সহিহ বুখারী > সালাতের পরে দু'আ। [২৩]

সহিহ বুখারী ৬৩৩০

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن منصور، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة إلى معاوية بن أبي سفيان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في دبر كل صلاة إذا سلم ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏‏.‏ وقال شعبة عن منصور قال سمعت المسيب‏.‏

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুগীরাহ (রাঃ) আবূ সুফ্‌ইয়ানের পুত্র মু'আবিয়াহ (রাঃ) -এর নিকট এক পত্রে লিখেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ আল্লাহ ব্যতীত আর কোন মা'বূদ নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। মূলক্‌ তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই। তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। হে আল্লাহ্‌ আপনি কাউকে যা দান করেন তাতে বাধা দেয়ার কেউ নেই। আর আপনি যাকে কোন কিছু দিতে বিরত থাকেন তাকে তা দেয়ার মতো কেউ নেই। ধনীর ধন তাকে তোমা হতে উপকার দিতে পারে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৮)

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুগীরাহ (রাঃ) আবূ সুফ্‌ইয়ানের পুত্র মু'আবিয়াহ (রাঃ) -এর নিকট এক পত্রে লিখেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ আল্লাহ ব্যতীত আর কোন মা'বূদ নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। মূলক্‌ তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই। তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। হে আল্লাহ্‌ আপনি কাউকে যা দান করেন তাতে বাধা দেয়ার কেউ নেই। আর আপনি যাকে কোন কিছু দিতে বিরত থাকেন তাকে তা দেয়ার মতো কেউ নেই। ধনীর ধন তাকে তোমা হতে উপকার দিতে পারে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن منصور، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة إلى معاوية بن أبي سفيان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في دبر كل صلاة إذا سلم ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏‏.‏ وقال شعبة عن منصور قال سمعت المسيب‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩২৯

حدثني إسحاق، أخبرنا يزيد، أخبرنا ورقاء، عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة،‏.‏ قالوا يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالدرجات والنعيم المقيم‏.‏ قال ‏"‏ كيف ذاك ‏"‏‏.‏ قال صلوا كما صلينا، وجاهدوا كما جاهدنا، وأنفقوا من فضول أموالهم، وليست لنا أموال‏.‏ قال ‏"‏ أفلا أخبركم بأمر تدركون من كان قبلكم، وتسبقون من جاء بعدكم، ولا يأتي أحد بمثل ما جئتم، إلا من جاء بمثله، تسبحون في دبر كل صلاة عشرا، وتحمدون عشرا، وتكبرون عشرا ‏"‏‏.‏ تابعه عبيد الله بن عمر عن سمى ورواه ابن عجلان عن سمى ورجاء بن حيوة‏.‏ ورواه جرير عن عبد العزيز بن رفيع عن أبي صالح عن أبي الدرداء‏.‏ ورواه سهيل عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গরীব সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! ধনী লোকেরা তো উচ্চমর্যাদা ও চিরস্থায়ী নি'য়ামত নিয়ে আমাদের থেকে এগিয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তা কেমন করে? তাঁরা বললেনঃ আমরা যে রকম সলাত আদায় করি, তাঁরাও সে রকম সলাত আদায় করেন। আমরা যেমন জিহাদ করি, তাঁরাও তেমন জিহাদ করেন এবং তাঁরাও তাদের অতিরিক্ত মাল দিয়ে সদাকাহ-খয়রাত করেন; কিন্তু আমাদের কাছে সম্পদ নেই। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের একটি 'আমাল বাতলে দেব না, যে 'আমাল দ্বারা তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের মর্যাদা লাভ করতে পারবে, আর তোমাদের পরবর্তীদের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারবে, আর তোমাদের মত 'আমাল কেউ করতে পারবে না, কেবলমাত্র যারা তোমাদের মত 'আমাল করবে তারা ব্যতীত। সে 'আমাল হলো তোমরা প্রত্যেক সালাতের পর ১০ বার 'সুবহানাল্লাহ', ১০ বার 'আলহামদু লিল্লাহ' এবং ১০ বার 'আল্লাহু আকবার' পাঠ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গরীব সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! ধনী লোকেরা তো উচ্চমর্যাদা ও চিরস্থায়ী নি'য়ামত নিয়ে আমাদের থেকে এগিয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তা কেমন করে? তাঁরা বললেনঃ আমরা যে রকম সলাত আদায় করি, তাঁরাও সে রকম সলাত আদায় করেন। আমরা যেমন জিহাদ করি, তাঁরাও তেমন জিহাদ করেন এবং তাঁরাও তাদের অতিরিক্ত মাল দিয়ে সদাকাহ-খয়রাত করেন; কিন্তু আমাদের কাছে সম্পদ নেই। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের একটি 'আমাল বাতলে দেব না, যে 'আমাল দ্বারা তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের মর্যাদা লাভ করতে পারবে, আর তোমাদের পরবর্তীদের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারবে, আর তোমাদের মত 'আমাল কেউ করতে পারবে না, কেবলমাত্র যারা তোমাদের মত 'আমাল করবে তারা ব্যতীত। সে 'আমাল হলো তোমরা প্রত্যেক সালাতের পর ১০ বার 'সুবহানাল্লাহ', ১০ বার 'আলহামদু লিল্লাহ' এবং ১০ বার 'আল্লাহু আকবার' পাঠ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৭)

