সহিহ বুখারী > মাসজিদে কা-ইলাহ করা।
সহিহ বুখারী ৬২৮০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال ما كان لعلي اسم أحب إليه من أبي تراب، وإن كان ليفرح به إذا دعي بها، جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بيت فاطمة ـ عليها السلام ـ فلم يجد عليا في البيت فقال " أين ابن عمك ". فقالت كان بيني وبينه شىء، فغاضبني فخرج فلم يقل عندي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لإنسان " انظر أين هو " فجاء فقال يا رسول الله هو في المسجد راقد. فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، قد سقط رداؤه عن شقه، فأصابه تراب، فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسحه عنه ـ وهو يقول " قم أبا تراب، قم أبا تراب ".
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আলী (রাঃ) –এর কাছে ‘আবূ তুরাব’ –এর চেয়ে প্রিয় কোন নাম ছিল না। এ নামে ডাকা হলে তিনি খুবই খুশি হতেন। কারণ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতেমাহ (রাঃ) –এর ঘরে আসলেন। তখন ‘আলী (রাঃ) -কে ঘরে পেলেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার চাচাতো ভাই কোথায়? তিনি বললেনঃ আমার ও তাঁর মাঝে কিছু ঘটে যাওয়ায় তিনি আমার সঙ্গে রাগ করে বেরিয়ে গেছেন। আমার কাছে কা-ইলাহ করেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জনৈক লোককে বললেনঃ দেখতো সে কোথায়? সে লোকটি এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি তো মাসজিদে ঘুমিয়ে আছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে দেখতে পেলেন যে, তিনি কাত হয়ে শুয়ে আছেন, আর তাঁর চাদরখানা পার্শ্ব থেকে পড়ে গেছে। ফলে তার গায়ে মাটি লেগে গেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর গায়ের মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ ওঠো, আবূ তুরাব (মাটির বাপ) ওঠো, আবূ তুরাব! এ কথাটা তিনি দু’বার বললেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩২)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আলী (রাঃ) –এর কাছে ‘আবূ তুরাব’ –এর চেয়ে প্রিয় কোন নাম ছিল না। এ নামে ডাকা হলে তিনি খুবই খুশি হতেন। কারণ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতেমাহ (রাঃ) –এর ঘরে আসলেন। তখন ‘আলী (রাঃ) -কে ঘরে পেলেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার চাচাতো ভাই কোথায়? তিনি বললেনঃ আমার ও তাঁর মাঝে কিছু ঘটে যাওয়ায় তিনি আমার সঙ্গে রাগ করে বেরিয়ে গেছেন। আমার কাছে কা-ইলাহ করেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জনৈক লোককে বললেনঃ দেখতো সে কোথায়? সে লোকটি এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি তো মাসজিদে ঘুমিয়ে আছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে দেখতে পেলেন যে, তিনি কাত হয়ে শুয়ে আছেন, আর তাঁর চাদরখানা পার্শ্ব থেকে পড়ে গেছে। ফলে তার গায়ে মাটি লেগে গেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর গায়ের মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ ওঠো, আবূ তুরাব (মাটির বাপ) ওঠো, আবূ তুরাব! এ কথাটা তিনি দু’বার বললেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال ما كان لعلي اسم أحب إليه من أبي تراب، وإن كان ليفرح به إذا دعي بها، جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بيت فاطمة ـ عليها السلام ـ فلم يجد عليا في البيت فقال " أين ابن عمك ". فقالت كان بيني وبينه شىء، فغاضبني فخرج فلم يقل عندي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لإنسان " انظر أين هو " فجاء فقال يا رسول الله هو في المسجد راقد. فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو مضطجع، قد سقط رداؤه عن شقه، فأصابه تراب، فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسحه عنه ـ وهو يقول " قم أبا تراب، قم أبا تراب ".
