সহিহ বুখারী > তিনজনের অধিক হলে গোপনে কথা বলা, আর কানে-কানে কথা বলা দূষণীয় নয়।
সহিহ বুখারী ৬২৯০
حدثنا عثمان، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم {إذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى رجلان دون الآخر، حتى تختلطوا بالناس، أجل أن يحزنه}.
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই।[মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই।[মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)
حدثنا عثمان، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم {إذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى رجلان دون الآخر، حتى تختلطوا بالناس، أجل أن يحزنه}.
সহিহ বুখারী ৬২৯১
حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما قسمة فقال رجل من الأنصار إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله. قلت أما والله لآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في ملأ، فساررته فغضب حتى احمر وجهه، ثم قال " رحمة الله على موسى، أوذي بأكثر من هذا فصبر ".
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহ্র সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহ্র কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রঙ লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (‘আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য্য অবলম্বন করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহ্র সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহ্র কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রঙ লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (‘আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য্য অবলম্বন করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)
حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما قسمة فقال رجل من الأنصار إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله. قلت أما والله لآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في ملأ، فساررته فغضب حتى احمر وجهه، ثم قال " رحمة الله على موسى، أوذي بأكثر من هذا فصبر ".
সহিহ বুখারী > দীর্ঘক্ষণ কারো সাথে কানে-কানে কথা বলা।
সহিহ বুখারী ৬২৯২
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أقيمت الصلاة ورجل يناجي رسول الله صلى الله عليه وسلم فما زال يناجيه حتى نام أصحابه، ثم قام فصلى.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার সলাতের ইক্বামাত হয়ে গেলো, তখনও একজন লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কানে-কানে কথা বলছিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি এভাবে আলাপ করতে থাকলেন। এমনকি তাঁর সঙ্গীগণ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার সলাতের ইক্বামাত হয়ে গেলো, তখনও একজন লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কানে-কানে কথা বলছিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি এভাবে আলাপ করতে থাকলেন। এমনকি তাঁর সঙ্গীগণ ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪২)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد العزيز، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال أقيمت الصلاة ورجل يناجي رسول الله صلى الله عليه وسلم فما زال يناجيه حتى نام أصحابه، ثم قام فصلى.
সহিহ বুখারী > ঘুমানোর সময় ঘরে আগুন রাখবে না।
সহিহ বুখারী ৬২৯৩
حدثنا أبو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال {لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون}.
সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না।[মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১৫, আহমাদ ৪৫১৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৩)
সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন তোমাদের ঘরে আগুন রেখে ঘুমাবে না।[মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ২০১৫, আহমাদ ৪৫১৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৩)
حدثنا أبو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال {لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون}.
সহিহ বুখারী ৬২৯৪
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال احترق بيت بالمدينة على أهله من الليل، فحدث بشأنهم النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن هذه النار إنما هي عدو لكم، فإذا نمتم فأطفئوها عنكم ".
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার রাত্রি কালে মাদীনাহ্র এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসমূহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে অবহিত করা হল। তিনি বললেনঃ এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের চরম শত্রু। সুতরাং তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দিবে। [মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ১৬, আহমাদ ১৯৫৮৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৪)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার রাত্রি কালে মাদীনাহ্র এক ঘরে আগুন লেগে ঘরের লোকজনসমূহ পুড়ে গেল। এদের অবস্থা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে অবহিত করা হল। তিনি বললেনঃ এ আগুন নিঃসন্দেহে তোমাদের চরম শত্রু। সুতরাং তোমরা যখন ঘুমাতে যাবে, তখন তা নিভিয়ে দিবে। [মুসলিম ৩৬/১২, হাঃ ১৬, আহমাদ ১৯৫৮৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৪)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله، عن أبي بردة، عن أبي موسى ـ رضى الله عنه ـ قال احترق بيت بالمدينة على أهله من الليل، فحدث بشأنهم النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن هذه النار إنما هي عدو لكم، فإذا نمتم فأطفئوها عنكم ".
সহিহ বুখারী ৬২৯৫
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خمروا الآنية وأجيفوا الأبواب، وأطفئوا المصابيح، فإن الفويسقة ربما جرت الفتيلة فأحرقت أهل البيت ".
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘুমাবার সময় (ঘরের) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইঁদুরগুলো জ্বালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরের লোকজনকে পুড়িয়ে মারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৫)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘুমাবার সময় (ঘরের) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইঁদুরগুলো জ্বালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরের লোকজনকে পুড়িয়ে মারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৫)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خمروا الآنية وأجيفوا الأبواب، وأطفئوا المصابيح، فإن الفويسقة ربما جرت الفتيلة فأحرقت أهل البيت ".
সহিহ বুখারী > রাতে দরজা বন্ধ করা।
সহিহ বুখারী ৬২৯৬
حدثنا حسان بن أبي عباد، حدثنا همام، عن عطاء، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطفئوا المصابيح بالليل إذا رقدتم، وغلقوا الأبواب، وأوكوا الأسقية، وخمروا الطعام والشراب ". ـ قال همام وأحسبه قال ـ "ولو بعود يعرضه
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ রাতে যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজা বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে এবং মশ্কের মুখ বেঁধে রাখবে। হাম্মাম বলেনঃ এক টুকরা কাঠ দিয়ে হলেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ রাতে যখন তোমরা ঘুমাতে যাবে, তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজা বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে এবং মশ্কের মুখ বেঁধে রাখবে। হাম্মাম বলেনঃ এক টুকরা কাঠ দিয়ে হলেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪৬)
حدثنا حسان بن أبي عباد، حدثنا همام، عن عطاء، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطفئوا المصابيح بالليل إذا رقدتم، وغلقوا الأبواب، وأوكوا الأسقية، وخمروا الطعام والشراب ". ـ قال همام وأحسبه قال ـ "ولو بعود يعرضه