সহিহ বুখারী > কাপুরুষতা ও অলসতা হতে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা ।
সহিহ বুখারী ৬৩৬৯
حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان، قال حدثني عمرو بن أبي عمرو، قال سمعت أنسا، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والجبن والبخل، وضلع الدين، وغلبة الرجال ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন : হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই- দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণভার ও মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে।(আধুনিক প্রকাশনী-৫৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন : হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই- দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, কৃপণতা, ঋণভার ও মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে।(আধুনিক প্রকাশনী-৫৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৬)
حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان، قال حدثني عمرو بن أبي عمرو، قال سمعت أنسا، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والجبن والبخل، وضلع الدين، وغلبة الرجال ".
সহিহ বুখারী > কৃপণতা থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা ।
সহিহ বুখারী ৬৩৭০
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن مصعب بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص ـ رضى الله عنه ـ كان يأمر بهؤلاء الخمس، ويحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم إني أعوذ بك من البخل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك أن أرد إلى أرذل العمر، وأعوذ بك من فتنة الدنيا، وأعوذ بك من عذاب القبر ".
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি পাঁচটি কার্য থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকেই বর্ণনা করতেন। তিনি দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার বড় ফিত্না (দাজ্জালের ফিত্না) থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৭)
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি পাঁচটি কার্য থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিতেন এবং তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকেই বর্ণনা করতেন। তিনি দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কৃপণতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আশ্রয় চাচ্ছি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি দুনিয়ার বড় ফিত্না (দাজ্জালের ফিত্না) থেকে এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের শাস্তি হতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৭)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثني غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن مصعب بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص ـ رضى الله عنه ـ كان يأمر بهؤلاء الخمس، ويحدثهن عن النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم إني أعوذ بك من البخل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك أن أرد إلى أرذل العمر، وأعوذ بك من فتنة الدنيا، وأعوذ بك من عذاب القبر ".
সহিহ বুখারী > বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা ।
সহিহ বুখারী ৬৩৭১
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ يقول " اللهم إني أعوذ بك من الكسل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك من الهرم، وأعوذ بك من البخل ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন : হে আল্লাহ্! আমি অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে এবং আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন : হে আল্লাহ্! আমি অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে এবং আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৮)
حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ يقول " اللهم إني أعوذ بك من الكسل، وأعوذ بك من الجبن، وأعوذ بك من الهرم، وأعوذ بك من البخل ".
সহিহ বুখারী > মহামারি ও রোগ যন্ত্রণা বিদূরিত হবার জন্য দু'আ ।
সহিহ বুখারী ৬৩৭২
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم حبب إلينا المدينة، كما حببت إلينا مكة أو أشد، وانقل حماها إلى الجحفة، اللهم بارك لنا في مدنا وصاعنا ".
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্! আপনি যেভাবে মক্কাকে আমাদের জন্য প্রিয় করে দিয়েছেন, মাদীনাহ্কেও সেভাবে অথবা এর চেয়েও অধিক আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন। আর মাদীনাহ্র জ্বর ‘জুহফা’র দিকে সরিয়ে দিন। হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের মাপের ও ওযনের পাত্রে বারাকাত দান করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৯)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্! আপনি যেভাবে মক্কাকে আমাদের জন্য প্রিয় করে দিয়েছেন, মাদীনাহ্কেও সেভাবে অথবা এর চেয়েও অধিক আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন। আর মাদীনাহ্র জ্বর ‘জুহফা’র দিকে সরিয়ে দিন। হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের মাপের ও ওযনের পাত্রে বারাকাত দান করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১৯)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم حبب إلينا المدينة، كما حببت إلينا مكة أو أشد، وانقل حماها إلى الجحفة، اللهم بارك لنا في مدنا وصاعنا ".
সহিহ বুখারী ৬৩৭৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا إبراهيم بن سعد، أخبرنا ابن شهاب، عن عامر بن سعد، أن أباه، قال عادني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع من شكوى، أشفيت منها على الموت، فقلت يا رسول الله بلغ بي ما ترى من الوجع، وأنا ذو مال، ولا يرثني إلا ابنة لي واحدة، أفأتصدق بثلثى مالي قال " لا ". قلت فبشطره قال " الثلث كثير، إنك أن تذر ورثتك أغنياء، خير من أن تذرهم عالة يتكففون الناس، وإنك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله، إلا أجرت، حتى ما تجعل في في امرأتك ". قلت أأخلف بعد أصحابي قال " إنك لن تخلف فتعمل عملا تبتغي به وجه الله، إلا ازددت درجة ورفعة ولعلك تخلف حتى ينتفع بك أقوام، ويضر بك آخرون، اللهم أمض لأصحابي هجرتهم، ولا تردهم على أعقابهم، لكن البائس سعد ابن خولة ". قال سعد رثى له النبي صلى الله عليه وسلم من أن توفي بمكة.
