সহিহ বুখারী > শপথ করে ভুলে যখন শপথ ভঙ্গ করে।

সহিহ বুখারী ৬৬৬৯

يوسف بن موسى حدثنا أبو أسامة قال حدثني عوف عن خلاس ومحمد عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ناسيا وهو صائم فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্‌ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। [৬৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সায়িম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার সওম পূর্ণ করে। কেননা, আল্লাহ্‌ তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। [৬৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৪)

يوسف بن موسى حدثنا أبو أسامة قال حدثني عوف عن خلاس ومحمد عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ناسيا وهو صائم فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه


সহিহ বুখারী ৬৬৬৪

خلاد بن يحيى حدثنا مسعر حدثنا قتادة حدثنا زرارة بن أوفى عن أبي هريرة يرفعه قال إن الله تجاوز لأمتي عما وسوست أو حدثت به أنفسها ما لم تعمل به أو تكلم

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) অন্যত্র হাদীস মারফু‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি {নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)} বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমার উম্মাতের ঐ সকল ওয়াস্ওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন যা তাদের মনে উদিত হয় বা যে সব কথা মনে মনে বলে থাকে; যতক্ষন না তা বাস্তবে করে বা সে সম্পর্কে কথা বলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৯)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) অন্যত্র হাদীস মারফু‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি {নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)} বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আমার উম্মাতের ঐ সকল ওয়াস্ওয়াসা ক্ষমা করে দিয়েছেন যা তাদের মনে উদিত হয় বা যে সব কথা মনে মনে বলে থাকে; যতক্ষন না তা বাস্তবে করে বা সে সম্পর্কে কথা বলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৯)

خلاد بن يحيى حدثنا مسعر حدثنا قتادة حدثنا زرارة بن أوفى عن أبي هريرة يرفعه قال إن الله تجاوز لأمتي عما وسوست أو حدثت به أنفسها ما لم تعمل به أو تكلم


সহিহ বুখারী ৬৬৬৫

عثمان بن الهيثم أو محمد عنه عن ابن جريج قال سمعت ابن شهاب يقول حدثني عيسى بن طلحة أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم بينما هو يخطب يوم النحر إذ قام إليه رجل فقال كنت أحسب يا رسول الله كذا وكذا قبل كذا وكذا ثم قام آخر فقال يا رسول الله كنت أحسب كذا وكذا لهؤلاء الثلاث فقال النبي صلى الله عليه وسلم افعل ولا حرج لهن كلهن يومئذ فما سئل يومئذ عن شيء إلا قال افعل ولا حرج

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে নিবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধারণা করলাম যে, অমুক অমুক রুকনের পূর্বে অমুক অমুক রুকন হবে। এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়াল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আমলের পূর্বে অমুক আমাল হবে, (অর্থাৎ তারা যবহ, হলক ও তাওয়াফ) এ তিনটি কাজ সম্পর্কে জানতে চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। ঐ দিন যে সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেসিত হলেন, বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১০)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে নিবেদন করল, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধারণা করলাম যে, অমুক অমুক রুকনের পূর্বে অমুক অমুক রুকন হবে। এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়াল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! অমুক অমুক আমলের পূর্বে অমুক আমাল হবে, (অর্থাৎ তারা যবহ, হলক ও তাওয়াফ) এ তিনটি কাজ সম্পর্কে জানতে চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। ঐ দিন যে সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেসিত হলেন, বললেনঃ করতে পার, কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১০)

عثمان بن الهيثم أو محمد عنه عن ابن جريج قال سمعت ابن شهاب يقول حدثني عيسى بن طلحة أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم بينما هو يخطب يوم النحر إذ قام إليه رجل فقال كنت أحسب يا رسول الله كذا وكذا قبل كذا وكذا ثم قام آخر فقال يا رسول الله كنت أحسب كذا وكذا لهؤلاء الثلاث فقال النبي صلى الله عليه وسلم افعل ولا حرج لهن كلهن يومئذ فما سئل يومئذ عن شيء إلا قال افعل ولا حرج


