সহিহ বুখারী > যার হিসাব পরীক্ষা করা হবে তাকে আযাব দেয়া হবে
সহিহ বুখারী ৬৫৩৬
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من نوقش الحساب عذب ". قالت قلت أليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا}. قال " ذلك العرض ". حدثني عمرو بن علي، حدثنا يحيى، عن عثمان بن الأسود، سمعت ابن أبي مليكة، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله. وتابعه ابن جريج ومحمد بن سليم وأيوب وصالح بن رستم عن ابن أبي مليكة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, ‘‘তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে?’’ তিনি বলেন, তা তো কেবল পেশ করা মাত্র। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯২) ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকম বলতে শুনেছি। ইবনু জুরায়জ, মুহাম্মদ ইবনু সুলায়ম, আইউব ও সারিহ্ ইবনু রুস্তম, ইবনু আবূ মুলাইকা ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ বর্ণনার অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৩)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, ‘‘তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে?’’ তিনি বলেন, তা তো কেবল পেশ করা মাত্র। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯২) ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকম বলতে শুনেছি। ইবনু জুরায়জ, মুহাম্মদ ইবনু সুলায়ম, আইউব ও সারিহ্ ইবনু রুস্তম, ইবনু আবূ মুলাইকা ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ বর্ণনার অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৩)
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من نوقش الحساب عذب ". قالت قلت أليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا}. قال " ذلك العرض ". حدثني عمرو بن علي، حدثنا يحيى، عن عثمان بن الأسود، سمعت ابن أبي مليكة، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله. وتابعه ابن جريج ومحمد بن سليم وأيوب وصالح بن رستم عن ابن أبي مليكة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৬৫৩৭
إسحاق بن منصور حدثنا روح بن عبادة حدثنا حاتم بن أبي صغيرة حدثنا عبد الله بن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد حدثتني عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس أحد يحاسب يوم القيامة إلا هلك فقلت يا رسول الله أليس قد قال الله تعالى: {فأما من أوتي كتابه بيمينه فسوف يحاسب حسابا يسيرا} فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك العرض وليس أحد يناقش الحساب يوم القيامة إلا عذب
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন যারই হিসাব নেয়া হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। [‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্ কি বলেননি, ‘অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা কেবল পেশ করা মাত্র। ক্বিয়ামতের দিন যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে অবশ্যই আযাব দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৪)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন যারই হিসাব নেয়া হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। [‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্ কি বলেননি, ‘অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা কেবল পেশ করা মাত্র। ক্বিয়ামতের দিন যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে অবশ্যই আযাব দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৪)
إسحاق بن منصور حدثنا روح بن عبادة حدثنا حاتم بن أبي صغيرة حدثنا عبد الله بن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد حدثتني عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس أحد يحاسب يوم القيامة إلا هلك فقلت يا رسول الله أليس قد قال الله تعالى: {فأما من أوتي كتابه بيمينه فسوف يحاسب حسابا يسيرا} فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك العرض وليس أحد يناقش الحساب يوم القيامة إلا عذب
সহিহ বুখারী ৬৫৩৮
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن معمر حدثنا روح بن عبادة حدثنا سعيد عن قتادة حدثنا أنس بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يجاء بالكافر يوم القيامة فيقال له أرأيت لو كان لك ملء الأرض ذهبا أكنت تفتدي به فيقول نعم فيقال له قد كنت سئلت ما هو أيسر من ذلك
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : ক্বিয়ামাতের দিন কাফিরকে হাযির করা হবে। অতঃপর তাকে বলা হবে তোমার যদি দুনিয়া ভর্তি সোনা থাকত তাহলে তুমি কি বিনিময়ে তা আযাব থেকে বাঁচতে চাইতে না? সে বলবে, হাঁ। এরপর তাকে বলা হবে তোমার কাছে তো এর চেয়ে বহু ক্ষুদ্র বস্তু (তৌহীদ) চাওয়া হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৫)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : ক্বিয়ামাতের দিন কাফিরকে হাযির করা হবে। অতঃপর তাকে বলা হবে তোমার যদি দুনিয়া ভর্তি সোনা থাকত তাহলে তুমি কি বিনিময়ে তা আযাব থেকে বাঁচতে চাইতে না? সে বলবে, হাঁ। এরপর তাকে বলা হবে তোমার কাছে তো এর চেয়ে বহু ক্ষুদ্র বস্তু (তৌহীদ) চাওয়া হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৫)
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن معمر حدثنا روح بن عبادة حدثنا سعيد عن قتادة حدثنا أنس بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يجاء بالكافر يوم القيامة فيقال له أرأيت لو كان لك ملء الأرض ذهبا أكنت تفتدي به فيقول نعم فيقال له قد كنت سئلت ما هو أيسر من ذلك
সহিহ বুখারী ৬৫৩৯
عمر بن حفص حدثنا أبي قال حدثني الأعمش قال حدثني خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما منكم من أحد إلا وسيكلمه الله يوم القيامة ليس بين الله وبينه ترجمان ثم ينظر فلا يرى شيئا قدامه ثم ينظر بين يديه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রত্যেক লোকের সাথে আল্লাহ্ কথা বলবেন। আর সেদিন আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে কোন দোভাষী থাকবে না। অতঃপর বান্দা দৃষ্টিপাত করে তার সামনে কিছুই দেখতে পাবে না। সে আবার তার সামনে দৃষ্টি ফেরাবে। তখন তার সামনে হাজির হবে জাহান্নাম। তেমাদের মধ্যে যে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সে যেন এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৬)
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রত্যেক লোকের সাথে আল্লাহ্ কথা বলবেন। আর সেদিন আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে কোন দোভাষী থাকবে না। অতঃপর বান্দা দৃষ্টিপাত করে তার সামনে কিছুই দেখতে পাবে না। সে আবার তার সামনে দৃষ্টি ফেরাবে। তখন তার সামনে হাজির হবে জাহান্নাম। তেমাদের মধ্যে যে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সে যেন এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৬)
عمر بن حفص حدثنا أبي قال حدثني الأعمش قال حدثني خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما منكم من أحد إلا وسيكلمه الله يوم القيامة ليس بين الله وبينه ترجمان ثم ينظر فلا يرى شيئا قدامه ثم ينظر بين يديه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة
সহিহ বুখারী ৬৫৪০
قال الأعمش حدثني عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثم قال اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثلاثا حتى ظننا أنه ينظر إليها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। আবার বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। তিনবার এরুপ করলেন। এমন কি আমরা ভাবছিলাম যে তিনি বুঝি জাহান্নাম সরাসরি দেখছেন। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামর আগুন থেকে বাঁচ। আর যদি কেউ সেটাও না পাও তাহলে উত্তম কথার দ্বারা হলেও (আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৭)
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। আবার বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। তিনবার এরুপ করলেন। এমন কি আমরা ভাবছিলাম যে তিনি বুঝি জাহান্নাম সরাসরি দেখছেন। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামর আগুন থেকে বাঁচ। আর যদি কেউ সেটাও না পাও তাহলে উত্তম কথার দ্বারা হলেও (আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৭)
قال الأعمش حدثني عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثم قال اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثلاثا حتى ظننا أنه ينظر إليها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة
সহিহ বুখারী > সত্তর হাজার লোকের বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ
সহিহ বুখারী ৬৫৪৩
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبعمائة ألف ـ شك في أحدهما ـ متماسكين، آخذ بعضهم ببعض، حتى يدخل أولهم وآخرهم الجنة، ووجوههم على ضوء القمر ليلة البدر ".
সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সত্তর হাজার অথবা সাত লাখ লোক একে অপরের হাত ধরে জান্নাতে দাখিল হবে। বর্ণনাকারীর এ দু’সংখ্যার মাঝে সন্দেহ রয়েছে। তাদের প্রথম থেকে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত সকলেই জান্নাতে দাখিল হবে আর তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় জ্বল জ্বল করতে থাকবে। (.১২ ৬০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০০)
সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সত্তর হাজার অথবা সাত লাখ লোক একে অপরের হাত ধরে জান্নাতে দাখিল হবে। বর্ণনাকারীর এ দু’সংখ্যার মাঝে সন্দেহ রয়েছে। তাদের প্রথম থেকে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত সকলেই জান্নাতে দাখিল হবে আর তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় জ্বল জ্বল করতে থাকবে। (.১২ ৬০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০০)
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبعمائة ألف ـ شك في أحدهما ـ متماسكين، آخذ بعضهم ببعض، حتى يدخل أولهم وآخرهم الجنة، ووجوههم على ضوء القمر ليلة البدر ".
সহিহ বুখারী ৬৫৪৪
علي بن عبد الله حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح حدثنا نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يدخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار ثم يقوم مؤذن بينهم يا أهل النار لا موت ويا أهل الجنة لا موت خلود
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তখন তাদের মাঝে একজন ঘোষণাকারী দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেবে যে, হে জাহান্নামবাসীরা! এখানে মৃত্যু নেই। আর হে জান্নাতবাসীরা! এখানে মৃত্যু নেই। এ জীবন চিরন্তন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০১)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তখন তাদের মাঝে একজন ঘোষণাকারী দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেবে যে, হে জাহান্নামবাসীরা! এখানে মৃত্যু নেই। আর হে জান্নাতবাসীরা! এখানে মৃত্যু নেই। এ জীবন চিরন্তন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০১)
علي بن عبد الله حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن صالح حدثنا نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يدخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار ثم يقوم مؤذن بينهم يا أهل النار لا موت ويا أهل الجنة لا موت خلود
সহিহ বুখারী ৬৫৪৫
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " يقال لأهل الجنة خلود لا موت. ولأهل النار يا أهل النار خلود لا موت
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) জান্নাতবাসীদেরকে বলা হবে, এ জীবন চিরন্তন, মৃত্যু নেই। জাহান্নামের অধিবাসীদেরকে বলা হবে, হে জাহান্নামীরা! এ জীবন চিরন্তন, মৃত্যু নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) জান্নাতবাসীদেরকে বলা হবে, এ জীবন চিরন্তন, মৃত্যু নেই। জাহান্নামের অধিবাসীদেরকে বলা হবে, হে জাহান্নামীরা! এ জীবন চিরন্তন, মৃত্যু নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০২)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " يقال لأهل الجنة خلود لا موت. ولأهل النار يا أهل النار خلود لا موت
সহিহ বুখারী ৬৫৪২
حدثنا معاذ بن أسد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يدخل من أمتي زمرة هم سبعون ألفا، تضيء وجوههم إضاءة القمر ليلة البدر ". وقال أبو هريرة فقام عكاشة بن محصن الأسدي يرفع نمرة عليه فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم. قال " اللهم اجعله منهم ". ثم قام رجل من الأنصار فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم. فقال " سبقك عكاشة ".
