সহিহ বুখারী > আল্লাহর ইযযত, গুণাবলী ও কলেমাসমূহের কসম করা।

সহিহ বুখারী ৬৬৬১

آدم حدثنا شيبان حدثنا قتادة عن أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تزال جهنم تقول هل من مزيد حتى يضع رب العزة فيها قدمه فتقول قط قط وعزتك ويزوى بعضها إلى بعض رواه شعبة عن قتادة

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম সর্বদাই বলতে থাকবে-আরও কি আছে? এমন কি রাব্বুল ইযযত তাতে তাঁর পা রাখবেন। ‘বাস, বাস‘ জাহান্নাম বলবে, তোমার ইযযতের কসম! সেদিন তার একাংশ অন্য অংশের সঙ্গে মিলিত হয়ে যাবে। শু‘বা, ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[৪৮৪৮; মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৮, আহমাদ ১২৩৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম সর্বদাই বলতে থাকবে-আরও কি আছে? এমন কি রাব্বুল ইযযত তাতে তাঁর পা রাখবেন। ‘বাস, বাস‘ জাহান্নাম বলবে, তোমার ইযযতের কসম! সেদিন তার একাংশ অন্য অংশের সঙ্গে মিলিত হয়ে যাবে। শু‘বা, ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[৪৮৪৮; মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৮, আহমাদ ১২৩৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৬)

آدم حدثنا شيبان حدثنا قتادة عن أنس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تزال جهنم تقول هل من مزيد حتى يضع رب العزة فيها قدمه فتقول قط قط وعزتك ويزوى بعضها إلى بعض رواه شعبة عن قتادة


সহিহ বুখারী > কারো (আরবী) বলা।

সহিহ বুখারী ৬৬৬২

الأويسي حدثنا إبراهيم عن صالح عن ابن شهاب ح و حدثنا حجاج بن منهال حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس قال سمعت الزهري قال سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله وكل حدثني طائفة من الحديث وفيه فقام النبي صلى الله عليه وسلم فاستعذر من عبد الله بن أبي فقام أسيد بن حضير فقال لسعد بن عبادة لعمر الله لنقتلنه

উরঅয়া বিন আয যুবায়ের (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর অপবাদ বিষয়ক হাদীস বর্ণনা করেন। অপবাদ রটনাকারীরা যখন তাঁর সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই অপবাদ রটালো, তখন আল্লাহ তাঁকে পূত-পবিত্র বলে প্রকাশ করে দিলেন। রাবী বলেন, উপর্যুক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই হাদীসের এক একটি অংশ আমার কাছে বর্ণনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উবাই এর মিথ্যা রটনা থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। এরপর উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ সম্পর্কে বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, অবশ্য অবশ্যই আমরা তাকে হত্যা করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৭)

উরঅয়া বিন আয যুবায়ের (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর অপবাদ বিষয়ক হাদীস বর্ণনা করেন। অপবাদ রটনাকারীরা যখন তাঁর সম্পর্কে যা ইচ্ছে তাই অপবাদ রটালো, তখন আল্লাহ তাঁকে পূত-পবিত্র বলে প্রকাশ করে দিলেন। রাবী বলেন, উপর্যুক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই হাদীসের এক একটি অংশ আমার কাছে বর্ণনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উবাই এর মিথ্যা রটনা থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। এরপর উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ সম্পর্কে বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, অবশ্য অবশ্যই আমরা তাকে হত্যা করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৭)

الأويسي حدثنا إبراهيم عن صالح عن ابن شهاب ح و حدثنا حجاج بن منهال حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس قال سمعت الزهري قال سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله وكل حدثني طائفة من الحديث وفيه فقام النبي صلى الله عليه وسلم فاستعذر من عبد الله بن أبي فقام أسيد بن حضير فقال لسعد بن عبادة لعمر الله لنقتلنه


সহিহ বুখারী > (আল্লাহর বাণী): আল্লাহ তোমাদের অর্থহীন শপথের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন না, কিন্তু তোমাদের অন্তরের সংকল্পের জন্য দায়ী করবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল। (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২২৫)

সহিহ বুখারী ৬৬৬৩

محمد بن المثنى حدثنا يحيى عن هشام قال أخبرني أبي عن عائشة {لا يؤاخذكم الله باللغو} في أيمانكم قال قالت أنزلت في قوله لا والله بلى والله

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, {لاَ يُؤَاخِذُكُمْ اللهُ} আয়াতটি- لاَ وَاللهِ (না, আল্লাহর শপথ) এবং بَلَى وَاللهِ (হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ) এ জাতীয় কথা বলা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়। [৪৬১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৮)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, {لاَ يُؤَاخِذُكُمْ اللهُ} আয়াতটি- لاَ وَاللهِ (না, আল্লাহর শপথ) এবং بَلَى وَاللهِ (হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ) এ জাতীয় কথা বলা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়। [৪৬১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৮)