حدثني إسحاق، أخبرنا يزيد، أخبرنا ورقاء، عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة،‏.‏ قالوا يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالدرجات والنعيم المقيم‏.‏ قال ‏"‏ كيف ذاك ‏"‏‏.‏ قال صلوا كما صلينا، وجاهدوا كما جاهدنا، وأنفقوا من فضول أموالهم، وليست لنا أموال‏.‏ قال ‏"‏ أفلا أخبركم بأمر تدركون من كان قبلكم، وتسبقون من جاء بعدكم، ولا يأتي أحد بمثل ما جئتم، إلا من جاء بمثله، تسبحون في دبر كل صلاة عشرا، وتحمدون عشرا، وتكبرون عشرا ‏"‏‏.‏ تابعه عبيد الله بن عمر عن سمى ورواه ابن عجلان عن سمى ورجاء بن حيوة‏.‏ ورواه جرير عن عبد العزيز بن رفيع عن أبي صالح عن أبي الدرداء‏.‏ ورواه سهيل عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ তুমি দু'আ করবে...... (সূরা আত্‌ তাওবাহ ৯/১০৩) আর যিনি নিজেকে বাদ দিয়ে কেবল নিজের ভাই-এর জন্য দু'আ করেন

সহিহ বুখারী ৬৩৩২

حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، عن عمرو، سمعت ابن أبي أوفى ـ رضى الله عنهما كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه رجل بصدقة قال ‏"‏ اللهم صل على آل فلان ‏"‏‏.‏ فأتاه أبي فقال ‏"‏ اللهم صل على آل أبي أوفى ‏"‏‏.‏

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বর্ণনা করতেন, যখন কেউ কোন সদাকাহ নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট আসতো তখন তিনি দু'আ করতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আপনি অমুকের পরিবারের উপর রহম অবতীর্ণ করেন। একবার আমার আব্বা তাঁর কাছে কিছু সদাকাহ নিয়ে এলে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আবূ আওফার পরিবারের উপর দয়া করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮০)

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) বর্ণনা করতেন, যখন কেউ কোন সদাকাহ নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট আসতো তখন তিনি দু'আ করতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আপনি অমুকের পরিবারের উপর রহম অবতীর্ণ করেন। একবার আমার আব্বা তাঁর কাছে কিছু সদাকাহ নিয়ে এলে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আবূ আওফার পরিবারের উপর দয়া করুন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮০)

حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، عن عمرو، سمعت ابن أبي أوفى ـ رضى الله عنهما كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه رجل بصدقة قال ‏"‏ اللهم صل على آل فلان ‏"‏‏.‏ فأتاه أبي فقال ‏"‏ اللهم صل على آل أبي أوفى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৩৪

حدثنا سعيد بن الربيع، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنسا، قال قالت أم سليم للنبي صلى الله عليه وسلم أنس خادمك‏.‏ قال ‏ "‏ اللهم أكثر ماله وولده، وبارك له فيما أعطيته ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বললেনঃ আনাস তো আপনারই খাদিম। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দিন এবং আপনি তাকে যা কিছু দান করেছেন, তাতে বারাকাত দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বললেনঃ আনাস তো আপনারই খাদিম। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তার সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দিন এবং আপনি তাকে যা কিছু দান করেছেন, তাতে বারাকাত দিন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮২)

حدثنا سعيد بن الربيع، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنسا، قال قالت أم سليم للنبي صلى الله عليه وسلم أنس خادمك‏.‏ قال ‏ "‏ اللهم أكثر ماله وولده، وبارك له فيما أعطيته ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৩৫

