সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ মানুষ যা করবে এ সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।

সহিহ বুখারী ৬৫৯৭

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن أولاد المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, তারা (বাঁচলে) কী ‘আমল করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, তারা (বাঁচলে) কী ‘আমল করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৫)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن أولاد المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী ৬৫৯৮

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال وأخبرني عطاء بن يزيد أنه سمع أبا هريرة يقول سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذراري المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৬)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال وأخبرني عطاء بن يزيد أنه سمع أبا هريرة يقول سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذراري المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী ৬৫৯৯

إسحاق بن إبراهيم أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مولود إلا يولد على الفطرة فأبواه يهودانه وينصرانه كما تنتجون البهيمة هل تجدون فيها من جدعاء حتى تكونوا أنتم تجدعونها

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সন্তান যখন জন্ম লাভ করে, তখন স্বভাবধর্মের (ইসলামের) ওপরই জন্ম লাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী বা নাসারা বানিয়ে দেয়। যেমন কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন বাচ্চা প্রদান করে তখন কি কানকাটা দেখতে পাও যতক্ষণ না তোমরা তার কান কেটে দাও?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সন্তান যখন জন্ম লাভ করে, তখন স্বভাবধর্মের (ইসলামের) ওপরই জন্ম লাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী বা নাসারা বানিয়ে দেয়। যেমন কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন বাচ্চা প্রদান করে তখন কি কানকাটা দেখতে পাও যতক্ষণ না তোমরা তার কান কেটে দাও?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

إسحاق بن إبراهيم أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مولود إلا يولد على الفطرة فأبواه يهودانه وينصرانه كما تنتجون البهيمة هل تجدون فيها من جدعاء حتى تكونوا أنتم تجدعونها


সহিহ বুখারী ৬৬০০

قالوا يا رسول الله أفرأيت من يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! নাবালিগ অবস্থায় যে মারা যায় তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! নাবালিগ অবস্থায় যে মারা যায় তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

قالوا يا رسول الله أفرأيت من يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌র বিধান সুনির্ধারণে নির্ধারিত। (সূরা আহযাব ৩৩/৩৮)

সহিহ বুখারী ৬৬০১

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل المرأة طلاق أختها لتستفرغ صحفتها ولتنكح فإن لها ما قدر لها

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী নিজে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে যেন অন্য নারীর তালাক না চায়। কেননা, তার জন্য (তাকদীরে) যা নির্ধারিত আছে তাই সে পাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী নিজে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে যেন অন্য নারীর তালাক না চায়। কেননা, তার জন্য (তাকদীরে) যা নির্ধারিত আছে তাই সে পাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৮)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل المرأة طلاق أختها لتستفرغ صحفتها ولتنكح فإن لها ما قدر لها


সহিহ বুখারী ৬৬০৪

موسى بن مسعود حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي وائل عن حذيفة قال لقد خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم خطبة ما ترك فيها شيئا إلى قيام الساعة إلا ذكره علمه من علمه وجهله من جهله إن كنت لأرى الشيء قد نسيت فأعرف ما يعرف الرجل إذا غاب عنه فرآه فعرفه

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাদের প্রতি এমন একটি ভাষণ প্রদান করলেন যাতে কেয়ামত পর্যন্ত যা সংঘটিত হবে এমন কোন কথাই বাদ দেননি। এগুলো মনে রাখা যার সৌভাগ্য হয়েছে সে স্মরণ রেখেছে আর যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে। আমি ভুলে যাওয়া কোন কিছু যখন দেখতে পাই তখন তা চিনতে পারি এভাবে যেমন, কোন ব্যক্তি কাউকে হারিয়ে ফেললে আবার যখন তাকে দেখতে পায় তখন চিনতে পারে। [মুসলিম ৫২/৬, হাঃ ২৮৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫১)

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাদের প্রতি এমন একটি ভাষণ প্রদান করলেন যাতে কেয়ামত পর্যন্ত যা সংঘটিত হবে এমন কোন কথাই বাদ দেননি। এগুলো মনে রাখা যার সৌভাগ্য হয়েছে সে স্মরণ রেখেছে আর যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে। আমি ভুলে যাওয়া কোন কিছু যখন দেখতে পাই তখন তা চিনতে পারি এভাবে যেমন, কোন ব্যক্তি কাউকে হারিয়ে ফেললে আবার যখন তাকে দেখতে পায় তখন চিনতে পারে। [মুসলিম ৫২/৬, হাঃ ২৮৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫১)

