সহিহ বুখারী > বিপদের সময় দু'আ করা।

সহিহ বুখারী ৬৩৪৫

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يدعو عند الكرب ‏ "‏ لا إله إلا الله العظيم الحليم، لا إله إلا الله رب السموات والأرض، رب العرش العظيم ‏"‏‏.‏

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিপদের সময় এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই আসমান যমীনের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু। [৬৩৪৬, ৭৪২৬, ৭৪৩১; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯২)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিপদের সময় এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই আসমান যমীনের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু। [৬৩৪৬, ৭৪২৬, ৭৪৩১; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯২)

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يدعو عند الكرب ‏ "‏ لا إله إلا الله العظيم الحليم، لا إله إلا الله رب السموات والأرض، رب العرش العظيم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৪৬

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن هشام بن أبي عبد الله، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول عند الكرب ‏ "‏ لا إله إلا الله العظيم الحليم، لا إله إلا الله رب العرش العظيم، لا إله إلا الله رب السموات، ورب الأرض، ورب العرش الكريم ‏"‏‏.‏ وقال وهب حدثنا شعبة عن قتادة مثله‏.‏

মুসান্নাদ (রহঃ) ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিপদের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, যিনি অতি উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ও অশেষ ধৈর্যশীল, আরশে আযীমের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। আসমান যমীনের প্রতিপালক ও সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। [৬৩৪৫; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৩)

মুসান্নাদ (রহঃ) ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিপদের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দু'আ পড়তেনঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, যিনি অতি উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ও অশেষ ধৈর্যশীল, আরশে আযীমের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। আসমান যমীনের প্রতিপালক ও সম্মানিত আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। [৬৩৪৫; মুসলিম ৪৮/২১, হাঃ ২৭৩০, আহমাদ ৩৩৫৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৩)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن هشام بن أبي عبد الله، عن قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول عند الكرب ‏ "‏ لا إله إلا الله العظيم الحليم، لا إله إلا الله رب العرش العظيم، لا إله إلا الله رب السموات، ورب الأرض، ورب العرش الكريم ‏"‏‏.‏ وقال وهب حدثنا شعبة عن قتادة مثله‏.‏


সহিহ বুখারী > ভীষণ বিপদ থেকে আশ্রয় চাওয়া।

সহিহ বুখারী ৬৩৪৭

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ من جهد البلاء، ودرك الشقاء، وسوء القضاء، وشماتة الأعداء‏.‏ قال سفيان الحديث ثلاث زدت أنا واحدة، لا أدري أيتهن هي‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইলেন। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ)-এর হাদীসে তিনটি বিষয়ের উল্লেখ আছে। একটি আমি বৃদ্ধি করেছি। জানি না তা এগুলোর কোন্‌টি।[৬৬১৬; মুসলিম ৪৮/১৬, হাঃ ২৭০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০১ ,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইলেন। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ)-এর হাদীসে তিনটি বিষয়ের উল্লেখ আছে। একটি আমি বৃদ্ধি করেছি। জানি না তা এগুলোর কোন্‌টি।[৬৬১৬; মুসলিম ৪৮/১৬, হাঃ ২৭০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০১ ,ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৪)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثني سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ من جهد البلاء، ودرك الشقاء، وسوء القضاء، وشماتة الأعداء‏.‏ قال سفيان الحديث ثلاث زدت أنا واحدة، لا أدري أيتهن هي‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর দু'আ আল্লাহুম্মা রাফীকাল 'আলা।