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يقرأ في المسجد فقال ‏ "‏ رحمه الله، لقد أذكرني كذا وكذا آية أسقطتها في سورة كذا وكذا ‏"‏‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক লোককে মাসজিদে কুরআন তিলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর দয়া করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত মনে করিয়ে দিয়েছে, যা আমি অমুক অমুক সূরা থেকে ভুলে গিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৩)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক লোককে মাসজিদে কুরআন তিলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর দয়া করুন। সে আমাকে অমুক অমুক আয়াত মনে করিয়ে দিয়েছে, যা আমি অমুক অমুক সূরা থেকে ভুলে গিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৩)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يقرأ في المسجد فقال ‏ "‏ رحمه الله، لقد أذكرني كذا وكذا آية أسقطتها في سورة كذا وكذا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৩৬

حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة أخبرني سليمان عن أبي وائل عن عبد الله قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسما فقال رجل إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلمفغضب حتى رأيت الغضب في وجهه وقال يرحم الله موسى لقد أوذي بأكثر من هذا فصبر

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গানীমতের মাল বণ্টন করে দিলে এক লোক মন্তব্য করলেনঃ এটা এমন বণ্টন যার মধ্যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির খেয়াল রাখা হয়নি। আমি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জানালে তিনি রাগান্বিত হলেন। এমনকি আমি তাঁর চেহারার মধ্যে গোস্বার চিহ্ন দেখতে পেলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ মুসা (‘আঃ) -এর প্রতি দয়া করুন, তাঁকে এর চেয়ে বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৪)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গানীমতের মাল বণ্টন করে দিলে এক লোক মন্তব্য করলেনঃ এটা এমন বণ্টন যার মধ্যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির খেয়াল রাখা হয়নি। আমি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জানালে তিনি রাগান্বিত হলেন। এমনকি আমি তাঁর চেহারার মধ্যে গোস্বার চিহ্ন দেখতে পেলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ মুসা (‘আঃ) -এর প্রতি দয়া করুন, তাঁকে এর চেয়ে বেশী কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৪)

حدثنا حفص بن عمر حدثنا شعبة أخبرني سليمان عن أبي وائل عن عبد الله قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسما فقال رجل إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلمفغضب حتى رأيت الغضب في وجهه وقال يرحم الله موسى لقد أوذي بأكثر من هذا فصبر


সহিহ বুখারী ৬৩৩৩

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن إسماعيل، عن قيس، قال سمعت جريرا، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا تريحني من ذي الخلصة ‏"‏‏.‏ وهو نصب كانوا يعبدونه يسمى الكعبة اليمانية‏.‏ قلت يا رسول الله إني رجل لا أثبت على الخيل، فصك في صدري فقال ‏"‏ اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا ‏"‏‏.‏ قال فخرجت في خمسين من أحمس من قومي ـ وربما قال سفيان فانطلقت في عصبة من قومي ـ فأتيتها فأحرقتها، ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله، والله ما أتيتك حتى تركتها مثل الجمل الأجرب‏.‏ فدعا لأحمس وخيلها‏.‏

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি যুল-খালাসাহকে ধ্বংস করে আমাকে চিন্তামুক্ত করবে? সেটা ছিল এক মূর্তি। লোকেরা এর পূজা করতো। সেটাকে বলা হতো ইয়ামানী কা'বা। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি অশ্ব পৃষ্ঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন তিনি আমাকে বুকে জোরে একটা থাবা মারলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তাকে স্থির রাখুন এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন। তখন আমি আমারই গোত্র আহমাসের পঞ্চাশ জন যোদ্ধাসহ বের হলাম। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি কোন কোন সময় বলেছেনঃ আমি তোমার গোত্রের একদল যোদ্ধার মধ্যে গেলাম। তারপর আমি সেই মূর্তিটার কাছে গিয়ে সেটা জ্বালিয়ে ফেললাম। এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কসম! আমি যুল-খালাসাহ্‌কে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে পাঁচড়াযুক্ত উটের মত করে আপনার কাছে এসেছি। তখন তিনি আহমাস গোত্র ও তার যোদ্ধাদের জন্য দু'আ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮১)

