সহিহ বুখারী > কিয়ামাতের কম্পন এক ভয়ানক জিনিস- (সূরাহ হাজ্জ ২২/১) । আগমনকারী মুহূর্ত (ক্বিয়ামাত) নিকটবর্তী- (সূরাহ নাজ্ম ৫৩/৫৭) । ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হয়েছে- (সূরাহ আল-ক্বামার ৫৪/১) ।
সহিহ বুখারী ৬৫৩০
حدثني يوسف بن موسى، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله يا آدم. فيقول لبيك وسعديك والخير في يديك. قال يقول أخرج بعث النار. قال وما بعث النار قال من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعين. فذاك حين يشيب الصغير، وتضع كل ذات حمل حملها، وترى الناس سكرى وما هم بسكرى ولكن عذاب الله شديد ". فاشتد ذلك عليهم فقالوا يا رسول الله أينا الرجل قال " أبشروا، فإن من يأجوج ومأجوج ألف ومنكم رجل ـ ثم قال ـ والذي نفسي في يده إني لأطمع أن تكونوا ثلث أهل الجنة ". قال فحمدنا الله وكبرنا، ثم قال " والذي نفسي في يده إني لأطمع أن تكونوا شطر أهل الجنة، إن مثلكم في الأمم كمثل الشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو الرقمة في ذراع الحمار ".
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ডেকে বলবেন, হে আদাম! তিনি বলবেন, আমি তোমার খিদমতে হাযির। যাবতীয় কল্যাণ তোমারই হাতে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্ বলবেন, জাহান্নামীদের (নিক্ষেপ করার জন্য) বের কর। আদাম (আঃ) বলবেন, কী পরিমাণ জাহান্নামী বের করব? আল্লাহ্ বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শ’ নিরানব্বই জন। আর এটা ঘটবে ঐ সময়, যখন (ক্বিয়ামাতের ভয়াবহতায়) শিশু বুড়িয়ে যাবে। (আয়াত) : আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহ্র শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)- (সূরাহ হাজ্জ ২২/২)। এ ব্যাপারটি সহাবাগণের নিকট বড় কঠিন মনে হল। তখন তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের মধ্য থেকে (মুক্তি প্রাপ্ত) সেই লোকটি কে হবেন? তিনি বললেনঃ তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর যে ইয়াযুয ও মাযূয থেকে এক হাজার আর তোমাদের হবে একজন। এরপর তিনি বললেনঃ শপথ ঐ সত্তার, যাঁর করতলে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের এক-তৃতীয়াংশ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা ‘আল হামদুলিল্লাহ্' ও ‘আল্লাহু আকবর’ বলে উঠলাম। তিনি আবার বললেনঃ শপথ ঐ সত্তার, যাঁর হাতের মুঠোয় আমার প্রাণ! আমি অবশ্যই আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। অন্য সব উম্মাতের তুলনায় তোমাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে কাল ষাঁড়ের চামড়ায় একটি সাদা চুলের মত। অথবা সাদা দাগ, যা গাধার সামনের পায়ে হয়ে থাকে। [৩৩৪৮; মুসলিম ১/৯২, হাঃ ২২২, আহমাদ ১১২৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৬)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ডেকে বলবেন, হে আদাম! তিনি বলবেন, আমি তোমার খিদমতে হাযির। যাবতীয় কল্যাণ তোমারই হাতে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্ বলবেন, জাহান্নামীদের (নিক্ষেপ করার জন্য) বের কর। আদাম (আঃ) বলবেন, কী পরিমাণ জাহান্নামী বের করব? আল্লাহ্ বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শ’ নিরানব্বই জন। আর এটা ঘটবে ঐ সময়, যখন (ক্বিয়ামাতের ভয়াবহতায়) শিশু বুড়িয়ে যাবে। (আয়াত) : আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহ্র শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)- (সূরাহ হাজ্জ ২২/২)। এ ব্যাপারটি সহাবাগণের নিকট বড় কঠিন মনে হল। তখন তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের মধ্য থেকে (মুক্তি প্রাপ্ত) সেই লোকটি কে হবেন? তিনি বললেনঃ তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর যে ইয়াযুয ও মাযূয থেকে এক হাজার আর তোমাদের হবে একজন। এরপর তিনি বললেনঃ শপথ ঐ সত্তার, যাঁর করতলে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের এক-তৃতীয়াংশ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা ‘আল হামদুলিল্লাহ্' ও ‘আল্লাহু আকবর’ বলে উঠলাম। তিনি আবার বললেনঃ শপথ ঐ সত্তার, যাঁর হাতের মুঠোয় আমার প্রাণ! আমি অবশ্যই আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। অন্য সব উম্মাতের তুলনায় তোমাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে কাল ষাঁড়ের চামড়ায় একটি সাদা চুলের মত। অথবা সাদা দাগ, যা গাধার সামনের পায়ে হয়ে থাকে। [৩৩৪৮; মুসলিম ১/৯২, হাঃ ২২২, আহমাদ ১১২৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৬)