সহিহ বুখারী ৬৬৬৬

أحمد بن يونس حدثنا أبو بكر بن عياش عن عبد العزيز بن رفيع عن عطاء عن ابن عباس قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم زرت قبل أن أرمي قال لا حرج قال آخر حلقت قبل أن أذبح قال لا حرج قال آخر ذبحت قبل أن أرمي قال لا حرج

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বলল যে, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যিয়ারাত করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক ব্যক্তি বলল, আমি তো যবহ করার আগে মাথা মুন্ডন করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক জন বলল, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যবহ্ করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১১)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বলল যে, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যিয়ারাত করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক ব্যক্তি বলল, আমি তো যবহ করার আগে মাথা মুন্ডন করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। আরেক জন বলল, আমি পাথর নিক্ষেপের আগে যবহ্ করেছি। তিনি বললেনঃ কোন দোষ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১১)

أحمد بن يونس حدثنا أبو بكر بن عياش عن عبد العزيز بن رفيع عن عطاء عن ابن عباس قال قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم زرت قبل أن أرمي قال لا حرج قال آخر حلقت قبل أن أذبح قال لا حرج قال آخر ذبحت قبل أن أرمي قال لا حرج


সহিহ বুখারী ৬৬৬৮

فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت هزم المشركون يوم أحد هزيمة تعرف فيهم فصرخ إبليس أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فنظر حذيفة بن اليمان فإذا هو بأبيه فقال أبي أبي قالت فوالله ما انحجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة غفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة منها بقية خير حتى لقي الله

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্‌লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্‌র বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফা ইব্‌নু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহ্‌র কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাঁকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ তোমাদের ক্ষমা করুন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন যে, আল্লাহ্‌র কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উহূদের যুদ্ধে মুশরিকরা প্রকাশ্যতঃ পরাজিত হলে ইব্‌লিস চিৎকার করে বলল, হে আল্লাহ্‌র বান্দারা! তোমরা পিছনের দিকে ফির। এতে সামনের লোকগুলো পিছনের দিকে ফিরল। তারপর পিছনের লোকগুলোর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। হুযাইফা ইব্‌নু ইয়ামান (রাঃ) হঠাৎ তাঁর পিতাকে দেখে (মুসলিমদের প্রতি লক্ষ্য করে) বললেন, এ তো আমার পিতা, আমার পিতা। আল্লাহ্‌র কসম! তারা ফিরল না। শেষে তারা তাঁকে হত্যা করল। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌ তোমাদের ক্ষমা করুন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বললেন যে, আল্লাহ্‌র কসম! মৃত্যু পর্যন্ত হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাঝে এ ব্যাপারটি বিদ্যমান ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৩)

فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت هزم المشركون يوم أحد هزيمة تعرف فيهم فصرخ إبليس أي عباد الله أخراكم فرجعت أولاهم فاجتلدت هي وأخراهم فنظر حذيفة بن اليمان فإذا هو بأبيه فقال أبي أبي قالت فوالله ما انحجزوا حتى قتلوه فقال حذيفة غفر الله لكم قال عروة فوالله ما زالت في حذيفة منها بقية خير حتى لقي الله


সহিহ বুখারী ৬৬৬৭

إسحاق بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثنا عبيد الله بن عمر عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية المسجد فجاء فسلم عليه فقال له ارجع فصل فإنك لم تصل فرجع فصلى ثم سلم فقال وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل قال في الثالثة فأعلمني قال إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر واقرأ بما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع رأسك حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي وتطمئن جالسا ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي قائما ثم افعل ذلك في صلاتك كلها

