সহিহ বুখারী > নিজ স্ত্রীর নিকট আসলে যে দু’আ বলবে।
সহিহ বুখারী ৬৩৮৮
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله، اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا، فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك، لم يضره شيطان أبدا ".
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হতে চাইলে সে বলবেঃ আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! আপনি আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে যা দান করেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন। তারপর তাদের এ মিলনের মাঝে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কক্ষনো ক্ষতি করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৩)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হতে চাইলে সে বলবেঃ আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! আপনি আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে যা দান করেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন। তারপর তাদের এ মিলনের মাঝে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কক্ষনো ক্ষতি করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৩)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله، اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا، فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك، لم يضره شيطان أبدا ".
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দু’আঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদের এ জগতে কল্যাণ দাও।
সহিহ বুখারী ৬৩৮৯
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس، قال كان أكثر دعاء النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময়ই এ দু’আ পড়তেনঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে থেকে রক্ষা কর। (সূরা আল-বাকারাহ ২/২০১) [৪৫২২; মুসলিম ৪৮/৯, হাঃ ২৬৯০, আহমাদ ১৩৯৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময়ই এ দু’আ পড়তেনঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে থেকে রক্ষা কর। (সূরা আল-বাকারাহ ২/২০১) [৪৫২২; মুসলিম ৪৮/৯, হাঃ ২৬৯০, আহমাদ ১৩৯৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৪)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس، قال كان أكثر دعاء النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار ".
সহিহ বুখারী > দুনিয়ার ফিত্না থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করা।
সহিহ বুখারী ৬৩৯০
حدثنا فروة بن أبي المغراء، حدثنا عبيدة بن حميد، عن عبد الملك بن عمير، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعلمنا هؤلاء الكلمات كما تعلم الكتابة " اللهم إني أعوذ بك من البخل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك من أن نرد إلى أرذل العمر، وأعوذ بك من فتنة الدنيا، وعذاب القبر ".
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যেভাবে লেখা শিখানো হতো ঠিক তেমনিভাবে আমাদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু’আ শিখাতেনঃ হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি ভীরুতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আপনার আশ্রয় চাচ্ছি আমাদেরকে বার্ধক্যের আতিশয্যের দিকে ফিরিয়ে দেয়া থেকে। আর আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার ফিত্না এবং ক্ববরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৫)
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যেভাবে লেখা শিখানো হতো ঠিক তেমনিভাবে আমাদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু’আ শিখাতেনঃ হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি ভীরুতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আর আপনার আশ্রয় চাচ্ছি আমাদেরকে বার্ধক্যের আতিশয্যের দিকে ফিরিয়ে দেয়া থেকে। আর আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার ফিত্না এবং ক্ববরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৫)
حدثنا فروة بن أبي المغراء، حدثنا عبيدة بن حميد، عن عبد الملك بن عمير، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه ـ رضى الله عنه ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعلمنا هؤلاء الكلمات كما تعلم الكتابة " اللهم إني أعوذ بك من البخل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك من أن نرد إلى أرذل العمر، وأعوذ بك من فتنة الدنيا، وعذاب القبر ".
সহিহ বুখারী > বারবার দু’আ করা।
সহিহ বুখারী ৬৩৯১
حدثنا إبراهيم بن منذر، حدثنا أنس بن عياض، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طب حتى إنه ليخيل إليه قد صنع الشىء وما صنعه، وإنه دعا ربه ثم قال " أشعرت أن الله قد أفتاني فيما استفتيته فيه ". فقالت عائشة فما ذاك يا رسول الله قال " جاءني رجلان فجلس أحدهما عند رأسي، والآخر عند رجلى فقال أحدهما لصاحبه ما وجع الرجل قال مطبوب. قال من طبه قال لبيد بن الأعصم. قال فيما ذا قال في مشط ومشاطة وجف طلعة. قال فأين هو قال في ذروان، وذروان بئر في بني زريق ". قالت فأتاها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم رجع إلى عائشة فقال " والله لكأن ماءها نقاعة الحناء، ولكأن نخلها رءوس الشياطين ". قالت فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرها عن البئر، فقلت يا رسول الله فهلا أخرجته قال " أما أنا فقد شفاني الله، وكرهت أن أثير على الناس شرا ". زاد عيسى بن يونس والليث عن هشام عن أبيه عن عائشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم فدعا ودعا وساق الحديث