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি যুল-খালাসাহকে ধ্বংস করে আমাকে চিন্তামুক্ত করবে? সেটা ছিল এক মূর্তি। লোকেরা এর পূজা করতো। সেটাকে বলা হতো ইয়ামানী কা'বা। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি অশ্ব পৃষ্ঠে স্থির থাকতে পারি না। তখন তিনি আমাকে বুকে জোরে একটা থাবা মারলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি তাকে স্থির রাখুন এবং তাকে হিদায়াতকারী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন। তখন আমি আমারই গোত্র আহমাসের পঞ্চাশ জন যোদ্ধাসহ বের হলাম। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি কোন কোন সময় বলেছেনঃ আমি তোমার গোত্রের একদল যোদ্ধার মধ্যে গেলাম। তারপর আমি সেই মূর্তিটার কাছে গিয়ে সেটা জ্বালিয়ে ফেললাম। এরপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্‌র কসম! আমি যুল-খালাসাহ্‌কে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে পাঁচড়াযুক্ত উটের মত করে আপনার কাছে এসেছি। তখন তিনি আহমাস গোত্র ও তার যোদ্ধাদের জন্য দু'আ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮১)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن إسماعيل، عن قيس، قال سمعت جريرا، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا تريحني من ذي الخلصة ‏"‏‏.‏ وهو نصب كانوا يعبدونه يسمى الكعبة اليمانية‏.‏ قلت يا رسول الله إني رجل لا أثبت على الخيل، فصك في صدري فقال ‏"‏ اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا ‏"‏‏.‏ قال فخرجت في خمسين من أحمس من قومي ـ وربما قال سفيان فانطلقت في عصبة من قومي ـ فأتيتها فأحرقتها، ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله، والله ما أتيتك حتى تركتها مثل الجمل الأجرب‏.‏ فدعا لأحمس وخيلها‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৩১

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، مولى سلمة حدثنا سلمة بن الأكوع، قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر، قال رجل من القوم أيا عامر لو أسمعتنا من هنيهاتك‏.‏ فنزل يحدو بهم يذكر‏.‏ تالله لولا الله ما اهتدينا‏.‏ وذكر شعرا غير هذا، ولكني لم أحفظه‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذا السائق ‏"‏‏.‏ قالوا عامر بن الأكوع‏.‏ قال ‏"‏ يرحمه الله ‏"‏‏.‏ وقال رجل من القوم يا رسول الله لولا متعتنا به، فلما صاف القوم قاتلوهم، فأصيب عامر بقائمة سيف نفسه فمات، فلما أمسوا أوقدوا نارا كثيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما هذه النار على أى شىء توقدون ‏"‏‏.‏ قالوا على حمر إنسية‏.‏ فقال ‏"‏ أهريقوا ما فيها، وكسروها ‏"‏‏.‏ قال رجل يا رسول الله ألا نهريق ما فيها ونغسلها قال ‏"‏ أو ذاك ‏"‏‏.‏

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে খায়বার অভিযানে বের হলাম। সেনাবাহিনীর এক ব্যক্তি বললেনঃ ওহে 'আমির! যদি আপনি আপনার ছোট ছোট কবিতা থেকে কিছুটা আমাদের শুনাতেন? তখন তিনি সওয়ারী থেকে নেমে হুদী গাইতে গাইতে বাহন হাঁকিয়ে নিতে শুরু করলেন। তাতে উল্লেখ করলেনঃ আল্লাহ তা'আলা না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না। (রাবী বলেন) এছাড়া আরও কিছু কবিতা তিনি আবৃত্তি করলেন, যা আমি স্মরণ রাখতে পারিনি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ উট চালক লোকটি কে? সাথীরা বললেনঃ উনি 'আমির ইবনু আকওয়া'। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর রহম করুন। তখন দলের একজন বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তার দু'আয় আমাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করলে ভাল হতো না? এরপর যখন মুজাহিদগণ কাতারবন্দী হয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলেন, এ সময় 'আমির (রাঃ) তাঁর নিজের তলোয়ারের অগ্রভাগের আঘাতে আহত হলেন এবং এ আঘাতের ফলে তিনি মারা গেলেন। এদিন লোকেরা সন্ধ্যার পর (পাকের জন্য) বিভিন্নভাবে অনেক আগুন জ্বালালেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ সব আগুন কিসের? এসব আগুন দিয়ে তোমরা কী জ্বাল দিচ্ছ। তারা বললেনঃ আমরা গৃহপালিত গাধার মাংস জ্বাল দিচ্ছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হাঁড়িতে যা আছে, তা সব ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলোও ভেঙ্গে ফেল। এক ব্যক্তি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! হাঁড়িতে যা আছে তা ফেলে দিলে এবং পাত্রগুলো ধুয়ে নিলে চলবে না? তিনি বললেনঃ তবে তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৯)