حدثني يوسف بن موسى، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله يا آدم. فيقول لبيك وسعديك والخير في يديك. قال يقول أخرج بعث النار. قال وما بعث النار قال من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعين. فذاك حين يشيب الصغير، وتضع كل ذات حمل حملها، وترى الناس سكرى وما هم بسكرى ولكن عذاب الله شديد ". فاشتد ذلك عليهم فقالوا يا رسول الله أينا الرجل قال " أبشروا، فإن من يأجوج ومأجوج ألف ومنكم رجل ـ ثم قال ـ والذي نفسي في يده إني لأطمع أن تكونوا ثلث أهل الجنة ". قال فحمدنا الله وكبرنا، ثم قال " والذي نفسي في يده إني لأطمع أن تكونوا شطر أهل الجنة، إن مثلكم في الأمم كمثل الشعرة البيضاء في جلد الثور الأسود أو الرقمة في ذراع الحمار ".
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণী : তারা কি চিন্তা করে না যে (তাদের মৃত্যুর পর) তাদেরকে আবার উঠানো হবে, এক মহা দিবসে । যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে । (সূরাহ আল-মুতাফ্ফিফীন ৮৩/৪-৬)
সহিহ বুখারী ৬৫৩২
عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني سليمان عن ثور بن زيد عن أبي الغيث عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعرق الناس يوم القيامة حتى يذهب عرقهم في الأرض سبعين ذراعا ويلجمهم حتى يبلغ آذانهم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন মানুষের ঘাম ঝরবে। এমনকি তাদের ঘাম যমীনে সত্তর হাত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে এবং তাদের মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে যাবে; এমনকি কান পর্যন্ত।[মুসলিম ৫১/১৫, হাঃ ২৮৬৩, আহমাদ ৯৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৮)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন মানুষের ঘাম ঝরবে। এমনকি তাদের ঘাম যমীনে সত্তর হাত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে এবং তাদের মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে যাবে; এমনকি কান পর্যন্ত।[মুসলিম ৫১/১৫, হাঃ ২৮৬৩, আহমাদ ৯৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৮)
عبد العزيز بن عبد الله قال حدثني سليمان عن ثور بن زيد عن أبي الغيث عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعرق الناس يوم القيامة حتى يذهب عرقهم في الأرض سبعين ذراعا ويلجمهم حتى يبلغ آذانهم
সহিহ বুখারী ৬৫৩১
إسماعيل بن أبان حدثنا عيسى بن يونس حدثنا ابن عون عن نافع عن ابن عمر عن النبيإ صلى الله عليه وسلم {يوم يقوم الناس لرب العالمين} قال يقوم أحدهم في رشحه إلى أنصاف أذنيه
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। আল্লাহ্র বাণী : যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষ দণ্ডায়মান হবে কান পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকা অবস্থায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৭)
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। আল্লাহ্র বাণী : যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষ দণ্ডায়মান হবে কান পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকা অবস্থায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৭)
إسماعيل بن أبان حدثنا عيسى بن يونس حدثنا ابن عون عن نافع عن ابن عمر عن النبيإ صلى الله عليه وسلم {يوم يقوم الناس لرب العالمين} قال يقوم أحدهم في رشحه إلى أنصاف أذنيه
সহিহ বুখারী > ক্বিয়ামাতের দিন কিসাস গ্রহণ ।
সহিহ বুখারী ৬৫৩৩
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثني شقيق، سمعت عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم" أول ما يقضى بين الناس بالدماء ".
আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম হত্যার বিচার করা হবে। [৪২][৬৮৬৪; মুসলিম ২৮/৮, হাঃ ১৬৭৮, আহমাদ ৩৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৯)
আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম হত্যার বিচার করা হবে। [৪২][৬৮৬৪; মুসলিম ২৮/৮, হাঃ ১৬৭৮, আহমাদ ৩৬৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৯)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثني شقيق، سمعت عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم" أول ما يقضى بين الناس بالدماء ".
সহিহ বুখারী ৬৫৩৪
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من كانت عنده مظلمة لأخيه فليتحلله منها، فإنه ليس ثم دينار ولا درهم من قبل أن يؤخذ لأخيه من حسناته، فإن لم يكن له حسنات أخذ من سيئات أخيه، فطرحت عليه ".
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ভাই-এর ওপর যুলুম করেছে সে যেন তার কাছ থেকে ক্ষমা নিয়ে নেয়, তার ভাই-এর পক্ষে তার নিকট হতে পুণ্য কেটে নেয়ার আগেই। কারণ সেখানে কোন দীনার বা দিরহাম পাওয়া যাবেনা। তার কাছে যদি পুণ্য না থাকে তবে তার (মজলুম) ভাই-এর গোনাহ্ এনে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ভাই-এর ওপর যুলুম করেছে সে যেন তার কাছ থেকে ক্ষমা নিয়ে নেয়, তার ভাই-এর পক্ষে তার নিকট হতে পুণ্য কেটে নেয়ার আগেই। কারণ সেখানে কোন দীনার বা দিরহাম পাওয়া যাবেনা। তার কাছে যদি পুণ্য না থাকে তবে তার (মজলুম) ভাই-এর গোনাহ্ এনে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯০)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من كانت عنده مظلمة لأخيه فليتحلله منها، فإنه ليس ثم دينار ولا درهم من قبل أن يؤخذ لأخيه من حسناته، فإن لم يكن له حسنات أخذ من سيئات أخيه، فطرحت عليه ".
সহিহ বুখারী ৬৫৩৫
حدثني الصلت بن محمد، حدثنا يزيد بن زريع، {ونزعنا ما في صدورهم من غل} قال حدثنا سعيد عن قتادة عن أبي المتوكل الناجي أن أبا سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يخلص المؤمنون من النار، فيحبسون على قنطرة بين الجنة والنار، فيقص لبعضهم من بعض، مظالم كانت بينهم في الدنيا، حتى إذا هذبوا ونقوا أذن لهم في دخول الجنة، فوالذي نفس محمد بيده لأحدهم أهدى بمنزله في الجنة منه بمنزله كان في الدنيا ".
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ -এর তারপর্যে সাল্ত ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.).....আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিনগণ জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর একটি পুলের ওপর তাদের দাঁড় করানো হবে, যা জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যস্থলে অবস্থিত। দুনিয়ায় তারা একে অপরের উপর যে যুলুম করেছিল তার প্রতিশোধ গ্রহণ করানো হবে। তারা যখন পাক-সাফ হয়ে যাবে, তখন তাদের জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রাণ, প্রত্যেক ব্যক্তি তার দুনিয়ার বাসস্থানের তুলনায় জান্নাতের বাসস্থানকে উত্তমরূপে চিনতে পারবে। [২৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯১)
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
وَنَزَعْنَا مَا فِي صُدُورِهِمْ مِنْ غِلٍّ -এর তারপর্যে সাল্ত ইবনু মুহাম্মাদ (রহ.).....আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিনগণ জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর একটি পুলের ওপর তাদের দাঁড় করানো হবে, যা জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যস্থলে অবস্থিত। দুনিয়ায় তারা একে অপরের উপর যে যুলুম করেছিল তার প্রতিশোধ গ্রহণ করানো হবে। তারা যখন পাক-সাফ হয়ে যাবে, তখন তাদের জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রাণ, প্রত্যেক ব্যক্তি তার দুনিয়ার বাসস্থানের তুলনায় জান্নাতের বাসস্থানকে উত্তমরূপে চিনতে পারবে। [২৪৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯১)
حدثني الصلت بن محمد، حدثنا يزيد بن زريع، {ونزعنا ما في صدورهم من غل} قال حدثنا سعيد عن قتادة عن أبي المتوكل الناجي أن أبا سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يخلص المؤمنون من النار، فيحبسون على قنطرة بين الجنة والنار، فيقص لبعضهم من بعض، مظالم كانت بينهم في الدنيا، حتى إذا هذبوا ونقوا أذن لهم في دخول الجنة، فوالذي نفس محمد بيده لأحدهم أهدى بمنزله في الجنة منه بمنزله كان في الدنيا ".