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার উম্মাত থেকে কিছু লোক দল বেঁধে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা সত্তর হাজার। তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মত জ্বল জ্বল করবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এতদশ্রবণে উক্কাশা ইব্নু মিহসান আসাদী তাঁর গায়ে চাদর জড়ানো অবস্থায় দাঁড়ালেন, এবং বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার জন্য দু‘আ করুন, আল্লাহ্ যেন আমাকে তাঁদের মধ্যে শামিল করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করলেন : হে আল্লাহ্! আপনি একে তাদের মধ্যে শামিল করুন। এরপর আনসার সম্প্রদায়ের এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র নিকট দু‘আ করুন, তিনি যে আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উক্কাশা এ ব্যাপারে তোমার চেয়ে এগিয়ে গেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার উম্মাত থেকে কিছু লোক দল বেঁধে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা সত্তর হাজার। তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মত জ্বল জ্বল করবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, এতদশ্রবণে উক্কাশা ইব্নু মিহসান আসাদী তাঁর গায়ে চাদর জড়ানো অবস্থায় দাঁড়ালেন, এবং বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার জন্য দু‘আ করুন, আল্লাহ্ যেন আমাকে তাঁদের মধ্যে শামিল করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করলেন : হে আল্লাহ্! আপনি একে তাদের মধ্যে শামিল করুন। এরপর আনসার সম্প্রদায়ের এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র নিকট দু‘আ করুন, তিনি যে আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উক্কাশা এ ব্যাপারে তোমার চেয়ে এগিয়ে গেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৯)
حدثنا معاذ بن أسد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا يونس، عن الزهري، قال حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يدخل من أمتي زمرة هم سبعون ألفا، تضيء وجوههم إضاءة القمر ليلة البدر ". وقال أبو هريرة فقام عكاشة بن محصن الأسدي يرفع نمرة عليه فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم. قال " اللهم اجعله منهم ". ثم قام رجل من الأنصار فقال يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم. فقال " سبقك عكاشة ".
সহিহ বুখারী ৬৫৪১
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا ابن فضيل، حدثنا حصين،. وحدثني أسيد بن زيد، حدثنا هشيم، عن حصين، قال كنت عند سعيد بن جبير فقال حدثني ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" عرضت على الأمم، فأخذ النبي يمر معه الأمة، والنبي يمر معه النفر، والنبي يمر معه العشرة، والنبي يمر معه الخمسة، والنبي يمر وحده، فنظرت فإذا سواد كثير قلت يا جبريل هؤلاء أمتي قال لا ولكن انظر إلى الأفق. فنظرت فإذا سواد كثير. قال هؤلاء أمتك، وهؤلاء سبعون ألفا قدامهم، لا حساب عليهم ولا عذاب. قلت ولم قال كانوا لا يكتوون، ولا يسترقون، ولا يتطيرون، وعلى ربهم يتوكلون ". فقام إليه عكاشة بن محصن فقال ادع الله أن يجعلني منهم. قال " اللهم اجعله منهم ". ثم قام إليه رجل آخر قال ادع الله أن يجعلني منهم. قال " سبقك بها عكاشة ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আগের উম্মাতদের আমার সামনে পেশ করা হয়। কোন নবী তাঁর বহু উম্মাতকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। কোন নাবীর সঙ্গে অপেক্ষকৃত ছোট দল। কোন নাবীর সঙ্গে আছে দশজন উম্মাত। কোন নাবীর সাথে আছে পাঁচজন আবার কোন নবী একা যাচ্ছেন। দৃষ্টি দিতেই, হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। জিজ্ঞেস করলামঃ হে জিব্রীল! ওরা কি আমার উম্মাত? তিনি বললেন, না। তবে আপনি শেষ প্রান্তের দিকে তাকিয়ে দেখুন! আমি দৃষ্টি দিলাম : হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। তিনি বললেন, ওরা আপনার উম্মাত। আর তাদের অগ্রবর্তী সত্তর হাজার লোকের কোন হিসাব হবে না, তাদের কোন আযাব হবে না। আমি বললাম, কারণ কী! তিনি বললেন, তারা শরীরে দাগ লাগাত না, ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নিত না এবং শুভ অশুভ লক্ষণ মানত না। আর তারা কেবল তাদের প্রতিপালকের ওপরই নির্ভর করত। তখন উক্কাশা ইব্নু মিহসান নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন আল্লাহ্ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “হে আল্লাহ্ তুমি তাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত কর।” এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমার জন্য দু‘আ করুন আল্লাহ্ যেন আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ ব্যাপারে উক্কাশা তোমার আগে চলে গেছে। [৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬০৯০ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৮)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আগের উম্মাতদের আমার সামনে পেশ করা হয়। কোন নবী তাঁর বহু উম্মাতকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। কোন নাবীর সঙ্গে অপেক্ষকৃত ছোট দল। কোন নাবীর সঙ্গে আছে দশজন উম্মাত। কোন নাবীর সাথে আছে পাঁচজন আবার কোন নবী একা যাচ্ছেন। দৃষ্টি দিতেই, হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। জিজ্ঞেস করলামঃ হে জিব্রীল! ওরা কি আমার উম্মাত? তিনি বললেন, না। তবে আপনি শেষ প্রান্তের দিকে তাকিয়ে দেখুন! আমি দৃষ্টি দিলাম : হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। তিনি বললেন, ওরা আপনার উম্মাত। আর তাদের অগ্রবর্তী সত্তর হাজার লোকের কোন হিসাব হবে না, তাদের কোন আযাব হবে না। আমি বললাম, কারণ কী! তিনি বললেন, তারা শরীরে দাগ লাগাত না, ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নিত না এবং শুভ অশুভ লক্ষণ মানত না। আর তারা কেবল তাদের প্রতিপালকের ওপরই নির্ভর করত। তখন উক্কাশা ইব্নু মিহসান নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি আমার জন্য দু‘আ করুন আল্লাহ্ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “হে আল্লাহ্ তুমি তাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত কর।” এরপর আরেক জন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমার জন্য দু‘আ করুন আল্লাহ্ যেন আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ ব্যাপারে উক্কাশা তোমার আগে চলে গেছে। [৪৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬০৯০ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৮)
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا ابن فضيل، حدثنا حصين،. وحدثني أسيد بن زيد، حدثنا هشيم، عن حصين، قال كنت عند سعيد بن جبير فقال حدثني ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" عرضت على الأمم، فأخذ النبي يمر معه الأمة، والنبي يمر معه النفر، والنبي يمر معه العشرة، والنبي يمر معه الخمسة، والنبي يمر وحده، فنظرت فإذا سواد كثير قلت يا جبريل هؤلاء أمتي قال لا ولكن انظر إلى الأفق. فنظرت فإذا سواد كثير. قال هؤلاء أمتك، وهؤلاء سبعون ألفا قدامهم، لا حساب عليهم ولا عذاب. قلت ولم قال كانوا لا يكتوون، ولا يسترقون، ولا يتطيرون، وعلى ربهم يتوكلون ". فقام إليه عكاشة بن محصن فقال ادع الله أن يجعلني منهم. قال " اللهم اجعله منهم ". ثم قام إليه رجل آخر قال ادع الله أن يجعلني منهم. قال " سبقك بها عكاشة ".
সহিহ বুখারী > জান্নাত ও জাহান্নাম-এর বিবরণ ।
সহিহ বুখারী ৬৫৫১
معاذ بن أسد أخبرنا الفضل بن موسى أخبرنا الفضيل عن أبي حازم عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بين منكبي الكافر مسيرة ثلاثة أيام للراكب المسرع
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কাফিরের দু’কাঁধের মাঝের দূরত্ব একজন দ্রুতগতি অশ্বারোহীর তিন দিনের ভ্রমণপথের সমান হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কাফিরের দু’কাঁধের মাঝের দূরত্ব একজন দ্রুতগতি অশ্বারোহীর তিন দিনের ভ্রমণপথের সমান হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
معاذ بن أسد أخبرنا الفضل بن موسى أخبرنا الفضيل عن أبي حازم عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بين منكبي الكافر مسيرة ثلاثة أيام للراكب المسرع
সহিহ বুখারী ৬৫৪৬
عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن أبي رجاء عن عمران عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اطلعت في الجنة فرأيت أكثر أهلها الفقراء واطلعت في النار فرأيت أكثر أهلها النساء
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জান্নাতে উঁকি দিয়ে দেখতে পেলাম, তার অধিকাংশ অধিবাসীই দরিদ্র। আবার জাহান্নামে উঁকি দিয়ে দেখলাম যে এর অধিকাংশ অধিবাসীই মহিলা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৩)
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জান্নাতে উঁকি দিয়ে দেখতে পেলাম, তার অধিকাংশ অধিবাসীই দরিদ্র। আবার জাহান্নামে উঁকি দিয়ে দেখলাম যে এর অধিকাংশ অধিবাসীই মহিলা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৩)
عثمان بن الهيثم حدثنا عوف عن أبي رجاء عن عمران عن النبي صلى الله عليه وسلم قال اطلعت في الجنة فرأيت أكثر أهلها الفقراء واطلعت في النار فرأيت أكثر أهلها النساء
সহিহ বুখারী ৬৫৪৭
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا سليمان التيمي عن أبي عثمان عن أسامة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قمت على باب الجنة فكان عامة من دخلها المساكين وأصحاب الجد محبوسون غير أن أصحاب النار قد أمر بهم إلى النار وقمت على باب النار فإذا عامة من دخلها النساء
উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়ালাম। (দেখলাম) সেখানে যারা প্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশই দরিদ্র। আর ধনীরা আবদ্ধ অবস্থায় আছে। আর জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবার হুকুম দেয়া হয়েছে। এবং আমি জাহান্নামের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। (দেখলাম) সেখানে যারা প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই হচ্ছে নারী। (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬০৯৬ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৪)
উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসামাহ ইব্নু যায়দ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়ালাম। (দেখলাম) সেখানে যারা প্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশই দরিদ্র। আর ধনীরা আবদ্ধ অবস্থায় আছে। আর জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে নিয়ে যাবার হুকুম দেয়া হয়েছে। এবং আমি জাহান্নামের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। (দেখলাম) সেখানে যারা প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই হচ্ছে নারী। (আধুনিক প্রকাশনী- ,৬০৯৬ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৪)
مسدد حدثنا إسماعيل أخبرنا سليمان التيمي عن أبي عثمان عن أسامة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قمت على باب الجنة فكان عامة من دخلها المساكين وأصحاب الجد محبوسون غير أن أصحاب النار قد أمر بهم إلى النار وقمت على باب النار فإذا عامة من دخلها النساء
সহিহ বুখারী ৬৫৪৮
معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا عمر بن محمد بن زيد عن أبيه أنه حدثه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صار أهل الجنة إلى الجنة وأهل النار إلى النار جيء بالموت حتى يجعل بين الجنة والنار ثم يذبح ثم ينادي مناد يا أهل الجنة لا موت ويا أهل النار لا موت فيزداد أهل الجنة فرحا إلى فرحهم ويزداد أهل النار حزنا إلى حزنهم
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে যাওয়ার পর, তখন মৃত্যুকে উপস্থিত করা হবে, এমন কি জান্নাত ও জাহান্নমের মধ্য স্থানে রাখা হবে। এরপর তাকে যব্হ্ করে দেয়া হবে, অতঃপর একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবে যে, হে জান্নাতীরা! (আর) মৃত্যু নেই। হে জাহান্নামীরা! (আর) মৃত্যু নেই। তখন জান্নাতীগণের বাড়বে আনন্দের উপর আনন্দ। আর জাহান্নামীদের বাড়বে দুঃখের উপর দুঃখ।[৬৫৪৪; মুসলিম ৫১/১৪, হাঃ ২৮৫০, আহমাদ ৬০০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৫)