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জের সময় আমি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হয়ে পড়ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে সময় আমাকে দেখতে এলেন। তখন আমি বললাম : আমি যে রোগাক্রান্ত, তাতো আপনি দেখছেন। আমি একজন বিত্তবান লোক। আমার এক মেয়ে ব্যতীত কোন ওয়ারিস নেই। তাই আমি কি আমার দু' তৃতীয়াংশ মাল সদাকাহ করে দিতে পারি? তিনি বললেনঃনা। আমি বললাম: তবে অর্ধেক মাল? তিনি বললেনঃনা। এক তৃতীয়াংশ অনেক। তোমার ওয়ারিশদের মানুষের কাছে ভিক্ষার হাত বাড়ানোর মত অভাবী রেখে যাবার চেয়ে তাদের বিত্তবান রেখে যাওয়া তোমার জন্য অনেক উত্তম। আর তুমি একমাত্র আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছুই ব্যয় করবে নিশ্চয়ই তার প্রতিদান দেয়া হবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লুক্মাটি তুলে দিয়ে থাকো, তোমাকে এর প্রতিদান দেয়া হবে। আমি বললাম: তা হলে আমার সঙ্গীগণের পরেও কি আমি বেঁচে থাকবো? তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি এঁদের পরে বেঁচে থাকলে তুমি আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছু নেক 'আমাল করো না কেন, এর বদলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান আরও বেড়ে যাবে। আশা করা যায় যে, তুমি আরও কিছু দিন বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা অনেক কাওম উপকৃত হবে। আর অনেক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারপর তিনি দু'আ করলেন : হে আল্লাহ্! আপনি আমার সাহাবীগণের হিজরাতকে বহাল রাখুন। আর তাদের পেছনে ফিরে যেতে দেবেন না। কিন্তু সা'দ ইবনু খাওলাহ (রাঃ) এর দুর্ভাগ্য (কারণ তিনি বিদায় হাজ্জের সময় মক্কায় মারা যান) সা'দ (রাঃ) বলেনঃ মক্কায় তাঁর মৃত্যু হওয়ায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২০)
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জের সময় আমি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হয়ে পড়ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে সময় আমাকে দেখতে এলেন। তখন আমি বললাম : আমি যে রোগাক্রান্ত, তাতো আপনি দেখছেন। আমি একজন বিত্তবান লোক। আমার এক মেয়ে ব্যতীত কোন ওয়ারিস নেই। তাই আমি কি আমার দু' তৃতীয়াংশ মাল সদাকাহ করে দিতে পারি? তিনি বললেনঃনা। আমি বললাম: তবে অর্ধেক মাল? তিনি বললেনঃনা। এক তৃতীয়াংশ অনেক। তোমার ওয়ারিশদের মানুষের কাছে ভিক্ষার হাত বাড়ানোর মত অভাবী রেখে যাবার চেয়ে তাদের বিত্তবান রেখে যাওয়া তোমার জন্য অনেক উত্তম। আর তুমি একমাত্র আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছুই ব্যয় করবে নিশ্চয়ই তার প্রতিদান দেয়া হবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লুক্মাটি তুলে দিয়ে থাকো, তোমাকে এর প্রতিদান দেয়া হবে। আমি বললাম: তা হলে আমার সঙ্গীগণের পরেও কি আমি বেঁচে থাকবো? তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই তুমি এঁদের পরে বেঁচে থাকলে তুমি আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যা কিছু নেক 'আমাল করো না কেন, এর বদলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান আরও বেড়ে যাবে। আশা করা যায় যে, তুমি আরও কিছু দিন বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা অনেক কাওম উপকৃত হবে। আর অনেক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারপর তিনি দু'আ করলেন : হে আল্লাহ্! আপনি আমার সাহাবীগণের হিজরাতকে বহাল রাখুন। আর তাদের পেছনে ফিরে যেতে দেবেন না। কিন্তু সা'দ ইবনু খাওলাহ (রাঃ) এর দুর্ভাগ্য (কারণ তিনি বিদায় হাজ্জের সময় মক্কায় মারা যান) সা'দ (রাঃ) বলেনঃ মক্কায় তাঁর মৃত্যু হওয়ায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮২০)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا إبراهيم بن سعد، أخبرنا ابن شهاب، عن عامر بن سعد، أن أباه، قال عادني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع من شكوى، أشفيت منها على الموت، فقلت يا رسول الله بلغ بي ما ترى من الوجع، وأنا ذو مال، ولا يرثني إلا ابنة لي واحدة، أفأتصدق بثلثى مالي قال " لا ". قلت فبشطره قال " الثلث كثير، إنك أن تذر ورثتك أغنياء، خير من أن تذرهم عالة يتكففون الناس، وإنك لن تنفق نفقة تبتغي بها وجه الله، إلا أجرت، حتى ما تجعل في في امرأتك ". قلت أأخلف بعد أصحابي قال " إنك لن تخلف فتعمل عملا تبتغي به وجه الله، إلا ازددت درجة ورفعة ولعلك تخلف حتى ينتفع بك أقوام، ويضر بك آخرون، اللهم أمض لأصحابي هجرتهم، ولا تردهم على أعقابهم، لكن البائس سعد ابن خولة ". قال سعد رثى له النبي صلى الله عليه وسلم من أن توفي بمكة.