সহিহ বুখারী > যার হিসাব পরীক্ষা করা হবে তাকে আযাব দেয়া হবে
সহিহ বুখারী ৬৫৩৬
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من نوقش الحساب عذب ". قالت قلت أليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا}. قال " ذلك العرض ". حدثني عمرو بن علي، حدثنا يحيى، عن عثمان بن الأسود، سمعت ابن أبي مليكة، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله. وتابعه ابن جريج ومحمد بن سليم وأيوب وصالح بن رستم عن ابن أبي مليكة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, ‘‘তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে?’’ তিনি বলেন, তা তো কেবল পেশ করা মাত্র। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯২) ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকম বলতে শুনেছি। ইবনু জুরায়জ, মুহাম্মদ ইবনু সুলায়ম, আইউব ও সারিহ্ ইবনু রুস্তম, ইবনু আবূ মুলাইকা ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ বর্ণনার অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৩)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে ‘আযাব দেয়া হবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, ‘‘তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে?’’ তিনি বলেন, তা তো কেবল পেশ করা মাত্র। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯২) ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকম বলতে শুনেছি। ইবনু জুরায়জ, মুহাম্মদ ইবনু সুলায়ম, আইউব ও সারিহ্ ইবনু রুস্তম, ইবনু আবূ মুলাইকা ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরূপ বর্ণনার অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৩)
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من نوقش الحساب عذب ". قالت قلت أليس يقول الله تعالى {فسوف يحاسب حسابا يسيرا}. قال " ذلك العرض ". حدثني عمرو بن علي، حدثنا يحيى، عن عثمان بن الأسود، سمعت ابن أبي مليكة، قال سمعت عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم مثله. وتابعه ابن جريج ومحمد بن سليم وأيوب وصالح بن رستم عن ابن أبي مليكة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৬৫৩৭
إسحاق بن منصور حدثنا روح بن عبادة حدثنا حاتم بن أبي صغيرة حدثنا عبد الله بن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد حدثتني عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس أحد يحاسب يوم القيامة إلا هلك فقلت يا رسول الله أليس قد قال الله تعالى: {فأما من أوتي كتابه بيمينه فسوف يحاسب حسابا يسيرا} فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك العرض وليس أحد يناقش الحساب يوم القيامة إلا عذب
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন যারই হিসাব নেয়া হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। [‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্ কি বলেননি, ‘অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা কেবল পেশ করা মাত্র। ক্বিয়ামতের দিন যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে অবশ্যই আযাব দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৪)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন যারই হিসাব নেয়া হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। [‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্ কি বলেননি, ‘অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা কেবল পেশ করা মাত্র। ক্বিয়ামতের দিন যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে অবশ্যই আযাব দেয়া হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৪)
إسحاق بن منصور حدثنا روح بن عبادة حدثنا حاتم بن أبي صغيرة حدثنا عبد الله بن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد حدثتني عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس أحد يحاسب يوم القيامة إلا هلك فقلت يا رسول الله أليس قد قال الله تعالى: {فأما من أوتي كتابه بيمينه فسوف يحاسب حسابا يسيرا} فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك العرض وليس أحد يناقش الحساب يوم القيامة إلا عذب
সহিহ বুখারী ৬৫৩৮
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن معمر حدثنا روح بن عبادة حدثنا سعيد عن قتادة حدثنا أنس بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يجاء بالكافر يوم القيامة فيقال له أرأيت لو كان لك ملء الأرض ذهبا أكنت تفتدي به فيقول نعم فيقال له قد كنت سئلت ما هو أيسر من ذلك