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করছিল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক কোণে অবস্থান করছিলেন। লোকটি এসে তাঁকে সালাম করল। তিনি বললেনঃ ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। তখন সে ফিরে গেল এবং সালাত আদায় করল। আবার এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ তোমার উপরেও সালাম। তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি সলাত আদায় করনি। তৃতীয়বারে লোকটি বলল, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দন্ডায়মান হবে তখন খুব ভালভাবে ‘উযূ করবে। এরপর কিব্‌লামুখী হবে। তারপর তাকবীর বলবে। এরপর কুরআন থেকে যা তোমার জন্য সহজ তা তিলাওয়াত করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ করবে। এরপর মাথা উঠাবে। এমনকি সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সাজ্‌দাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। এরপর মাথা তুলে সোজা হবে এবং ধীরস্থিরভাবে বসে যাবে। এরপর আবার ধীরস্থিরভাবে সাজদাহ করবে। তারপর সিজ্‌দা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থির হয়ে বসবে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে। [৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করছিল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক কোণে অবস্থান করছিলেন। লোকটি এসে তাঁকে সালাম করল। তিনি বললেনঃ ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। তখন সে ফিরে গেল এবং সালাত আদায় করল। আবার এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বললেনঃ তোমার উপরেও সালাম। তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি সলাত আদায় করনি। তৃতীয়বারে লোকটি বলল, আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দন্ডায়মান হবে তখন খুব ভালভাবে ‘উযূ করবে। এরপর কিব্‌লামুখী হবে। তারপর তাকবীর বলবে। এরপর কুরআন থেকে যা তোমার জন্য সহজ তা তিলাওয়াত করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ করবে। এরপর মাথা উঠাবে। এমনকি সঠিকভাবে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর সাজ্‌দাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। এরপর মাথা তুলে সোজা হবে এবং ধীরস্থিরভাবে বসে যাবে। এরপর আবার ধীরস্থিরভাবে সাজদাহ করবে। তারপর সিজ্‌দা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থির হয়ে বসবে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। এরপর তোমার পুরো সালাতেই এরূপ করবে। [৬৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১২)

إسحاق بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثنا عبيد الله بن عمر عن سعيد بن أبي سعيد عن أبي هريرة أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية المسجد فجاء فسلم عليه فقال له ارجع فصل فإنك لم تصل فرجع فصلى ثم سلم فقال وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل قال في الثالثة فأعلمني قال إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر واقرأ بما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع رأسك حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي وتطمئن جالسا ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تستوي قائما ثم افعل ذلك في صلاتك كلها


সহিহ বুখারী ৬৬৭০

آدم بن أبي إياس حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم فقام في الركعتين الأوليين قبل أن يجلس فمضى في صلاته فلما قضى صلاته انتظر الناس تسليمه فكبر وسجد قبل أن يسلم ثم رفع رأسه ثم كبر وسجد ثم رفع رأسه وسلم

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সলাত আদায় করতে থাকলেন। সলাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সাজদাহ করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সাজদাহ করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রথম দু’রাকআতে বসার পূর্বেই তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। এভাবেই সলাত আদায় করতে থাকলেন। সলাত শেষ করলে লোকেরা তাঁর সালামের অপেক্ষা করছিল। তিনি আল্লাহু আকবর বলে সালামের পূর্বে সাজদাহ করলেন। এরপর তিনি তার মাথা উঠালেন। আবার আল্লাহু আকবর বলে সাজদাহ করলেন। এরপর আবার মাথা উঠালেন এবং সালাম ফিরালেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৫)

آدم بن أبي إياس حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم فقام في الركعتين الأوليين قبل أن يجلس فمضى في صلاته فلما قضى صلاته انتظر الناس تسليمه فكبر وسجد قبل أن يسلم ثم رفع رأسه ثم كبر وسجد ثم رفع رأسه وسلم


সহিহ বুখারী ৬৬৭১

إسحاق بن إبراهيم سمع عبد العزيز بن عبد الصمد حدثنا منصور عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم صلاة الظهر فزاد أو نقص منها قال منصور لا أدري إبراهيم وهم أم علقمة قال قيل يا رسول الله أقصرت الصلاة أم نسيت قال وما ذاك قالوا صليت كذا وكذا قال فسجد بهم سجدتين ثم قال هاتان السجدتان لمن لا يدري زاد في صلاته أم نقص فيتحرى الصواب فيتم ما بقي ثم يسجد سجدتين

ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁদের নিয়ে যুহুরের সলাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্‌রাহীমের না ‘আলক্বামাহ্‌র তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সহাবাগন বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সলাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সাজদাহ করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সাজদাহ ঐ ব্যাক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সাজদাহ করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)

ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁদের নিয়ে যুহুরের সলাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে কিছু বেশি করলেন বা কিছু কম করলেন। মানসূর বলেন, এই কম-অধিকের ব্যাপারে সন্দেহ ইব্‌রাহীমের না ‘আলক্বামাহ্‌র তা আমার জানা নেই। রাবী বলেন, জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের মাঝে কি কিছু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেনঃ কী হয়েছে? সহাবাগন বললেন, আপনি এভাবে এভাবে সলাত আদায় করেছেন। রাবী বলেন, তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’টি সাজদাহ করেন। এরপর বললেন, এ দু’টি সাজদাহ ঐ ব্যাক্তির জন্য যার স্মরণ নেই যে, সালাতে সে কি অধিক কিছু করেছে, না কম করেছে। এমন অবস্থায় সে চিন্তা করে (নির্ভুলটি স্থির করার চেষ্টা করবে)। আর যা বাকি থাকবে তা পুরা করে নেবে। এরপর দু’টি সাজদাহ করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৬)

إسحاق بن إبراهيم سمع عبد العزيز بن عبد الصمد حدثنا منصور عن إبراهيم عن علقمة عن ابن مسعود أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم صلاة الظهر فزاد أو نقص منها قال منصور لا أدري إبراهيم وهم أم علقمة قال قيل يا رسول الله أقصرت الصلاة أم نسيت قال وما ذاك قالوا صليت كذا وكذا قال فسجد بهم سجدتين ثم قال هاتان السجدتان لمن لا يدري زاد في صلاته أم نقص فيتحرى الصواب فيتم ما بقي ثم يسجد سجدتين


সহিহ বুখারী ৬৬৭২

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا‏}‏ قال ‏"‏ كانت الأولى من موسى نسيانا ‏"‏‏.‏

উবাহ ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

উবাহ ইব্‌নু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا نَسِيتُ وَلاَ تُرْهِقْنِي مِنْ أَمْرِي عُسْرًا (মূসা বলল, ‘আমার ভুলের জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, আর আমার ব্যাপারে আপনি অধিক কড়াকড়ি করবেন না) সম্পর্কে শুনেছেন। তিনি বলেছেনঃ মূসা (আঃ)-এর প্রথমটি ভুলবশত হয়েছিল। [৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، أخبرني سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس فقال حدثنا أبى بن كعب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا‏}‏ قال ‏"‏ كانت الأولى من موسى نسيانا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৬৭৩

قال أبو عبد الله كتب إلي محمد بن بشار حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا ابن عون عن الشعبي قال قال البراء بن عازب وكان عندهم ضيف لهم فأمر أهله أن يذبحوا قبل أن يرجع ليأكل ضيفهم فذبحوا قبل الصلاة فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعيد الذبح فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم عندي عناق جذع عناق لبن هي خير من شاتي لحم فكان ابن عون يقف في هذا المكان عن حديث الشعبي ويحدث عن محمد بن سيرين بمثل هذا الحديث ويقف في هذا المكان ويقول لا أدري أبلغت الرخصة غيره أم لا رواه أيوب عن ابن سيرين عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم

শা’বী (র) থেকে বর্নিতঃ

শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রহঃ)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সলাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যব্‌হ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সলাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যব্‌হ্‌ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যব্‌হ্‌ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্‌রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির গোশতের চেয়েও উত্তম। ইব্‌ন ‘আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যাতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা? আইউব ……. আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

