সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণীঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহ্র সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’য়ামতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/৭৭)।
সহিহ বুখারী ৬৬৭৬
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديق ذ‘لك {إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا} إلى آخر الآية
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديق ذ‘لك {إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا} إلى آخر الآية
সহিহ বুখারী ৬৬৭৭
فدخل الأشعث بن قيس فقال ما حدثكم أبو عبد الرحمٰن فقالوا كذا وكذا قال في أنزلت كانت لي بئر في أرض ابن عم لي فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بينتك أو يمينه قلت إذا يحلف عليها يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر وهو فيها فاجر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله يوم القيامة وهو عليه غضبان
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
এরপর আশ’আস ইব্নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
এরপর আশ’আস ইব্নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)
فدخل الأشعث بن قيس فقال ما حدثكم أبو عبد الرحمٰن فقالوا كذا وكذا قال في أنزلت كانت لي بئر في أرض ابن عم لي فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بينتك أو يمينه قلت إذا يحلف عليها يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر وهو فيها فاجر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله يوم القيامة وهو عليه غضبان
সহিহ বুখারী > এমন কিছুতে কসম করা কসমকারী যার মালিক নয় এবং গুনাহের কাজের জন্য কসম ও রাগের বশবর্তী হয়ে কসম করা।
সহিহ বুখারী ৬৬৭৮
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال أرسلني أصحابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم أسأله الحملان فقال والله لا أحملكم على شيء ووافقته وهو غضبان فلما أتيته قال انطلق إلى أصحابك فقل إن الله أو إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يحملكم
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অথবা আল্লাহ্র রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যাবস্থা করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অথবা আল্লাহ্র রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যাবস্থা করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال أرسلني أصحابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم أسأله الحملان فقال والله لا أحملكم على شيء ووافقته وهو غضبان فلما أتيته قال انطلق إلى أصحابك فقل إن الله أو إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يحملكم
সহিহ বুখারী ৬৬৮০
أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته وهو غضبان فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم قال والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহ্র ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহ্র ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)
أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته وهو غضبان فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم قال والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها
সহিহ বুখারী ৬৬৭৯
حدثنا عبد العزيز، حدثنا إبراهيم، عن صالح، عن ابن شهاب، ح وحدثنا الحجاج، حدثنا عبد الله بن عمر النميري، حدثنا يونس بن يزيد الأيلي، قال سمعت الزهري، قال سمعت عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن حديث، عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا، فبرأها الله مما قالوا ـ كل حدثني طائفة من الحديث ـ فأنزل الله {إن الذين جاءوا بالإفك} العشر الآيات كلها في براءتي. فقال أبو بكر الصديق ـ وكان ينفق على مسطح لقرابته منه ـ والله لا أنفق على مسطح شيئا أبدا، بعد الذي قال لعائشة. فأنزل الله {ولا يأتل أولو الفضل منكم والسعة أن يؤتوا أولي القربى} الآية. قال أبو بكر بلى والله إني لأحب أن يغفر الله لي. فرجع إلى مسطح النفقة التي كان ينفق عليه وقال والله لا أنزعها عنه أبدا.
আবদুল আযীয ও হাজ্জাজ (র.)... যুহরী (র.) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা {إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ} দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ‘আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ {وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....}الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[১] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)
আবদুল আযীয ও হাজ্জাজ (র.)... যুহরী (র.) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা {إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ} দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ‘আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ {وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....}الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[১] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)
حدثنا عبد العزيز، حدثنا إبراهيم، عن صالح، عن ابن شهاب، ح وحدثنا الحجاج، حدثنا عبد الله بن عمر النميري، حدثنا يونس بن يزيد الأيلي، قال سمعت الزهري، قال سمعت عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن حديث، عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا، فبرأها الله مما قالوا ـ كل حدثني طائفة من الحديث ـ فأنزل الله {إن الذين جاءوا بالإفك} العشر الآيات كلها في براءتي. فقال أبو بكر الصديق ـ وكان ينفق على مسطح لقرابته منه ـ والله لا أنفق على مسطح شيئا أبدا، بعد الذي قال لعائشة. فأنزل الله {ولا يأتل أولو الفضل منكم والسعة أن يؤتوا أولي القربى} الآية. قال أبو بكر بلى والله إني لأحب أن يغفر الله لي. فرجع إلى مسطح النفقة التي كان ينفق عليه وقال والله لا أنزعها عنه أبدا.