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : ক্বিয়ামাতের দিন কাফিরকে হাযির করা হবে। অতঃপর তাকে বলা হবে তোমার যদি দুনিয়া ভর্তি সোনা থাকত তাহলে তুমি কি বিনিময়ে তা আযাব থেকে বাঁচতে চাইতে না? সে বলবে, হাঁ। এরপর তাকে বলা হবে তোমার কাছে তো এর চেয়ে বহু ক্ষুদ্র বস্তু (তৌহীদ) চাওয়া হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৫)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : ক্বিয়ামাতের দিন কাফিরকে হাযির করা হবে। অতঃপর তাকে বলা হবে তোমার যদি দুনিয়া ভর্তি সোনা থাকত তাহলে তুমি কি বিনিময়ে তা আযাব থেকে বাঁচতে চাইতে না? সে বলবে, হাঁ। এরপর তাকে বলা হবে তোমার কাছে তো এর চেয়ে বহু ক্ষুদ্র বস্তু (তৌহীদ) চাওয়া হয়েছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৫)
علي بن عبد الله حدثنا معاذ بن هشام قال حدثني أبي عن قتادة عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثني محمد بن معمر حدثنا روح بن عبادة حدثنا سعيد عن قتادة حدثنا أنس بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول يجاء بالكافر يوم القيامة فيقال له أرأيت لو كان لك ملء الأرض ذهبا أكنت تفتدي به فيقول نعم فيقال له قد كنت سئلت ما هو أيسر من ذلك
সহিহ বুখারী ৬৫৩৯
عمر بن حفص حدثنا أبي قال حدثني الأعمش قال حدثني خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما منكم من أحد إلا وسيكلمه الله يوم القيامة ليس بين الله وبينه ترجمان ثم ينظر فلا يرى شيئا قدامه ثم ينظر بين يديه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রত্যেক লোকের সাথে আল্লাহ্ কথা বলবেন। আর সেদিন আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে কোন দোভাষী থাকবে না। অতঃপর বান্দা দৃষ্টিপাত করে তার সামনে কিছুই দেখতে পাবে না। সে আবার তার সামনে দৃষ্টি ফেরাবে। তখন তার সামনে হাজির হবে জাহান্নাম। তেমাদের মধ্যে যে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সে যেন এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৬)
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রত্যেক লোকের সাথে আল্লাহ্ কথা বলবেন। আর সেদিন আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে কোন দোভাষী থাকবে না। অতঃপর বান্দা দৃষ্টিপাত করে তার সামনে কিছুই দেখতে পাবে না। সে আবার তার সামনে দৃষ্টি ফেরাবে। তখন তার সামনে হাজির হবে জাহান্নাম। তেমাদের মধ্যে যে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সে যেন এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৬)
عمر بن حفص حدثنا أبي قال حدثني الأعمش قال حدثني خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما منكم من أحد إلا وسيكلمه الله يوم القيامة ليس بين الله وبينه ترجمان ثم ينظر فلا يرى شيئا قدامه ثم ينظر بين يديه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة
সহিহ বুখারী ৬৫৪০
قال الأعمش حدثني عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثم قال اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثلاثا حتى ظننا أنه ينظر إليها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। আবার বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। তিনবার এরুপ করলেন। এমন কি আমরা ভাবছিলাম যে তিনি বুঝি জাহান্নাম সরাসরি দেখছেন। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামর আগুন থেকে বাঁচ। আর যদি কেউ সেটাও না পাও তাহলে উত্তম কথার দ্বারা হলেও (আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৭)
আদী ইব্নু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। আবার বললেনঃ তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচ। এরপর তিনি পিঠ ফিরালেন এবং মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। তিনবার এরুপ করলেন। এমন কি আমরা ভাবছিলাম যে তিনি বুঝি জাহান্নাম সরাসরি দেখছেন। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামর আগুন থেকে বাঁচ। আর যদি কেউ সেটাও না পাও তাহলে উত্তম কথার দ্বারা হলেও (আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা কর)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৯৭)
قال الأعمش حدثني عمرو عن خيثمة عن عدي بن حاتم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثم قال اتقوا النار ثم أعرض وأشاح ثلاثا حتى ظننا أنه ينظر إليها ثم قال اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة