সহিহ বুখারী > বাপ-দাদার কসম করবে না।
সহিহ বুখারী ৬৬৪৮
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد العزيز بن مسلم حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت عبد الله بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحلفوا بآبائكم
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৩)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৩)
موسى بن إسماعيل حدثنا عبد العزيز بن مسلم حدثنا عبد الله بن دينار قال سمعت عبد الله بن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحلفوا بآبائكم
সহিহ বুখারী ৬৬৪৬
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أدرك عمر بن الخطاب وهو يسير في ركب يحلف بأبيه فقال ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم من كان حالفا فليحلف بالله أو ليصمت
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বাহনে চলা অবস্থায় পেলেন যখন তিনি তাঁর পিতার নামে কসম করছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান! আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। কেউ কসম করতে চাইলে সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, নইলে যেন চুপ থাকে। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯১)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বাহনে চলা অবস্থায় পেলেন যখন তিনি তাঁর পিতার নামে কসম করছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান! আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। কেউ কসম করতে চাইলে সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, নইলে যেন চুপ থাকে। [৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯১)
عبد الله بن مسلمة عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أدرك عمر بن الخطاب وهو يسير في ركب يحلف بأبيه فقال ألا إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم من كان حالفا فليحلف بالله أو ليصمت
সহিহ বুখারী ৬৬৪৭
حدثنا سعيد بن عفير، حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، قال قال سالم قال ابن عمر سمعت عمر، يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم ". قال عمر فوالله ما حلفت بها منذ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ذاكرا ولا آثرا. قال مجاهد {أو أثرة من علم} يأثر علما. تابعه عقيل والزبيدي وإسحاق الكلبي عن الزهري. وقال ابن عيينة ومعمر عن الزهري عن سالم عن ابن عمر سمع النبي صلى الله عليه وسلم عمر.
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! যখন থেকে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, তখন থেকে আমি তাদের নামে কসম করিনি মনে থাকা অবস্থাতেও না, অন্যের কথা উদ্ধৃত করেও না। মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, {أَوْ أَثَارَةٍ مِنْ عِلْمٍ} দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে অবগত বিষয় উদ্ধৃত করা। অনুরূপ ‘উকায়ল, ‘যুবায়দী ও ইসহাক কালবী (রহ.) যুহরী (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু ‘উয়াইনাহ্. ইবনু ‘উমার (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯২)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! যখন থেকে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, তখন থেকে আমি তাদের নামে কসম করিনি মনে থাকা অবস্থাতেও না, অন্যের কথা উদ্ধৃত করেও না। মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, {أَوْ أَثَارَةٍ مِنْ عِلْمٍ} দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে অবগত বিষয় উদ্ধৃত করা। অনুরূপ ‘উকায়ল, ‘যুবায়দী ও ইসহাক কালবী (রহ.) যুহরী (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু ‘উয়াইনাহ্. ইবনু ‘উমার (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯২)
حدثنا سعيد بن عفير، حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، قال قال سالم قال ابن عمر سمعت عمر، يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم ". قال عمر فوالله ما حلفت بها منذ سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ذاكرا ولا آثرا. قال مجاهد {أو أثرة من علم} يأثر علما. تابعه عقيل والزبيدي وإسحاق الكلبي عن الزهري. وقال ابن عيينة ومعمر عن الزهري عن سالم عن ابن عمر سمع النبي صلى الله عليه وسلم عمر.
সহিহ বুখারী ৬৬৪৯
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الوهاب، عن أيوب، عن أبي قلابة، والقاسم التميمي، عن زهدم، قال كان بين هذا الحى من جرم وبين الأشعريين ود وإخاء، فكنا عند أبي موسى الأشعري، فقرب إليه طعام فيه لحم دجاج وعنده رجل من بني تيم الله أحمر كأنه من الموالي، فدعاه إلى الطعام فقال إني رأيته يأكل شيئا فقذرته، فحلفت أن لا آكله. فقال قم فلأحدثنك عن ذاك، إني أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين نستحمله فقال " والله لا أحملكم، وما عندي ما أحملكم ". فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب إبل فسأل عنا. فقال " أين النفر الأشعريون ". فأمر لنا بخمس ذود غر الذرى، فلما انطلقنا قلنا ما صنعنا حلف رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحملنا وما عنده ما يحملنا ثم حملنا، تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه، والله لا نفلح أبدا، فرجعنا إليه فقلنا له إنا أتيناك لتحملنا فحلفت أن لا تحملنا، وما عندك ما تحملنا. فقال " إني لست أنا حملتكم، ولكن الله حملكم، والله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها، إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها ".
যাহদাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের গোত্র জারাম এবং আশ‘আরী গোত্রের মাঝে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমরা (একবার) আবূ মুসা আশ‘আরীর সাথে ছিলাম। তাঁর কাছে খাবার উপস্থিত করা হল, যাতে ছিল মুরগীর গোশত। তাইমিল্লাহ্ গোত্রের এক লাল রঙের ব্যক্তি তাঁর কাছে ছিল। সে দেখতে গোলামদের মত। তিনি তাকে খাবার খেতে ডাকলেন। তখন সে লোকটি বলল, আমি মুরগীকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য আমি তাকে ঘৃনা করি। তাই আমি কসম করেছি যে, মুরগী খাব না। তিনি বললেন, ওঠ, আমি এ সম্পর্কে অবশ্যই তোমাকে একখানা হাদীস বলব। একবার আমি কতক আশ‘আরীর সাথে বাহন সংগ্রহের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। তোমাদের বাহন দেয়ার জন্য কিছুই আমার কাছে নেই। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গনীমতের কিছু উট এল। তিনি আমাদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন এবং বললেনঃ আশ‘আরী দলটি কোথায়? এরপর আমাদের জন্য পাঁচটি উত্তম সুন্দর উট দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন চলে গেলাম, তখন চিন্তা করলাম আমরা এ কী করলাম? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো শপথ করেছিলেন আমাদেরকে বাহন দেবেন না। আর তাঁর কাছে কোন বাহন তো ছিলও না। কিন্তু এরপর তিনি তো আমাদেরকে আরোহণের বাহন দিলেন। আমরা রসূলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-তাঁর কসমের ব্যাপারে অন্যমনস্ক রেখেছিলাম। আল্লাহর কসম! এ বাহন আমাদের কোন উপকারে আসবে না। কাজেই আমরা তাঁর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাঁকে বললাম যে, আমাদেরকে আপনি আরোহণ করাবেন এ উদ্দেশ্যে আমরা তো আপনার কাছে এসেছিলাম। আপনি কসম করেছিলেন যে, আপনি আমাদেরকে কোন বাহন দিবেন না। আর আপনার কাছে এমন কোন কিছু ছিলও না, যাতে আমাদেরকে আরোহণ করাতে পারেন। তখন তিনি বলেছিলেনঃ আমি তোমাদেরকে আরোহণ করাইনি বরং আল্লাহ্ আরোহণ করিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! আমি যখন শপথ করি আর তার অন্যটির মাঝে যদি অধিক কল্যাণ দেখতে পাই, তা হলে যা কল্যাণকর তাই বাস্তবায়িত করি এবং আমি শপথ ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৪)
যাহদাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের গোত্র জারাম এবং আশ‘আরী গোত্রের মাঝে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব ছিল। আমরা (একবার) আবূ মুসা আশ‘আরীর সাথে ছিলাম। তাঁর কাছে খাবার উপস্থিত করা হল, যাতে ছিল মুরগীর গোশত। তাইমিল্লাহ্ গোত্রের এক লাল রঙের ব্যক্তি তাঁর কাছে ছিল। সে দেখতে গোলামদের মত। তিনি তাকে খাবার খেতে ডাকলেন। তখন সে লোকটি বলল, আমি মুরগীকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য আমি তাকে ঘৃনা করি। তাই আমি কসম করেছি যে, মুরগী খাব না। তিনি বললেন, ওঠ, আমি এ সম্পর্কে অবশ্যই তোমাকে একখানা হাদীস বলব। একবার আমি কতক আশ‘আরীর সাথে বাহন সংগ্রহের জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। তোমাদের বাহন দেয়ার জন্য কিছুই আমার কাছে নেই। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গনীমতের কিছু উট এল। তিনি আমাদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন এবং বললেনঃ আশ‘আরী দলটি কোথায়? এরপর আমাদের জন্য পাঁচটি উত্তম সুন্দর উট দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন চলে গেলাম, তখন চিন্তা করলাম আমরা এ কী করলাম? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো শপথ করেছিলেন আমাদেরকে বাহন দেবেন না। আর তাঁর কাছে কোন বাহন তো ছিলও না। কিন্তু এরপর তিনি তো আমাদেরকে আরোহণের বাহন দিলেন। আমরা রসূলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-তাঁর কসমের ব্যাপারে অন্যমনস্ক রেখেছিলাম। আল্লাহর কসম! এ বাহন আমাদের কোন উপকারে আসবে না। কাজেই আমরা তাঁর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাঁকে বললাম যে, আমাদেরকে আপনি আরোহণ করাবেন এ উদ্দেশ্যে আমরা তো আপনার কাছে এসেছিলাম। আপনি কসম করেছিলেন যে, আপনি আমাদেরকে কোন বাহন দিবেন না। আর আপনার কাছে এমন কোন কিছু ছিলও না, যাতে আমাদেরকে আরোহণ করাতে পারেন। তখন তিনি বলেছিলেনঃ আমি তোমাদেরকে আরোহণ করাইনি বরং আল্লাহ্ আরোহণ করিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! আমি যখন শপথ করি আর তার অন্যটির মাঝে যদি অধিক কল্যাণ দেখতে পাই, তা হলে যা কল্যাণকর তাই বাস্তবায়িত করি এবং আমি শপথ ভঙ্গ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৪)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الوهاب، عن أيوب، عن أبي قلابة، والقاسم التميمي، عن زهدم، قال كان بين هذا الحى من جرم وبين الأشعريين ود وإخاء، فكنا عند أبي موسى الأشعري، فقرب إليه طعام فيه لحم دجاج وعنده رجل من بني تيم الله أحمر كأنه من الموالي، فدعاه إلى الطعام فقال إني رأيته يأكل شيئا فقذرته، فحلفت أن لا آكله. فقال قم فلأحدثنك عن ذاك، إني أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الأشعريين نستحمله فقال " والله لا أحملكم، وما عندي ما أحملكم ". فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بنهب إبل فسأل عنا. فقال " أين النفر الأشعريون ". فأمر لنا بخمس ذود غر الذرى، فلما انطلقنا قلنا ما صنعنا حلف رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحملنا وما عنده ما يحملنا ثم حملنا، تغفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمينه، والله لا نفلح أبدا، فرجعنا إليه فقلنا له إنا أتيناك لتحملنا فحلفت أن لا تحملنا، وما عندك ما تحملنا. فقال " إني لست أنا حملتكم، ولكن الله حملكم، والله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها، إلا أتيت الذي هو خير وتحللتها ".