সহিহ বুখারী > যিনি কোন কাওমের নিকট যান এবং তাদের নিকট ‘কা-ইলাহ’ করেন।
সহিহ বুখারী ৬২৮১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي، عن ثمامة، عن أنس، أن أم سليم، كانت تبسط للنبي صلى الله عليه وسلم نطعا فيقيل عندها على ذلك النطع ـ قال ـ فإذا نام النبي صلى الله عليه وسلم أخذت من عرقه وشعره، فجمعته في قارورة، ثم جمعته في سك ـ قال ـ فلما حضر أنس بن مالك الوفاة أوصى أن يجعل في حنوطه من ذلك السك ـ قال ـ فجعل في حنوطه.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উম্মু সুলায়ম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর জন্য চামড়ার বিছানা বিছিয়ে দিতেন এবং তিনি সেখানেই ঐ চামড়ার বিছানার উপর কায়লুলা করতেন। অতঃপর তিনি যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন তিনি তাঁর শরীরের কিছুটা ঘাম ও চুল সংগ্রহ করতেন এবং তা একটা বোতলের মধ্যে জমা করতেন এবং পরে ‘সুক্ক’ নামক সুগন্ধিতে মিশাতেন। রাবী বর্ণনা করেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) –এর মৃত্যু সন্নিকট হলে, তিনি আমাকে অসিয়ত করলেনঃ যেন ঐ সুক্ক থেকে কিছুটা তাঁর সুগন্ধির সাথে মিলানো হয়। তাই তা তাঁর সুগন্ধিতে মেশানো হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উম্মু সুলায়ম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর জন্য চামড়ার বিছানা বিছিয়ে দিতেন এবং তিনি সেখানেই ঐ চামড়ার বিছানার উপর কায়লুলা করতেন। অতঃপর তিনি যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন তিনি তাঁর শরীরের কিছুটা ঘাম ও চুল সংগ্রহ করতেন এবং তা একটা বোতলের মধ্যে জমা করতেন এবং পরে ‘সুক্ক’ নামক সুগন্ধিতে মিশাতেন। রাবী বর্ণনা করেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) –এর মৃত্যু সন্নিকট হলে, তিনি আমাকে অসিয়ত করলেনঃ যেন ঐ সুক্ক থেকে কিছুটা তাঁর সুগন্ধির সাথে মিলানো হয়। তাই তা তাঁর সুগন্ধিতে মেশানো হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني أبي، عن ثمامة، عن أنس، أن أم سليم، كانت تبسط للنبي صلى الله عليه وسلم نطعا فيقيل عندها على ذلك النطع ـ قال ـ فإذا نام النبي صلى الله عليه وسلم أخذت من عرقه وشعره، فجمعته في قارورة، ثم جمعته في سك ـ قال ـ فلما حضر أنس بن مالك الوفاة أوصى أن يجعل في حنوطه من ذلك السك ـ قال ـ فجعل في حنوطه.
সহিহ বুখারী ৬২৮২
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه سمعه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فدخل يوما فأطعمته، فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم استيقظ يضحك. قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله فقال " ناس من أمتي عرضوا على غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". ـ أو قال " مثل الملوك على الأسرة ". شك إسحاق ـ قلت ادع الله أن يجعلني منهم. فدعا ثم وضع رأسه فنام، ثم استيقظ يضحك فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال " ناس من أمتي عرضوا على، غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". أو " مثل الملوك على الأسرة ". فقلت ادع الله أن يجعلني منهم. قال " أنت من الأولين ". فركبت البحر زمان معاوية، فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر، فهلكت.
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘কুবা’ এর দিকে যখন যেতেন তখন প্রায়ই উম্মু হারাম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং তিনি তাঁকে খানা খাওয়াতেন। তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর স্ত্রী ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরে গেলে তাঁকে খাবার খাওয়ালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানেই ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সজাগ হয়ে হাসতে লাগলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন তিনি বললেনঃ আপনি দু’আ করুন যেন আল্লাহ্ তা’আলা আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। তিনি সে দু’আ করলেন এবং বিছানায় মাথা রেখে আবার শুয়ে পরলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নে) আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন আবার আমি বললামঃ আপনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করে নেন। তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম বাহিনীরই মধ্যে শামিল থাকবে। সুতরাং তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ) –এর আমলে সামুদ্রিক অভিযানে যান এবং অভিযান থেকে ফিরে এসে নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন।[২৭৮৮, ২৭৮৯; মুসলিম ৩৩/৪৯, হাঃ ১৯১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৪)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘কুবা’ এর দিকে যখন যেতেন তখন প্রায়ই উম্মু হারাম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং তিনি তাঁকে খানা খাওয়াতেন। তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর স্ত্রী ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরে গেলে তাঁকে খাবার খাওয়ালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানেই ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সজাগ হয়ে হাসতে লাগলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন তিনি বললেনঃ আপনি দু’আ করুন যেন আল্লাহ্ তা’আলা আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। তিনি সে দু’আ করলেন এবং বিছানায় মাথা রেখে আবার শুয়ে পরলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নে) আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন আবার আমি বললামঃ আপনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করে নেন। তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম বাহিনীরই মধ্যে শামিল থাকবে। সুতরাং তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ) –এর আমলে সামুদ্রিক অভিযানে যান এবং অভিযান থেকে ফিরে এসে নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন।[২৭৮৮, ২৭৮৯; মুসলিম ৩৩/৪৯, হাঃ ১৯১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৪)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه سمعه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فدخل يوما فأطعمته، فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم استيقظ يضحك. قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله فقال " ناس من أمتي عرضوا على غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". ـ أو قال " مثل الملوك على الأسرة ". شك إسحاق ـ قلت ادع الله أن يجعلني منهم. فدعا ثم وضع رأسه فنام، ثم استيقظ يضحك فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال " ناس من أمتي عرضوا على، غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". أو " مثل الملوك على الأسرة ". فقلت ادع الله أن يجعلني منهم. قال " أنت من الأولين ". فركبت البحر زمان معاوية، فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر، فهلكت.
