সহিহ বুখারী > লোকদেখানো ও শোনানো ‘ইবাদাত ।

সহিহ বুখারী ৬৪৯৯

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثني سلمة بن كهيل ح و حدثنا أبو نعيم حدثنا سفيان عن سلمة قال سمعت جندبا يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم ولم أسمع أحدا يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم غيره فدنوت منه فسمعته يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم من سمع سمع الله به ومن يرائي يرائي الله به

সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জুনদুবকে বলতে শুনেছি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন। তিনি ছাড়া আমি অন্য কাউকে ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন’ এমন বলতে শুনিনি। আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বলতে শুনলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লোক শোনানো ‘ইবাদাত করে আল্লাহ্‌ এর বিনিময়ে তার ‘লোক-শোনানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দিবেন’। আর যে ব্যক্তি লোক-দেখানো ‘ইবাদাত করবে আল্লাহ্ এর বিনিময়ে তার ‘লোক দেখানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দিবেন’। [৩৪] [৭১৫২; মুসলিম ৫৩/৫, হাঃ ২৯৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৫)

সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জুনদুবকে বলতে শুনেছি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন। তিনি ছাড়া আমি অন্য কাউকে ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন’ এমন বলতে শুনিনি। আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বলতে শুনলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লোক শোনানো ‘ইবাদাত করে আল্লাহ্‌ এর বিনিময়ে তার ‘লোক-শোনানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দিবেন’। আর যে ব্যক্তি লোক-দেখানো ‘ইবাদাত করবে আল্লাহ্ এর বিনিময়ে তার ‘লোক দেখানোর উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দিবেন’। [৩৪] [৭১৫২; মুসলিম ৫৩/৫, হাঃ ২৯৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৫)

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثني سلمة بن كهيل ح و حدثنا أبو نعيم حدثنا سفيان عن سلمة قال سمعت جندبا يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم ولم أسمع أحدا يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم غيره فدنوت منه فسمعته يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم من سمع سمع الله به ومن يرائي يرائي الله به


সহিহ বুখারী > যে আল্লাহ্‌র আনুগত্য করার জন্য স্বীয় নফসের সঙ্গে জিহাদ করে

সহিহ বুখারী ৬৫০০

هدبة بن خالد حدثنا همام حدثنا قتادة حدثنا أنس بن مالك عن معاذ بن جبل قال بينما أنا رديف النبي صلى الله عليه وسلم ليس بيني وبينه إلا آخرة الرحل فقال يا معاذ قلت لبيك يا رسول الله وسعديك ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ قلت لبيك رسول الله وسعديك ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ بن جبل قلت لبيك رسول الله وسعديك قال هل تدري ما حق الله على عباده قلت الله ورسوله أعلم قال حق الله على عباده أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ بن جبل قلت لبيك رسول الله وسعديك قال هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوه قلت الله ورسوله أعلم قال حق العباد على الله أن لا يعذبهم

মুয়ায ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর উটের পিছনে বসলাম। অথচ আমার ও তাঁর মাঝখানে ব্যবধান ছিল শুধু সাওয়ারীর গদির কাষ্ঠ-খণ্ড। তিনি বললেনঃ হে মুয়ায! আমি বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারপর আরও কিছুক্ষণ চলার পরে আবার বললেনঃ হে মুয়ায ইব্‌নু জাবাল! আমিও আবার বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক কী? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রসূল বেশি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক এই যে, সে তাঁরই ‘ইবাদাত করবে, তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। এরপর আরও কিছুক্ষণ পথ চলার পর আবার ডাকলেন, হে মুয়ায ইব্‌ন জাবাল! আমি বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ যদি বান্দা তা করে আল্লাহ্‌র কাছে বান্দার প্রাপ্য কী হবে, তা কি তুমি জান? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলই বেশি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ তখন আল্লাহ্‌র কাছে বান্দার হক হল তাদেরকে শাস্তি না দেয়া। [৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৬)

