সহিহ বুখারী > নবী ব্যতীত অন্য কারো উপর দরূদ পড়া যায় কিনা?

সহিহ বুখারী ৬৩৫৯

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي أوفى، قال كان إذا أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم بصدقته قال ‏"‏ اللهم صل عليه‏"‏ فأتاه أبي بصدقته فقال ‏"‏ اللهم صل على آل أبي أوفى‏"‏

সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) থেকে আবূ আওফা (রাঃ) বর্ণনা করেন। যখন কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট তার সদাকাহ নিয়ে আসতেন, তখন তিনি দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্‌! আপনি তার উপর রাহমাত নাযিল করুন। আমার পিতা একদিন সদাকাহ নিয়ে তাঁর কাছে এলে তিনি দু'আ করলেন : হে আল্লাহ্‌! আপনি আবূ আওফার পরিবারবর্গের উপর রাহমাত বর্ষণ করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৩,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৬)

সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) থেকে আবূ আওফা (রাঃ) বর্ণনা করেন। যখন কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট তার সদাকাহ নিয়ে আসতেন, তখন তিনি দু'আ করতেন : হে আল্লাহ্‌! আপনি তার উপর রাহমাত নাযিল করুন। আমার পিতা একদিন সদাকাহ নিয়ে তাঁর কাছে এলে তিনি দু'আ করলেন : হে আল্লাহ্‌! আপনি আবূ আওফার পরিবারবর্গের উপর রাহমাত বর্ষণ করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৩,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৬)

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي أوفى، قال كان إذا أتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم بصدقته قال ‏"‏ اللهم صل عليه‏"‏ فأتاه أبي بصدقته فقال ‏"‏ اللهم صل على آل أبي أوفى‏"‏


সহিহ বুখারী ৬৩৬০

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، قال أخبرني أبو حميد الساعدي، أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك قال ‏ "‏ قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته، كما صليت على آل إبراهيم، وبارك على محمد وأزواجه وذريته، كما باركت على آل إبراهيم، إنك حميد مجيد ‏"‏‏.‏

আবূ হুমায়দ সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার লোকেরা বলল : হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনার উপর কীভাবে সালাত পাঠ করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা পড়বে, হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদের ও তাঁর স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততি উপর রাহমাত অবতীর্ণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর রাহমাত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করুন, যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন। আপনি অতি প্রশংসিত, উচ্চ মর্যাদাশীল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৭)

আবূ হুমায়দ সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার লোকেরা বলল : হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনার উপর কীভাবে সালাত পাঠ করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা পড়বে, হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদের ও তাঁর স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততি উপর রাহমাত অবতীর্ণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর রাহমাত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করুন, যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন। আপনি অতি প্রশংসিত, উচ্চ মর্যাদাশীল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৭)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، قال أخبرني أبو حميد الساعدي، أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك قال ‏ "‏ قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته، كما صليت على آل إبراهيم، وبارك على محمد وأزواجه وذريته، كما باركت على آل إبراهيم، إنك حميد مجيد ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী এর বাণী : হে আল্লাহ্‌! আমি যাকে কষ্ট দিয়েছি, সে কষ্ট তার চিত্তশুদ্ধির উপায় এবং তার জন্য রহমাতে পরিণত করুন ।

সহিহ বুখারী ৬৩৬১

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم فأيما مؤمن سببته فاجعل ذلك له قربة إليك يوم القيامة ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী কে এ দু'আ করতে শুনেছেন : হে আল্লাহ্‌! যদি আমি কোন মু'মিন লোককে খারাপ বলে থাকি, তবে আপনি সেটাকে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আপনার নৈকট্য অর্জনের উপায় বানিয়ে দিন।[মুসলিম ৪৫/২৫, হাঃ ২৬০১]আধুনিক প্রকাশনী-৫৯১৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী কে এ দু'আ করতে শুনেছেন : হে আল্লাহ্‌! যদি আমি কোন মু'মিন লোককে খারাপ বলে থাকি, তবে আপনি সেটাকে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আপনার নৈকট্য অর্জনের উপায় বানিয়ে দিন।[মুসলিম ৪৫/২৫, হাঃ ২৬০১]আধুনিক প্রকাশনী-৫৯১৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৮)

