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً বরং আমি মধু পান করেছি-এর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। ইব্রাহীম ইবনু মূসা (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কসম করেছি কাজটি আমি আর কক্ষনো করব না।’’ তুমি এ বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করো না।[১] [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৪)

الحسن بن محمد حدثنا الحجاج عن ابن جريج قال زعم عطاء أنه سمع عبيد بن عمير يقول سمعت عائشة تزعم أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يمكث عند زينب بنت جحش ويشرب عندها عسلا فتواصيت أنا وحفصة أن أيتنا دخل عليها النبي صلى الله عليه وسلم فلتقل إني أجد منك ريح مغافير أكلت مغافير فدخل على إحداهما فقالت ذلك له فقال لا بل شربت عسلا عند زينب بنت جحش ولن أعود له فنزلت {يا أيها النبي لم تحرم ما أحل الله لك} {إن تتوبا إلى الله} لعائشة وحفصة {وإذ أسر النبي إلى بعض أزواجه حديثا} لقوله بل شربت عسلا و قال لي إبراهيم بن موسى عن هشام ولن أعود له وقد حلفت فلا تخبري بذلك أحدا


সহিহ বুখারী > মানত পুরা করা

সহিহ বুখারী ৬৬৯২

يحيى بن صالح حدثنا فليح بن سليمان حدثنا سعيد بن الحارث أنه سمع ابن عمر يقول أولم ينهوا عن النذر إن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن النذر لا يقدم شيئا ولا يؤخر وإنما يستخرج بالنذر من البخيل

সা’ঈদ ইব্‌নু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের কি মানত করতে নিষেধ করা হয়নি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেনঃ মানত কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নিতেও পারে না এবং পিছাতেও পারে না। মানতের মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (কিছু ধন মাল) বের করে নেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৫)

সা’ঈদ ইব্‌নু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদের কি মানত করতে নিষেধ করা হয়নি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বলেছেনঃ মানত কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নিতেও পারে না এবং পিছাতেও পারে না। মানতের মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (কিছু ধন মাল) বের করে নেয়া হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৫)

يحيى بن صالح حدثنا فليح بن سليمان حدثنا سعيد بن الحارث أنه سمع ابن عمر يقول أولم ينهوا عن النذر إن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن النذر لا يقدم شيئا ولا يؤخر وإنما يستخرج بالنذر من البخيل


সহিহ বুখারী ৬৬৯৩

خلاد بن يحيى حدثنا سفيان عن منصور أخبرنا عبد الله بن مرة عن عبد الله بن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا ولكنه يستخرج به من البخيلخلاد بن يحيى حدثنا سفيان عن منصور أخبرنا عبد الله بن مرة عن عبد الله بن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا ولكنه يستخرج به من البخيل

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা কিছুই রদ করতে পারে না, কিন্তু কৃপণ থেকে (কিছু মালধন) বের করা হয়। [৭৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৬)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা কিছুই রদ করতে পারে না, কিন্তু কৃপণ থেকে (কিছু মালধন) বের করা হয়। [৭৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৬)

خلاد بن يحيى حدثنا سفيان عن منصور أخبرنا عبد الله بن مرة عن عبد الله بن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا ولكنه يستخرج به من البخيلخلاد بن يحيى حدثنا سفيان عن منصور أخبرنا عبد الله بن مرة عن عبد الله بن عمر نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا ولكنه يستخرج به من البخيل


সহিহ বুখারী ৬৬৯৪

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يأتي ابن آدم النذر بشيء لم يكن قدر له ولكن يلقيه النذر إلى القدر قد قدر له فيستخرج الله به من البخيل فيؤتي عليه ما لم يكن يؤتي عليه من قبل

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না, যা আমি (আল্লাহ্‌) তার তাক্‌দীরে নির্দিষ্ট করিনি। বরং মানতটি তাক্‌দীরের মাঝেই ঢেলে দেয়া হয় যা তার জন্য বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ্‌ কৃপণের নিকট হতে (সম্পদ) বের করে নিয়ে আসেন। অতঃপর তাঁকে এমন কিছু দেন যা তাকে পূর্বে দেয়া হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৭)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না, যা আমি (আল্লাহ্‌) তার তাক্‌দীরে নির্দিষ্ট করিনি। বরং মানতটি তাক্‌দীরের মাঝেই ঢেলে দেয়া হয় যা তার জন্য বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ্‌ কৃপণের নিকট হতে (সম্পদ) বের করে নিয়ে আসেন। অতঃপর তাঁকে এমন কিছু দেন যা তাকে পূর্বে দেয়া হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৭)

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يأتي ابن آدم النذر بشيء لم يكن قدر له ولكن يلقيه النذر إلى القدر قد قدر له فيستخرج الله به من البخيل فيؤتي عليه ما لم يكن يؤتي عليه من قبل


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00