محمد بن المثنى حدثنا يحيى عن هشام قال أخبرني أبي عن عائشة {لا يؤاخذكم الله باللغو} في أيمانكم قال قالت أنزلت في قوله لا والله بلى والله


সহিহ বুখারী > শপথ করে ভুলে যখন শপথ ভঙ্গ করে।

সহিহ বুখারী ৬৬৬৯

يوسف بن موسى حدثنا أبو أسامة قال حدثني عوف عن خلاس ومحمد عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ناسيا وهو صائم فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্‌ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। [৬৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্‌ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। [৬৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)

يوسف بن موسى حدثنا أبو أسامة قال حدثني عوف عن خلاس ومحمد عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ناسيا وهو صائم فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه


সহিহ বুখারী ৬৬৬৪

خلاد بن يحيى حدثنا مسعر حدثنا قتادة حدثنا زرارة بن أوفى عن أبي هريرة يرفعه قال إن الله تجاوز لأمتي عما وسوست أو حدثت به أنفسها ما لم تعمل به أو تكلم

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) অন্যত্র হাদীস মারফু‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি {নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)} বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমার উম্মাতের ঐ সকল ওয়াস্ওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন যা তাদের মনে উদিত হয় বা যে সব কথা মনে মনে বলে থাকে; যতক্ষন না তা বাস্তবে করে বা সে সম্পর্কে কথা বলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৯)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) অন্যত্র হাদীস মারফু‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি {নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)} বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমার উম্মাতের ঐ সকল ওয়াস্ওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন যা তাদের মনে উদিত হয় বা যে সব কথা মনে মনে বলে থাকে; যতক্ষন না তা বাস্তবে করে বা সে সম্পর্কে কথা বলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৯)

خلاد بن يحيى حدثنا مسعر حدثنا قتادة حدثنا زرارة بن أوفى عن أبي هريرة يرفعه قال إن الله تجاوز لأمتي عما وسوست أو حدثت به أنفسها ما لم تعمل به أو تكلم


সহিহ বুখারী ৬৬৬৫

عثمان بن الهيثم أو محمد عنه عن ابن جريج قال سمعت ابن شهاب يقول حدثني عيسى بن طلحة أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم بينما هو يخطب يوم النحر إذ قام إليه رجل فقال كنت أحسب يا رسول الله كذا وكذا قبل كذا وكذا ثم قام آخر فقال يا رسول الله كنت أحسب كذا وكذا لهؤلاء الثلاث فقال النبي صلى الله عليه وسلم افعل ولا حرج لهن كلهن يومئذ فما سئل يومئذ عن شيء إلا قال افعل ولا حرج

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে নিবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধারণা করলাম যে, অমুক অমুক রুকনের পূর্বে অমুক অমুক রুকন হবে। এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়াল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আমলের পূর্বে অমুক আমাল হবে, (অর্থাৎ তারা যবহ, হলক ও তাওয়াফ) এ তিনটি কাজ সম্পর্কে জানতে চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। ঐ দিন যে সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেসিত হলেন, বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১০)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে নিবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধারণা করলাম যে, অমুক অমুক রুকনের পূর্বে অমুক অমুক রুকন হবে। এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়াল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আমলের পূর্বে অমুক আমাল হবে, (অর্থাৎ তারা যবহ, হলক ও তাওয়াফ) এ তিনটি কাজ সম্পর্কে জানতে চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। ঐ দিন যে সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেসিত হলেন, বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১০)

عثمان بن الهيثم أو محمد عنه عن ابن جريج قال سمعت ابن شهاب يقول حدثني عيسى بن طلحة أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم بينما هو يخطب يوم النحر إذ قام إليه رجل فقال كنت أحسب يا رسول الله كذا وكذا قبل كذا وكذا ثم قام آخر فقال يا رسول الله كنت أحسب كذا وكذا لهؤلاء الثلاث فقال النبي صلى الله عليه وسلم افعل ولا حرج لهن كلهن يومئذ فما سئل يومئذ عن شيء إلا قال افعل ولا حرج


সহিহ বুখারী ৬৬৬৬

أحمد بن يونس حدثنا أبو بكر بن عياش عن عبد العزيز بن رفيع عن عطاء عن ابن عباس قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم زرت قبل أن أرمي قال لا حرج قال آخر حلقت قبل أن أذبح قال لا حرج قال آخر ذبحت قبل أن أرمي قال لا حرج

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বলল যে, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যিয়ারাত করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক ব্যক্তি বলল, আমি তো যবহ করার আগে মাথা মুন্ডন করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক জন বলল, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যবহ্ করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১১)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বলল যে, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যিয়ারাত করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক ব্যক্তি বলল, আমি তো যবহ করার আগে মাথা মুন্ডন করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক জন বলল, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যবহ্ করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১১)

