সহিহ বুখারী > যদি কেউ আঙ্গুর বা খুরমা ভিজানো পান করবে না বলে কসম করে। অতঃপর তেল, চিনি বা আসীর পান করে ফেলে তবে কারো কারো মতে কসম ভঙ্গ হবে না, কারণ তাদের মতে এগুলো নবীযের অন্তর্ভুক্ত নয়।
সহিহ বুখারী ৬৬৮৫
علي سمع عبد العزيز بن أبي حازم أخبرني أبي عن سهل بن سعد أن أبا أسيد صاحب النبي صلى الله عليه وسلم أعرس فدعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه فكانت العروس خادمهم فقال سهل للقوم هل تدرون ما سقته قال أنقعت له تمرا في تور من الليل حتى أصبح عليه فسقته إياه
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী আবূ উসায়দ (রাঃ) বিবাহ করলেন। তার (ওলীমায়) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাওয়াত করলেন। আর তখন তাঁর নব বিবাহিতা স্ত্রী তাঁদের খেদমত করছিলেন। সাহ্ল (রাঃ) তার গোত্রের লোকেদেরকে বললেন, তোমরা কি জান সে মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কী পান করিয়েছিলেন? সে রাত্রিবেলা একটি পাত্রে তাঁর জন্য খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল সকাল পর্যন্ত। আর সেগুলিই সে তাঁকে পান করাল। [৭২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৮)
সাহ্ল ইব্নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী আবূ উসায়দ (রাঃ) বিবাহ করলেন। তার (ওলীমায়) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দাওয়াত করলেন। আর তখন তাঁর নব বিবাহিতা স্ত্রী তাঁদের খেদমত করছিলেন। সাহ্ল (রাঃ) তার গোত্রের লোকেদেরকে বললেন, তোমরা কি জান সে মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কী পান করিয়েছিলেন? সে রাত্রিবেলা একটি পাত্রে তাঁর জন্য খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল সকাল পর্যন্ত। আর সেগুলিই সে তাঁকে পান করাল। [৭২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৮)
علي سمع عبد العزيز بن أبي حازم أخبرني أبي عن سهل بن سعد أن أبا أسيد صاحب النبي صلى الله عليه وسلم أعرس فدعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه فكانت العروس خادمهم فقال سهل للقوم هل تدرون ما سقته قال أنقعت له تمرا في تور من الليل حتى أصبح عليه فسقته إياه
সহিহ বুখারী ৬৬৮৬
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد عن الشعبي عن عكرمة عن ابن عباس عن سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت ماتت لنا شاة فدبغنا مسكها ثم ما زلنا ننبذ فيه حتى صار شنا
নবী (সাঃ)-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমাদের একটি বক্রী মারা গেল। আমরা এর চামড়া দাবাগত (পাকা) করে নিলাম। এরপর থেকে তাতে সর্বদাই আমরা নবীয (খুরমা-খেজুর ভিজানো শরবত) প্রস্তুত করতাম। শেষ পর্যন্ত ওটা পুরাতন হয়ে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৯)
নবী (সাঃ)-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমাদের একটি বক্রী মারা গেল। আমরা এর চামড়া দাবাগত (পাকা) করে নিলাম। এরপর থেকে তাতে সর্বদাই আমরা নবীয (খুরমা-খেজুর ভিজানো শরবত) প্রস্তুত করতাম। শেষ পর্যন্ত ওটা পুরাতন হয়ে গেল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৯)
محمد بن مقاتل أخبرنا عبد الله أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد عن الشعبي عن عكرمة عن ابن عباس عن سودة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت ماتت لنا شاة فدبغنا مسكها ثم ما زلنا ننبذ فيه حتى صار شنا
সহিহ বুখারী > যখন কেউ তরকারী খাবে না বলে কসম করে, তারপর রুটির সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খায়। আর কোন্ জিনিস তরকারীর অন্তর্ভুক্ত।
সহিহ বুখারী ৬৬৮৭
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس عن أبيه عن عائشة قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مأدوم ثلاثة أيام حتى لحق بالله وقال ابن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمٰن عن أبيه أنه قال لعائشة بهذا
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। [৭৩] ইব্নু কাসীর (রহঃ) আবিস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) কে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহ্র সঙ্গে মিলিত হয়েছেন। [৭৩] ইব্নু কাসীর (রহঃ) আবিস (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) কে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩০)
محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبد الرحمٰن بن عابس عن أبيه عن عائشة قالت ما شبع آل محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مأدوم ثلاثة أيام حتى لحق بالله وقال ابن كثير أخبرنا سفيان حدثنا عبد الرحمٰن عن أبيه أنه قال لعائشة بهذا
সহিহ বুখারী ৬৬৮৮