موسى بن مسعود حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي وائل عن حذيفة قال لقد خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم خطبة ما ترك فيها شيئا إلى قيام الساعة إلا ذكره علمه من علمه وجهله من جهله إن كنت لأرى الشيء قد نسيت فأعرف ما يعرف الرجل إذا غاب عنه فرآه فعرفه


সহিহ বুখারী ৬৬০২

مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن عاصم عن أبي عثمان عن أسامة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته وعنده سعد وأبي بن كعب ومعاذ أن ابنها يجود بنفسه فبعث إليها لله ما أخذ ولله ما أعطى كل بأجل فلتصبر ولتحتسب

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ, ‘উবাই ইব্‌ন কা’ব ও মু’আয ইবনু জাবালও ছিলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক কন্যার পাঠানো এক লোক খবর নিয়ে এলো যে, তাঁর পুত্র সন্তান মরণাপন্ন। তখন তিনি লোকটির মারফত কন্যাকে বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি নিয়ে যান। আর আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি দান করেন। প্রত্যেকের জন্য একটি সময় নির্ধারিত রয়েছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের আশা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৯)

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ, ‘উবাই ইব্‌ন কা’ব ও মু’আয ইবনু জাবালও ছিলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক কন্যার পাঠানো এক লোক খবর নিয়ে এলো যে, তাঁর পুত্র সন্তান মরণাপন্ন। তখন তিনি লোকটির মারফত কন্যাকে বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি নিয়ে যান। আর আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি দান করেন। প্রত্যেকের জন্য একটি সময় নির্ধারিত রয়েছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের আশা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৯)

مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن عاصم عن أبي عثمان عن أسامة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته وعنده سعد وأبي بن كعب ومعاذ أن ابنها يجود بنفسه فبعث إليها لله ما أخذ ولله ما أعطى كل بأجل فلتصبر ولتحتسب


সহিহ বুখারী ৬৬০৩

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أخبرني عبد الله بن محيريز الجمحي أن أبا سعيد الخدري أخبره أنه بينما هو جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم جاء رجل من الأنصار فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نصيب سبيا ونحب المال كيف ترى في العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أوإنكم لتفعلون ذلك لا عليكم أن لا تفعلوا فإنه ليست نسمة كتب الله أن تخرج إلا هي كائنة

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় আনসারদের এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা তো বাঁদীদের সঙ্গে সংগত হই অথচ মালকে ভালবাসি। কাজেই ‘আযল’র ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এ কাজ কর? তোমাদের জন্য এটা করা আর না করা দুটোই সমান। কেননা, যে কোন জীবন যা পয়দা হওয়াকে আল্লাহ্‌ লিখে দিয়েছেন তা পয়দা হবেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫০)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় আনসারদের এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা তো বাঁদীদের সঙ্গে সংগত হই অথচ মালকে ভালবাসি। কাজেই ‘আযল’র ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এ কাজ কর? তোমাদের জন্য এটা করা আর না করা দুটোই সমান। কেননা, যে কোন জীবন যা পয়দা হওয়াকে আল্লাহ্‌ লিখে দিয়েছেন তা পয়দা হবেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫০)

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أخبرني عبد الله بن محيريز الجمحي أن أبا سعيد الخدري أخبره أنه بينما هو جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم جاء رجل من الأنصار فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نصيب سبيا ونحب المال كيف ترى في العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أوإنكم لتفعلون ذلك لا عليكم أن لا تفعلوا فإنه ليست نسمة كتب الله أن تخرج إلا هي كائنة


সহিহ বুখারী ৬৬০৫

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعد بن عبيدة عن أبي عبد الرحمٰن السلمي عن علي قال كنا جلوسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ومعه عود ينكت في الأرض وقال ما منكم من أحد إلا قد كتب مقعده من النار أو من الجنة فقال رجل من القوم ألا نتكل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا اعملوا فكل ميسر ثم قرأ فأما من أعطى واتقى الآية

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তাঁর সঙ্গে ছিল একটুকরা খড়ি। যা দিয়ে তিনি মাটির উপর দাগ টানছিলেন। তিনি তখন বললেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই যার ঠিকানা জাহান্নামে বা জান্নাতে লেখা হয়নি। লোকদের ভিতর থেকে এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাহলে (এর উপর) নির্ভর করব না? তিনি বললেনঃ না, তোমরা ‘আমাল কর। কেননা, প্রত্যেকের জন্য ‘আমাল সহজ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى الْآيَةَ । [১৩৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫২)