أحمد بن يونس حدثنا أبو بكر بن عياش عن عبد العزيز بن رفيع عن عطاء عن ابن عباس قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم زرت قبل أن أرمي قال لا حرج قال آخر حلقت قبل أن أذبح قال لا حرج قال آخر ذبحت قبل أن أرمي قال لا حرج


সহিহ বুখারী ৬৬৬৮

فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت هزم المشركون يوم أحد هزيمة تعرف فيهم فصرخ إبليس أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فنظر حذيفة بن اليمان فإذا هو بأبيه فقال أبي أبي قالت فوالله ما انحجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة غفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة منها بقية خير حتى لقي الله

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্‌লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্‌র বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফা ইব্‌নু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহ্‌র কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাঁকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ তোমাদের ক্ষমা করুন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন যে, আল্লাহ্‌র কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্‌লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্‌র বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফা ইব্‌নু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহ্‌র কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাঁকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ তোমাদের ক্ষমা করুন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন যে, আল্লাহ্‌র কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)

فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت هزم المشركون يوم أحد هزيمة تعرف فيهم فصرخ إبليس أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فنظر حذيفة بن اليمان فإذا هو بأبيه فقال أبي أبي قالت فوالله ما انحجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة غفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة منها بقية خير حتى لقي الله


সহিহ বুখারী ৬৬৬৭

إسحاق بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثنا عبيد الله بن عمر عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية المسجد فجاء فسلم عليه فقال له ارجع فصل فإنك لم تصل فرجع فصلى ثم سلم فقال وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل قال في الثالثة فأعلمني قال إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر واقرأ بما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع رأسك حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي وتطمئن جالسا ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي قائما ثم افعل ذلك في صلاتك كلها

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করছিল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক কোণে অবস্থান করছিলেন। লোকটি এসে তাঁকে সালাম করল। তিনি বললেনঃ ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। তখন সে ফিরে গেল এবং সালাত আদায় করল। আবার এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ তোমার উপরেও সালাম। তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি সলাত আদায় করনি। তৃতীয়বারে লোকটি বলল, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দন্ডায়মান হবে তখন খুব ভালভাবে ‘উযূ করবে। এরপর কিব্‌লামুখী হবে। তারপর তাকবীর বলবে। এরপর কুরআন থেকে যা তোমার জন্য সহজ তা তিলাওয়াত করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ করবে। এরপর মাথা উঠাবে। এমনকি সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সাজ্‌দাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। এরপর মাথা তুলে সোজা হবে এবং ধীরস্থিরভাবে বসে যাবে। এরপর আবার ধীরস্থিরভাবে সাজদাহ করবে। তারপর সিজ্‌দা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থির হয়ে বসবে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে। [৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করছিল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক কোণে অবস্থান করছিলেন। লোকটি এসে তাঁকে সালাম করল। তিনি বললেনঃ ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। তখন সে ফিরে গেল এবং সালাত আদায় করল। আবার এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ তোমার উপরেও সালাম। তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি সলাত আদায় করনি। তৃতীয়বারে লোকটি বলল, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দন্ডায়মান হবে তখন খুব ভালভাবে ‘উযূ করবে। এরপর কিব্‌লামুখী হবে। তারপর তাকবীর বলবে। এরপর কুরআন থেকে যা তোমার জন্য সহজ তা তিলাওয়াত করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ করবে। এরপর মাথা উঠাবে। এমনকি সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সাজ্‌দাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। এরপর মাথা তুলে সোজা হবে এবং ধীরস্থিরভাবে বসে যাবে। এরপর আবার ধীরস্থিরভাবে সাজদাহ করবে। তারপর সিজ্‌দা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থির হয়ে বসবে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে। [৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১২)

إسحاق بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثنا عبيد الله بن عمر عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية المسجد فجاء فسلم عليه فقال له ارجع فصل فإنك لم تصل فرجع فصلى ثم سلم فقال وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل قال في الثالثة فأعلمني قال إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر واقرأ بما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع رأسك حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي وتطمئن جالسا ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي قائما ثم افعل ذلك في صلاتك كلها


সহিহ বুখারী ৬৬৭০

آدم بن أبي إياس حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم فقام في الركعتين الأوليين قبل أن يجلس فمضى في صلاته فلما قضى صلاته انتظر الناس تسليمه فكبر وسجد قبل أن يسلم ثم رفع رأسه ثم كبر وسجد ثم رفع رأسه وسلم

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সলাত আদায় করতে থাকলেন। সলাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সাজদাহ করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সাজদাহ করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সলাত আদায় করতে থাকলেন। সলাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সাজদাহ করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সাজদাহ করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)