শা’বী (র) থেকে বর্নিতঃ

শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন যে, বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রহঃ)-এর নিকট কয়েকজন মেহমান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার-পরিজনকে তাঁদের জন্য সলাত থেকে ফেরার আগেই কিছু যব্‌হ করতে হুকুম করলেন, যেন ফিরে এসে তাঁরা আহার করতে পারেন। তখন পরিবারের লোকেরা সলাত থেকে ফেরার আগেই (কুরবানীর পশু) যব্‌হ্‌ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে লোকেরা এ সম্পর্কে বর্ণনা করল। তিনি পুনরায় যব্‌হ্‌ করার জন্য হুকুম করলেন। বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কাছে এমন একটি বক্‌রীর বাচ্চা আছে যা দু’টি বড় বকরির গোশতের চেয়েও উত্তম। ইব্‌ন ‘আওন শাবীর মাধ্যমে বর্ণনা করতে গিয়ে এ জায়গায় থেমে যেতেন। তিনি মুহাম্মাদ ইব্‌নু সীরীন (রহঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করতেন এবং এ স্থানে থেমে যেতেন। আর বলতেন, আমার জানা নেই তিনি ব্যাতীত অন্য কারও জন্য এরূপ অনুমতি আছে কিনা? আইউব ……. আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৭)

قال أبو عبد الله كتب إلي محمد بن بشار حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا ابن عون عن الشعبي قال قال البراء بن عازب وكان عندهم ضيف لهم فأمر أهله أن يذبحوا قبل أن يرجع ليأكل ضيفهم فذبحوا قبل الصلاة فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعيد الذبح فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم عندي عناق جذع عناق لبن هي خير من شاتي لحم فكان ابن عون يقف في هذا المكان عن حديث الشعبي ويحدث عن محمد بن سيرين بمثل هذا الحديث ويقف في هذا المكان ويقول لا أدري أبلغت الرخصة غيره أم لا رواه أيوب عن ابن سيرين عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৬৬৭৪

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس قال سمعت جندبا قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم عيد ثم خطب ثم قال من ذبح فليبدل مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله

জুন্‌দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর খুত্‌বাহ প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যাক্তি (সলাতের আগেই) যব্‌হ্‌ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যব্‌হ করে। আর যে এখনও যব্‌হ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ্‌ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)

জুন্‌দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি ঈদের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর খুত্‌বাহ প্রদান করলেন। এরপর বললেনঃ যে ব্যাক্তি (সলাতের আগেই) যব্‌হ্‌ করেছে সে যেন তার স্থলে আরেকটি যব্‌হ করে। আর যে এখনও যব্‌হ করেনি সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ্‌ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৬২০৮ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৮)

سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس قال سمعت جندبا قال شهدت النبي صلى الله عليه وسلم صلى يوم عيد ثم خطب ثم قال من ذبح فليبدل مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله


সহিহ বুখারী > মিথ্যা কসম

সহিহ বুখারী ৬৬৭৫

محمد بن مقاتل أخبرنا النضر أخبرنا شعبة حدثنا فراس قال سمعت الشعبي عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكبائر الإشراك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس واليمين الغموس

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ্‌সমূহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফারমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা। [৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৯)

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ্‌সমূহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফারমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা। [৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২১৯)

محمد بن مقاتل أخبرنا النضر أخبرنا شعبة حدثنا فراس قال سمعت الشعبي عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الكبائر الإشراك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس واليمين الغموس


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহ্‌র সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’য়ামতের কোন অংশই পাবে না এবং আল্লাহ্‌ ক্বিয়ামাতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে পবিত্র করবেন না, বস্তুতঃ তাদের জন্য আছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/৭৭)।

সহিহ বুখারী ৬৬৭৬

موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديق ذ‘لك {إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا} إلى آخر الآية

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে এমন অবস্থায় যে, আল্লাহ্ তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন। আল্লাহ্ এ কথার সত্যতা প্রমাণে আয়াত ......الآية إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ অবতীর্ণ করেন। [২৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)

موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديق ذ‘لك {إن الذين يشترون بعهد الله وأيمانهم ثمنا قليلا} إلى آخر الآية