সহিহ বুখারী > কোন ব্যাক্তি যখন বলে, আল্লাহ্র কসম! আজ আমি কথা বলব না।
সহিহ বুখারী ৬৬৮১
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني سعيد بن المسيب عن أبيه قال لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قل لا إله إلا الله كلمة أحاج لك بها عند الله
সা’ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৪)
সা’ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রাঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৪)
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري قال أخبرني سعيد بن المسيب عن أبيه قال لما حضرت أبا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قل لا إله إلا الله كلمة أحاج لك بها عند الله
সহিহ বুখারী ৬৬৮২
قتيبة بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل حدثنا عمارة بن القعقاع عن أبي زرعة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان في الميزان حبيبتان إلى الرحمٰن سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি কলেমা যা জবানে অতি হাল্কা, মীযানে ভারী, আর রাহমানের নিকট খুব পছন্দনীয়; তা হচ্ছে ‘সুবহানাল্লাহ্ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম’(আধুনিক প্রকাশনী-৫ ৬২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৫)।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি কলেমা যা জবানে অতি হাল্কা, মীযানে ভারী, আর রাহমানের নিকট খুব পছন্দনীয়; তা হচ্ছে ‘সুবহানাল্লাহ্ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম’(আধুনিক প্রকাশনী-৫ ৬২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৫)।
قتيبة بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل حدثنا عمارة بن القعقاع عن أبي زرعة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان في الميزان حبيبتان إلى الرحمٰن سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم
সহিহ বুখারী ৬৬৮৩
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الأعمش عن شقيق عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمة وقلت أخرى من مات يجعل لله ندا أدخل النار وقلت أخرى من مات لا يجعل لله ندا أدخل الجنة
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কলেমা বললেন। আর আমি অন্যটি বললাম। তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করে মারা যাবে তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। আমি অন্যটি বললাম, যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক না করে মারা যাবে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৬
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি কলেমা বললেন। আর আমি অন্যটি বললাম। তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক করে মারা যাবে তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। আমি অন্যটি বললাম, যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক না করে মারা যাবে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৬
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد الواحد حدثنا الأعمش عن شقيق عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمة وقلت أخرى من مات يجعل لله ندا أدخل النار وقلت أخرى من مات لا يجعل لله ندا أدخل الجنة
সহিহ বুখারী > যে ব্যাক্তি কসম করে যে, স্বীয় স্ত্রীর নিকট এক মাস যাবে না আর মাস যদি হয় ঊনত্রিশ দিনে।
সহিহ বুখারী ৬৬৮৪
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا سليمان بن بلال عن حميد عن أنس قال آلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه وكانت انفكت رجله فأقام في مشربة تسعا وعشرين ليلة ثم نزل فقالوا يا رسول الله آليت شهرا فقال إن الشهر يكون تسعا وعشرين
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে কসম করলেন। আর তখন তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তখন ঊনত্রিশ দিন কুঠরিতে অবস্থান করলেন। এরপর তিনি নেমে এলেন (স্ত্রীগণের কাছে ফিরে এলেন)। লোকেরা তখন জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো এক মাসের কসম করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ মাস তো ঊনত্রিশ দিনেও হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে কসম করলেন। আর তখন তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তখন ঊনত্রিশ দিন কুঠরিতে অবস্থান করলেন। এরপর তিনি নেমে এলেন (স্ত্রীগণের কাছে ফিরে এলেন)। লোকেরা তখন জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো এক মাসের কসম করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ মাস তো ঊনত্রিশ দিনেও হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৭)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا سليمان بن بلال عن حميد عن أنس قال آلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه وكانت انفكت رجله فأقام في مشربة تسعا وعشرين ليلة ثم نزل فقالوا يا رسول الله آليت شهرا فقال إن الشهر يكون تسعا وعشرين