সহিহ বুখারী ৬৩৪৮

حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وعروة بن الزبير، في رجال من أهل العلم أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وهو صحيح ‏"‏ لن يقبض نبي قط حتى يرى مقعده من الجنة ثم يخير ‏"‏‏.‏ فلما نزل به ورأسه على فخذي، غشي عليه ساعة، ثم أفاق فأشخص بصره إلى السقف ثم قال ‏"‏ اللهم الرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏ قلت إذا لا يختارنا، وعلمت أنه الحديث الذي كان يحدثنا، وهو صحيح‏.‏ قالت فكانت تلك آخر كلمة تكلم بها ‏"‏ اللهم الرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুস্থাবস্থায় বলতেনঃ জান্নাতের জায়গা না দেখিয়ে কোন নবীর জান কব্‌য করা হয় না, যতক্ষণ না তাঁকে তাঁর বাসস্থান দেখানো হয় এবং তাঁকে ইখ্‌তিকার দেয়া হয় (দুনিয়া বা আখিরাত গ্রহণ করার)। এরপর যখন তাঁর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো, তখন তাঁর মাথাটা আমার উরুর উপর ছিল। কিছুক্ষণ অজ্ঞান থাকার পর তাঁর জ্ঞান ফিরে এলো। তখন তিনি ছাদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ "আল্লাহুম্মা রাফীকাল 'আলা" হে আল্লাহ! আমি রাফীকে 'আলা (শ্রেষ্ঠ বন্ধু)-কে গ্রহণ করলাম। আমি বললামঃ এখন থেকে তিনি আর আমাদের পছন্দ করবেন না। আর এটাও বুঝতে পারলাম যে, তিনি সুস্থ অবস্থায় আমাদের নিকট যা বলতেন এটি তাই। আর তা সঠিক। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এটি ছিল তাঁর সর্বশেষ বাক্য যা তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি শ্রেষ্ঠ বন্ধু গ্রহণ করলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৫)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুস্থাবস্থায় বলতেনঃ জান্নাতের জায়গা না দেখিয়ে কোন নবীর জান কব্‌য করা হয় না, যতক্ষণ না তাঁকে তাঁর বাসস্থান দেখানো হয় এবং তাঁকে ইখ্‌তিকার দেয়া হয় (দুনিয়া বা আখিরাত গ্রহণ করার)। এরপর যখন তাঁর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো, তখন তাঁর মাথাটা আমার উরুর উপর ছিল। কিছুক্ষণ অজ্ঞান থাকার পর তাঁর জ্ঞান ফিরে এলো। তখন তিনি ছাদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ "আল্লাহুম্মা রাফীকাল 'আলা" হে আল্লাহ! আমি রাফীকে 'আলা (শ্রেষ্ঠ বন্ধু)-কে গ্রহণ করলাম। আমি বললামঃ এখন থেকে তিনি আর আমাদের পছন্দ করবেন না। আর এটাও বুঝতে পারলাম যে, তিনি সুস্থ অবস্থায় আমাদের নিকট যা বলতেন এটি তাই। আর তা সঠিক। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এটি ছিল তাঁর সর্বশেষ বাক্য যা তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি শ্রেষ্ঠ বন্ধু গ্রহণ করলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৫)

حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وعروة بن الزبير، في رجال من أهل العلم أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وهو صحيح ‏"‏ لن يقبض نبي قط حتى يرى مقعده من الجنة ثم يخير ‏"‏‏.‏ فلما نزل به ورأسه على فخذي، غشي عليه ساعة، ثم أفاق فأشخص بصره إلى السقف ثم قال ‏"‏ اللهم الرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏ قلت إذا لا يختارنا، وعلمت أنه الحديث الذي كان يحدثنا، وهو صحيح‏.‏ قالت فكانت تلك آخر كلمة تكلم بها ‏"‏ اللهم الرفيق الأعلى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মৃত্যু আর জীবনের জন্য দু'আ করা।

সহিহ বুখারী ৬৩৪৯

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، عن قيس، قال أتيت خبابا وقد اكتوى سبعا قال لولا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به‏.‏

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি লোহা গরম করে শরীরে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তিনি বললেনঃ যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে মৃত্যুর জন্য দু'আ করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি এজন্য দু'আ করতাম।[৫৬৭২; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮১, আহমাদ ৮১৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৬)

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি লোহা গরম করে শরীরে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তিনি বললেনঃ যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে মৃত্যুর জন্য দু'আ করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি এজন্য দু'আ করতাম।[৫৬৭২; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮১, আহমাদ ৮১৯৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৬)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، عن قيس، قال أتيت خبابا وقد اكتوى سبعا قال لولا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৫০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، قال أتيت خبابا وقد اكتوى سبعا في بطنه فسمعته يقول لولا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به‏.‏

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কায়স (রহঃ) বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। তিনি তাঁর পেটে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যদি আমদের মৃত্যুর জন্য দু'আ করতে নিষধ না করতেন, তবে আমি এজন্য দু'আ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৭)

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কায়স (রহঃ) বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। তিনি তাঁর পেটে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যদি আমদের মৃত্যুর জন্য দু'আ করতে নিষধ না করতেন, তবে আমি এজন্য দু'আ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৭)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، قال حدثني قيس، قال أتيت خبابا وقد اكتوى سبعا في بطنه فسمعته يقول لولا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৫১

حدثنا ابن سلام، أخبرنا إسماعيل ابن علية، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يتمنين أحد منكم الموت لضر نزل به، فإن كان لا بد متمنيا للموت فليقل اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي، وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর কেউ যদি এমন অবস্থায় পড়ে যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে দু'আ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর হয়, ততদিন আমাকে জীবিত রাখো, আর যখন আমার জন্য মৃত্যুই কল্যাণকর হয় তখন আমার মৃত্যু দাও।[৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০, আহমাদ ১১৯৭৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর কেউ যদি এমন অবস্থায় পড়ে যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে দু'আ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর হয়, ততদিন আমাকে জীবিত রাখো, আর যখন আমার জন্য মৃত্যুই কল্যাণকর হয় তখন আমার মৃত্যু দাও।[৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০, আহমাদ ১১৯৭৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৮)

حدثنا ابن سلام، أخبرنا إسماعيل ابن علية، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يتمنين أحد منكم الموت لضر نزل به، فإن كان لا بد متمنيا للموت فليقل اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي، وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00