آدم بن أبي إياس حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم فقام في الركعتين الأوليين قبل أن يجلس فمضى في صلاته فلما قضى صلاته انتظر الناس تسليمه فكبر وسجد قبل أن يسلم ثم رفع رأسه ثم كبر وسجد ثم رفع رأسه وسلم


সহিহ বুখারী ৬৬৭১

إسحاق بن إبراهيم سمع عبد العزيز بن عبد الصمد حدثنا منصور عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم صلاة الظهر فزاد أو نقص منها قال منصور لا أدري إبراهيم وهم أم علقمة قال قيل يا رسول الله أقصرت الصلاة أم نسيت قال وما ذاك قالوا صليت كذا وكذا قال فسجد بهم سجدتين ثم قال هاتان السجدتان لمن لا يدري زاد في صلاته أم نقص فيتحرى الصواب فيتم ما بقي ثم يسجد سجدتين

ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁদের নিয়ে যুহুরের সলাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্‌রাহীমের না ‘আলক্বামাহ্‌র তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সহাবাগন বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সলাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সাজদাহ করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সাজদাহ ঐ ব্যাক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সাজদাহ করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)

ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁদের নিয়ে যুহুরের সলাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্‌রাহীমের না ‘আলক্বামাহ্‌র তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সহাবাগন বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সলাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সাজদাহ করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সাজদাহ ঐ ব্যাক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সাজদাহ করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)

إسحاق بن إبراهيم سمع عبد العزيز بن عبد الصمد حدثنا منصور عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم صلاة الظهر فزاد أو نقص منها قال منصور لا أدري إبراهيم وهم أم علقمة قال قيل يا رسول الله أقصرت الصلاة أم نسيت قال وما ذاك قالوا صليت كذا وكذا قال فسجد بهم سجدتين ثم قال هاتان السجدتان لمن لا يدري زاد في صلاته أم نقص فيتحرى الصواب فيتم ما بقي ثم يسجد سجدتين


সহিহ বুখারী ৬৬৭২

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا‏}‏ قال ‏"‏ كانت الأولى من موسى نسيانا ‏"‏‏.‏

উবাহ ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

উবাহ ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا‏}‏ قال ‏"‏ كانت الأولى من موسى نسيانا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৬৭৩

قال أبو عبد الله كتب إلي محمد بن بشار حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا ابن عون عن الشعبي قال قال البراء بن عازب وكان عندهم ضيف لهم فأمر أهله أن يذبحوا قبل أن يرجع ليأكل ضيفهم فذبحوا قبل الصلاة فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعيد الذبح فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم عندي عناق جذع عناق لبن هي خير من شاتي لحم فكان ابن عون يقف في هذا المكان عن حديث الشعبي ويحدث عن محمد بن سيرين بمثل هذا الحديث ويقف في هذا المكان ويقول لا أدري أبلغت الرخصة غيره أم لا رواه أيوب عن ابن سيرين عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم

শা’বী (র) থেকে বর্নিতঃ

শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রহঃ)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সলাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যব্‌হ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সলাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যব্‌হ্‌ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যব্‌হ্‌ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্‌রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির গোশতের চেয়েও উত্তম। ইব্‌ন ‘আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যাতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা? আইউব ……. আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

শা’বী (র) থেকে বর্নিতঃ

শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রহঃ)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সলাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যব্‌হ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সলাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যব্‌হ্‌ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যব্‌হ্‌ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্‌রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির গোশতের চেয়েও উত্তম। ইব্‌ন ‘আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যাতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা? আইউব ……. আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

قال أبو عبد الله كتب إلي محمد بن بشار حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا ابن عون عن الشعبي قال قال البراء بن عازب وكان عندهم ضيف لهم فأمر أهله أن يذبحوا قبل أن يرجع ليأكل ضيفهم فذبحوا قبل الصلاة فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعيد الذبح فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم عندي عناق جذع عناق لبن هي خير من شاتي لحم فكان ابن عون يقف في هذا المكان عن حديث الشعبي ويحدث عن محمد بن سيرين بمثل هذا الحديث ويقف في هذا المكان ويقول لا أدري أبلغت الرخصة غيره أم لا رواه أيوب عن ابن سيرين عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৬৬৭৪

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس قال سمعت جندبا قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم عيد ثم خطب ثم قال من ذبح فليبدل مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله

জুন্‌দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর খুত্‌বাহ প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যাক্তি (সলাতের আগেই) যব্‌হ্‌ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যব্‌হ করে। আর যে এখনও যব্‌হ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ্‌ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)

জুন্‌দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর খুত্‌বাহ প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যাক্তি (সলাতের আগেই) যব্‌হ্‌ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যব্‌হ করে। আর যে এখনও যব্‌হ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ্‌ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس قال سمعت جندبا قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم عيد ثم خطب ثم قال من ذبح فليبدل مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00