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতীরা জান্নাতে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে যাওয়ার পর, তখন মৃত্যুকে উপস্থিত করা হবে, এমন কি জান্নাত ও জাহান্নমের মধ্য স্থানে রাখা হবে। এরপর তাকে যব্হ্ করে দেয়া হবে, অতঃপর একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবে যে, হে জান্নাতীরা! (আর) মৃত্যু নেই। হে জাহান্নামীরা! (আর) মৃত্যু নেই। তখন জান্নাতীগণের বাড়বে আনন্দের উপর আনন্দ। আর জাহান্নামীদের বাড়বে দুঃখের উপর দুঃখ।[৬৫৪৪; মুসলিম ৫১/১৪, হাঃ ২৮৫০, আহমাদ ৬০০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৫)
معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا عمر بن محمد بن زيد عن أبيه أنه حدثه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صار أهل الجنة إلى الجنة وأهل النار إلى النار جيء بالموت حتى يجعل بين الجنة والنار ثم يذبح ثم ينادي مناد يا أهل الجنة لا موت ويا أهل النار لا موت فيزداد أهل الجنة فرحا إلى فرحهم ويزداد أهل النار حزنا إلى حزنهم
সহিহ বুখারী ৬৫৪৯
معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى يقول لأهل الجنة يا أهل الجنة فيقولون لبيك ربنا وسعديك فيقول هل رضيتم فيقولون وما لنا لا نرضى وقد أعطيتنا ما لم تعط أحدا من خلقك فيقول أنا أعطيكم أفضل من ذلك قالوا يا رب وأي شيء أفضل من ذلك فيقول أحل عليكم رضواني فلا أسخط عليكم بعده أبدا
আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ জান্নাতীদেরকে লক্ষ্য করে বলবেন, হে জান্নাতীগণ! তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! হাযির, আমরা আপনার খেদমতে হাযির। এরপর আল্লাহ্ বলবেন, তোমরা কি খুশি হয়েছ? তারা বলবে, কেন খুশি হব না, আপনি আমাদেরকে এমন বস্তু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টি জগতের আর কাউকেই দান করেননি। তখন তিনি বলবেন, আমি এর চেয়েও উত্তম বস্তু তোমাদেরকে দান করব। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! এর চেয়েও উত্তম সে কোন্ বস্তু? আল্লাহ্ বলবেন, তোমাদের ওপর আমি আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করব। অতঃপর আমি আর কক্ষনো তোমাদের ওপর নাখোশ হব না।[৭৫১৮; মুসলিম ৫১/২, হাঃ ২৮২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৬)
আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ জান্নাতীদেরকে লক্ষ্য করে বলবেন, হে জান্নাতীগণ! তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! হাযির, আমরা আপনার খেদমতে হাযির। এরপর আল্লাহ্ বলবেন, তোমরা কি খুশি হয়েছ? তারা বলবে, কেন খুশি হব না, আপনি আমাদেরকে এমন বস্তু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টি জগতের আর কাউকেই দান করেননি। তখন তিনি বলবেন, আমি এর চেয়েও উত্তম বস্তু তোমাদেরকে দান করব। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! এর চেয়েও উত্তম সে কোন্ বস্তু? আল্লাহ্ বলবেন, তোমাদের ওপর আমি আমার সন্তুষ্টি অবধারিত করব। অতঃপর আমি আর কক্ষনো তোমাদের ওপর নাখোশ হব না।[৭৫১৮; মুসলিম ৫১/২, হাঃ ২৮২৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৬)
معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى يقول لأهل الجنة يا أهل الجنة فيقولون لبيك ربنا وسعديك فيقول هل رضيتم فيقولون وما لنا لا نرضى وقد أعطيتنا ما لم تعط أحدا من خلقك فيقول أنا أعطيكم أفضل من ذلك قالوا يا رب وأي شيء أفضل من ذلك فيقول أحل عليكم رضواني فلا أسخط عليكم بعده أبدا
সহিহ বুখারী ৬৫৫০
عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن حميد قال سمعت أنسا يقول أصيب حارثة يوم بدر وهو غلام فجاءت أمه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله قد عرفت منزلة حارثة مني فإن يك في الجنة أصبر وأحتسب وإن تكن الأخرى ترى ما أصنع فقال ويحك أوهبلت أوجنة واحدة هي إنها جنان كثيرة وإنه لفي جنة الفردوس
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বাদ্রের যুদ্ধে হারিসা (রাঃ) শহীদ হলেন। আর তখন তিনি নাবালক ছিলেন। তাঁর মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার অন্তরে হারিসার স্থান সম্পর্কে আপনি তো জানেন। সে যদি জান্নাতী হয়; আমি ধৈর্য ধারণ করব এবং সাওয়াব মনে করব। আর যদি অন্য কিছু হয় তবে দেখবেন আমি কি করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! অথবা তুমি কি নির্বোধ হয়ে গেলে! জান্নাত মাত্র একটাই না কি? জান্নাতের সংখ্যা অনেক। আর সে আছে জান্নাতুল ফিরদাউসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বাদ্রের যুদ্ধে হারিসা (রাঃ) শহীদ হলেন। আর তখন তিনি নাবালক ছিলেন। তাঁর মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার অন্তরে হারিসার স্থান সম্পর্কে আপনি তো জানেন। সে যদি জান্নাতী হয়; আমি ধৈর্য ধারণ করব এবং সাওয়াব মনে করব। আর যদি অন্য কিছু হয় তবে দেখবেন আমি কি করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! অথবা তুমি কি নির্বোধ হয়ে গেলে! জান্নাত মাত্র একটাই না কি? জান্নাতের সংখ্যা অনেক। আর সে আছে জান্নাতুল ফিরদাউসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৭)
عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن حميد قال سمعت أنسا يقول أصيب حارثة يوم بدر وهو غلام فجاءت أمه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله قد عرفت منزلة حارثة مني فإن يك في الجنة أصبر وأحتسب وإن تكن الأخرى ترى ما أصنع فقال ويحك أوهبلت أوجنة واحدة هي إنها جنان كثيرة وإنه لفي جنة الفردوس
সহিহ বুখারী ৬৫৫২
وقال إسحاق بن إبراهيم أخبرنا المغيرة بن سلمة حدثنا وهيب عن أبي حازم عن سهل بن سعد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها
ইস্হাক ইব্নু ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইস্হাক ইব্নু ইব্রাহীম (রহঃ)...সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ) সূত্রে রাসূলআল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জান্নাতের মাঝে একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলবে, তবুও বৃক্ষের ছায়াকে অতিক্রম করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
ইস্হাক ইব্নু ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইস্হাক ইব্নু ইব্রাহীম (রহঃ)...সাহ্ল ইব্নু সা‘দ (রাঃ) সূত্রে রাসূলআল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জান্নাতের মাঝে একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ায় একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলবে, তবুও বৃক্ষের ছায়াকে অতিক্রম করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
وقال إسحاق بن إبراهيم أخبرنا المغيرة بن سلمة حدثنا وهيب عن أبي حازم عن سهل بن سعد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها
সহিহ বুখারী ৬৫৫৩
قال أبو حازم فحدثت به النعمان بن أبي عياش فقال حدثني أبو سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن في الجنة لشجرة يسير الراكب الجواد المضمر السريع مائة عام ما يقطعها
রাবী আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ
রাবী আবূ হাযিম বলেন, আমি এই হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয়ই জান্নাতের মাঝে এমন একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ায় উৎকৃষ্ট, চটপটে ও দ্রুতগামী অশ্বের একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলতে পারবে। কিন্তু তার ছায়া অতিক্রম করতে পারবে না।[মুসলিম ৫১/১, হাঃ ২৮২৭, ২৮২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
রাবী আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ
রাবী আবূ হাযিম বলেন, আমি এই হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয়ই জান্নাতের মাঝে এমন একটি বৃক্ষ হবে যার ছায়ায় উৎকৃষ্ট, চটপটে ও দ্রুতগামী অশ্বের একজন আরোহী একশ’ বছর পর্যন্ত চলতে পারবে। কিন্তু তার ছায়া অতিক্রম করতে পারবে না।[মুসলিম ৫১/১, হাঃ ২৮২৭, ২৮২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৮)
قال أبو حازم فحدثت به النعمان بن أبي عياش فقال حدثني أبو سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن في الجنة لشجرة يسير الراكب الجواد المضمر السريع مائة عام ما يقطعها
সহিহ বুখারী ৬৫৫৪
قتيبة حدثنا عبد العزيز عن أبي حازم عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبع مائة ألف لا يدري أبو حازم أيهما قال متماسكون آخذ بعضهم بعضا لا يدخل أولهم حتى يدخل آخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر
সাহ্ল ইব্ন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে সত্তর হাজার অথবা সাত লক্ষ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী আবূ হাযিম জানেন না যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত দু’টি সংখ্যা হতে কোন্টি বলেছেন। তারা একে অপরের হস্ত দৃঢ়ভাবে ধারণ করতঃ জান্নাতে প্রবেশ করবে। প্রথম ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না সর্বশেষ ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় জ্যোতির্ময় হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৯)
সাহ্ল ইব্ন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে সত্তর হাজার অথবা সাত লক্ষ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী আবূ হাযিম জানেন না যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত দু’টি সংখ্যা হতে কোন্টি বলেছেন। তারা একে অপরের হস্ত দৃঢ়ভাবে ধারণ করতঃ জান্নাতে প্রবেশ করবে। প্রথম ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না সর্বশেষ ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় জ্যোতির্ময় হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৯)
قتيبة حدثنا عبد العزيز عن أبي حازم عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليدخلن الجنة من أمتي سبعون ألفا أو سبع مائة ألف لا يدري أبو حازم أيهما قال متماسكون آخذ بعضهم بعضا لا يدخل أولهم حتى يدخل آخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر
সহিহ বুখারী ৬৫৫৫
عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز عن أبيه عن سهل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن أهل الجنة ليتراءون الغرف في الجنة كما تتراءون الكوكب في السماء
সাহ্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাবী বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি অব্যশই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি এবং এতে তিনি এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন “যেমন তোমরা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী নক্ষত্রকে দেখে থাক।” [৪৪](আধুনিক প্রকাশনী- ,৬১০২ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১০)
সাহ্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাবী বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি। অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি অব্যশই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি এবং এতে তিনি এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন “যেমন তোমরা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী নক্ষত্রকে দেখে থাক।” [৪৪](আধুনিক প্রকাশনী- ,৬১০২ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১০)
عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز عن أبيه عن سهل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن أهل الجنة ليتراءون الغرف في الجنة كما تتراءون الكوكب في السماء
সহিহ বুখারী ৬৫৫৭
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال" يقول الله تعالى لأهون أهل النار عذابا يوم القيامة لو أن لك ما في الأرض من شىء أكنت تفتدي به فيقول نعم. فيقول أردت منك أهون من هذا وأنت في صلب آدم أن لا تشرك بي شيئا فأبيت إلا أن تشرك بي ".