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর উপর যাদু করা হলো। অবস্থা এমন হলো যে, তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি একটা কাজ করেছেন, অথচ তিনি তা করেননি। সেজন্যে তিনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করলেন। এরপর তিনি [‘আয়িশাহ(রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি জেনেছ কি? আমি যে বিষয়টা আল্লাহ্র নিকট হতে জানতে চেয়েছিলাম, তা তিনি আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তা কী? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নের মধ্যে) আমার নিকট দু’জন লোক আসলেন এবং একজন আমার মাথার কাছে, আরেক জন আমার দু’পায়ের কাছে বসলেন। তারপর একজন তার সাথীকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ লোকের রোগটা কী? তখন অপরজন বললেনঃ তিনি যাদুগ্রস্ত। আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তাকে কে যাদু করেছে? অপরজন বললেনঃ লাবীদ ইবনু আ’সাম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তা কিসের মধ্যে করেছ। তিনি বললেন, চিরুনী, ছেঁড়া চুল ও কাঁচা খেজুর গাছের খোসার মধ্যে। আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কোথায়? তিনি বললেনঃ যুরাইক গোত্রের ‘যারওয়ান’ কূপের মধ্যে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে গেলেন (তা বের করিয়ে নিয়ে) ‘আয়িশাহ্র কাছে ফিরে এসে বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! সেই কূপের পানি যেন মেন্দি তলানি পানি এবং এর খেজুর গাছগুলো ঠিক যেন শয়তানের মাথা। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে তাঁর কাছে কূপের বিস্তারিত বর্ণনা দিলেন। তখন আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি এ বিষয়টি লোকেদের মাঝে প্রকাশ করে দিলেন না কেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তো আমাকে রোগমুক্ত করেছেন। সুতরাং আমি লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়ানো পছন্দ করি না। ‘ঈসা ইবনু ইউনুস ও লায়স (রহঃ)….. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –কে যাদু করা হলে তিনি বারবার দু’আ করলেন, এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণিত রয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৬)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর উপর যাদু করা হলো। অবস্থা এমন হলো যে, তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি একটা কাজ করেছেন, অথচ তিনি তা করেননি। সেজন্যে তিনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করলেন। এরপর তিনি [‘আয়িশাহ(রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি জেনেছ কি? আমি যে বিষয়টা আল্লাহ্র নিকট হতে জানতে চেয়েছিলাম, তা তিনি আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তা কী? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নের মধ্যে) আমার নিকট দু’জন লোক আসলেন এবং একজন আমার মাথার কাছে, আরেক জন আমার দু’পায়ের কাছে বসলেন। তারপর একজন তার সাথীকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ লোকের রোগটা কী? তখন অপরজন বললেনঃ তিনি যাদুগ্রস্ত। আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তাকে কে যাদু করেছে? অপরজন বললেনঃ লাবীদ ইবনু আ’সাম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তা কিসের মধ্যে করেছ। তিনি বললেন, চিরুনী, ছেঁড়া চুল ও কাঁচা খেজুর গাছের খোসার মধ্যে। আবার তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কোথায়? তিনি বললেনঃ যুরাইক গোত্রের ‘যারওয়ান’ কূপের মধ্যে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বর্ণনা করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে গেলেন (তা বের করিয়ে নিয়ে) ‘আয়িশাহ্র কাছে ফিরে এসে বললেনঃ আল্লাহ্র কসম! সেই কূপের পানি যেন মেন্দি তলানি পানি এবং এর খেজুর গাছগুলো ঠিক যেন শয়তানের মাথা। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে তাঁর কাছে কূপের বিস্তারিত বর্ণনা দিলেন। তখন আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি এ বিষয়টি লোকেদের মাঝে প্রকাশ করে দিলেন না কেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তো আমাকে রোগমুক্ত করেছেন। সুতরাং আমি লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়ানো পছন্দ করি না। ‘ঈসা ইবনু ইউনুস ও লায়স (রহঃ)….. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –কে যাদু করা হলে তিনি বারবার দু’আ করলেন, এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণিত রয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৬)
حدثنا إبراهيم بن منذر، حدثنا أنس بن عياض، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طب حتى إنه ليخيل إليه قد صنع الشىء وما صنعه، وإنه دعا ربه ثم قال " أشعرت أن الله قد أفتاني فيما استفتيته فيه ". فقالت عائشة فما ذاك يا رسول الله قال " جاءني رجلان فجلس أحدهما عند رأسي، والآخر عند رجلى فقال أحدهما لصاحبه ما وجع الرجل قال مطبوب. قال من طبه قال لبيد بن الأعصم. قال فيما ذا قال في مشط ومشاطة وجف طلعة. قال فأين هو قال في ذروان، وذروان بئر في بني زريق ". قالت فأتاها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم رجع إلى عائشة فقال " والله لكأن ماءها نقاعة الحناء، ولكأن نخلها رءوس الشياطين ". قالت فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرها عن البئر، فقلت يا رسول الله فهلا أخرجته قال " أما أنا فقد شفاني الله، وكرهت أن أثير على الناس شرا ". زاد عيسى بن يونس والليث عن هشام عن أبيه عن عائشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم فدعا ودعا وساق الحديث