সহিহ বুখারী > তাকদীর [৫২]

সহিহ বুখারী ৬৫৯৫

سليمان بن حرب حدثنا حماد عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس عن أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال وكل الله بالرحم ملكا فيقول أي رب نطفة أي رب علقة أي رب مضغة فإذا أراد الله أن يقضي خلقها قال أي رب أذكر أم أنثى أشقي أم سعيد فما الرزق فما الأجل فيكتب كذلك في بطن أمه

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌ রেহেমে (মাতৃগর্ভে) একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হে প্রতিপালক! এটি বীর্য। হে প্রতিপালক! এটি রক্তপিণ্ড। হে প্রতিপালক! এটি গোশ্‌তপিণ্ড। আল্লাহ্‌ যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন ফেরেশতা বলে, হে প্রতিপালক! এটি নর হবে, না নারী? এটি দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান? তার রিযক কী পরিমাণ হবে? তার জীবনকাল কী হবে? তখন (আল্লাহ্‌র নির্দেশমত) তার মায়ের পেটে থাকাকালে ঐ রকমই লিখে দেয়া হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌ রেহেমে (মাতৃগর্ভে) একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, হে প্রতিপালক! এটি বীর্য। হে প্রতিপালক! এটি রক্তপিণ্ড। হে প্রতিপালক! এটি গোশ্‌তপিণ্ড। আল্লাহ্‌ যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন ফেরেশতা বলে, হে প্রতিপালক! এটি নর হবে, না নারী? এটি দুর্ভাগা হবে, না ভাগ্যবান? তার রিযক কী পরিমাণ হবে? তার জীবনকাল কী হবে? তখন (আল্লাহ্‌র নির্দেশমত) তার মায়ের পেটে থাকাকালে ঐ রকমই লিখে দেয়া হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৩)

سليمان بن حرب حدثنا حماد عن عبيد الله بن أبي بكر بن أنس عن أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال وكل الله بالرحم ملكا فيقول أي رب نطفة أي رب علقة أي رب مضغة فإذا أراد الله أن يقضي خلقها قال أي رب أذكر أم أنثى أشقي أم سعيد فما الرزق فما الأجل فيكتب كذلك في بطن أمه


সহিহ বুখারী ৬৫৯৪

أبو الوليد هشام بن عبد الملك حدثنا شعبة أنبأني سليمان الأعمش قال سمعت زيد بن وهب عن عبد الله قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق قال إن أحدكم يجمع في بطن أمه أربعين يوما ثم علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله ملكا فيؤمر بأربع برزقه وأجله وشقي أو سعيد فوالله إن أحدكم أو الرجل يعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها غير باع أو ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها غير ذراع أو ذراعين فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها قال آدم إلا ذراع

‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সত্যবাদী ও সত্যবাদী স্বীকৃত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেই আপন আপন মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্র হিসেবে) জমা থাকে। তারপর ঐরকম চল্লিশ দিন রক্তপিন্ড, তারপর ঐরকম চল্লিশ দিন গোশত পিন্ডাকারে থাকে। তারপর আল্লাহ্ একজন ফেরেশতা পাঠান এবং তাকে রিযিক, মৃত্যু, দুর্ভাগ্য ও সৌভাগ্য- এ চারটি বিষয় লিখার জন্য আদেশ দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আল্লাহর কসম! তোমাদের মাঝে যে কেউ অথবা বলেছেন, কোন ব্যক্তি জাহান্নামীদের ‘আমাল করতে থাকে। এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র একহাত বা এক গজের তফাৎ থাকে। এমন সময় তাক্দীর তার ওপর প্রাধান্য লাভ করে আর তখন সে জান্নাতীদের ‘আমাল করা শুরু করে দেয়। ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। আর এক ব্যক্তি জান্নাতীদের ‘আমাল করতে থাকে। এমন কি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত বা দু’হাত তফাৎ থাকে। এমন সময় তাক্দীর তার উপর প্রাধান্য লাভ করে আর অমনি সে জাহান্নামীদের ‘আমাল শুরু করে দেয়। ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ [বুখারী (রহ.)] বলেন যে, আদাম তার বর্ণনায় কেবল ذِرَاعٌ (এক গজ) বলেছেন।[2] [৩২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪২)

‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সত্যবাদী ও সত্যবাদী স্বীকৃত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেই আপন আপন মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্র হিসেবে) জমা থাকে। তারপর ঐরকম চল্লিশ দিন রক্তপিন্ড, তারপর ঐরকম চল্লিশ দিন গোশত পিন্ডাকারে থাকে। তারপর আল্লাহ্ একজন ফেরেশতা পাঠান এবং তাকে রিযিক, মৃত্যু, দুর্ভাগ্য ও সৌভাগ্য- এ চারটি বিষয় লিখার জন্য আদেশ দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আল্লাহর কসম! তোমাদের মাঝে যে কেউ অথবা বলেছেন, কোন ব্যক্তি জাহান্নামীদের ‘আমাল করতে থাকে। এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র একহাত বা এক গজের তফাৎ থাকে। এমন সময় তাক্দীর তার ওপর প্রাধান্য লাভ করে আর তখন সে জান্নাতীদের ‘আমাল করা শুরু করে দেয়। ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। আর এক ব্যক্তি জান্নাতীদের ‘আমাল করতে থাকে। এমন কি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত বা দু’হাত তফাৎ থাকে। এমন সময় তাক্দীর তার উপর প্রাধান্য লাভ করে আর অমনি সে জাহান্নামীদের ‘আমাল শুরু করে দেয়। ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ [বুখারী (রহ.)] বলেন যে, আদাম তার বর্ণনায় কেবল ذِرَاعٌ (এক গজ) বলেছেন।[2] [৩২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪২)

أبو الوليد هشام بن عبد الملك حدثنا شعبة أنبأني سليمان الأعمش قال سمعت زيد بن وهب عن عبد الله قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق قال إن أحدكم يجمع في بطن أمه أربعين يوما ثم علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله ملكا فيؤمر بأربع برزقه وأجله وشقي أو سعيد فوالله إن أحدكم أو الرجل يعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها غير باع أو ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها غير ذراع أو ذراعين فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها قال آدم إلا ذراع


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র ইলম-মুতাবিক (লেখার পর) কলম শুকিয়ে গেছে।

সহিহ বুখারী ৬৫৯৬

آدم حدثنا شعبة حدثنا يزيد الرشك قال سمعت مطرف بن عبد الله بن الشخير يحدث عن عمران بن حصين قال قال رجل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أيعرف أهل الجنة من أهل النار قال نعم قال فلم يعمل العاملون قال كل يعمل لما خلق له أو لما يسر له

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! জাহান্নামীদের থেকে জান্নাতীদেরকে চেনা যাবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সে বলল, তাহলে ‘আমলকারীরা ‘আমল করবে কেন? তিনি বললেনঃ প্রতিটি লোক ঐ ‘আমলই করে যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অথবা যা তার জন্য সহজ করা হয়েছে। [৭৫৫১; মুসলিম ৩৮/১, হাঃ ২৬৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৪)

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! জাহান্নামীদের থেকে জান্নাতীদেরকে চেনা যাবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সে বলল, তাহলে ‘আমলকারীরা ‘আমল করবে কেন? তিনি বললেনঃ প্রতিটি লোক ঐ ‘আমলই করে যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অথবা যা তার জন্য সহজ করা হয়েছে। [৭৫৫১; মুসলিম ৩৮/১, হাঃ ২৬৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৪)

آدم حدثنا شعبة حدثنا يزيد الرشك قال سمعت مطرف بن عبد الله بن الشخير يحدث عن عمران بن حصين قال قال رجل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أيعرف أهل الجنة من أهل النار قال نعم قال فلم يعمل العاملون قال كل يعمل لما خلق له أو لما يسر له


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ মানুষ যা করবে এ সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।

সহিহ বুখারী ৬৫৯৭

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن أولاد المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, তারা (বাঁচলে) কী ‘আমল করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, তারা (বাঁচলে) কী ‘আমল করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৫)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن أولاد المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী ৬৫৯৮

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال وأخبرني عطاء بن يزيد أنه سمع أبا هريرة يقول سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذراري المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৬)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس عن ابن شهاب قال وأخبرني عطاء بن يزيد أنه سمع أبا هريرة يقول سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذراري المشركين فقال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী ৬৫৯৯

إسحاق بن إبراهيم أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مولود إلا يولد على الفطرة فأبواه يهودانه وينصرانه كما تنتجون البهيمة هل تجدون فيها من جدعاء حتى تكونوا أنتم تجدعونها

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সন্তান যখন জন্ম লাভ করে, তখন স্বভাবধর্মের (ইসলামের) ওপরই জন্ম লাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী বা নাসারা বানিয়ে দেয়। যেমন কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন বাচ্চা প্রদান করে তখন কি কানকাটা দেখতে পাও যতক্ষণ না তোমরা তার কান কেটে দাও?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সন্তান যখন জন্ম লাভ করে, তখন স্বভাবধর্মের (ইসলামের) ওপরই জন্ম লাভ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহূদী বা নাসারা বানিয়ে দেয়। যেমন কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন বাচ্চা প্রদান করে তখন কি কানকাটা দেখতে পাও যতক্ষণ না তোমরা তার কান কেটে দাও?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