মুয়ায ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাঁর উটের পিছনে বসলাম। অথচ আমার ও তাঁর মাঝখানে ব্যবধান ছিল শুধু সাওয়ারীর গদির কাষ্ঠ-খণ্ড। তিনি বললেনঃ হে মুয়ায! আমি বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারপর আরও কিছুক্ষণ চলার পরে আবার বললেনঃ হে মুয়ায ইব্‌নু জাবাল! আমিও আবার বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক কী? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রসূল বেশি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক এই যে, সে তাঁরই ‘ইবাদাত করবে, তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। এরপর আরও কিছুক্ষণ পথ চলার পর আবার ডাকলেন, হে মুয়ায ইব্‌ন জাবাল! আমি বললাম, আপনার নিকটে আপনার খিদমতে আমি হাজির হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ যদি বান্দা তা করে আল্লাহ্‌র কাছে বান্দার প্রাপ্য কী হবে, তা কি তুমি জান? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলই বেশি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ তখন আল্লাহ্‌র কাছে বান্দার হক হল তাদেরকে শাস্তি না দেয়া। [৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৬)

هدبة بن خالد حدثنا همام حدثنا قتادة حدثنا أنس بن مالك عن معاذ بن جبل قال بينما أنا رديف النبي صلى الله عليه وسلم ليس بيني وبينه إلا آخرة الرحل فقال يا معاذ قلت لبيك يا رسول الله وسعديك ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ قلت لبيك رسول الله وسعديك ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ بن جبل قلت لبيك رسول الله وسعديك قال هل تدري ما حق الله على عباده قلت الله ورسوله أعلم قال حق الله على عباده أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ثم سار ساعة ثم قال يا معاذ بن جبل قلت لبيك رسول الله وسعديك قال هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوه قلت الله ورسوله أعلم قال حق العباد على الله أن لا يعذبهم


সহিহ বুখারী > বিনীত হওয়া

সহিহ বুখারী ৬৫০১

مالك بن إسماعيل حدثنا زهير حدثنا حميد عن أنس كان للنبي صلى الله عليه وسلم ناقة قال ح و حدثني محمد أخبرنا الفزاري وأبو خالد الأحمر عن حميد الطويل عن أنس قال كانت ناقة لرسول الله صلى الله عليه وسلم تسمى العضباء وكانت لا تسبق فجاء أعرابي على قعود له فسبقها فاشتد ذلك على المسلمين وقالوا سبقت العضباء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن حقا على الله أن لا يرفع شيئا من الدنيا إلا وضعه

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর “আয্‌বা” নামের একটি উটনী ছিল। তাকে অতিক্রম করে যাওয়া যেত না। একবার একজন বেদুঈন তার একটি উটে সাওয়ার হয়ে আসলে সেটি তাকে (অর্থাৎ ‘আয্‌বাকে) অতিক্রম করে গেল। মুসলিমদের কাছে তা মনোকষ্টের কারণ হল। তারা বলল যে, আয্‌বাকে তো অতিক্রম করে গেল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কর্তব্য হল, কোন কিছুকে অবনত করে দুনিয়া থেকে তুলে নেয়া। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর “আয্‌বা” নামের একটি উটনী ছিল। তাকে অতিক্রম করে যাওয়া যেত না। একবার একজন বেদুঈন তার একটি উটে সাওয়ার হয়ে আসলে সেটি তাকে (অর্থাৎ ‘আয্‌বাকে) অতিক্রম করে গেল। মুসলিমদের কাছে তা মনোকষ্টের কারণ হল। তারা বলল যে, আয্‌বাকে তো অতিক্রম করে গেল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কর্তব্য হল, কোন কিছুকে অবনত করে দুনিয়া থেকে তুলে নেয়া। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৭)

مالك بن إسماعيل حدثنا زهير حدثنا حميد عن أنس كان للنبي صلى الله عليه وسلم ناقة قال ح و حدثني محمد أخبرنا الفزاري وأبو خالد الأحمر عن حميد الطويل عن أنس قال كانت ناقة لرسول الله صلى الله عليه وسلم تسمى العضباء وكانت لا تسبق فجاء أعرابي على قعود له فسبقها فاشتد ذلك على المسلمين وقالوا سبقت العضباء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن حقا على الله أن لا يرفع شيئا من الدنيا إلا وضعه


সহিহ বুখারী ৬৫০২

محمد بن عثمان بن كرامة حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني شريك بن عبد الله بن أبي نمر عن عطاء عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قال من عادى لي وليا فقد آذنته بالحرب وما تقرب إلي عبدي بشيء أحب إلي مما افترضت عليه وما يزال عبدي يتقرب إلي بالنوافل حتى أحبه فإذا أحببته كنت سمعه الذي يسمع به وبصره الذي يبصر به ويده التي يبطش بها ورجله التي يمشي بها وإن سألني لأ×عطينه ولئن استعاذني لأعيذنه وما ترددت عن شيء أنا فاعله ترددي عن نفس المؤمن يكره الموت وأنا أكره مساءته