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ اللهم فأيما مؤمن سببته فاجعل ذلك له قربة إليك يوم القيامة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ফিত্‌না থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা ।

সহিহ বুখারী ৬৩৬২

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحفوه المسألة فغضب فصعد المنبر فقال ‏"‏ لا تسألوني اليوم عن شىء إلا بينته لكم ‏"‏‏.‏ فجعلت أنظر يمينا وشمالا، فإذا كل رجل لاف رأسه في ثوبه يبكي، فإذا رجل كان إذا لاحى الرجال يدعى لغير أبيه فقال يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ حذافة ‏"‏، ثم أنشأ عمر فقال رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا، نعوذ بالله من الفتن‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما رأيت في الخير والشر كاليوم قط، إنه صورت لي الجنة والنار حتى رأيتهما وراء الحائط ‏"‏‏.‏ وكان قتادة يذكر عند الحديث هذه الآية ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم‏}‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে লাগল, এমনকি প্রশ্ন ক'রে তাঁকে বিরক্ত করে ফেললো। এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং মিম্বারে আরোহণ করে বললেনঃ আজ তোমরা যত প্রশ্ন করবে আমি তোমাদের সকল প্রশ্নেরই ব্যাখ্যা সহকারে জবাব দিব। এ সময় আমি ডানে ও বামে তাকাতে লাগলাম এবং দেখলাম যে, প্রতিটি লোকই নিজের কাপড় দিয়ে মাথা পেচিয়ে কাঁদছেন। এমন সময় একজন লোক, যাকে লোকের সঙ্গে বিবাদের সময় তার বাপের নাম নিয়ে ডাকা হতো না, সে প্রশ্ন করলো : হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ হুযাইফাহ। তখন 'উমার (রাঃ) বলতে লাগলেন : আমরা আল্লাহ্‌র রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রসূল হিসেবে গ্রহণ করেই সন্তুষ্ট। আমরা ফিত্‌না থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তখন রসূলুল্লাহ বললেনঃ আমি ভাল মন্দের যে দৃশ্য আজ দেখলাম, তা আর কখনও দেখিনি। জান্নাত ও জাহান্নামের দৃশ্য আমাকে এত পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে যে, যেন এ দু'টি এ দেয়ালের পশ্চাতেই অবস্থিত। রাবী ক্বাতাদাহ (রহঃ) এ হাদীস উল্লেখ করার সময় এ আয়াতটি পড়তেন- (অর্থ) : হে মু'মিনগণ! তোমরা সে সব বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা প্রকাশিত হলে তোমরা দুঃখিত হবে। [৯৩; মুসলিম ৪৩/৩৭, হাঃ ২৩৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে লাগল, এমনকি প্রশ্ন ক'রে তাঁকে বিরক্ত করে ফেললো। এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং মিম্বারে আরোহণ করে বললেনঃ আজ তোমরা যত প্রশ্ন করবে আমি তোমাদের সকল প্রশ্নেরই ব্যাখ্যা সহকারে জবাব দিব। এ সময় আমি ডানে ও বামে তাকাতে লাগলাম এবং দেখলাম যে, প্রতিটি লোকই নিজের কাপড় দিয়ে মাথা পেচিয়ে কাঁদছেন। এমন সময় একজন লোক, যাকে লোকের সঙ্গে বিবাদের সময় তার বাপের নাম নিয়ে ডাকা হতো না, সে প্রশ্ন করলো : হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ হুযাইফাহ। তখন 'উমার (রাঃ) বলতে লাগলেন : আমরা আল্লাহ্‌র রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে রসূল হিসেবে গ্রহণ করেই সন্তুষ্ট। আমরা ফিত্‌না থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তখন রসূলুল্লাহ বললেনঃ আমি ভাল মন্দের যে দৃশ্য আজ দেখলাম, তা আর কখনও দেখিনি। জান্নাত ও জাহান্নামের দৃশ্য আমাকে এত পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে যে, যেন এ দু'টি এ দেয়ালের পশ্চাতেই অবস্থিত। রাবী ক্বাতাদাহ (রহঃ) এ হাদীস উল্লেখ করার সময় এ আয়াতটি পড়তেন- (অর্থ) : হে মু'মিনগণ! তোমরা সে সব বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা প্রকাশিত হলে তোমরা দুঃখিত হবে। [৯৩; মুসলিম ৪৩/৩৭, হাঃ ২৩৫৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৯)

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحفوه المسألة فغضب فصعد المنبر فقال ‏"‏ لا تسألوني اليوم عن شىء إلا بينته لكم ‏"‏‏.‏ فجعلت أنظر يمينا وشمالا، فإذا كل رجل لاف رأسه في ثوبه يبكي، فإذا رجل كان إذا لاحى الرجال يدعى لغير أبيه فقال يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ حذافة ‏"‏، ثم أنشأ عمر فقال رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا، نعوذ بالله من الفتن‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما رأيت في الخير والشر كاليوم قط، إنه صورت لي الجنة والنار حتى رأيتهما وراء الحائط ‏"‏‏.‏ وكان قتادة يذكر عند الحديث هذه الآية ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মানুষের প্রভাবাধীন হওয়া থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা ।

সহিহ বুখারী ৬৩৬৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن أبي عمرو، مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طلحة ‏"‏ التمس لنا غلاما من غلمانكم يخدمني ‏"‏‏.‏ فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه، فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل، فكنت أسمعه يكثر أن يقول ‏"‏ اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والبخل والجبن، وضلع الدين، وغلبة الرجال ‏"‏‏.‏ فلم أزل أخدمه حتى أقبلنا من خيبر، وأقبل بصفية بنت حيى قد حازها، فكنت أراه يحوي وراءه بعباءة أو كساء ثم يردفها وراءه حتى إذا كنا بالصهباء صنع حيسا في نطع، ثم أرسلني فدعوت رجالا فأكلوا، وكان ذلك بناءه بها، ثم أقبل حتى بدا له أحد قال ‏"‏ هذا جبيل يحبنا ونحبه ‏"‏‏.‏ فلما أشرف على المدينة قال ‏"‏ اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به إبراهيم مكة، اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ) কে বললেনঃ তুমি তোমাদের ছেলেদের ভিতর থেকে আমার খিদমাত করার উদ্দেশে একটি ছেলে খুঁজে নিয়ে এসো। আবূ ত্বলহা (রাঃ) গিয়ে আমাকে তাঁর সাওয়ারীর পিছনে বসিয়ে নিয়ে এলেন। তখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর খিদমাত করে আসছি। যখনই কোন বিপদ দেখা দিত, তখন আমি তাঁকে অধিক করে এ দু'আ পড়তে শুনতাম : হে আল্লাহ্‌! আমি দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের আধিপত্য থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি সর্বদা তাঁর খিদমাত করে আসছি, এমনকি যখন আমরা খাইবার থেকে প্রত্যাবর্তন করছিলাম, তখন তিনি সফীয়্যাহ বিন্‌তু হুয়াইকে সঙ্গে নিয়ে আসলেন। তিনি তাঁকে গনীমতের সম্পদ থেকে নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখছিলাম যে, তিনি তাঁকে একখানা চাদর অথবা একখানা কম্বল দিয়ে ঢেকে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। যখন আমরা সবাই সাহ্‌বা নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন আমরা 'হাইস' নামীয় খাবার তৈরী ক'রে একটি চর্মের দস্তরখানে রাখলাম। তিনি আমাকে পাঠালে আমি গিয়ে কয়েকজনকে দা'ওয়াত করলাম। তাঁরা এসে আহার করে গেলেন। এটি ছিল সফীয়্যাহ্‌র সঙ্গে তাঁর বাসর যাপন। অতঃপর তিনি রওয়ানা হলে উহুদ পর্বত তাঁর সামনে দেখা গেল। তখন তিনি বললেনঃ এ এমন একটি পর্বত যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি। তারপর যখন মাদীনাহ্‌র