إسحاق بن إبراهيم أخبرنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من مولود إلا يولد على الفطرة فأبواه يهودانه وينصرانه كما تنتجون البهيمة هل تجدون فيها من جدعاء حتى تكونوا أنتم تجدعونها


সহিহ বুখারী ৬৬০০

قالوا يا رسول الله أفرأيت من يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! নাবালিগ অবস্থায় যে মারা যায় তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তখন সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! নাবালিগ অবস্থায় যে মারা যায় তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বেশি জানেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৭)

قالوا يا رسول الله أفرأيت من يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌র বিধান সুনির্ধারণে নির্ধারিত। (সূরা আহযাব ৩৩/৩৮)

সহিহ বুখারী ৬৬০১

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل المرأة طلاق أختها لتستفرغ صحفتها ولتنكح فإن لها ما قدر لها

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী নিজে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে যেন অন্য নারীর তালাক না চায়। কেননা, তার জন্য (তাকদীরে) যা নির্ধারিত আছে তাই সে পাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী নিজে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে যেন অন্য নারীর তালাক না চায়। কেননা, তার জন্য (তাকদীরে) যা নির্ধারিত আছে তাই সে পাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৮)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تسأل المرأة طلاق أختها لتستفرغ صحفتها ولتنكح فإن لها ما قدر لها


সহিহ বুখারী ৬৬০৪

موسى بن مسعود حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي وائل عن حذيفة قال لقد خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم خطبة ما ترك فيها شيئا إلى قيام الساعة إلا ذكره علمه من علمه وجهله من جهله إن كنت لأرى الشيء قد نسيت فأعرف ما يعرف الرجل إذا غاب عنه فرآه فعرفه

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাদের প্রতি এমন একটি ভাষণ প্রদান করলেন যাতে কেয়ামত পর্যন্ত যা সংঘটিত হবে এমন কোন কথাই বাদ দেননি। এগুলো মনে রাখা যার সৌভাগ্য হয়েছে সে স্মরণ রেখেছে আর যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে। আমি ভুলে যাওয়া কোন কিছু যখন দেখতে পাই তখন তা চিনতে পারি এভাবে যেমন, কোন ব্যক্তি কাউকে হারিয়ে ফেললে আবার যখন তাকে দেখতে পায় তখন চিনতে পারে। [মুসলিম ৫২/৬, হাঃ ২৮৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫১)

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাদের প্রতি এমন একটি ভাষণ প্রদান করলেন যাতে কেয়ামত পর্যন্ত যা সংঘটিত হবে এমন কোন কথাই বাদ দেননি। এগুলো মনে রাখা যার সৌভাগ্য হয়েছে সে স্মরণ রেখেছে আর যে ভুলে যাবার সে ভুলে গেছে। আমি ভুলে যাওয়া কোন কিছু যখন দেখতে পাই তখন তা চিনতে পারি এভাবে যেমন, কোন ব্যক্তি কাউকে হারিয়ে ফেললে আবার যখন তাকে দেখতে পায় তখন চিনতে পারে। [মুসলিম ৫২/৬, হাঃ ২৮৯১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫১)

موسى بن مسعود حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي وائل عن حذيفة قال لقد خطبنا النبي صلى الله عليه وسلم خطبة ما ترك فيها شيئا إلى قيام الساعة إلا ذكره علمه من علمه وجهله من جهله إن كنت لأرى الشيء قد نسيت فأعرف ما يعرف الرجل إذا غاب عنه فرآه فعرفه


সহিহ বুখারী ৬৬০২

مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن عاصم عن أبي عثمان عن أسامة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته وعنده سعد وأبي بن كعب ومعاذ أن ابنها يجود بنفسه فبعث إليها لله ما أخذ ولله ما أعطى كل بأجل فلتصبر ولتحتسب

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ, ‘উবাই ইব্‌ন কা’ব ও মু’আয ইবনু জাবালও ছিলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক কন্যার পাঠানো এক লোক খবর নিয়ে এলো যে, তাঁর পুত্র সন্তান মরণাপন্ন। তখন তিনি লোকটির মারফত কন্যাকে বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি নিয়ে যান। আর আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি দান করেন। প্রত্যেকের জন্য একটি সময় নির্ধারিত রয়েছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের আশা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৯)

উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ, ‘উবাই ইব্‌ন কা’ব ও মু’আয ইবনু জাবালও ছিলেন। এমন সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন এক কন্যার পাঠানো এক লোক খবর নিয়ে এলো যে, তাঁর পুত্র সন্তান মরণাপন্ন। তখন তিনি লোকটির মারফত কন্যাকে বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি নিয়ে যান। আর আল্লাহ্‌র জন্যই- যা তিনি দান করেন। প্রত্যেকের জন্য একটি সময় নির্ধারিত রয়েছে। কাজেই সে যেন ধৈর্য ধারণ করে এবং সাওয়াবের আশা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৯)

مالك بن إسماعيل حدثنا إسرائيل عن عاصم عن أبي عثمان عن أسامة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته وعنده سعد وأبي بن كعب ومعاذ أن ابنها يجود بنفسه فبعث إليها لله ما أخذ ولله ما أعطى كل بأجل فلتصبر ولتحتسب


সহিহ বুখারী ৬৬০৩

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أخبرني عبد الله بن محيريز الجمحي أن أبا سعيد الخدري أخبره أنه بينما هو جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم جاء رجل من الأنصار فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نصيب سبيا ونحب المال كيف ترى في العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أوإنكم لتفعلون ذلك لا عليكم أن لا تفعلوا فإنه ليست نسمة كتب الله أن تخرج إلا هي كائنة

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় আনসারদের এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা তো বাঁদীদের সঙ্গে সংগত হই অথচ মালকে ভালবাসি। কাজেই ‘আযল’র ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এ কাজ কর? তোমাদের জন্য এটা করা আর না করা দুটোই সমান। কেননা, যে কোন জীবন যা পয়দা হওয়াকে আল্লাহ্‌ লিখে দিয়েছেন তা পয়দা হবেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫০)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন। এমন সময় আনসারদের এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা তো বাঁদীদের সঙ্গে সংগত হই অথচ মালকে ভালবাসি। কাজেই ‘আযল’র ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি এ কাজ কর? তোমাদের জন্য এটা করা আর না করা দুটোই সমান। কেননা, যে কোন জীবন যা পয়দা হওয়াকে আল্লাহ্‌ লিখে দিয়েছেন তা পয়দা হবেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫০)

حبان بن موسى أخبرنا عبد الله أخبرنا يونس عن الزهري قال أخبرني عبد الله بن محيريز الجمحي أن أبا سعيد الخدري أخبره أنه بينما هو جالس عند النبي صلى الله عليه وسلم جاء رجل من الأنصار فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نصيب سبيا ونحب المال كيف ترى في العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أوإنكم لتفعلون ذلك لا عليكم أن لا تفعلوا فإنه ليست نسمة كتب الله أن تخرج إلا هي كائنة


সহিহ বুখারী ৬৬০৫

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعد بن عبيدة عن أبي عبد الرحمٰن السلمي عن علي قال كنا جلوسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ومعه عود ينكت في الأرض وقال ما منكم من أحد إلا قد كتب مقعده من النار أو من الجنة فقال رجل من القوم ألا نتكل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا اعملوا فكل ميسر ثم قرأ فأما من أعطى واتقى الآية

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তাঁর সঙ্গে ছিল একটুকরা খড়ি। যা দিয়ে তিনি মাটির উপর দাগ টানছিলেন। তিনি তখন বললেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই যার ঠিকানা জাহান্নামে বা জান্নাতে লেখা হয়নি। লোকদের ভিতর থেকে এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাহলে (এর উপর) নির্ভর করব না? তিনি বললেনঃ না, তোমরা ‘আমাল কর। কেননা, প্রত্যেকের জন্য ‘আমাল সহজ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى الْآيَةَ । [১৩৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫২)

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তাঁর সঙ্গে ছিল একটুকরা খড়ি। যা দিয়ে তিনি মাটির উপর দাগ টানছিলেন। তিনি তখন বললেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক নেই যার ঠিকানা জাহান্নামে বা জান্নাতে লেখা হয়নি। লোকদের ভিতর থেকে এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাহলে (এর উপর) নির্ভর করব না? তিনি বললেনঃ না, তোমরা ‘আমাল কর। কেননা, প্রত্যেকের জন্য ‘আমাল সহজ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ فَأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى الْآيَةَ । [১৩৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৫২)

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعد بن عبيدة عن أبي عبد الرحمٰن السلمي عن علي قال كنا جلوسا مع النبي صلى الله عليه وسلم ومعه عود ينكت في الأرض وقال ما منكم من أحد إلا قد كتب مقعده من النار أو من الجنة فقال رجل من القوم ألا نتكل يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا اعملوا فكل ميسر ثم قرأ فأما من أعطى واتقى الآية


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00