সহিহ বুখারী ৬৬৭৭

فدخل الأشعث بن قيس فقال ما حدثكم أبو عبد الرحمٰن فقالوا كذا وكذا قال في أنزلت كانت لي بئر في أرض ابن عم لي فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بينتك أو يمينه قلت إذا يحلف عليها يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر وهو فيها فاجر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله يوم القيامة وهو عليه غضبان

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

এরপর আশ’আস ইব্‌নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্‌ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

এরপর আশ’আস ইব্‌নু কায়স (রাঃ) প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেন যে, আবূ ‘আবদূর রাহমান তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন। লোকেরা বলল, এমন এমন। তখন তিনি বললেন, এ আয়াত আমার ব্যাপারে অবতীর্ণ করা হয়েছে। আমার চাচাত ভাই-এর জমিতে আমার একটি কূপ ছিল। আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি প্রমাণ হাযির কর অথবা সে শপথ করুক! আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ কথার উপরে সে তো শপথ করেই ফেলবে। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের সম্পদ ছিনিয়ে নেয়ার মানসে কসম করে, অথচ সে তাতে মিথ্যাচারী, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে আল্লাহ্‌র সাথে সাক্ষত করবে এমতাবস্থায় যে আল্লাহ্‌ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২০)

فدخل الأشعث بن قيس فقال ما حدثكم أبو عبد الرحمٰن فقالوا كذا وكذا قال في أنزلت كانت لي بئر في أرض ابن عم لي فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بينتك أو يمينه قلت إذا يحلف عليها يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حلف على يمين صبر وهو فيها فاجر يقتطع بها مال امرئ مسلم لقي الله يوم القيامة وهو عليه غضبان


সহিহ বুখারী > এমন কিছুতে কসম করা কসমকারী যার মালিক নয় এবং গুনাহের কাজের জন্য কসম ও রাগের বশবর্তী হয়ে কসম করা।

সহিহ বুখারী ৬৬৭৮

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال أرسلني أصحابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم أسأله الحملان فقال والله لا أحملكم على شيء ووافقته وهو غضبان فلما أتيته قال انطلق إلى أصحابك فقل إن الله أو إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يحملكم

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ অথবা আল্লাহ্‌র রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যাবস্থা করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আমার সাথী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে পাঠাল তাঁর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আমি তোমাদেরকে কোন কিছুই আরোহণের জন্য দিতে পারব না। তখন আমি তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। এরপর যখন আমি তাঁর কাছে এলাম, তিনি বললেনঃ তুমি তোমার সাথীদের কাছে চলে যাও এবং বল যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ অথবা আল্লাহ্‌র রাসূল তোমাদের আরোহণের জন্য বাহনের ব্যাবস্থা করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২১)

محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال أرسلني أصحابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم أسأله الحملان فقال والله لا أحملكم على شيء ووافقته وهو غضبان فلما أتيته قال انطلق إلى أصحابك فقل إن الله أو إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يحملكم


সহিহ বুখারী ৬৬৮০

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته وهو غضبان فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم قال والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহ্‌র ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি কতক আশ’আরী লোকের সাথে (বাহন চাওয়ার জন্য) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। যখন হাজির হলাম, তখন তাঁকে ক্ষুদ্ধ অবস্থায় পেলাম। আমরা তাঁর কাছে বাহন চাইলাম। তিনি কসম করে বললেন যে, আমাদেরকে বাহন দিবেন না। এরপর বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আমি কোন কিছুর ওপর আল্লাহ্‌র ইচ্ছা মুতাবিক যখন কসম করি আর তার অন্যটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই; তাহলে যেটা কল্যাণকর সেটাই করি আর কসমকে ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২৩)

أبو معمر حدثنا عبد الوارث حدثنا أيوب عن القاسم عن زهدم قال كنا عند أبي موسى الأشعري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين فوافقته وهو غضبان فاستحملناه فحلف أن لا يحملنا ثم قال والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها


সহিহ বুখারী ৬৬৭৯

حدثنا عبد العزيز، حدثنا إبراهيم، عن صالح، عن ابن شهاب، ح وحدثنا الحجاج، حدثنا عبد الله بن عمر النميري، حدثنا يونس بن يزيد الأيلي، قال سمعت الزهري، قال سمعت عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن حديث، عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا، فبرأها الله مما قالوا ـ كل حدثني طائفة من الحديث ـ فأنزل الله ‏{‏إن الذين جاءوا بالإفك‏}‏ العشر الآيات كلها في براءتي‏.‏ فقال أبو بكر الصديق ـ وكان ينفق على مسطح لقرابته منه ـ والله لا أنفق على مسطح شيئا أبدا، بعد الذي قال لعائشة‏.‏ فأنزل الله ‏{‏ولا يأتل أولو الفضل منكم والسعة أن يؤتوا أولي القربى‏}‏ الآية‏.‏ قال أبو بكر بلى والله إني لأحب أن يغفر الله لي‏.‏ فرجع إلى مسطح النفقة التي كان ينفق عليه وقال والله لا أنزعها عنه أبدا‏.‏

আবদুল আযীয ও হাজ্জাজ (র.)... যুহরী (র.) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা {إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ} দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ‘আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ {وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....}الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[১] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)

আবদুল আযীয ও হাজ্জাজ (র.)... যুহরী (র.) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর ব্যাপারে অপবাদ রটনাকারীরা যা বলেছিল তা শুনতে পেলাম। আল্লাহ্ এ মর্মে তাঁর নির্দোষিতা প্রকাশ করে দিয়েছেন। উপরোক্ত বর্ণনাকারীগণ প্রত্যেকেই আমার নিকট উল্লিখিত ঘটনার অংশ বিশেষ বর্ণনা করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা {إِنَّ الَّذِينَ جَاءُوا بِالإِفْكِ} দশখানা আয়াত আমার নির্দোষিতা প্রকাশ করার জন্য অবতীর্ণ করেছেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে মিসতাহ্ ইবনু সালামাহর ভরণ-পোষণ করতেন। অপবাদ দেয়ার কারণে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! মিসতাহ্ যখন ‘আয়িশাহর ব্যাপারে অপবাদ রটিয়েছে; এরপর আমি আর তার জন্য কখনো কিছু খরচ করব না। তখন আল্লাহ্ {وَلاَ يَأْتَلِ أُولُوا الْفَضْلِ.....}الآية এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ আমাকে ক্ষমা করে দিন এটা আমি নিশ্চয়ই পছন্দ করি। তিনি পুনরায় মিসতাহের ভরণ-পোষণের জন্য ঐ খরচ দেয়া শুরু করলেন, যা তিনি পূর্বে তাকে দিতেন এবং তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তার খরচ দেয়া কখনো বন্ধ করব না।[১] [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২২২)

حدثنا عبد العزيز، حدثنا إبراهيم، عن صالح، عن ابن شهاب، ح وحدثنا الحجاج، حدثنا عبد الله بن عمر النميري، حدثنا يونس بن يزيد الأيلي، قال سمعت الزهري، قال سمعت عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، وعلقمة بن وقاص، وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن حديث، عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا، فبرأها الله مما قالوا ـ كل حدثني طائفة من الحديث ـ فأنزل الله ‏{‏إن الذين جاءوا بالإفك‏}‏ العشر الآيات كلها في براءتي‏.‏ فقال أبو بكر الصديق ـ وكان ينفق على مسطح لقرابته منه ـ والله لا أنفق على مسطح شيئا أبدا، بعد الذي قال لعائشة‏.‏ فأنزل الله ‏{‏ولا يأتل أولو الفضل منكم والسعة أن يؤتوا أولي القربى‏}‏ الآية‏.‏ قال أبو بكر بلى والله إني لأحب أن يغفر الله لي‏.‏ فرجع إلى مسطح النفقة التي كان ينفق عليه وقال والله لا أنزعها عنه أبدا‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00