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন সবচেয়ে কম শাস্তি প্রাপ্ত লোককে আল্লাহ্ বলবেন, দুনিয়ার মাঝে যত সম্পদ আছে তার তুল্য সম্পদ যদি (আজ) তোমার কাছে থাকত, তাহলে কি তুমি তার বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। এরপর আল্লাহ্ বলবেন, আমি তেমাকে এর চেয়েও সহজ কাজের হুকুম দিয়েছিলাম, যখন তুমি আদামের পৃষ্ঠদেশে ছিলে। তা এই যে, তুমি আমার সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না। কিন্তু তুমি তা অস্বীকার করলে আর আমার সাথে শরীক করলে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১১)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন সবচেয়ে কম শাস্তি প্রাপ্ত লোককে আল্লাহ্ বলবেন, দুনিয়ার মাঝে যত সম্পদ আছে তার তুল্য সম্পদ যদি (আজ) তোমার কাছে থাকত, তাহলে কি তুমি তার বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। এরপর আল্লাহ্ বলবেন, আমি তেমাকে এর চেয়েও সহজ কাজের হুকুম দিয়েছিলাম, যখন তুমি আদামের পৃষ্ঠদেশে ছিলে। তা এই যে, তুমি আমার সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না। কিন্তু তুমি তা অস্বীকার করলে আর আমার সাথে শরীক করলে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১১)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن أبي عمران، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال" يقول الله تعالى لأهون أهل النار عذابا يوم القيامة لو أن لك ما في الأرض من شىء أكنت تفتدي به فيقول نعم. فيقول أردت منك أهون من هذا وأنت في صلب آدم أن لا تشرك بي شيئا فأبيت إلا أن تشرك بي ".
সহিহ বুখারী ৬৫৫৮
أبو النعمان حدثنا حماد عن عمرو عن جابر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج من النار بالشفاعة كأنهم الثعارير قلت ما الثعارير قال الضغابيس وكان قد سقط فمه فقلت لعمرو بن دينار أبا محمد سمعت جابر بن عبد الله يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يخرج بالشفاعة من النار قال نعم
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাফা‘আতের মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে (মানুষকে) বের করা হবে। যেমন তারা সা‘আরীর। (রাবী জাবির বলেন) আমি বললাম সা‘আরীর কী? তিনি বললেনঃ সা‘আরীর মানে যাগাবীস (কচি ঘাস)। আর ঐ সময় (আমরের) মুখের দাঁত পড়ে গিয়েছিল। (রাবী বলেন) আমি আবূ মুহাম্মাদ ‘আম্র ইব্নু দীনারকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শাফা‘আতের দ্বারা লোকদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তিনি বললেন, হাঁ। [৪৫][মুসলিম ১/৮৪, হঃ ১৯১, আহমাদ ১৪৩১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১২)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাফা‘আতের মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে (মানুষকে) বের করা হবে। যেমন তারা সা‘আরীর। (রাবী জাবির বলেন) আমি বললাম সা‘আরীর কী? তিনি বললেনঃ সা‘আরীর মানে যাগাবীস (কচি ঘাস)। আর ঐ সময় (আমরের) মুখের দাঁত পড়ে গিয়েছিল। (রাবী বলেন) আমি আবূ মুহাম্মাদ ‘আম্র ইব্নু দীনারকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শাফা‘আতের দ্বারা লোকদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তিনি বললেন, হাঁ। [৪৫][মুসলিম ১/৮৪, হঃ ১৯১, আহমাদ ১৪৩১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১২)
أبو النعمان حدثنا حماد عن عمرو عن جابر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج من النار بالشفاعة كأنهم الثعارير قلت ما الثعارير قال الضغابيس وكان قد سقط فمه فقلت لعمرو بن دينار أبا محمد سمعت جابر بن عبد الله يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يخرج بالشفاعة من النار قال نعم
সহিহ বুখারী ৬৫৫৯
هدبة بن خالد حدثنا همام عن قتادة حدثنا أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج قوم من النار بعد ما مسهم منها سفع فيدخلون الجنة فيسميهم أهل الجنة الجهنميين
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আযাবে চামড়ায় দাগ পড়ে যাবার পর একদল লোককে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন জান্নাতীগণ তাদেরকে জাহান্নামী বলেই ডাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৩)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আযাবে চামড়ায় দাগ পড়ে যাবার পর একদল লোককে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন জান্নাতীগণ তাদেরকে জাহান্নামী বলেই ডাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৩)
هدبة بن خالد حدثنا همام عن قتادة حدثنا أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج قوم من النار بعد ما مسهم منها سفع فيدخلون الجنة فيسميهم أهل الجنة الجهنميين
সহিহ বুখারী ৬৫৬০
حدثنا موسى، حدثنا وهيب، حدثنا عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا دخل أهل الجنة الجنة، وأهل النار النار يقول الله من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان فأخرجوه. فيخرجون قد امتحشوا وعادوا حمما، فيلقون في نهر الحياة، فينبتون كما تنبت الحبة في حميل السيل ـ أو قال ـ حمية السيل ". وقال النبي صلى الله عليه وسلم " ألم تروا أنها تنبت صفراء ملتوية ".
আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতীগণ যখন জান্নাতে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে তখন আল্লাহ্ বলবেন, যার অন্তঃকরণে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাকে বের কর। অতঃপর তাদেরকে এমন অবস্থায় বের করা হবে যে তারা পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। তাদেরকে জীবন-নদে নামিয়ে দেয়া হবে। এতে তারা তর-তাজা হয়ে উঠবে যেমন নদী তীরে জমাট আবর্জনায় সজীব উদ্ভিদ গজিয়ে ওঠে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেনঃ তোমরা কি দেখ না সেগুলো হলুদ রঙের হয়ে আঁকাবাঁকা হয়ে উঠতে থাকে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৪)
আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতীগণ যখন জান্নাতে আর জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে তখন আল্লাহ্ বলবেন, যার অন্তঃকরণে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাকে বের কর। অতঃপর তাদেরকে এমন অবস্থায় বের করা হবে যে তারা পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। তাদেরকে জীবন-নদে নামিয়ে দেয়া হবে। এতে তারা তর-তাজা হয়ে উঠবে যেমন নদী তীরে জমাট আবর্জনায় সজীব উদ্ভিদ গজিয়ে ওঠে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেনঃ তোমরা কি দেখ না সেগুলো হলুদ রঙের হয়ে আঁকাবাঁকা হয়ে উঠতে থাকে?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৪)
حدثنا موسى، حدثنا وهيب، حدثنا عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا دخل أهل الجنة الجنة، وأهل النار النار يقول الله من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان فأخرجوه. فيخرجون قد امتحشوا وعادوا حمما، فيلقون في نهر الحياة، فينبتون كما تنبت الحبة في حميل السيل ـ أو قال ـ حمية السيل ". وقال النبي صلى الله عليه وسلم " ألم تروا أنها تنبت صفراء ملتوية ".
সহিহ বুখারী ৬৫৬১
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت أبا إسحاق قال سمعت النعمان سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة لرجل توضع في أخمص قدميه جمرة يغلي منها دماغه
নু’মান ইব্নু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাতের দিন ঐ ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা লঘু ‘আযাব হবে, যার দু’পায়ের তলায় রাখা হবে জ্বলন্ত অঙ্গার, তাতে তার মগয ফুটতে থাকবে।[৬৫৬২; মুসলিম ১/৯১, হাঃ ২১৩, আহমাদ ১৮৪৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৫)
নু’মান ইব্নু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাতের দিন ঐ ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা লঘু ‘আযাব হবে, যার দু’পায়ের তলায় রাখা হবে জ্বলন্ত অঙ্গার, তাতে তার মগয ফুটতে থাকবে।[৬৫৬২; মুসলিম ১/৯১, হাঃ ২১৩, আহমাদ ১৮৪৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৫)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة قال سمعت أبا إسحاق قال سمعت النعمان سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة لرجل توضع في أخمص قدميه جمرة يغلي منها دماغه
সহিহ বুখারী ৬৫৬২
عبد الله بن رجاء حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن النعمان بن بشير قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة رجل على أخمص قدميه جمرتان يغلي منهما دماغه كما يغلي المرجل والقمقم
নু’মান ইব্নু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাতের দিন ঐ ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা লঘু ‘আযাব হবে, যার দু’পায়ের তলায় দু’টি প্রজ্জ্বলিত অঙ্গার রাখা হবে। এতে তার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে। যেমন ডেক বা কলসী ফুটতে থাকে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৬)
নু’মান ইব্নু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামাতের দিন ঐ ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা লঘু ‘আযাব হবে, যার দু’পায়ের তলায় দু’টি প্রজ্জ্বলিত অঙ্গার রাখা হবে। এতে তার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে। যেমন ডেক বা কলসী ফুটতে থাকে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৬)
عبد الله بن رجاء حدثنا إسرائيل عن أبي إسحاق عن النعمان بن بشير قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول إن أهون أهل النار عذابا يوم القيامة رجل على أخمص قدميه جمرتان يغلي منهما دماغه كما يغلي المرجل والقمقم
সহিহ বুখারী ৬৫৬৩
سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر النار فأشاح بوجهه فتعوذ منها ثم ذكر النار فأشاح بوجهه فتعوذ منها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একবার) জাহান্নামের উল্লেখ করলেন। এরপর তিনি তাঁর চেহারা ফিরিয়ে নিলেন এবং এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। আবার তিনি জাহান্নামের উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন হতে নিজেদেরকে রক্ষা কর এক টুক্রা খেজুরের বিনিময়ে হলেও। আর যে তাতেও অক্ষম সে যেন ভাল কথার বিনিময়ে হলেও নিজেকে রক্ষা করে। [৪৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৭)
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একবার) জাহান্নামের উল্লেখ করলেন। এরপর তিনি তাঁর চেহারা ফিরিয়ে নিলেন এবং এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। আবার তিনি জাহান্নামের উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এর থেকে নিরাপত্তা চাইলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন হতে নিজেদেরকে রক্ষা কর এক টুক্রা খেজুরের বিনিময়ে হলেও। আর যে তাতেও অক্ষম সে যেন ভাল কথার বিনিময়ে হলেও নিজেকে রক্ষা করে। [৪৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৭)
سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر النار فأشاح بوجهه فتعوذ منها ثم ذكر النار فأشاح بوجهه فتعوذ منها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة
সহিহ বুখারী ৬৫৬৪
إبراهيم بن حمزة حدثنا ابن أبي حازم والدراوردي عن يزيد عن عبد الله بن خباب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وذكر عنده عمه أبو طالب فقال لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من النار يبلغ كعبيه يغلي منه أم دماغه
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন; যখন তাঁর কাছে তাঁর চাচা আবূ ত্বলিব সম্পর্কে উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন আমার শাফাআত সম্ভবত তাঁর উপকারে আসবে। আর তখন তাকে জাহান্নামের অগ্নিতে রাখা হবে যা পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌঁছে। তাতে তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৮)
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন; যখন তাঁর কাছে তাঁর চাচা আবূ ত্বলিব সম্পর্কে উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন আমার শাফাআত সম্ভবত তাঁর উপকারে আসবে। আর তখন তাকে জাহান্নামের অগ্নিতে রাখা হবে যা পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌঁছে। তাতে তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৮)
إبراهيم بن حمزة حدثنا ابن أبي حازم والدراوردي عن يزيد عن عبد الله بن خباب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وذكر عنده عمه أبو طالب فقال لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من النار يبلغ كعبيه يغلي منه أم دماغه
সহিহ বুখারী ৬৫৬৬
مسدد حدثنا يحيى عن الحسن بن ذكوان حدثنا أبو رجاء حدثنا عمران بن حصين عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج قوم من النار بشفاعة محمد صلى الله عليه وسلم فيدخلون الجنة يسمون الجهنميين
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শাফা‘আতে একদল লোককে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদেরকে জাহান্নামী বলেই সম্বোধন করা হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২০)
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইমরান ইব্নু হুসায়ন (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শাফা‘আতে একদল লোককে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদেরকে জাহান্নামী বলেই সম্বোধন করা হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২০)
مسدد حدثنا يحيى عن الحسن بن ذكوان حدثنا أبو رجاء حدثنا عمران بن حصين عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يخرج قوم من النار بشفاعة محمد صلى الله عليه وسلم فيدخلون الجنة يسمون الجهنميين
সহিহ বুখারী ৬৫৬৭
قتيبة حدثنا إسماعيل بن جعفر عن حميد عن أنس أن أم حارثة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد هلك حارثة يوم بدر أصابه غرب سهم فقالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد علمت موقع حارثة من قلبي فإن كان في الجنة لم أبك عليه وإلا سوف ترى ما أصنع فقال لها هبلت أجنة واحدة هي إنها جنان كثيرة وإنه في الفردوس الأعلى
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, বদরের যুদ্ধে হারিসা (রাঃ) অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করলে তাঁর মা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার অন্তরে হারিসার মায়া-মমতা যে কত গভীর তা তো আপনি জানেন। অতএব সে যদি জান্নাতে থাকে তবে আমি তার জন্য রোনাজারি করব না। আর যদি তা না হয় তবে আপনি শীঘ্রই দেখবেন আমি কী করি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি জ্ঞানশূন্য হয়ে গেছ। জান্নাত কি একটি, না কি অনেক? আর সে তো সবচেয়ে উন্নত মর্যাদার জান্নাত ফিরদাউসে আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, বদরের যুদ্ধে হারিসা (রাঃ) অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শাহাদাত লাভ করলে তাঁর মা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার অন্তরে হারিসার মায়া-মমতা যে কত গভীর তা তো আপনি জানেন। অতএব সে যদি জান্নাতে থাকে তবে আমি তার জন্য রোনাজারি করব না। আর যদি তা না হয় তবে আপনি শীঘ্রই দেখবেন আমি কী করি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি জ্ঞানশূন্য হয়ে গেছ। জান্নাত কি একটি, না কি অনেক? আর সে তো সবচেয়ে উন্নত মর্যাদার জান্নাত ফিরদাউসে আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২১)
قتيبة حدثنا إسماعيل بن جعفر عن حميد عن أنس أن أم حارثة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد هلك حارثة يوم بدر أصابه غرب سهم فقالت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد علمت موقع حارثة من قلبي فإن كان في الجنة لم أبك عليه وإلا سوف ترى ما أصنع فقال لها هبلت أجنة واحدة هي إنها جنان كثيرة وإنه في الفردوس الأعلى
সহিহ বুখারী ৬৫৬৮
وقال غدوة في سبيل الله أو روحة خير من الدنيا وما فيها ولقاب قوس أحدكم أو موضع قدم من الجنة خير من الدنيا وما فيها ولو أن امرأة من نساء أهل الجنة اطلعت إلى الأرض لأضاءت ما بينهما ولملأت ما بينهما ريحا ولنصيفها يعني الخمار خير من الدنيا وما فيها
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আরও বলেনঃ এক সকাল বা এক বিকাল আল্লাহ্র পথে চলা দুনিয়া ও তার মাঝের সবকিছুর চেয়ে উত্তম। তোমাদের কারো ধনুক পরিমাণ বা পা রাখার জায়গা পরিমাণ জান্নাতের জায়গা দুনিয়া ও তার মাঝের সবকিছুর চেয়ে উত্তম। জান্নাতের কোন নারী যদি দুনিয়ার প্রতি উঁকি মারে তবে তামাম দুনিয়া আলোকিত ও সুঘ্রাণে পূর্ণ হয়ে যাবে। জান্নাতি নারীর ওড়না দুনিয়া ও তার ভিতরের সব কিছুর চেয়ে উত্তম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আরও বলেনঃ এক সকাল বা এক বিকাল আল্লাহ্র পথে চলা দুনিয়া ও তার মাঝের সবকিছুর চেয়ে উত্তম। তোমাদের কারো ধনুক পরিমাণ বা পা রাখার জায়গা পরিমাণ জান্নাতের জায়গা দুনিয়া ও তার মাঝের সবকিছুর চেয়ে উত্তম। জান্নাতের কোন নারী যদি দুনিয়ার প্রতি উঁকি মারে তবে তামাম দুনিয়া আলোকিত ও সুঘ্রাণে পূর্ণ হয়ে যাবে। জান্নাতি নারীর ওড়না দুনিয়া ও তার ভিতরের সব কিছুর চেয়ে উত্তম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২১)
وقال غدوة في سبيل الله أو روحة خير من الدنيا وما فيها ولقاب قوس أحدكم أو موضع قدم من الجنة خير من الدنيا وما فيها ولو أن امرأة من نساء أهل الجنة اطلعت إلى الأرض لأضاءت ما بينهما ولملأت ما بينهما ريحا ولنصيفها يعني الخمار خير من الدنيا وما فيها
সহিহ বুখারী ৬৫৬৯
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يدخل أحد الجنة إلا أري مقعده من النار لو أساء ليزداد شكرا ولا يدخل النار أحد إلا أري مقعده من الجنة لو أحسن ليكون عليه حسرة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কোন লোকই জান্নাতে প্রবেশ করবে, অপরাধ করলে জাহান্নামে তার ঠিকানাটা কোথায় হত তা তাকে দেখানো হবে যেন সে অধিক অধিক শোকর আদায় করে। আর যে কোন লোকই জাহান্নামে প্রবেশ করবে নেক কাজ করলে জান্নাতে তার স্থান কোথায় হত তা তাকে দেখানো হবে যেন এতে তার আফসোস হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কোন লোকই জান্নাতে প্রবেশ করবে, অপরাধ করলে জাহান্নামে তার ঠিকানাটা কোথায় হত তা তাকে দেখানো হবে যেন সে অধিক অধিক শোকর আদায় করে। আর যে কোন লোকই জাহান্নামে প্রবেশ করবে নেক কাজ করলে জান্নাতে তার স্থান কোথায় হত তা তাকে দেখানো হবে যেন এতে তার আফসোস হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২২)
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال النبي صلى الله عليه وسلم لا يدخل أحد الجنة إلا أري مقعده من النار لو أساء ليزداد شكرا ولا يدخل النار أحد إلا أري مقعده من الجنة لو أحسن ليكون عليه حسرة
সহিহ বুখারী ৬৫৬৫
مسدد حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع الله الناس يوم القيامة فيقولون لو استشفعنا على ربنا حتى يريحنا من مكاننا فيأتون آدم فيقولون أنت الذي خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وأمر الملائكة فسجدوا لك فاشفع لنا عند ربنا فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ويقول ائتوا نوحا أول رسول بعثه الله فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا إبراهيم الذي اتخذه الله خليلا فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا موسى الذي كلمه الله فيأتونه فيقول لست هناكم فيذكر خطيئته ائتوا عيسى فيأتونه فيقول لست هناكم ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فقد غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر فيأتوني فأستأذن على ربي فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله ثم يقال لي ارفع رأسك سل تعطه وقل يسمع واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمد ربي بتحميد يعلمني ثم أشفع فيحد لي حدا ثم أخرجهم من النار وأدخلهم الجنة ثم أعود فأقع ساجدا مثله في الثالثة أو الرابعة حتى ما بقي في النار إلا من حبسه القرآن وكان قتادة يقول عند هذا أي وجب عليه الخلود
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্ সমস্ত মানুষকে একত্রিত করবেন। তখন তারা বলবে, আমাদের জন্য আমাদের প্রতিপালকের কাছে যদি কেউ শাফাআত করত, যা এ সংকট থেকে আমাদের উদ্ধার করত। তখন তারা সকলেই আদাম (আঃ)-এর কাছে এসে বলবে, আপনি ঐ ব্যক্তি যাঁকে আল্লাহ্ নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনার মাঝে নিজে থেকে রূহ্ ফুঁকে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদেরকে হুকুম করেছেন; তাঁরা আপনাকে সাজদাহ করেছে। আপনি আমাদের জন্য আমাদের প্রতিপালকের কাছে শাফাআত করুন। তিনি বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের উপযুক্ত নই এবং স্বীয় অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা নূহ (আঃ)-এর কাছে চলে যাও-যাকে আল্লাহ্ প্রথম রসূল হিসাবে পাঠিয়েছিলেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা ইব্রাহীমের (আঃ)-এর কাছে যাও, যাঁকে আল্লাহ্ খলীলরূপে গ্রহণ করেছেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন : আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তোমরা মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও, যার সঙ্গে আল্লাহ্ কথা বলেছেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের যোগ্য নই। তিনি নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন। তিনি বলবেন : তোমরা ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তারা তাঁর কাছে আসবে। তখন তিনিও বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের যোগ্য নই। তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। তাঁর অগ্র-পশ্চাতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। তখন তারা সকলেই আমার কাছে আসবে। তখন আমি আমার প্রতিপালকের কাছে অনুমতি চাইব। যখনই আমি আল্লাহ্ দেখতে পাব তখন সিজদায় পড়ে যাব। আল্লাহ্ যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে এ অবস্থায় রাখবেন। এরপর আমাকে বলা হবে, তোমার মাথা উঠাও। চাও, তোমাকে দেয়া হবে। বল, তোমার কথা শুনা হবে। সুপারিশ কর, তোমার সুপারিশ কবূল করা হবে। তখন আমি মাথা উঠাবো এবং আল্লাহ্ আমাকে যে প্রশংসার বাণী শিক্ষা দিয়েছেন তার মাধ্যমে আমার প্রতিপালকের প্রশংসা করব। এরপর আমি সুপারিশ করব, তখন আমার জন্য সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে বেহেশ্তে প্রবেশ করিয়ে দেব। এরপর আমি আগের মত করব। অতঃপর তৃতীয়বার অথবা চতুর্থবার সিজদায় পড়ে যাব। অবশেষে কুরআনের বাণী মুতাবিক যারা অবধারিত জাহান্নামী তাদের ছাড়া আর কেউই জাহান্নামে অবশিষ্ট থাকবে না। ক্বাতাদাহ (রাঃ) উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় তখন বলেছিলেন, চিরস্থায়ী জাহান্নাম যাদের জন্য আবশ্যিকভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে। [৪৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্ সমস্ত মানুষকে একত্রিত করবেন। তখন তারা বলবে, আমাদের জন্য আমাদের প্রতিপালকের কাছে যদি কেউ শাফাআত করত, যা এ সংকট থেকে আমাদের উদ্ধার করত। তখন তারা সকলেই আদাম (আঃ)-এর কাছে এসে বলবে, আপনি ঐ ব্যক্তি যাঁকে আল্লাহ্ নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনার মাঝে নিজে থেকে রূহ্ ফুঁকে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদেরকে হুকুম করেছেন; তাঁরা আপনাকে সাজদাহ করেছে। আপনি আমাদের জন্য আমাদের প্রতিপালকের কাছে শাফাআত করুন। তিনি বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের উপযুক্ত নই এবং স্বীয় অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা নূহ (আঃ)-এর কাছে চলে যাও-যাকে আল্লাহ্ প্রথম রসূল হিসাবে পাঠিয়েছিলেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা ইব্রাহীমের (আঃ)-এর কাছে যাও, যাঁকে আল্লাহ্ খলীলরূপে গ্রহণ করেছেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করে বলবেন : আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তোমরা মূসা (আঃ)-এর কাছে যাও, যার সঙ্গে আল্লাহ্ কথা বলেছেন। তখন তারা তাঁর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের যোগ্য নই। তিনি নিজ অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন। তিনি বলবেন : তোমরা ঈসা (আঃ)-এর কাছে যাও। তারা তাঁর কাছে আসবে। তখন তিনিও বলবেন : আমি তোমাদের জন্য এ কাজের যোগ্য নই। তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। তাঁর অগ্র-পশ্চাতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। তখন তারা সকলেই আমার কাছে আসবে। তখন আমি আমার প্রতিপালকের কাছে অনুমতি চাইব। যখনই আমি আল্লাহ্ দেখতে পাব তখন সিজদায় পড়ে যাব। আল্লাহ্ যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে এ অবস্থায় রাখবেন। এরপর আমাকে বলা হবে, তোমার মাথা উঠাও। চাও, তোমাকে দেয়া হবে। বল, তোমার কথা শুনা হবে। সুপারিশ কর, তোমার সুপারিশ কবূল করা হবে। তখন আমি মাথা উঠাবো এবং আল্লাহ্ আমাকে যে প্রশংসার বাণী শিক্ষা দিয়েছেন তার মাধ্যমে আমার প্রতিপালকের প্রশংসা করব। এরপর আমি সুপারিশ করব, তখন আমার জন্য সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। অতঃপর আমি তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে বেহেশ্তে প্রবেশ করিয়ে দেব। এরপর আমি আগের মত করব। অতঃপর তৃতীয়বার অথবা চতুর্থবার সিজদায় পড়ে যাব। অবশেষে কুরআনের বাণী মুতাবিক যারা অবধারিত জাহান্নামী তাদের ছাড়া আর কেউই জাহান্নামে অবশিষ্ট থাকবে না। ক্বাতাদাহ (রাঃ) উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় তখন বলেছিলেন, চিরস্থায়ী জাহান্নাম যাদের জন্য আবশ্যিকভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে। [৪৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১১৯)
مسدد حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع الله الناس يوم القيامة فيقولون لو استشفعنا على ربنا حتى يريحنا من مكاننا فيأتون آدم فيقولون أنت الذي خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وأمر الملائكة فسجدوا لك فاشفع لنا عند ربنا فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ويقول ائتوا نوحا أول رسول بعثه الله فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا إبراهيم الذي اتخذه الله خليلا فيأتونه فيقول لست هناكم ويذكر خطيئته ائتوا موسى الذي كلمه الله فيأتونه فيقول لست هناكم فيذكر خطيئته ائتوا عيسى فيأتونه فيقول لست هناكم ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فقد غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر فيأتوني فأستأذن على ربي فإذا رأيته وقعت ساجدا فيدعني ما شاء الله ثم يقال لي ارفع رأسك سل تعطه وقل يسمع واشفع تشفع فأرفع رأسي فأحمد ربي بتحميد يعلمني ثم أشفع فيحد لي حدا ثم أخرجهم من النار وأدخلهم الجنة ثم أعود فأقع ساجدا مثله في الثالثة أو الرابعة حتى ما بقي في النار إلا من حبسه القرآن وكان قتادة يقول عند هذا أي وجب عليه الخلود
সহিহ বুখারী ৬৫৭০
قتيبة بن سعيد حدثنا إسماعيل بن جعفر عن عمرو عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أنه قال قلت يا رسول الله من أسعد الناس بشفاعتك يوم القيامة فقال لقد ظننت يا أبا هريرة أن لا يسألني عن هذا الحديث أحد أول منك لما رأيت من حرصك على الحديث أسعد الناس بشفاعتي يوم القيامة من قال خالصا من قبل نفسه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! কিয়ামতের দিন আপনার শাফা‘আত দ্বারা সমস্ত মানুষ থেকে অধিক ভাগ্যবান হবে কোন্ ব্যক্তি? তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ হুরায়রা! আমি ধারণা করেছিলাম যে তোমার আগে কেউ এ ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করবে না। কারণ হাদীসের প্রতি তোমার চেয়ে বেশি আগ্রহী আমি আর কাউকে দেখিনি। ক্বিয়ামাতের দিন আমার শাফা‘আত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি হবে যে বিশুদ্ধ অন্তর থেকে বলে لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! কিয়ামতের দিন আপনার শাফা‘আত দ্বারা সমস্ত মানুষ থেকে অধিক ভাগ্যবান হবে কোন্ ব্যক্তি? তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ হুরায়রা! আমি ধারণা করেছিলাম যে তোমার আগে কেউ এ ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করবে না। কারণ হাদীসের প্রতি তোমার চেয়ে বেশি আগ্রহী আমি আর কাউকে দেখিনি। ক্বিয়ামাতের দিন আমার শাফা‘আত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি হবে যে বিশুদ্ধ অন্তর থেকে বলে لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৩)
قتيبة بن سعيد حدثنا إسماعيل بن جعفر عن عمرو عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أنه قال قلت يا رسول الله من أسعد الناس بشفاعتك يوم القيامة فقال لقد ظننت يا أبا هريرة أن لا يسألني عن هذا الحديث أحد أول منك لما رأيت من حرصك على الحديث أسعد الناس بشفاعتي يوم القيامة من قال خالصا من قبل نفسه
সহিহ বুখারী ৬৫৭২
مسدد حدثنا أبو عوانة عن عبد الملك عن عبد الله بن الحارث بن نوفل عن العباس أنه قال للنبي صلى الله عليه وسلم هل نفعت أبا طالب بشيء
আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন কি?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৫)
আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন কি?(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৫)
مسدد حدثنا أبو عوانة عن عبد الملك عن عبد الله بن الحارث بن نوفل عن العباس أنه قال للنبي صلى الله عليه وسلم هل نفعت أبا طالب بشيء
সহিহ বুখারী ৬৫৭১
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأعلم آخر أهل النار خروجا منها، وآخر أهل الجنة دخولا رجل يخرج من النار كبوا، فيقول الله اذهب فادخل الجنة. فيأتيها فيخيل إليه أنها ملأى، فيرجع فيقول يا رب وجدتها ملأى، فيقول اذهب فادخل الجنة. فيأتيها فيخيل إليه أنها ملأى. فيقول يا رب وجدتها ملأى، فيقول اذهب فادخل الجنة، فإن لك مثل الدنيا وعشرة أمثالها. أو إن لك مثل عشرة أمثال الدنيا. فيقول تسخر مني، أو تضحك مني وأنت الملك ". فلقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضحك حتى بدت نواجذه، وكان يقال ذلك أدنى أهل الجنة منزلة.
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সবশেষে যে লোক জাহান্নাম থেকে বের হবে এবং সবশেষে যে ব্যক্তি জান্নাতে দাখিল হবে তার সম্পর্কে আমি জানি। এক ব্যক্তি হামাগুড়ি দেয়া অবস্থায় জাহান্নাম থেকে বের হবে। তখন আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত ভরতি হয়ে গেছে এবং সে ফিরে আসবে ও বলবে, হে প্রতিপালক! জান্নাত তো ভরতি দেখতে পেলাম। আবার আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত ভর্তি হয়ে গেছে। তাই সে ফিরে এসে বলবে, হে প্রতিপালক! জান্নাত তো ভর্তি দেখতে পেলাম। তখন আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। কেননা জান্নাত তোমার জন্য দুনিয়ার সমতুল্য এবং তার দশগুণ। অথবা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়ার দশ গুণ। তখন লোকটি বলবে, (হে প্রতিপালক)! তুমি কি আমার সঙ্গে ঠাট্টা বা হাসি-তামাশা করছ? (রাবী বলেন) আমি তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশ করে হাসতে দেখলাম। এবং তিনি বলছিলেন এটা জান্নাতীদের সর্বনিম্ন অবস্থা। [৪৮][৭৫১১; মুসলিম ১/৮৩, হাঃ ১৮৬, আহমাদ ৩৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৪)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সবশেষে যে লোক জাহান্নাম থেকে বের হবে এবং সবশেষে যে ব্যক্তি জান্নাতে দাখিল হবে তার সম্পর্কে আমি জানি। এক ব্যক্তি হামাগুড়ি দেয়া অবস্থায় জাহান্নাম থেকে বের হবে। তখন আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত ভরতি হয়ে গেছে এবং সে ফিরে আসবে ও বলবে, হে প্রতিপালক! জান্নাত তো ভরতি দেখতে পেলাম। আবার আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। তখন সে জান্নাতের কাছে এলে তার ধারণা হবে যে, জান্নাত ভর্তি হয়ে গেছে। তাই সে ফিরে এসে বলবে, হে প্রতিপালক! জান্নাত তো ভর্তি দেখতে পেলাম। তখন আল্লাহ্ বলবেন, যাও জান্নাতে দাখিল হও। কেননা জান্নাত তোমার জন্য দুনিয়ার সমতুল্য এবং তার দশগুণ। অথবা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়ার দশ গুণ। তখন লোকটি বলবে, (হে প্রতিপালক)! তুমি কি আমার সঙ্গে ঠাট্টা বা হাসি-তামাশা করছ? (রাবী বলেন) আমি তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশ করে হাসতে দেখলাম। এবং তিনি বলছিলেন এটা জান্নাতীদের সর্বনিম্ন অবস্থা। [৪৮][৭৫১১; মুসলিম ১/৮৩, হাঃ ১৮৬, আহমাদ ৩৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৪)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم " إني لأعلم آخر أهل النار خروجا منها، وآخر أهل الجنة دخولا رجل يخرج من النار كبوا، فيقول الله اذهب فادخل الجنة. فيأتيها فيخيل إليه أنها ملأى، فيرجع فيقول يا رب وجدتها ملأى، فيقول اذهب فادخل الجنة. فيأتيها فيخيل إليه أنها ملأى. فيقول يا رب وجدتها ملأى، فيقول اذهب فادخل الجنة، فإن لك مثل الدنيا وعشرة أمثالها. أو إن لك مثل عشرة أمثال الدنيا. فيقول تسخر مني، أو تضحك مني وأنت الملك ". فلقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ضحك حتى بدت نواجذه، وكان يقال ذلك أدنى أهل الجنة منزلة.