কাছে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি মাদীনাহ্‌র দু'টি পর্বতের মধ্যবর্তী জায়গাকে হারাম (ঘোষণা) করছি, যে রকম ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম (ঘোষণা) করেছিলেন। হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদের মুদ্দ ও সা'তে বারাকাত দান করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ) কে বললেনঃ তুমি তোমাদের ছেলেদের ভিতর থেকে আমার খিদমাত করার উদ্দেশে একটি ছেলে খুঁজে নিয়ে এসো। আবূ ত্বলহা (রাঃ) গিয়ে আমাকে তাঁর সাওয়ারীর পিছনে বসিয়ে নিয়ে এলেন। তখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর খিদমাত করে আসছি। যখনই কোন বিপদ দেখা দিত, তখন আমি তাঁকে অধিক করে এ দু'আ পড়তে শুনতাম : হে আল্লাহ্‌! আমি দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অপারগতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের আধিপত্য থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি সর্বদা তাঁর খিদমাত করে আসছি, এমনকি যখন আমরা খাইবার থেকে প্রত্যাবর্তন করছিলাম, তখন তিনি সফীয়্যাহ বিন্‌তু হুয়াইকে সঙ্গে নিয়ে আসলেন। তিনি তাঁকে গনীমতের সম্পদ থেকে নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে দেখছিলাম যে, তিনি তাঁকে একখানা চাদর অথবা একখানা কম্বল দিয়ে ঢেকে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। যখন আমরা সবাই সাহ্‌বা নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন আমরা 'হাইস' নামীয় খাবার তৈরী ক'রে একটি চর্মের দস্তরখানে রাখলাম। তিনি আমাকে পাঠালে আমি গিয়ে কয়েকজনকে দা'ওয়াত করলাম। তাঁরা এসে আহার করে গেলেন। এটি ছিল সফীয়্যাহ্‌র সঙ্গে তাঁর বাসর যাপন। অতঃপর তিনি রওয়ানা হলে উহুদ পর্বত তাঁর সামনে দেখা গেল। তখন তিনি বললেনঃ এ এমন একটি পর্বত যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি। তারপর যখন মাদীনাহ্‌র কাছে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি মাদীনাহ্‌র দু'টি পর্বতের মধ্যবর্তী জায়গাকে হারাম (ঘোষণা) করছি, যে রকম ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম (ঘোষণা) করেছিলেন। হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদের মুদ্দ ও সা'তে বারাকাত দান করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮১০)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن أبي عمرو، مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طلحة ‏"‏ التمس لنا غلاما من غلمانكم يخدمني ‏"‏‏.‏ فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه، فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل، فكنت أسمعه يكثر أن يقول ‏"‏ اللهم إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والبخل والجبن، وضلع الدين، وغلبة الرجال ‏"‏‏.‏ فلم أزل أخدمه حتى أقبلنا من خيبر، وأقبل بصفية بنت حيى قد حازها، فكنت أراه يحوي وراءه بعباءة أو كساء ثم يردفها وراءه حتى إذا كنا بالصهباء صنع حيسا في نطع، ثم أرسلني فدعوت رجالا فأكلوا، وكان ذلك بناءه بها، ثم أقبل حتى بدا له أحد قال ‏"‏ هذا جبيل يحبنا ونحبه ‏"‏‏.‏ فلما أشرف على المدينة قال ‏"‏ اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به إبراهيم مكة، اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00