সহিহ বুখারী > লাত, উযযা ও প্রতিমাগুলোর নামে কসম করা যায় না।
সহিহ বুখারী ৬৬৫০
عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمٰن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حلف فقال في حلفه باللات والعزى فليقل لا إله إلا الله ومن قال لصاحبه تعال أقامرك فليتصدق
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি শপথ করে এবং বলে, ‘লাত ও উয্যার শপথ’, তখন সে যেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ বলে আর যে ব্যক্তি তার সঙ্গীকে বলে ‘এসো জুয়া খেলি’ তাহলে সে যেন সদাকাহ দেয়।[১] [৪৮৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৫)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি শপথ করে এবং বলে, ‘লাত ও উয্যার শপথ’, তখন সে যেন لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ বলে আর যে ব্যক্তি তার সঙ্গীকে বলে ‘এসো জুয়া খেলি’ তাহলে সে যেন সদাকাহ দেয়।[১] [৪৮৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৫)
عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمٰن عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من حلف فقال في حلفه باللات والعزى فليقل لا إله إلا الله ومن قال لصاحبه تعال أقامرك فليتصدق
সহিহ বুখারী > কেউ যদি কোন কিছুর কসম করে অথচ তাঁকে কসম দেয়া হয়নি-এ সম্পর্কে বর্ণনা।
সহিহ বুখারী ৬৬৫১
قتيبة حدثنا الليث عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اصطنع خاتما من ذهب وكان يلبسه فيجعل فصه في باطن كفه فصنع الناس خواتيم ثم إنه جلس على المنبر فنزعه فقال إني كنت ألبس هذا الخاتم وأجعل فصه من داخل فرمى به ثم قال والله لا ألبسه أبدا فنبذ الناس خواتيمهم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি স্বর্ণের আংটি তৈরী করালেন এবং তিনি সেটা ব্যবহার করতেন। ব্যবহারকালে তাঁর পাথরটি হাতের ভিতরের দিকে রাখতেন। তখন লোকেরাও এরূপ করল। এরপর তিনি মিম্বরের উপর বসে তা খুলে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি এ আংটি পরেছিলাম এবং তার পাথর হাতের ভিতরের দিকে রেখেছিলাম। অতঃপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। আর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি এ আংটি আর কোনদিন ব্যবহার করব না! তখন লোকেরাও তাদের নিজেদের আংটিগুলো খুলে ফেলল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৬)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি স্বর্ণের আংটি তৈরী করালেন এবং তিনি সেটা ব্যবহার করতেন। ব্যবহারকালে তাঁর পাথরটি হাতের ভিতরের দিকে রাখতেন। তখন লোকেরাও এরূপ করল। এরপর তিনি মিম্বরের উপর বসে তা খুলে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি এ আংটি পরেছিলাম এবং তার পাথর হাতের ভিতরের দিকে রেখেছিলাম। অতঃপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। আর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি এ আংটি আর কোনদিন ব্যবহার করব না! তখন লোকেরাও তাদের নিজেদের আংটিগুলো খুলে ফেলল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৬)
قتيبة حدثنا الليث عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اصطنع خاتما من ذهب وكان يلبسه فيجعل فصه في باطن كفه فصنع الناس خواتيم ثم إنه جلس على المنبر فنزعه فقال إني كنت ألبس هذا الخاتم وأجعل فصه من داخل فرمى به ثم قال والله لا ألبسه أبدا فنبذ الناس خواتيمهم
সহিহ বুখারী > ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে।
সহিহ বুখারী ৬৬৫২
معلى بن أسد حدثنا وهيب عن أيوب عن أبي قلابة عن ثابت بن الضحاك قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من حلف بغير ملة الإسلام فهو كما قال قال ومن قتل نفسه بشيء عذب به في نار جهنم ولعن المؤمن كقتله ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله
সাবিত ইবনু যহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে সেটা ঐ রকম হবে, যেমন সে বলল। তিনি (আরও বলেছেন) কেউ কোন জিনিসের দ্বারা আত্মহত্যা করলে, জাহান্নামের আগুনে তাকে ঐ জিনিস দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। কোন মু‘মিনকে লা‘নত করা তাকে হত্যা করা তুল্য। আর কোন মু‘মিনকে কুফরীর অপবাদ দেয়াও তাকে হত্যা করার তুল্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৭)
সাবিত ইবনু যহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্মের কসম করলে সেটা ঐ রকম হবে, যেমন সে বলল। তিনি (আরও বলেছেন) কেউ কোন জিনিসের দ্বারা আত্মহত্যা করলে, জাহান্নামের আগুনে তাকে ঐ জিনিস দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। কোন মু‘মিনকে লা‘নত করা তাকে হত্যা করা তুল্য। আর কোন মু‘মিনকে কুফরীর অপবাদ দেয়াও তাকে হত্যা করার তুল্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৯৭)
معلى بن أسد حدثنا وهيب عن أيوب عن أبي قلابة عن ثابت بن الضحاك قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من حلف بغير ملة الإسلام فهو كما قال قال ومن قتل نفسه بشيء عذب به في نار جهنم ولعن المؤمن كقتله ومن رمى مؤمنا بكفر فهو كقتله