সহিহ বুখারী > চিত্‌ হয়ে শোয়া

সহিহ বুখারী ৬২৮৭

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، قال أخبرني عباد بن تميم، عن عمه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد مستلقيا، واضعا إحدى رجليه على الأخرى‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মাসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তাঁর এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৭

আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মাসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তাঁর এক পা অন্য পায়ের উপর রাখা ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৭

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، قال أخبرني عباد بن تميم، عن عمه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد مستلقيا، واضعا إحدى رجليه على الأخرى‏.‏


সহিহ বুখারী > তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে বলবে না।

সহিহ বুখারী ৬২৮৮

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال"‏ إذا كانوا ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون الثالث ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তিনজন থাকলে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে মিলে চুপি চুপি কথা বলবে না।[মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩, আহমাদ ৪৬৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৮)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তিনজন থাকলে তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে মিলে চুপি চুপি কথা বলবে না।[মুসলিম পর্ব ৩৯/হাঃ ২১৮৩, আহমাদ ৪৬৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৮)

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال"‏ إذا كانوا ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون الثالث ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > গোপনীয়তা রক্ষা করা।

সহিহ বুখারী ৬২৮৯

حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي قال، سمعت أنس بن مالك، أسر إلى النبي صلى الله عليه وسلم سرا فما أخبرت به أحدا بعده، ولقد سألتني أم سليم فما أخبرتها به‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে একটি বিষয় গোপনে বলেছিলেন। আমি তাঁর পরেও কাউকে তা জানাইনি। এটা সম্পর্কে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন। কিন্তু আমি তাঁকেও বলিনি। [মুসলিম ৪৪/৩২, হাঃ ২৪৮২, আহমাদ ১৩২৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে একটি বিষয় গোপনে বলেছিলেন। আমি তাঁর পরেও কাউকে তা জানাইনি। এটা সম্পর্কে উম্মু সুলায়ম (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন। কিন্তু আমি তাঁকেও বলিনি। [মুসলিম ৪৪/৩২, হাঃ ২৪৮২, আহমাদ ১৩২৯২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৯)

حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي قال، سمعت أنس بن مالك، أسر إلى النبي صلى الله عليه وسلم سرا فما أخبرت به أحدا بعده، ولقد سألتني أم سليم فما أخبرتها به‏.‏


সহিহ বুখারী > তিনজনের অধিক হলে গোপনে কথা বলা, আর কানে-কানে কথা বলা দূষণীয় নয়।

সহিহ বুখারী ৬২৯০

حدثنا عثمان، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏{‏إذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى رجلان دون الآخر، حتى تختلطوا بالناس، أجل أن يحزنه‏}‏‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই।[মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোথাও তোমরা তিনজনে থাকলে একজনকে বাদ দিয়ে দু’জনে কানে-কানে কথা বলবে না। এতে তার মনে দুঃখ হবে। তোমরা পরস্পর মিশে গেলে তবে তা করাতে দোষ নেই।[মুসলিম ৩৯/১৫, হাঃ ২১৮৪, আহমাদ ৪৪২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪০)

حدثنا عثمان، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله ـ رضى الله عنه ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏{‏إذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى رجلان دون الآخر، حتى تختلطوا بالناس، أجل أن يحزنه‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২৯১

حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما قسمة فقال رجل من الأنصار إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله‏.‏ قلت أما والله لآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في ملأ، فساررته فغضب حتى احمر وجهه، ثم قال ‏ "‏ رحمة الله على موسى، أوذي بأكثر من هذا فصبر ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহ্‌র কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রঙ লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (‘আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য্য অবলম্বন করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদিন কিছু মাল লোকজনকে বণ্টন করে দিলেন। তখন একজন আনসারী মন্তব্য করলেন যে, এ বাঁটোয়ারা এমন, যার মধ্যে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়নি। তখন আমি বললাম সাবধান! আল্লাহ্‌র কসম! আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে এ কথাটা বলে দিব। এরপর আমি তাঁর নিকট গেলাম। কিন্তু তখন তিনি একদল সাহাবীর মধ্যে ছিলেন। তাই আমি কথাটা তাঁকে কানে-কানেই বললাম। তখন তিনি রেগে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারার রঙ লাল হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে তিনি বললেনঃ মূসা (‘আঃ)-এর উপর রহমত অবতীর্ণ হোক। তাঁকে এর চেয়ে অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য্য অবলম্বন করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৪১)

حدثنا عبدان، عن أبي حمزة، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قسم النبي صلى الله عليه وسلم يوما قسمة فقال رجل من الأنصار إن هذه لقسمة ما أريد بها وجه الله‏.‏ قلت أما والله لآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو في ملأ، فساررته فغضب حتى احمر وجهه، ثم قال ‏ "‏ رحمة الله على موسى، أوذي بأكثر من هذا فصبر ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00