সহিহ বুখারী > “যা আল্লাহ্ ইচ্ছে করেন ও তুমি যা ইচ্ছে কর” বলবে না। “আমি আল্লাহর সঙ্গে অতঃপর তোমার সঙ্গে” এমন বলা যাবে কি?
সহিহ বুখারী ৬৬৫৩
وقال عمرو بن عاصم حدثنا همام حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة حدثنا عبد الرحمٰن بن أبي عمرة أن أبا هريرة حدثه أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن ثلاثة في بني إسرائيل أراد الله أن يبتليهم فبعث ملكا فأتى الأبرص فقال تقطعت بي الحبال فلا بلاغ لي إلا بالله ثم بك فذكر الحديث
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈল গোত্রের তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ পরীক্ষা করতে চাইলেন। অতঃপর একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা কুষ্ঠরোগীর কাছে এল। সে বলল, আমার সমস্ত উপায়-উপকরণ ছিন্ন হয়ে গেছে। কাজেই আমার জন্য আল্লাহ ব্যতীত, অতঃপর তুমি ব্যতীত কোন উপায় নেই। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, বানী ইসরাঈল গোত্রের তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ পরীক্ষা করতে চাইলেন। অতঃপর একজন ফেরেশ্তা পাঠালেন। ফেরেশ্তা কুষ্ঠরোগীর কাছে এল। সে বলল, আমার সমস্ত উপায়-উপকরণ ছিন্ন হয়ে গেছে। কাজেই আমার জন্য আল্লাহ ব্যতীত, অতঃপর তুমি ব্যতীত কোন উপায় নেই। এরপর পুরো হাদীস বর্ণনা করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৮)
وقال عمرو بن عاصم حدثنا همام حدثنا إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة حدثنا عبد الرحمٰن بن أبي عمرة أن أبا هريرة حدثه أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن ثلاثة في بني إسرائيل أراد الله أن يبتليهم فبعث ملكا فأتى الأبرص فقال تقطعت بي الحبال فلا بلاغ لي إلا بالله ثم بك فذكر الحديث
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তারা আল্লাহর নামে সুদৃঢ় কসম করেছে। (সূরাহ আন‘আম ৬/১০৯)
সহিহ বুখারী ৬৬৫৪
قبيصة حدثنا سفيان عن أشعث عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أشعث عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء قال أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم بإبرار المقسم
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কসম পূর্ণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৯)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কসম পূর্ণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৯)
قبيصة حدثنا سفيان عن أشعث عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أشعث عن معاوية بن سويد بن مقرن عن البراء قال أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم بإبرار المقسم
সহিহ বুখারী ৬৬৫৬
إسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن ابن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد تمسه النار إلا تحلة القسم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেছে (সে যদি ধৈর্য ধরে) তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম পূর্ণ করার জন্য (তাকে পুলসিরাতের উপর দিয়ে নেয়া হবে)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেছে (সে যদি ধৈর্য ধরে) তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম পূর্ণ করার জন্য (তাকে পুলসিরাতের উপর দিয়ে নেয়া হবে)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০১)
إسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن ابن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد تمسه النار إلا تحلة القسم
সহিহ বুখারী ৬৬৫৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني غندر، حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، سمعت حارثة بن وهب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " ألا أدلكم على أهل الجنة، كل ضعيف متضعف، لو أقسم على الله لأبره، وأهل النار كل جواظ عتل مستكبر ".
হারিসাহ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের সম্পর্কে জানাব না? তারা হবে (দুনিয়াতে) দুর্বল, মাযলুম। তারা যদি আল্লাহর ওপর কসম করে, তবে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। আর জাহান্নামের অধিবাসী হবে অবাধ্য, ঝগড়াটে ও অহংকারীরা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০২)
হারিসাহ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের সম্পর্কে জানাব না? তারা হবে (দুনিয়াতে) দুর্বল, মাযলুম। তারা যদি আল্লাহর ওপর কসম করে, তবে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। আর জাহান্নামের অধিবাসী হবে অবাধ্য, ঝগড়াটে ও অহংকারীরা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০২)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني غندر، حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، سمعت حارثة بن وهب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " ألا أدلكم على أهل الجنة، كل ضعيف متضعف، لو أقسم على الله لأبره، وأهل النار كل جواظ عتل مستكبر ".