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তাঁর সঙ্গে ছিল একটুকরা খড়ি। যা দিয়ে তিনি মাটির উপর দাগ টানছিলেন। তিনি তখন বললেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই যার ঠিকানা জাহান্নামে বা জান্নাতে লেখা হয়নি। লোকদের ভিতর থেকে এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাহলে (এর উপর) নির্ভর করব না? তিনি বললেনঃ না, তোমরা ‘আমাল কর। কেননা, প্রত্যেকের জন্য ‘আমাল সহজ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى الْآيَةَ । [১৩৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫২)

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعد بن عبيدة عن أبي عبد الرحمٰن السلمي عن علي قال كنا جلوسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ومعه عود ينكت في الأرض وقال ما منكم من أحد إلا قد كتب مقعده من النار أو من الجنة فقال رجل من القوم ألا نتكل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا اعملوا فكل ميسر ثم قرأ فأما من أعطى واتقى الآية


সহিহ বুখারী > আমলের (ভাল-মন্দ) নির্ভর করে শেষ অবস্থার ওপর

সহিহ বুখারী ৬৬০৬

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال شهدنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل ممن معه يدعي الإسلام هذا من أهل النار فلما حضر القتال قاتل الرجل من أشد القتال وكثرت به الجراح فأثبتته فجاء رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت الرجل الذي تحدثت أنه من أهل النار قد قاتل في سبيل الله من أشد القتال فكثرت به الجراح فقال النبي صلى الله عليه وسلم أما إنه من أهل النار فكاد بعض المسلمين يرتاب فبينما هو على ذلك إذ وجد الرجل ألم الجراح فأهوى بيده إلى كنانته فانتزع منها سهما فانتحر بها فاشتد رجال من المسلمين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم صدق الله حديثك قد انتحر فلان فقتل نفسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا بلال قم فأذن لا يدخل الجنة إلا مؤمن وإن الله ليؤيد هذا الدين بالرجل الفاجر

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খায়বারের যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীগণের মধ্য হতে ইসলামের দাবি করছিল এমন এক ব্যক্তির ব্যাপারে বললেন যে, এই লোকটি জাহান্নামী। যখন যুদ্ধ শুরু হল, লোকটি ভীষণভাবে যুদ্ধ করল। এতে সে অত্যন্ত ক্ষতবিক্ষত হলো। তবু সে অটল রইল। সাহাবীগণের মাঝ থেকে একজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি যে ব্যক্তি সম্পর্কে জাহান্নামী হবে ব’লে বলেছিলেন সে তো ভীষণভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় যুদ্ধ করেছে এবং তাতে সে বিপুলভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তিনি বললেনঃ জেনে রাখ, সে জাহান্নামী! এতে কতক মুসলিমের মনে সন্দেহের ভাব হল। আর লোকটি ঐ অবস্থায় ছিল। হঠাৎ করে সে ক্ষতের যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগল আর অমনিই সে স্বীয় হাতটি তীর রাখার স্থানে বাড়িয়ে দিল এবং একটি তীর বের করে আপন বক্ষে বিঁধিয়ে দিল। তখন কয়েকজন মুসলিম রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দৌড়িয়ে গিয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌ আপনার কথাকে সত্য করে দেখালেন। অমুক ব্যক্তি তো আত্মহত্যা করেছে। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল! উঠ, এবং ঘোষণা কর যে, মু’মিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর আল্লাহ্‌ পাপী বান্দাকে দিয়েও এ দ্বীনের সাহায্য করে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খায়বারের যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীগণের মধ্য হতে ইসলামের দাবি করছিল এমন এক ব্যক্তির ব্যাপারে বললেন যে, এই লোকটি জাহান্নামী। যখন যুদ্ধ শুরু হল, লোকটি ভীষণভাবে যুদ্ধ করল। এতে সে অত্যন্ত ক্ষতবিক্ষত হলো। তবু সে অটল রইল। সাহাবীগণের মাঝ থেকে একজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি যে ব্যক্তি সম্পর্কে জাহান্নামী হবে ব’লে বলেছিলেন সে তো ভীষণভাবে আল্লাহ্‌র রাস্তায় যুদ্ধ করেছে এবং তাতে সে বিপুলভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তিনি বললেনঃ জেনে রাখ, সে জাহান্নামী! এতে কতক মুসলিমের মনে সন্দেহের ভাব হল। আর লোকটি ঐ অবস্থায় ছিল। হঠাৎ করে সে ক্ষতের যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগল আর অমনিই সে স্বীয় হাতটি তীর রাখার স্থানে বাড়িয়ে দিল এবং একটি তীর বের করে আপন বক্ষে বিঁধিয়ে দিল। তখন কয়েকজন মুসলিম রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দৌড়িয়ে গিয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌ আপনার কথাকে সত্য করে দেখালেন। অমুক ব্যক্তি তো আত্মহত্যা করেছে। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল! উঠ, এবং ঘোষণা কর যে, মু’মিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর আল্লাহ্‌ পাপী বান্দাকে দিয়েও এ দ্বীনের সাহায্য করে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৩)

