সহিহ বুখারী > সফরের ইচ্ছা করলে কিংবা সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় দু‘আ।

সহিহ বুখারী ৬৩৮৫

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون، عابدون لربنا، حامدون، صدق الله وعده، ونصر عبده، وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন যুদ্ধ, হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ থেকে ফিরতেন, তখন প্রত্যেক উঁচু স্থানের উপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব, হাম্‌দও তাঁরই জন্য, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্‌কারী, ইবাদাতকারী, আপন প্রতিপালকের প্রশংসাকারী, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় ওয়াদা রক্ষা করেছেন। তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর শত্রু দলকে তিনি একাই প্রতিহত করেছেন।”[১৭৯৭; মুসলিম ১৫/৭৬, হাঃ ১৩৪৪, আহমাদ ৪৯৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩০)

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন যুদ্ধ, হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ থেকে ফিরতেন, তখন প্রত্যেক উঁচু স্থানের উপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। তারপর বলতেনঃ “আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব, হাম্‌দও তাঁরই জন্য, তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্‌কারী, ইবাদাতকারী, আপন প্রতিপালকের প্রশংসাকারী, আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় ওয়াদা রক্ষা করেছেন। তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর শত্রু দলকে তিনি একাই প্রতিহত করেছেন।”[১৭৯৭; মুসলিম ১৫/৭৬, হাঃ ১৩৪৪, আহমাদ ৪৯৬০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩০)

حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات، ثم يقول ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، آيبون تائبون، عابدون لربنا، حامدون، صدق الله وعده، ونصر عبده، وهزم الأحزاب وحده ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > বরের নিমিত্তে দু‘আ করা।

সহিহ বুখারী ৬৩৮৬

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال رأى النبي صلى الله عليه وسلم على عبد الرحمن بن عوف أثر صفرة فقال ‏"‏ مهيم ‏"‏‏.‏ أو ‏"‏ مه ‏"‏‏.‏ قال تزوجت امرأة على وزن نواة من ذهب‏.‏ فقال ‏"‏ بارك الله لك أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফের গায়ে হলুদ রং দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ ব্যাপার কী? তিনি বললেনঃ আমি এক নারীকে বিয়ে করেছি এক টুকরো স্বর্ণের বিনিময়ে। তিনি দু‘আ করলেনঃ আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। একটা ছাগল দ্বারা হলেও তুমি ওয়ালীমা দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফের গায়ে হলুদ রং দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ ব্যাপার কী? তিনি বললেনঃ আমি এক নারীকে বিয়ে করেছি এক টুকরো স্বর্ণের বিনিময়ে। তিনি দু‘আ করলেনঃ আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। একটা ছাগল দ্বারা হলেও তুমি ওয়ালীমা দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩১)

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال رأى النبي صلى الله عليه وسلم على عبد الرحمن بن عوف أثر صفرة فقال ‏"‏ مهيم ‏"‏‏.‏ أو ‏"‏ مه ‏"‏‏.‏ قال تزوجت امرأة على وزن نواة من ذهب‏.‏ فقال ‏"‏ بارك الله لك أولم ولو بشاة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৮৭