সহিহ বুখারী ৬৬৫৫
حفص بن عمر حدثنا شعبة أخبرنا عاصم الأحول سمعت أبا عثمان يحدث عن أسامة أن بنتا لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلت إليه ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد وسعد وأبي أن ابني قد احتضر فاشهدنا فأرسل يقرأ السلام ويقول إن لله ما أخذ وما أعطى وكل شيء عنده مسمى فلتصبر وتحتسب فأرسلت إليه تقسم عليه فقام وقمنا معه فلما قعد رفع إليه فأقعده في حجره ونفس الصبي جئث ففاضت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد ما هذا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هذه رحمة يضعها الله في قلوب من يشاء من عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحما
উসামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার উসামাহ ইবনু যায়দ, সা‘দ ও ‘উবাই (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা তাঁর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার পুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। কাজেই তিনি যেন আমাদের নিকট আসেন। তিনি সালামের সঙ্গে এ কথা বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ যা দান করেন আর যা নিয়ে নেন সব কিছুই আল্লাহর জন্য। আর সব কিছুই আল্লাহর নিকট নির্ধারিত আছে। অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সাওয়াবের আশা কর। এরপর তাঁর কন্যা কসম দিয়ে আবার খবর পাঠালেন। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। (সেখানে গিয়ে) তিনি যখন বসলেন, শিশুটিকে তাঁর সামনে আনা হল। তিনি তাকে নিজের কোলে নিয়ে বসালেন, আর শিশুটির শ্বাস নিঃশেষ হয়ে আসছিল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘চোখ অশ্র“ প্রবাহিত করল। তখন সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ কী ব্যাপার? তিনি বললেনঃ এ হল রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের যাকে ইচ্ছা তার মনের ভিতরে দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ কেবলমাত্র তাঁর দয়ালু বান্দাদের ওপরই দয়া করে থাকেন। [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০০)
উসামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার উসামাহ ইবনু যায়দ, সা‘দ ও ‘উবাই (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক কন্যা তাঁর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার পুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। কাজেই তিনি যেন আমাদের নিকট আসেন। তিনি সালামের সঙ্গে এ কথা বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ যা দান করেন আর যা নিয়ে নেন সব কিছুই আল্লাহর জন্য। আর সব কিছুই আল্লাহর নিকট নির্ধারিত আছে। অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর এবং সাওয়াবের আশা কর। এরপর তাঁর কন্যা কসম দিয়ে আবার খবর পাঠালেন। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। (সেখানে গিয়ে) তিনি যখন বসলেন, শিশুটিকে তাঁর সামনে আনা হল। তিনি তাকে নিজের কোলে নিয়ে বসালেন, আর শিশুটির শ্বাস নিঃশেষ হয়ে আসছিল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু‘চোখ অশ্র“ প্রবাহিত করল। তখন সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ কী ব্যাপার? তিনি বললেনঃ এ হল রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের যাকে ইচ্ছা তার মনের ভিতরে দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ কেবলমাত্র তাঁর দয়ালু বান্দাদের ওপরই দয়া করে থাকেন। [৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০০)
حفص بن عمر حدثنا شعبة أخبرنا عاصم الأحول سمعت أبا عثمان يحدث عن أسامة أن بنتا لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلت إليه ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد وسعد وأبي أن ابني قد احتضر فاشهدنا فأرسل يقرأ السلام ويقول إن لله ما أخذ وما أعطى وكل شيء عنده مسمى فلتصبر وتحتسب فأرسلت إليه تقسم عليه فقام وقمنا معه فلما قعد رفع إليه فأقعده في حجره ونفس الصبي جئث ففاضت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد ما هذا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هذه رحمة يضعها الله في قلوب من يشاء من عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحما
সহিহ বুখারী > যখন কেউ বলেঃ আল্লাহকে আমি সাক্ষী মানছি অথবা যদি বলে, আল্লাহকে আমি সাক্ষী করেছি।
সহিহ বুখারী ৬৬৫৮
سعد بن حفص حدثنا شيبان عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم أي الناس خير قال قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته قال إبراهيم وكان أصحابنا ينهونا ونحن غلمان أن نحلف بالشهادة والعهد
আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, কোন মানুষ সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আমার সময়ের মানুষ। এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা, এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা। এরপরে এমন লোক আসবে যে তাদের সাক্ষ্য কসমের উপর অগ্রগামী হবে, আর কসম সাক্ষ্যের উপর অগ্রগামী হবে। রাবী ইবরাহীম বলেন যে, আমরা যখন বালক ছিলাম তখন আমাদের সঙ্গীরা সাক্ষ্য এবং অঙ্গীকারের সঙ্গে কসম করতে নিষেধ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৩)
আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, কোন মানুষ সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আমার সময়ের মানুষ। এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা, এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা। এরপরে এমন লোক আসবে যে তাদের সাক্ষ্য কসমের উপর অগ্রগামী হবে, আর কসম সাক্ষ্যের উপর অগ্রগামী হবে। রাবী ইবরাহীম বলেন যে, আমরা যখন বালক ছিলাম তখন আমাদের সঙ্গীরা সাক্ষ্য এবং অঙ্গীকারের সঙ্গে কসম করতে নিষেধ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৩)
سعد بن حفص حدثنا شيبان عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم أي الناس خير قال قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يجيء قوم تسبق شهادة أحدهم يمينه ويمينه شهادته قال إبراهيم وكان أصحابنا ينهونا ونحن غلمان أن نحلف بالشهادة والعهد
সহিহ বুখারী > আল্লাহর নামে ও‘য়াদা করা।
সহিহ বুখারী ৬৬৫৯
محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن سليمان ومنصور عن أبي وائل عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حلف على يمين كاذبة يقتطع بها مال رجل مسلم أو قال أخيه لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديقه {إن الذين يشترون بعهد الله}
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন মুসলিমের মাল আত্মসাৎ করার জন্য অথবা বলেছেনঃ তার ভাইয়ের মাল আত্মসাৎ করার জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করবে, আল্লাহ্র সাথে তার সাক্ষাত ঘটবে এমন অবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। এ কথারই সত্যতায় আল্লাহ তা‘আলা-অবতীর্ণ করেনঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মুল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’মাতের কোন অংশই পাবে না।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন মুসলিমের মাল আত্মসাৎ করার জন্য অথবা বলেছেনঃ তার ভাইয়ের মাল আত্মসাৎ করার জন্য যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করবে, আল্লাহ্র সাথে তার সাক্ষাত ঘটবে এমন অবস্থায় যে আল্লাহ্ তার উপর রাগান্বিত থাকবেন। এ কথারই সত্যতায় আল্লাহ তা‘আলা-অবতীর্ণ করেনঃ নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মুল্যে বিক্রয় করে, এরা আখিরাতের নি’মাতের কোন অংশই পাবে না।
محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي عن شعبة عن سليمان ومنصور عن أبي وائل عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حلف على يمين كاذبة يقتطع بها مال رجل مسلم أو قال أخيه لقي الله وهو عليه غضبان فأنزل الله تصديقه {إن الذين يشترون بعهد الله}
সহিহ বুখারী ৬৬৬০
قال سليمان في حديثه فمر الأشعث بن قيس فقال ما يحدثكم عبد الله قالوا له فقال الأشعث نزلت في وفي صاحب لي في بئر كانت بيننا
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
রাবী সুলায়মান তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেন, আশ‘আস ইবনু কায়স্ (রাঃ) যখন পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আবদুল্লাহ তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন? জবাবে লোকেরা তাঁকে কিছু বলল। তখন আশ‘আস (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমার আর আমার এক সাথী সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আমাদের দু‘জনের মাঝে একটি কুপ নিয়ে বিবাদ ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৪)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
রাবী সুলায়মান তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেন, আশ‘আস ইবনু কায়স্ (রাঃ) যখন পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আবদুল্লাহ তোমাদের কাছে কী বর্ণনা করেছেন? জবাবে লোকেরা তাঁকে কিছু বলল। তখন আশ‘আস (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমার আর আমার এক সাথী সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আমাদের দু‘জনের মাঝে একটি কুপ নিয়ে বিবাদ ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২০৪)
قال سليمان في حديثه فمر الأشعث بن قيس فقال ما يحدثكم عبد الله قالوا له فقال الأشعث نزلت في وفي صاحب لي في بئر كانت بيننا