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال شهدنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل ممن معه يدعي الإسلام هذا من أهل النار فلما حضر القتال قاتل الرجل من أشد القتال وكثرت به الجراح فأثبتته فجاء رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت الرجل الذي تحدثت أنه من أهل النار قد قاتل في سبيل الله من أشد القتال فكثرت به الجراح فقال النبي صلى الله عليه وسلم أما إنه من أهل النار فكاد بعض المسلمين يرتاب فبينما هو على ذلك إذ وجد الرجل ألم الجراح فأهوى بيده إلى كنانته فانتزع منها سهما فانتحر بها فاشتد رجال من المسلمين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم صدق الله حديثك قد انتحر فلان فقتل نفسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا بلال قم فأذن لا يدخل الجنة إلا مؤمن وإن الله ليؤيد هذا الدين بالرجل الفاجر


সহিহ বুখারী ৬৬০৭

سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد أن رجلا من أعظم المسلمين غناء عن المسلمين في غزوة غزاها مع النبي صلى الله عليه وسلم فنظر النبي صلى الله عليه وسلم فقال من أحب أن ينظر إلى الرجل من أهل النار فلينظر إلى هذا فاتبعه رجل من القوم وهو على تلك الحال من أشد الناس على المشركين حتى جرح فاستعجل الموت فجعل ذبابة سيفه بين ثدييه حتى خرج من بين كتفيه فأقبل الرجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم مسرعا فقال أشهد أنك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال وما ذاك قال قلت لفلان من أحب أن ينظر إلى رجل من أهل النار فلينظر إليه وكان من أعظمنا غناء عن المسلمين فعرفت أنه لا يموت على ذلك فلما جرح استعجل الموت فقتل نفسه فقال النبي صلى الله عليه وسلم عند ذلك إن العبد ليعمل عمل أهل النار وإنه من أهل الجنة ويعمل عمل أهل الجنة وإنه من أهل النار وإنما الأعمال بالخواتيم

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে যে সমস্ত মুসলিম যুদ্ধ করেছেন তাঁদের মাঝে একজন ছিল ভীষণ বেগে আক্রমণকারী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন জাহান্নামীকে দেখতে পছন্দ করে সে যেন এই লোকটার দিকে তাকায়। লোকদের ভিতর থেকে এক লোক সেই লোকটির অনুসরণ করল। আর সে তখন ভীষণভাবে মুশরিকদের সঙ্গে মুকাবিলা করছিল। সে যখম হয়ে তাড়াতাড়ি মৃত্যু কামনা করল। সে তার তরবারীর ধারালো দিকটি নিজের বুকের উপর চেপে ধরল। এমন কি দু’কাঁধের মাঝ দিয়ে তরবারী বক্ষ ভেদ করল। (তখন) লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দৌড়ে এসে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি (সত্যিই) আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী হল? লোকটি বলল, আপনি অমুক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছিলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন জাহান্নামী লোক দেখতে পছন্দ করে সে যেন এ লোকটাকে দেখে নেয়।” অথচ লোকটি অন্যান্য মুসলিমের চেয়ে তীব্র আক্রমণকারী ছিল। তাই আমার ধারণা ছিল এ লোকটির মৃত্যু এমন অবস্থায় হবে না। যখন সে আঘাত পেল, তাড়াতাড়ি মৃত্যু কামনা করল এবং আত্মহত্যা করে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা শুনে বললেনঃ নিশ্চয় কোন বান্দা জাহান্নামীদের ‘আমল করেন, কিন্তু আসলে সে জান্নাতী। আর কোন বান্দা জান্নাতের অধিবাসীর ‘আমল করেন কিন্তু আসলে সে জাহান্নামী। নিশ্চয়ই ‘আমলের ভাল-মন্দ নির্ভর করে তার শেষ অবস্থার উপর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৪)