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال هلك أبي وترك سبع ـ أو تسع ـ بنات، فتزوجت امرأة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تزوجت يا جابر ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بكرا أم ثيبا ‏"‏‏.‏ قلت ثيبا‏.‏ قال ‏"‏ هلا جارية تلاعبها وتلاعبك، أو تضاحكها وتضاحكك ‏"‏‏.‏ قلت هلك أبي فترك سبع ـ أو تسع ـ بنات، فكرهت أن أجيئهن بمثلهن، فتزوجت امرأة تقوم عليهن‏.‏ قال ‏"‏ فبارك الله عليك ‏"‏‏.‏ لم يقل ابن عيينة ومحمد بن مسلم عن عمرو ‏"‏ بارك الله عليك ‏"‏‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জাবির (রাঃ) বলেন, আমার আব্বা সাত অথবা নয়জন মেয়ে রেখে মারা যান। তারপর আমি এক নারীকে বিয়ে করি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললামঃ হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, সে নারী কুমারী না অকুমারী? আমি বললামঃ অকুমারী। তিনি বললেন, তুমি একজন কুমারী বিয়ে করলে না কেন? তা হলে তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে ক্রীড়া কৌতুক করত। আর তুমি তার সঙ্গে এবং সেও তোমার সঙ্গে হাসি-তামাশা করতো। আমি বললামঃ আমার পিতা সাত অথবা নয়জন মেয়ে রেখে মারা গেছেন। কাজেই আমি এটা পছন্দ করলাম না যে, তাদের মত কুমারী বিয়ে করে আনি। এজন্য আমি এমন এক নারীকে বিয়ে করেছি যে তাদের তত্ত্বাবধান করতে পারবে। তখন তিনি দু’আ করলেনঃ আল্লাহ! তোমাকে বারাকাত দান করুন। ইবনু ‘উয়াইনাহ ও মুহাম্মাদ বিন মুসলিম, ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে ‘আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দিন” কথাটি বলেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩২)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জাবির (রাঃ) বলেন, আমার আব্বা সাত অথবা নয়জন মেয়ে রেখে মারা যান। তারপর আমি এক নারীকে বিয়ে করি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললামঃ হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, সে নারী কুমারী না অকুমারী? আমি বললামঃ অকুমারী। তিনি বললেন, তুমি একজন কুমারী বিয়ে করলে না কেন? তা হলে তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে ক্রীড়া কৌতুক করত। আর তুমি তার সঙ্গে এবং সেও তোমার সঙ্গে হাসি-তামাশা করতো। আমি বললামঃ আমার পিতা সাত অথবা নয়জন মেয়ে রেখে মারা গেছেন। কাজেই আমি এটা পছন্দ করলাম না যে, তাদের মত কুমারী বিয়ে করে আনি। এজন্য আমি এমন এক নারীকে বিয়ে করেছি যে তাদের তত্ত্বাবধান করতে পারবে। তখন তিনি দু’আ করলেনঃ আল্লাহ! তোমাকে বারাকাত দান করুন। ইবনু ‘উয়াইনাহ ও মুহাম্মাদ বিন মুসলিম, ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে ‘আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দিন” কথাটি বলেননি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩২)

حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال هلك أبي وترك سبع ـ أو تسع ـ بنات، فتزوجت امرأة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تزوجت يا جابر ‏"‏‏.‏ قلت نعم‏.‏ قال ‏"‏ بكرا أم ثيبا ‏"‏‏.‏ قلت ثيبا‏.‏ قال ‏"‏ هلا جارية تلاعبها وتلاعبك، أو تضاحكها وتضاحكك ‏"‏‏.‏ قلت هلك أبي فترك سبع ـ أو تسع ـ بنات، فكرهت أن أجيئهن بمثلهن، فتزوجت امرأة تقوم عليهن‏.‏ قال ‏"‏ فبارك الله عليك ‏"‏‏.‏ لم يقل ابن عيينة ومحمد بن مسلم عن عمرو ‏"‏ بارك الله عليك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নিজ স্ত্রীর নিকট আসলে যে দু’আ বলবে।

সহিহ বুখারী ৬৩৮৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله، اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا، فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك، لم يضره شيطان أبدا ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হতে চাইলে সে বলবেঃ আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! আপনি আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে যা দান করেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন। তারপর তাদের এ মিলনের মাঝে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কক্ষনো ক্ষতি করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৩)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হতে চাইলে সে বলবেঃ আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! আপনি আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে যা দান করেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন। তারপর তাদের এ মিলনের মাঝে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কক্ষনো ক্ষতি করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৩)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله، اللهم جنبنا الشيطان، وجنب الشيطان ما رزقتنا، فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك، لم يضره شيطان أبدا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দু’আঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদের এ জগতে কল্যাণ দাও।

সহিহ বুখারী ৬৩৮৯

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس، قال كان أكثر دعاء النبي صلى الله عليه وسلم "‏ اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময়ই এ দু’আ পড়তেনঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে থেকে রক্ষা কর। (সূরা আল-বাকারাহ ২/২০১) [৪৫২২; মুসলিম ৪৮/৯, হাঃ ২৬৯০, আহমাদ ১৩৯৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময়ই এ দু’আ পড়তেনঃ হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নি থেকে থেকে রক্ষা কর। (সূরা আল-বাকারাহ ২/২০১) [৪৫২২; মুসলিম ৪৮/৯, হাঃ ২৬৯০, আহমাদ ১৩৯৩৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৩৪)

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس، قال كان أكثر دعاء النبي صلى الله عليه وسلم "‏ اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00