সহিহ বুখারী ৬৫৫৬
قال أبي فحدثت النعمان بن أبي عياش، فقال أشهد لسمعت أبا سعيد يحدث ويزيد فيه" كما تراءون الكوكب الغارب في الأفق الشرقي والغربي ".
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
রাবী বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি । অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি অব্যশই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি এবং এতে তিনি এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন “যেমন তোমরা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী নক্ষত্রকে দেখে থাক ।” [৪৪] [৩২৫৬; মুসলিম ৫১/৩, হাঃ ২৮৩০] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৬১১০)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
রাবী বলেন, আমার পিতা বলেছেন যে, আমি এ হাদীসটি নু’মান ইব্নু আবূ আইয়্যাশকে বলেছি । অতঃপর তিনি বলেছেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি অব্যশই আবূ সা‘ঈদকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি এবং এতে তিনি এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন “যেমন তোমরা পূর্ব ও পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী নক্ষত্রকে দেখে থাক ।” [৪৪] [৩২৫৬; মুসলিম ৫১/৩, হাঃ ২৮৩০] (আ.প্র. নাই, ই.ফা. ৬১১০)
قال أبي فحدثت النعمان بن أبي عياش، فقال أشهد لسمعت أبا سعيد يحدث ويزيد فيه" كما تراءون الكوكب الغارب في الأفق الشرقي والغربي ".
সহিহ বুখারী > সীরাত হল জাহান্নামের পুল
সহিহ বুখারী ৬৫৭৪
قال عطاء وأبو سعيد الخدري جالس مع أبي هريرة، لا يغير عليه شيئا من حديثه حتى انتهى إلى قوله " هذا لك ومثله معه ". قال أبو سعيد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول" هذا لك وعشرة أمثاله ". قال أبو هريرة حفظت " مثله معه ".
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর বর্ণনার মাঝে আবূ সা‘ঈদ খুদরীর নিকট কোন রকম পরিবর্তন ধরা পড়েনি। এমন কি তিনি যখন هَذَا لَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন, তখন আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি هَذَا لَكَ وَ عَشَرَةُ أَمْثَالِهِ ‘এটি তোমার এবং এর দশ গুণ’ বলেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি مِثْلُهُ مَعَهُ মনে রেখেছি। [৪৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৬)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর বর্ণনার মাঝে আবূ সা‘ঈদ খুদরীর নিকট কোন রকম পরিবর্তন ধরা পড়েনি। এমন কি তিনি যখন هَذَا لَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন, তখন আবূ সা‘ঈদ খুদ্রী (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তিনি هَذَا لَكَ وَ عَشَرَةُ أَمْثَالِهِ ‘এটি তোমার এবং এর দশ গুণ’ বলেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি مِثْلُهُ مَعَهُ মনে রেখেছি। [৪৯](আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৬)
قال عطاء وأبو سعيد الخدري جالس مع أبي هريرة، لا يغير عليه شيئا من حديثه حتى انتهى إلى قوله " هذا لك ومثله معه ". قال أبو سعيد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول" هذا لك وعشرة أمثاله ". قال أبو هريرة حفظت " مثله معه ".
সহিহ বুখারী ৬৫৭৩
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد، وعطاء بن يزيد، أن أبا هريرة، أخبرهما عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي هريرة، قال قال أناس يا رسول الله هل نرى ربنا يوم القيامة فقال " هل تضارون في الشمس، ليس دونها سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " هل تضارون في القمر ليلة البدر، ليس دونه سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " فإنكم ترونه يوم القيامة كذلك، يجمع الله الناس فيقول من كان يعبد شيئا فليتبعه، فيتبع من كان يعبد الشمس، ويتبع من كان يعبد القمر، ويتبع من كان يعبد الطواغيت، وتبقى هذه الأمة فيها منافقوها، فيأتيهم الله في غير الصورة التي يعرفون فيقول أنا ربكم. فيقولون نعوذ بالله منك، هذا مكاننا حتى يأتينا ربنا، فإذا أتانا ربنا عرفناه فيأتيهم الله في الصورة التي يعرفون فيقول أنا ربكم. فيقولون أنت ربنا، فيتبعونه ويضرب جسر جهنم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فأكون أول من يجيز، ودعاء الرسل يومئذ اللهم سلم سلم، وبه كلاليب مثل شوك السعدان، أما رأيتم شوك السعدان ". قالوا بلى يا رسول الله. قال " فإنها مثل شوك السعدان، غير أنها لا يعلم قدر عظمها إلا الله، فتخطف الناس بأعمالهم، منهم الموبق، بعمله ومنهم المخردل، ثم ينجو، حتى إذا فرغ الله من القضاء بين عباده، وأراد أن يخرج من النار من أراد أن يخرج، ممن كان يشهد أن لا إله إلا الله، أمر الملائكة أن يخرجوهم، فيعرفونهم بعلامة آثار السجود، وحرم الله على النار أن تأكل من ابن آدم أثر السجود، فيخرجونهم قد امتحشوا، فيصب عليهم ماء يقال له ماء الحياة، فينبتون نبات الحبة في حميل السيل، ويبقى رجل مقبل بوجهه على النار فيقول يا رب قد قشبني ريحها وأحرقني ذكاؤها، فاصرف وجهي عن النار فلا يزال يدعو الله. فيقول لعلك إن أعطيتك أن تسألني غيره. فيقول لا وعزتك لا أسألك غيره. فيصرف وجهه عن النار، ثم يقول بعد ذلك يا رب قربني إلى باب الجنة. فيقول أليس قد زعمت أن لا تسألني غيره، ويلك ابن آدم ما أغدرك. فلا يزال يدعو. فيقول لعلي إن أعطيتك ذلك تسألني غيره. فيقول لا وعزتك لا أسألك غيره. فيعطي الله من عهود ومواثيق أن لا يسأله غيره، فيقربه إلى باب الجنة، فإذا رأى ما فيها سكت ما شاء الله أن يسكت، ثم يقول رب أدخلني الجنة. ثم يقول أوليس قد زعمت أن لا تسألني غيره، ويلك يا ابن آدم ما أغدرك فيقول يا رب لا تجعلني أشقى خلقك. فلا يزال يدعو حتى يضحك، فإذا ضحك منه أذن له بالدخول فيها، فإذا دخل فيها قيل تمن من كذا. فيتمنى، ثم يقال له تمن من كذا. فيتمنى حتى تنقطع به الأماني فيقول له هذا لك ومثله معه ". قال أبو هريرة وذلك الرجل آخر أهل الجنة دخولا.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার কয়েকজন লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ক্বিয়ামাতের দিন আমরা কি আমাদের প্রতিপালককে দেখতে পাব? উত্তরে তিনি বললেনঃ সূর্যের নিচে যখন কোন মেঘ না থাকে তখন তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ পূর্ণিমার চাঁদ যদি মেঘের আড়ালে না থাকে তবে তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমরা অবশ্যই ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্কে ঐরূপ দেখতে পাবে। আল্লাহ্ মানুষকে একত্রিত করে বলবেন, (দুনিয়াতে) তোমরা যে যে জিনিসের ‘ইবাদাত করেছিলে সে তার সঙ্গে চলে যাও। অতএব সূর্যের পূজারী সূর্যের সঙ্গে, চন্দ্রের পূজারী চন্দ্রের সঙ্গে এবং মূর্তি পূজারী মূর্তির সঙ্গে চলে যাবে। অবশিষ্ট থাকবে এ উম্মাতের লোকেরা, যাদের মাঝে মুনাফিক সম্প্রদায়ের লোকও থাকবে। তারা আল্লাহ্কে যে আকৃতিতে জানত, তার আলাদা আকৃতিতে আল্লাহ্ তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে, আমরা তোমার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আমাদের প্রতিপালক না আসা পর্যন্ত আমরা এ স্থানেই থেকে যাব। আমাদের প্রতিপালক যখন আমাদের কাছে আসবেন, আমরা তাকে চিনে নেব। এরপর যে আকৃতিতে তারা আল্লাহ্কে জানত সে আকৃতিতে তিনি তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে (হাঁ) আপনি আমাদের প্রতিপালক। তখন তারা আল্লাহর অনুসরণ করবে। অতঃপর জাহান্নামের পুল স্থাপন করা হবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, সর্বপ্রথম আমি সেই পুল অতিক্রম করব। আর সেই দিন সমস্ত রাসূলের দু‘আ হবে اللهُمَّ سَلِّمْ سَلِّمْ অর্থাৎ হে আল্লাহ্! রক্ষা কর, রক্ষা কর। সেই পুলের মাঝে সা’দান নামক (এক রকম কাঁটাওয়ালা) গাছের কাঁটার মত কাঁটা থাকবে। তোমরা কি সা’দানের কাঁটা দেখেছ? তারা বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূরাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ কাঁটাগুলি সা’দানের কাঁটার মতই হবে, তবে তা যে কত বড় হবে সে সম্পর্কে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। সে কাঁটাগুলি মানুষকে তাদের ‘আমাল অনুসারে ছিনিয়ে নেবে। তাদের মাঝে কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমালের কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে। আর কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমাল হবে সরিষার মত নগণ্য। তবুও তারা নাজাত পাবে। এমন কি আল্লাহ্ বান্দাদের বিচার সমাপ্ত করবেন এবং لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ এর সাক্ষ্যদাতাদের থেকে যাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার ইচ্ছা করবেন আল্লাহ্ তাদেরকে বের করার জন্য ফেরেশতাদেরকে আদেশ করবেন। সাজদাহর চিহ্ন দেখে ফেরেশ্তারা তাদেরকে চিনতে পারবে। আর আল্লাহ্ বানী আদমের ঐ সাজদাহর স্থানগুলোকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। কাজেই ফেরেশ্তারা তাদেরকে এমন অবস্থায় বের করবে যে, তখন তাদের দেহ থাকবে কয়লার মত। তারপর তাদের দেহে পানি ঢেলে দেয়া হবে। যাকে বলা হয় ‘মাউল হায়াত’ জীবন-বারি। সাগরের ঢেউয়ে ভেসে আসা আবর্জনায় যেমন গাছ জন্মায়, পরে এগুলো যেমন সজীব হয় তারাও সেরকম সজীব হয়ে যাবে। এ সময় জাহান্নামের দিকে মুখ করে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকবে আর বলবে, হে প্রভু! জাহান্নামের লু হাওয়া আমাকে ঝলসে দিয়েছে, এর তেজ আমাকে জ্বালিয়ে দিয়েছে। সুতরাং তুমি আমার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দাও। এভাবে সে আল্লাহ্কে ডাকতে থাকবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি আর অন্যটি চাইবে? লোকটি বলবে, না। আল্লাহ্, তোমার ইয্যতের কসম! আর অন্যটি চাইব না। তখন তার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হবে। এরপর সে বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছে দাও। আল্লাহ বললেন, তুমি কি বলনি যে, তুমি আমার কাছে আর অন্য কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য আদম সন্তান! তুমি বড়ই বিশ্বাসঘাতক! সে এরূপই প্রার্থনা করতে থাকবে। তখন আল্লাহ বলবেনঃ সম্ভবত আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি অন্য আরেকটি আমার কাছে চাইবে। লোকটি বলবে, না, তোমার ইয্যাতের কসম! অন্যটি আর চাইব না। তখন সে আল্লাহর সাথে ওয়াদা করবে যে, সে আর কিছুই চাইবে না। তখন আল্লাহ্ তাকে জান্নাতের দরজার নিকটে নিয়ে দিবেন। সে যখন জান্নাতের ভিতরের নিয়ামতগুলো দেখতে পাবে, তখন আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ সে চুপ থাকবে। এরপরই সে বলতে থাকবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তুমি কি বল নাই যে তুমি আর কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য হে আদাম সন্তান! তুমি কতইনা বিশ্বাসঘাতক। লোকটি বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে তোমার সৃষ্ট জীবের মাঝে সবচেয়ে হতভাগ্য কর না। এভাবে সে চাইতেই থাকবে। শেষে আল্লাহ্ হেসে দিবেন। আর আল্লাহ্ যখন হেসে দিবেন, তখন তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে দেবেন। এরপর সে যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তাকে বলা হবে, তোমার যা ইচ্ছে হয় আমার কাছে চাও। সে চাইবে, এমনকি তার সব চাহিদা ফুরিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ এগুলো তোমার এবং আরো এতটা তোমার। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ঐ লোকটি হচ্ছে সবশেষে জান্নাতে প্রবেশকারী। রাবী বলেন যে, এ সময় আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। [৮০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৬)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার কয়েকজন লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ক্বিয়ামাতের দিন আমরা কি আমাদের প্রতিপালককে দেখতে পাব? উত্তরে তিনি বললেনঃ সূর্যের নিচে যখন কোন মেঘ না থাকে তখন তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ পূর্ণিমার চাঁদ যদি মেঘের আড়ালে না থাকে তবে তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমরা অবশ্যই ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্কে ঐরূপ দেখতে পাবে। আল্লাহ্ মানুষকে একত্রিত করে বলবেন, (দুনিয়াতে) তোমরা যে যে জিনিসের ‘ইবাদাত করেছিলে সে তার সঙ্গে চলে যাও। অতএব সূর্যের পূজারী সূর্যের সঙ্গে, চন্দ্রের পূজারী চন্দ্রের সঙ্গে এবং মূর্তি পূজারী মূর্তির সঙ্গে চলে যাবে। অবশিষ্ট থাকবে এ উম্মাতের লোকেরা, যাদের মাঝে মুনাফিক সম্প্রদায়ের লোকও থাকবে। তারা আল্লাহ্কে যে আকৃতিতে জানত, তার আলাদা আকৃতিতে আল্লাহ্ তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে, আমরা তোমার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আমাদের প্রতিপালক না আসা পর্যন্ত আমরা এ স্থানেই থেকে যাব। আমাদের প্রতিপালক যখন আমাদের কাছে আসবেন, আমরা তাকে চিনে নেব। এরপর যে আকৃতিতে তারা আল্লাহ্কে জানত সে আকৃতিতে তিনি তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে (হাঁ) আপনি আমাদের প্রতিপালক। তখন তারা আল্লাহর অনুসরণ করবে। অতঃপর জাহান্নামের পুল স্থাপন করা হবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, সর্বপ্রথম আমি সেই পুল অতিক্রম করব। আর সেই দিন সমস্ত রাসূলের দু‘আ হবে اللهُمَّ سَلِّمْ سَلِّمْ অর্থাৎ হে আল্লাহ্! রক্ষা কর, রক্ষা কর। সেই পুলের মাঝে সা’দান নামক (এক রকম কাঁটাওয়ালা) গাছের কাঁটার মত কাঁটা থাকবে। তোমরা কি সা’দানের কাঁটা দেখেছ? তারা বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূরাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ কাঁটাগুলি সা’দানের কাঁটার মতই হবে, তবে তা যে কত বড় হবে সে সম্পর্কে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। সে কাঁটাগুলি মানুষকে তাদের ‘আমাল অনুসারে ছিনিয়ে নেবে। তাদের মাঝে কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমালের কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে। আর কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমাল হবে সরিষার মত নগণ্য। তবুও তারা নাজাত পাবে। এমন কি আল্লাহ্ বান্দাদের বিচার সমাপ্ত করবেন এবং لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ এর সাক্ষ্যদাতাদের থেকে যাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার ইচ্ছা করবেন আল্লাহ্ তাদেরকে বের করার জন্য ফেরেশতাদেরকে আদেশ করবেন। সাজদাহর চিহ্ন দেখে ফেরেশ্তারা তাদেরকে চিনতে পারবে। আর আল্লাহ্ বানী আদমের ঐ সাজদাহর স্থানগুলোকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। কাজেই ফেরেশ্তারা তাদেরকে এমন অবস্থায় বের করবে যে, তখন তাদের দেহ থাকবে কয়লার মত। তারপর তাদের দেহে পানি ঢেলে দেয়া হবে। যাকে বলা হয় ‘মাউল হায়াত’ জীবন-বারি। সাগরের ঢেউয়ে ভেসে আসা আবর্জনায় যেমন গাছ জন্মায়, পরে এগুলো যেমন সজীব হয় তারাও সেরকম সজীব হয়ে যাবে। এ সময় জাহান্নামের দিকে মুখ করে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকবে আর বলবে, হে প্রভু! জাহান্নামের লু হাওয়া আমাকে ঝলসে দিয়েছে, এর তেজ আমাকে জ্বালিয়ে দিয়েছে। সুতরাং তুমি আমার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দাও। এভাবে সে আল্লাহ্কে ডাকতে থাকবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি আর অন্যটি চাইবে? লোকটি বলবে, না। আল্লাহ্, তোমার ইয্যতের কসম! আর অন্যটি চাইব না। তখন তার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হবে। এরপর সে বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছে দাও। আল্লাহ বললেন, তুমি কি বলনি যে, তুমি আমার কাছে আর অন্য কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য আদম সন্তান! তুমি বড়ই বিশ্বাসঘাতক! সে এরূপই প্রার্থনা করতে থাকবে। তখন আল্লাহ বলবেনঃ সম্ভবত আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি অন্য আরেকটি আমার কাছে চাইবে। লোকটি বলবে, না, তোমার ইয্যাতের কসম! অন্যটি আর চাইব না। তখন সে আল্লাহর সাথে ওয়াদা করবে যে, সে আর কিছুই চাইবে না। তখন আল্লাহ্ তাকে জান্নাতের দরজার নিকটে নিয়ে দিবেন। সে যখন জান্নাতের ভিতরের নিয়ামতগুলো দেখতে পাবে, তখন আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ সে চুপ থাকবে। এরপরই সে বলতে থাকবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তুমি কি বল নাই যে তুমি আর কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য হে আদাম সন্তান! তুমি কতইনা বিশ্বাসঘাতক। লোকটি বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে তোমার সৃষ্ট জীবের মাঝে সবচেয়ে হতভাগ্য কর না। এভাবে সে চাইতেই থাকবে। শেষে আল্লাহ্ হেসে দিবেন। আর আল্লাহ্ যখন হেসে দিবেন, তখন তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে দেবেন। এরপর সে যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তাকে বলা হবে, তোমার যা ইচ্ছে হয় আমার কাছে চাও। সে চাইবে, এমনকি তার সব চাহিদা ফুরিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ এগুলো তোমার এবং আরো এতটা তোমার। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ঐ লোকটি হচ্ছে সবশেষে জান্নাতে প্রবেশকারী। রাবী বলেন যে, এ সময় আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। [৮০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৬)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد، وعطاء بن يزيد، أن أبا هريرة، أخبرهما عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي هريرة، قال قال أناس يا رسول الله هل نرى ربنا يوم القيامة فقال " هل تضارون في الشمس، ليس دونها سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " هل تضارون في القمر ليلة البدر، ليس دونه سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " فإنكم ترونه يوم القيامة كذلك، يجمع الله الناس فيقول من كان يعبد شيئا فليتبعه، فيتبع من كان يعبد الشمس، ويتبع من كان يعبد القمر، ويتبع من كان يعبد الطواغيت، وتبقى هذه الأمة فيها منافقوها، فيأتيهم الله في غير الصورة التي يعرفون فيقول أنا ربكم. فيقولون نعوذ بالله منك، هذا مكاننا حتى يأتينا ربنا، فإذا أتانا ربنا عرفناه فيأتيهم الله في الصورة التي يعرفون فيقول أنا ربكم. فيقولون أنت ربنا، فيتبعونه ويضرب جسر جهنم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فأكون أول من يجيز، ودعاء الرسل يومئذ اللهم سلم سلم، وبه كلاليب مثل شوك السعدان، أما رأيتم شوك السعدان ". قالوا بلى يا رسول الله. قال " فإنها مثل شوك السعدان، غير أنها لا يعلم قدر عظمها إلا الله، فتخطف الناس بأعمالهم، منهم الموبق، بعمله ومنهم المخردل، ثم ينجو، حتى إذا فرغ الله من القضاء بين عباده، وأراد أن يخرج من النار من أراد أن يخرج، ممن كان يشهد أن لا إله إلا الله، أمر الملائكة أن يخرجوهم، فيعرفونهم بعلامة آثار السجود، وحرم الله على النار أن تأكل من ابن آدم أثر السجود، فيخرجونهم قد امتحشوا، فيصب عليهم ماء يقال له ماء الحياة، فينبتون نبات الحبة في حميل السيل، ويبقى رجل مقبل بوجهه على النار فيقول يا رب قد قشبني ريحها وأحرقني ذكاؤها، فاصرف وجهي عن النار فلا يزال يدعو الله. فيقول لعلك إن أعطيتك أن تسألني غيره. فيقول لا وعزتك لا أسألك غيره. فيصرف وجهه عن النار، ثم يقول بعد ذلك يا رب قربني إلى باب الجنة. فيقول أليس قد زعمت أن لا تسألني غيره، ويلك ابن آدم ما أغدرك. فلا يزال يدعو. فيقول لعلي إن أعطيتك ذلك تسألني غيره. فيقول لا وعزتك لا أسألك غيره. فيعطي الله من عهود ومواثيق أن لا يسأله غيره، فيقربه إلى باب الجنة، فإذا رأى ما فيها سكت ما شاء الله أن يسكت، ثم يقول رب أدخلني الجنة. ثم يقول أوليس قد زعمت أن لا تسألني غيره، ويلك يا ابن آدم ما أغدرك فيقول يا رب لا تجعلني أشقى خلقك. فلا يزال يدعو حتى يضحك، فإذا ضحك منه أذن له بالدخول فيها، فإذا دخل فيها قيل تمن من كذا. فيتمنى، ثم يقال له تمن من كذا. فيتمنى حتى تنقطع به الأماني فيقول له هذا لك ومثله معه ". قال أبو هريرة وذلك الرجل آخر أهل الجنة دخولا.