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সঙ্গে দুশমনি রাখবে, আমি তার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করব। আমি যা কিছু আমার বান্দার উপর ফরয করেছি, তা দ্বারা কেউ আমার নৈকট্য লাভ করবে না। আমার বান্দা সর্বদা নফল ‘ইবাদাত দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকবে। এমন কি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয় পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, তবে আমি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি কোন কাজ করতে চাইলে তা করতে কোন দ্বিধা করি-না, যতটা দ্বিধা করি মু’মিন বান্দার প্রাণ নিতে। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার বেঁচে থাকাকে অপছন্দ করি। [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সঙ্গে দুশমনি রাখবে, আমি তার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করব। আমি যা কিছু আমার বান্দার উপর ফরয করেছি, তা দ্বারা কেউ আমার নৈকট্য লাভ করবে না। আমার বান্দা সর্বদা নফল ‘ইবাদাত দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকবে। এমন কি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয় পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, তবে আমি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি কোন কাজ করতে চাইলে তা করতে কোন দ্বিধা করি-না, যতটা দ্বিধা করি মু’মিন বান্দার প্রাণ নিতে। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার বেঁচে থাকাকে অপছন্দ করি। [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৮)

محمد بن عثمان بن كرامة حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني شريك بن عبد الله بن أبي نمر عن عطاء عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قال من عادى لي وليا فقد آذنته بالحرب وما تقرب إلي عبدي بشيء أحب إلي مما افترضت عليه وما يزال عبدي يتقرب إلي بالنوافل حتى أحبه فإذا أحببته كنت سمعه الذي يسمع به وبصره الذي يبصر به ويده التي يبطش بها ورجله التي يمشي بها وإن سألني لأ×عطينه ولئن استعاذني لأعيذنه وما ترددت عن شيء أنا فاعله ترددي عن نفس المؤمن يكره الموت وأنا أكره مساءته


সহিহ বুখারী > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণী : “আমাকে ও কিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু’টি আঙ্গুলের মত” । আল্লাহ্‌র ইরশাদঃ : ক্বিয়ামাতের ব্যাপার তো চোখের পলকের মত বরং তাত্থেকেও দ্রুত । আল্লাহ্ সব কিছু করতেই সক্ষম । (সূরাহ নাহল ১৬/৭৭)

সহিহ বুখারী ৬৫০৪

عبد الله بن محمد هو الجعفي حدثنا وهب بن جرير حدثنا شعبة عن قتادة وأبي التياح عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بعثت أنا والساعة كهاتين

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ রকম। [মুসলিম ৫২/২৬, হাঃ ২৯৫১, আহমাদ ১৩৩১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৬০)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ রকম। [মুসলিম ৫২/২৬, হাঃ ২৯৫১, আহমাদ ১৩৩১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৬০)

عبد الله بن محمد هو الجعفي حدثنا وهب بن جرير حدثنا شعبة عن قتادة وأبي التياح عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بعثت أنا والساعة كهاتين


সহিহ বুখারী ৬৫০৫

يحيى بن يوسف أخبرنا أبو بكر عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بعثت أنا والساعة كهاتين يعني إصبعين تابعه إسرائيل عن أبي حصين

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে ও ক্বিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু’টি (আঙ্গুলের) ন্যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৬১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে ও ক্বিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু’টি (আঙ্গুলের) ন্যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৬১)

يحيى بن يوسف أخبرنا أبو بكر عن أبي حصين عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بعثت أنا والساعة كهاتين يعني إصبعين تابعه إسرائيل عن أبي حصين


সহিহ বুখারী ৬৫০৩

سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان حدثنا أبو حازم عن سهل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثت أنا والساعة هكذا ويشير بإصبعيه فيمد بهما

সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে পাঠানো হয়েছে কিয়ামতের সঙ্গে এভাবে। এ বলে তিনি তাঁর দু’ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে সে দুটোকে প্রসারিত করলেন। [৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৯)

সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে পাঠানো হয়েছে কিয়ামতের সঙ্গে এভাবে। এ বলে তিনি তাঁর দু’ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে সে দুটোকে প্রসারিত করলেন। [৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৯)

سعيد بن أبي مريم حدثنا أبو غسان حدثنا أبو حازم عن سهل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثت أنا والساعة هكذا ويشير بإصبعيه فيمد بهما


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00