সালামাহ ইবনু আকওয়া' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে খায়বার অভিযানে বের হলাম। সেনাবাহিনীর এক ব্যক্তি বললেনঃ ওহে 'আমির! যদি আপনি আপনার ছোট ছোট কবিতা থেকে কিছুটা আমাদের শুনাতেন? তখন তিনি সওয়ারী থেকে নেমে হুদী গাইতে গাইতে বাহন হাঁকিয়ে নিতে শুরু করলেন। তাতে উল্লেখ করলেনঃ আল্লাহ তা'আলা না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না। (রাবী বলেন) এছাড়া আরও কিছু কবিতা তিনি আবৃত্তি করলেন, যা আমি স্মরণ রাখতে পারিনি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ উট চালক লোকটি কে? সাথীরা বললেনঃ উনি 'আমির ইবনু আকওয়া'। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর রহম করুন। তখন দলের একজন বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তার দু'আয় আমাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করলে ভাল হতো না? এরপর যখন মুজাহিদগণ কাতারবন্দী হয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলেন, এ সময় 'আমির (রাঃ) তাঁর নিজের তলোয়ারের অগ্রভাগের আঘাতে আহত হলেন এবং এ আঘাতের ফলে তিনি মারা গেলেন। এদিন লোকেরা সন্ধ্যার পর (পাকের জন্য) বিভিন্নভাবে অনেক আগুন জ্বালালেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ সব আগুন কিসের? এসব আগুন দিয়ে তোমরা কী জ্বাল দিচ্ছ। তারা বললেনঃ আমরা গৃহপালিত গাধার মাংস জ্বাল দিচ্ছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হাঁড়িতে যা আছে, তা সব ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলোও ভেঙ্গে ফেল। এক ব্যক্তি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! হাঁড়িতে যা আছে তা ফেলে দিলে এবং পাত্রগুলো ধুয়ে নিলে চলবে না? তিনি বললেনঃ তবে তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭৯)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن يزيد بن أبي عبيد، مولى سلمة حدثنا سلمة بن الأكوع، قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى خيبر، قال رجل من القوم أيا عامر لو أسمعتنا من هنيهاتك‏.‏ فنزل يحدو بهم يذكر‏.‏ تالله لولا الله ما اهتدينا‏.‏ وذكر شعرا غير هذا، ولكني لم أحفظه‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذا السائق ‏"‏‏.‏ قالوا عامر بن الأكوع‏.‏ قال ‏"‏ يرحمه الله ‏"‏‏.‏ وقال رجل من القوم يا رسول الله لولا متعتنا به، فلما صاف القوم قاتلوهم، فأصيب عامر بقائمة سيف نفسه فمات، فلما أمسوا أوقدوا نارا كثيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما هذه النار على أى شىء توقدون ‏"‏‏.‏ قالوا على حمر إنسية‏.‏ فقال ‏"‏ أهريقوا ما فيها، وكسروها ‏"‏‏.‏ قال رجل يا رسول الله ألا نهريق ما فيها ونغسلها قال ‏"‏ أو ذاك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > দু'আর মধ্যে ছন্দযুক্ত শব্দ ব্যবহার অপছন্দ করা হয়েছে ।

সহিহ বুখারী ৬৩৩৭

يحيى بن محمد بن السكن حدثنا حبان بن هلال أبو حبيب حدثنا هارون المقرئ حدثنا الزبير بن الخريت عن عكرمة عن ابن عباس قال حدث الناس كل جمعة مرة فإن أبيت فمرتين فإن أكثرت فثلاث مرار ولا تمل الناس هذا القرآن ولا ألفينك تأتي القوم وهم في حديث من حديثهم فتقص عليهم فتقطع عليهم حديثهم فتملهم ولكن أنصت فإذا أمروك فحدثهم وهم يشتهونه فانظر السجع من الدعاء فاجتنبه فإني عهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه لا يفعلون إلا ذلك يعني لا يفعلون إلا ذلك الاجتناب.

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, তুমি প্রতি জুমু'আহ্‌য় লোকেদের হাদীস শোনাবে। যদি এতে তুমি ক্লান্ত না হও তবে সপ্তাহে দু' বার। আরও অধিক করতে চাও তবে তিনবার। আরও অধিক নাসীহাত করে এ কুরআনের প্রতি মানুষের মনে বিরক্তি সৃষ্টি করো না। লোকেরা তাদের কথাবার্তায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় তুমি তাদের কাছে এসে তাদের নির্দেশ দেবে- আমি যেন এমন হালাতে তোমাকে না পাই। কারণ এতে তাদের কথায় বিঘ্ন সৃষ্টি হবে এবং তারা বিরক্ত হবে। বরং তুমি এ সময় নীরব থাকবে। যদি তারা আগ্রহ নিয়ে তোমাকে নাসীহাত দিতে বলে তাহলে তুমি তাদের নাসীহাত দেবে। আর তুমি দু'আর মধ্যে ছন্দযুক্ত কবিতা বর্জন করবে। কারণ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে তা বর্জন করতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৫)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, তুমি প্রতি জুমু'আহ্‌য় লোকেদের হাদীস শোনাবে। যদি এতে তুমি ক্লান্ত না হও তবে সপ্তাহে দু' বার। আরও অধিক করতে চাও তবে তিনবার। আরও অধিক নাসীহাত করে এ কুরআনের প্রতি মানুষের মনে বিরক্তি সৃষ্টি করো না। লোকেরা তাদের কথাবার্তায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় তুমি তাদের কাছে এসে তাদের নির্দেশ দেবে- আমি যেন এমন হালাতে তোমাকে না পাই। কারণ এতে তাদের কথায় বিঘ্ন সৃষ্টি হবে এবং তারা বিরক্ত হবে। বরং তুমি এ সময় নীরব থাকবে। যদি তারা আগ্রহ নিয়ে তোমাকে নাসীহাত দিতে বলে তাহলে তুমি তাদের নাসীহাত দেবে। আর তুমি দু'আর মধ্যে ছন্দযুক্ত কবিতা বর্জন করবে। কারণ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে তা বর্জন করতে দেখেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৫)

يحيى بن محمد بن السكن حدثنا حبان بن هلال أبو حبيب حدثنا هارون المقرئ حدثنا الزبير بن الخريت عن عكرمة عن ابن عباس قال حدث الناس كل جمعة مرة فإن أبيت فمرتين فإن أكثرت فثلاث مرار ولا تمل الناس هذا القرآن ولا ألفينك تأتي القوم وهم في حديث من حديثهم فتقص عليهم فتقطع عليهم حديثهم فتملهم ولكن أنصت فإذا أمروك فحدثهم وهم يشتهونه فانظر السجع من الدعاء فاجتنبه فإني عهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه لا يفعلون إلا ذلك يعني لا يفعلون إلا ذلك الاجتناب.


সহিহ বুখারী > কবূল হবার দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ কবূল করতে আল্লাহ্‌কে বাধা দানকারী কেউ নেই।

সহিহ বুখারী ৬৩৩৮

حدثنا مسدد، حدثنا إسماعيل، أخبرنا عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا دعا أحدكم فليعزم المسألة، ولا يقولن اللهم إن شئت فأعطني‏.‏ فإنه لا مستكره له ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দু'আ করলে দু'আর সময় দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে দু'আ করবে এবং এ কথা বলবে না হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে কিছু দিন। কারণ আল্লাহ্‌কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৬৪; মুসলিম ৪৫/৩৭, হাঃ ২৬১৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দু'আ করলে দু'আর সময় দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে দু'আ করবে এবং এ কথা বলবে না হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে কিছু দিন। কারণ আল্লাহ্‌কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৬৪; মুসলিম ৪৫/৩৭, হাঃ ২৬১৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৬)

حدثنا مسدد، حدثنا إسماعيل، أخبرنا عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا دعا أحدكم فليعزم المسألة، ولا يقولن اللهم إن شئت فأعطني‏.‏ فإنه لا مستكره له ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬৩৩৯

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقولن أحدكم اللهم اغفر لي، اللهم ارحمني، إن شئت‏.‏ ليعزم المسألة، فإنه لا مكره له ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ আল্লাহ্‌কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৭৭; মুসলিম ৪৮/৩, হাঃ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৯৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ আল্লাহ্‌কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৭৭; মুসলিম ৪৮/৩, হাঃ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৯৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৭)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقولن أحدكم اللهم اغفر لي، اللهم ارحمني، إن شئت‏.‏ ليعزم المسألة، فإنه لا مكره له ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00