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে যে সমস্ত মুসলিম যুদ্ধ করেছেন তাঁদের মাঝে একজন ছিল ভীষণ বেগে আক্রমণকারী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন জাহান্নামীকে দেখতে পছন্দ করে সে যেন এই লোকটার দিকে তাকায়। লোকদের ভিতর থেকে এক লোক সেই লোকটির অনুসরণ করল। আর সে তখন ভীষণভাবে মুশরিকদের সঙ্গে মুকাবিলা করছিল। সে যখম হয়ে তাড়াতাড়ি মৃত্যু কামনা করল। সে তার তরবারীর ধারালো দিকটি নিজের বুকের উপর চেপে ধরল। এমন কি দু’কাঁধের মাঝ দিয়ে তরবারী বক্ষ ভেদ করল। (তখন) লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে দৌড়ে এসে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি (সত্যিই) আপনি আল্লাহ্‌র রসূল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী হল? লোকটি বলল, আপনি অমুক ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছিলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন জাহান্নামী লোক দেখতে পছন্দ করে সে যেন এ লোকটাকে দেখে নেয়।” অথচ লোকটি অন্যান্য মুসলিমের চেয়ে তীব্র আক্রমণকারী ছিল। তাই আমার ধারণা ছিল এ লোকটির মৃত্যু এমন অবস্থায় হবে না। যখন সে আঘাত পেল, তাড়াতাড়ি মৃত্যু কামনা করল এবং আত্মহত্যা করে দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা শুনে বললেনঃ নিশ্চয় কোন বান্দা জাহান্নামীদের ‘আমল করেন, কিন্তু আসলে সে জান্নাতী। আর কোন বান্দা জান্নাতের অধিবাসীর ‘আমল করেন কিন্তু আসলে সে জাহান্নামী। নিশ্চয়ই ‘আমলের ভাল-মন্দ নির্ভর করে তার শেষ অবস্থার উপর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৪)

سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان حدثني أبو حازم عن سهل بن سعد أن رجلا من أعظم المسلمين غناء عن المسلمين في غزوة غزاها مع النبي صلى الله عليه وسلم فنظر النبي صلى الله عليه وسلم فقال من أحب أن ينظر إلى الرجل من أهل النار فلينظر إلى هذا فاتبعه رجل من القوم وهو على تلك الحال من أشد الناس على المشركين حتى جرح فاستعجل الموت فجعل ذبابة سيفه بين ثدييه حتى خرج من بين كتفيه فأقبل الرجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم مسرعا فقال أشهد أنك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال وما ذاك قال قلت لفلان من أحب أن ينظر إلى رجل من أهل النار فلينظر إليه وكان من أعظمنا غناء عن المسلمين فعرفت أنه لا يموت على ذلك فلما جرح استعجل الموت فقتل نفسه فقال النبي صلى الله عليه وسلم عند ذلك إن العبد ليعمل عمل أهل النار وإنه من أهل الجنة ويعمل عمل أهل الجنة وإنه من أهل النار وإنما الأعمال بالخواتيم


সহিহ বুখারী > বান্দার মানতকে তাক্‌দীরের প্রতি অর্পণ করা।

সহিহ বুখারী ৬৬০৮

أبو نعيم حدثنا سفيان عن منصور عن عبد الله بن مرة عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا وإنما يستخرج به من البخيل

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, মানত কোন জিনিষকে দুরে সরিয়ে দিতে পারে না। এর দ্বারা শুধু কৃপণের কিছু মাল বের হয়ে যায়।[৬৬৯২, ৬৬৯৩; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৩৯, আহমাদ ৫২৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৫)

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, মানত কোন জিনিষকে দুরে সরিয়ে দিতে পারে না। এর দ্বারা শুধু কৃপণের কিছু মাল বের হয়ে যায়।[৬৬৯২, ৬৬৯৩; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৩৯, আহমাদ ৫২৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৫)

أبو نعيم حدثنا سفيان عن منصور عن عبد الله بن مرة عن ابن عمر قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال إنه لا يرد شيئا وإنما يستخرج به من البخيل


সহিহ বুখারী ৬৬০৯

بشر بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن همام بن منبه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يأت ابن آدم النذر بشيء لم يكن قد قدرته ولكن يلقيه القدر وقد قدرته له أستخرج به من البخيل

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না যা তাকদীরে নির্ধারিত নেই অথচ সে যে মানতটি করে তাও আমি তাকদীরে নির্ধারিত করে দিয়েছি যাতে এর মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (মাল) বের করে নেই। [৬৬৯৪; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৪০, আহমাদ ৯৩৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না যা তাকদীরে নির্ধারিত নেই অথচ সে যে মানতটি করে তাও আমি তাকদীরে নির্ধারিত করে দিয়েছি যাতে এর মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (মাল) বের করে নেই। [৬৬৯৪; মুসলিম ২৬/২, হাঃ ১৬৪০, আহমাদ ৯৩৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫৬)

بشر بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن همام بن منبه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يأت ابن آدم النذر بشيء لم يكن قد قدرته ولكن يلقيه القدر وقد قدرته له أستخرج به من البخيل


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00