قتيبة عن مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك قال قال أبو طلحة لأم سليم لقد سمعت صوت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شيء فقالت نعم فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخذت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه ثم أرسلتني إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذهبت فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلك أبو طلحة فقلت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه قوموا فانطلقوا وانطلقت بين أيديهم حتى جئت أبا طلحة فأخبرته فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليس عندنا من الطعام ما نطعمهم فقالت الله ورسوله أعلم فانطلق أبو طلحة حتى لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة حتى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هلمي يا أم سليم ما عندك فأتت بذلك الخبز قال فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك الخبز ففت وعصرت أم سليم عكة لها فأدمته ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأكل القوم كلهم وشبعوا والقوم سبعون أو ثمانون رجلا
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-কে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্বল আওয়াজ শুনতে পেলাম, যার ফলে আমি বুঝলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার কাছে কি কিছু আছে? উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি যবের কয়েকটি রুটি বের করলেন। এরপর তাঁর ওড়নাটি নিলেন এবং এর একাংশে রুটিগুলি পেঁচিয়ে নিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাসজিদে পেলাম। এবং কতগুলো লোক তাঁর সঙ্গে ছিল। আমি তাঁদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাকে কি আবূ ত্বলহা পাঠিয়েছে? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদের বললেন, উঠ, (আবূ ত্বলহার কাছে যাও)। তখন তাঁরা আবূ ত্বলহার নিকট গেলেন। আমি তাদের আগে আগে যেতে লাগলাম। শেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে উপস্থিত হলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলল, হে উম্মু সুলায়ম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমাদের কাছে এসেছেন কিন্তু আমাদের কাছে তো এমন কোন খাবার নেই যা তাদের খেতে দিতে পারি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশী জানেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বেরিয়ে এলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) উভয়েই সামনাসামনি হলেন এবং দুজনেই একসঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে তাই নিয়ে এসো। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ঐ রুটিগুলি তাঁর সামনে পেশ করলেন। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ রুটিগুলি ছিঁড়ার জন্য নির্দেশ করলেন। তখন রুটিগুলি টুকরা টুকরা করা হল। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তার ঘি-এর পাত্র থেকে ঘি বের করলেন এবং তাতে মেশালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উপর আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী পাঠ করলেন এবং বললেনঃ দশজন লোককে অনুমতি দাও। তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর তিনি আবার বললেনঃ (আরও) দশজনকে অনুমতি দাও। তখন তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল। এভাবে তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর আবারো তিনি বললেনঃ আরও দশজনকে আসতে দাও। দলের লোকসংখ্যা ছিল সত্তুর বা আশি জন। [৭৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩১)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-কে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্বল আওয়াজ শুনতে পেলাম, যার ফলে আমি বুঝলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার কাছে কি কিছু আছে? উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি যবের কয়েকটি রুটি বের করলেন। এরপর তাঁর ওড়নাটি নিলেন এবং এর একাংশে রুটিগুলি পেঁচিয়ে নিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাসজিদে পেলাম। এবং কতগুলো লোক তাঁর সঙ্গে ছিল। আমি তাঁদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাকে কি আবূ ত্বলহা পাঠিয়েছে? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদের বললেন, উঠ, (আবূ ত্বলহার কাছে যাও)। তখন তাঁরা আবূ ত্বলহার নিকট গেলেন। আমি তাদের আগে আগে যেতে লাগলাম। শেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে উপস্থিত হলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলল, হে উম্মু সুলায়ম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো আমাদের কাছে এসেছেন কিন্তু আমাদের কাছে তো এমন কোন খাবার নেই যা তাদের খেতে দিতে পারি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশী জানেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বেরিয়ে এলেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) উভয়েই সামনাসামনি হলেন এবং দুজনেই একসঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে তাই নিয়ে এসো। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ঐ রুটিগুলি তাঁর সামনে পেশ করলেন। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ রুটিগুলি ছিঁড়ার জন্য নির্দেশ করলেন। তখন রুটিগুলি টুকরা টুকরা করা হল। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তার ঘি-এর পাত্র থেকে ঘি বের করলেন এবং তাতে মেশালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উপর আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী পাঠ করলেন এবং বললেনঃ দশজন লোককে অনুমতি দাও। তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর তিনি আবার বললেনঃ (আরও) দশজনকে অনুমতি দাও। তখন তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল। এভাবে তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর আবারো তিনি বললেনঃ আরও দশজনকে আসতে দাও। দলের লোকসংখ্যা ছিল সত্তুর বা আশি জন। [৭৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩১)
قتيبة عن مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك قال قال أبو طلحة لأم سليم لقد سمعت صوت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شيء فقالت نعم فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخذت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه ثم أرسلتني إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذهبت فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلك أبو طلحة فقلت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه قوموا فانطلقوا وانطلقت بين أيديهم حتى جئت أبا طلحة فأخبرته فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليس عندنا من الطعام ما نطعمهم فقالت الله ورسوله أعلم فانطلق أبو طلحة حتى لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة حتى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هلمي يا أم سليم ما عندك فأتت بذلك الخبز قال فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك الخبز ففت وعصرت أم سليم عكة لها فأدمته ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال ائذن لعشرة فأكل القوم كلهم وشبعوا والقوم سبعون أو ثمانون رجلا
সহিহ বুখারী > কসমের মধ্যে নিয়ত করা।
সহিহ বুখারী ৬৬৮৯
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد يقول أخبرني محمد بن إبراهيم أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما الأعمال بالنية وإنما لا÷مرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তা হিজরাত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে। [৭৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩২)
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তা হিজরাত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে। [৭৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩২)
قتيبة بن سعيد حدثنا عبد الوهاب قال سمعت يحيى بن سعيد يقول أخبرني محمد بن إبراهيم أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما الأعمال بالنية وإنما لا÷مرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه
সহিহ বুখারী > যখন কোন ব্যক্তি তার মাল মানত এবং তাওবার উদ্দেশ্যে দান করে।
সহিহ বুখারী ৬৯৯০
أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب أخبرني عبد الرحمٰن بن عبد الله بن كعب بن مالك عن عبد الله بن كعب وكان قائد كعب من بنيه حين عمي قال سمعت كعب بن مالك في حديثه {وعلى الثلاثة الذين خلفوا} فقال في آخر حديثه إن من توبتي أني أنخلع من مالي صدقة إلى الله ورسوله فقال النبي صلى الله عليه وسلم أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك
‘আব্দুল্লাহ ইব্নু কা’ব ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহ্র বাণী): ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইব্নু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তাওবাহ এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর। [৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৩)
‘আব্দুল্লাহ ইব্নু কা’ব ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহ্র বাণী): ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইব্নু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তাওবাহ এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর। [৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৩)
أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب أخبرني عبد الرحمٰن بن عبد الله بن كعب بن مالك عن عبد الله بن كعب وكان قائد كعب من بنيه حين عمي قال سمعت كعب بن مالك في حديثه {وعلى الثلاثة الذين خلفوا} فقال في آخر حديثه إن من توبتي أني أنخلع من مالي صدقة إلى الله ورسوله فقال النبي صلى الله عليه وسلم أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك