সহিহ বুখারী > ‘আল্লাহ্ ছাড়া কোন শক্তি ও ক্ষমতা নেই প্রসঙ্গে
সহিহ বুখারী ৬৬১০
محمد بن مقاتل أبو الحسن أخبرنا عبد الله أخبرنا خالد الحذاء عن أبي عثمان النهدي عن أبي موسى قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فجعلنا لا نصعد شرفا ولا نعلو شرفا ولا نهبط في واد إلا رفعنا أصواتنا بالتكبير قال فدنا منا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا أيها الناس اربعوا على أنفسكم فإنكم لا تدعون أصم ولا غائبا إنما تدعون سميعا بصيرا ثم قال يا عبد الله بن قيس ألا أعلمك كلمة هي من كنوز الجنة لا حول ولا قوة إلا بالله
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখনই কোন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, কোন উঁচুতে থাকতাম এবং কোন উপত্যকা অতিক্রম করতাম তখনই উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বলতাম। রাবী বলেন অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকটবর্তী হলেন এবং বললেনঃ ওহে লোকেরা! তোমরা নিজেদের উপর রহম কর। তোমরা কোন বধির বা কোন অনুপস্থিত সত্ত্বাকে ডাকছ না বরং তোমরা ডাকছ শ্রবণকারী ও দর্শনকারী সত্ত্বাকে। এরপর তিনি বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কায়স! তোমাকে আমি কি এমন একটি কথা শিখিয়ে দিব না, যা হল জান্নাতের ভান্ডারসমূহের অন্যতম? তা হল- لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ। ]২৯৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৭
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখনই কোন উঁচুস্থানে আরোহণ করতাম, কোন উঁচুতে থাকতাম এবং কোন উপত্যকা অতিক্রম করতাম তখনই উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বলতাম। রাবী বলেন অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকটবর্তী হলেন এবং বললেনঃ ওহে লোকেরা! তোমরা নিজেদের উপর রহম কর। তোমরা কোন বধির বা কোন অনুপস্থিত সত্ত্বাকে ডাকছ না বরং তোমরা ডাকছ শ্রবণকারী ও দর্শনকারী সত্ত্বাকে। এরপর তিনি বললেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কায়স! তোমাকে আমি কি এমন একটি কথা শিখিয়ে দিব না, যা হল জান্নাতের ভান্ডারসমূহের অন্যতম? তা হল- لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ। ]২৯৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৭
محمد بن مقاتل أبو الحسن أخبرنا عبد الله أخبرنا خالد الحذاء عن أبي عثمان النهدي عن أبي موسى قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فجعلنا لا نصعد شرفا ولا نعلو شرفا ولا نهبط في واد إلا رفعنا أصواتنا بالتكبير قال فدنا منا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا أيها الناس اربعوا على أنفسكم فإنكم لا تدعون أصم ولا غائبا إنما تدعون سميعا بصيرا ثم قال يا عبد الله بن قيس ألا أعلمك كلمة هي من كنوز الجنة لا حول ولا قوة إلا بالله
সহিহ বুখারী > নিষ্পাপ সে-ই আল্লাহ যাকে রক্ষা করেন।
সহিহ বুখারী ৬৬১১
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال حدثني أبو سلمة عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما استخلف خليفة إلا له بطانتان بطانة تأمره بالخير وتحضه عليه وبطانة تأمره بالشر وتحضه عليه والمعصوم من عصم الله
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যে কোন লোককেই খলীফা বানানো হয় তার জন্য দু’টি পরামর্শদাতা থাকে। একটা তাকে সৎকর্মের পরামর্শ দেয় এবং এর প্রতি তাকে উৎসাহিত করে। অন্যটা তাকে মন্দ কাজের পরামর্শ দেয় এবং এর প্রতি তাকে উৎসাহিত করে। নিষ্পাপ হল সেই আল্লাহ্ যাকে রক্ষা করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫০ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৮)
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যে কোন লোককেই খলীফা বানানো হয় তার জন্য দু’টি পরামর্শদাতা থাকে। একটা তাকে সৎকর্মের পরামর্শ দেয় এবং এর প্রতি তাকে উৎসাহিত করে। অন্যটা তাকে মন্দ কাজের পরামর্শ দেয় এবং এর প্রতি তাকে উৎসাহিত করে। নিষ্পাপ হল সেই আল্লাহ্ যাকে রক্ষা করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫০ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৮)
عبدان أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال حدثني أبو سلمة عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما استخلف خليفة إلا له بطانتان بطانة تأمره بالخير وتحضه عليه وبطانة تأمره بالشر وتحضه عليه والمعصوم من عصم الله
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণীঃ আমি যে সব জনবসতি ধ্বংস করেছি তাদের জন্য এটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে যে তারা আর ফিরে আসবে না- (সূরা আম্বিয়া ২১/৯৫)।. আল্লাহ্র বাণীঃ ঈমান এনেছে তারা ছাড়া তোমার সম্প্রদায়ের আর কোন লোক ঈমান আনবে না- (সূরা হূদ ১১/৩৬), আল্লাহ্র বাণীঃ তারা তোমার বান্দাদেরকে গোমরাহ করে দেবে আর কেবল পাপাচারী কাফির জন্ম দিতে থাকবে- (সূরা নূহ ৭১/২৭)
সহিহ বুখারী ৬৬১২
محمود بن غيلان حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن ابن طاوس عن أبيه عن ابن عباس قال ما رأيت شيئا أشبه باللمم مما قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم إن الله كتب على ابن آدم حظه من الزنا أدرك ذلك لا محالة فزنا العين النظر وزنا اللسان المنطق والنفس تمنى وتشتهي والفرج يصدق ذلك أو يكذبه وقال شبابة حدثنا ورقاء عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ছোট গুনাহর ব্যাপারে যা বলেছেন তার থেকে যথার্থ উপমা আমি দেখি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ আদম সন্তানের উপর যিনার কোন না কোন হিস্সা লিখে দিয়েছেন; তা সে অবশ্যই পাবে। সুতরাং চোখের যিনা হল (যা হারাম সেদিকে) তাকানো এবং জিহ্বার যিনা হল মুখে বলা। মন কামনা ও আকাঙ্খা করে, লজ্জাস্থান তাকে সত্য করে অথবা মিথ্যা প্রমাণ করে। [৫৪] শাবাবা (রহঃ) ও... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৯)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ছোট গুনাহর ব্যাপারে যা বলেছেন তার থেকে যথার্থ উপমা আমি দেখি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ আদম সন্তানের উপর যিনার কোন না কোন হিস্সা লিখে দিয়েছেন; তা সে অবশ্যই পাবে। সুতরাং চোখের যিনা হল (যা হারাম সেদিকে) তাকানো এবং জিহ্বার যিনা হল মুখে বলা। মন কামনা ও আকাঙ্খা করে, লজ্জাস্থান তাকে সত্য করে অথবা মিথ্যা প্রমাণ করে। [৫৪] শাবাবা (রহঃ) ও... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৯)
محمود بن غيلان حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن ابن طاوس عن أبيه عن ابن عباس قال ما رأيت شيئا أشبه باللمم مما قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم إن الله كتب على ابن آدم حظه من الزنا أدرك ذلك لا محالة فزنا العين النظر وزنا اللسان المنطق والنفس تمنى وتشتهي والفرج يصدق ذلك أو يكذبه وقال شبابة حدثنا ورقاء عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী > (আল্লাহ্র বাণী) আমি তোমাকে (মি’রাজের মাধ্যমে) যে দৃশ্য দেখিয়েছি তা এবং কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত (জাক্কুম) গাছটিও মানুষদের পরীক্ষা করার জন্য (যে কারা তা বিশ্বাস ক’রে নেক্কার হয় আর কারা তা অবিশ্বাস ক’রে পাপী হয়)। (সূরাহ্ ইসরা ১৭/৬০)
সহিহ বুখারী ৬৬১৩
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن ابن عباس {وما جعلنا الرؤيا التي أريناك إلا فتنة للناس} قال هي رؤيا عين أريها رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به إلى بيت المقدس قال والشجرة الملعونة في القرآن قال هي شجرة الزقوم
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي.....} الاية (আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেনঃ তা হচ্ছে চোখের দেখা। যে রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সে রাতে তাঁকে যা দেখানো হয়েছিল। তিনি বলেন, কুরআনের বর্ণিত وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ দ্বারা যাক্কূম গাছকে বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬০)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي.....} الاية (আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেনঃ তা হচ্ছে চোখের দেখা। যে রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বায়তুল মাকদাস পর্যন্ত ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সে রাতে তাঁকে যা দেখানো হয়েছিল। তিনি বলেন, কুরআনের বর্ণিত وَالشَّجَرَةَ الْمَلْعُونَةَ দ্বারা যাক্কূম গাছকে বোঝানো হয়েছে। [৩৮৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৬০)
الحميدي حدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن ابن عباس {وما جعلنا الرؤيا التي أريناك إلا فتنة للناس} قال هي رؤيا عين أريها رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به إلى بيت المقدس قال والشجرة الملعونة في القرآن قال هي شجرة الزقوم