সহিহ বুখারী ৬২৮৩
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه سمعه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فدخل يوما فأطعمته، فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم استيقظ يضحك. قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله فقال " ناس من أمتي عرضوا على غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". ـ أو قال " مثل الملوك على الأسرة ". شك إسحاق ـ قلت ادع الله أن يجعلني منهم. فدعا ثم وضع رأسه فنام، ثم استيقظ يضحك فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال " ناس من أمتي عرضوا على، غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". أو " مثل الملوك على الأسرة ". فقلت ادع الله أن يجعلني منهم. قال " أنت من الأولين ". فركبت البحر زمان معاوية، فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر، فهلكت.
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘কুবা’ এর দিকে যখন যেতেন তখন প্রায়ই উম্মু হারাম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং তিনি তাঁকে খানা খাওয়াতেন। তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর স্ত্রী ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরে গেলে তাঁকে খাবার খাওয়ালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানেই ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সজাগ হয়ে হাসতে লাগলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন তিনি বললেনঃ আপনি দু’আ করুন যেন আল্লাহ্ তা’আলা আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। তিনি সে দু’আ করলেন এবং বিছানায় মাথা রেখে আবার শুয়ে পরলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নে) আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন আবার আমি বললামঃ আপনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করে নেন। তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম বাহিনীরই মধ্যে শামিল থাকবে। সুতরাং তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ) –এর আমলে সামুদ্রিক অভিযানে যান এবং অভিযান থেকে ফিরে এসে নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন। [২৭৮৮, ২৭৮৯; মুসলিম ৩৩/৪৯, হাঃ ১৯১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৪)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘কুবা’ এর দিকে যখন যেতেন তখন প্রায়ই উম্মু হারাম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং তিনি তাঁকে খানা খাওয়াতেন। তিনি ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর স্ত্রী ছিলেন। একদিন তিনি তার ঘরে গেলে তাঁকে খাবার খাওয়ালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানেই ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সজাগ হয়ে হাসতে লাগলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ স্বপ্নে আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন তিনি বললেনঃ আপনি দু’আ করুন যেন আল্লাহ্ তা’আলা আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। তিনি সে দু’আ করলেন এবং বিছানায় মাথা রেখে আবার শুয়ে পরলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনাকে কিসে হাসাচ্ছে? তিনি বললেনঃ (স্বপ্নে) আমাকে আমার উম্মাতের আল্লাহ্র পথে জিহাদকারী কিছু সংখ্যক মুজাহিদ দেখানো হয়েছে, যারা এই বিস্তীর্ণ সমুদ্রের মাঝে বাদশাহ্দের মত সিংহাসনে আসীন। তখন আবার আমি বললামঃ আপনি আল্লাহ্র কাছে দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের মধ্যে শামিল করে নেন। তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম বাহিনীরই মধ্যে শামিল থাকবে। সুতরাং তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ) –এর আমলে সামুদ্রিক অভিযানে যান এবং অভিযান থেকে ফিরে এসে নিজের সওয়ারী থেকে পড়ে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন। [২৭৮৮, ২৭৮৯; মুসলিম ৩৩/৪৯, হাঃ ১৯১২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৪)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ أنه سمعه يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه، وكانت تحت عبادة بن الصامت، فدخل يوما فأطعمته، فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم استيقظ يضحك. قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله فقال " ناس من أمتي عرضوا على غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". ـ أو قال " مثل الملوك على الأسرة ". شك إسحاق ـ قلت ادع الله أن يجعلني منهم. فدعا ثم وضع رأسه فنام، ثم استيقظ يضحك فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال " ناس من أمتي عرضوا على، غزاة في سبيل الله، يركبون ثبج هذا البحر، ملوكا على الأسرة ". أو " مثل الملوك على الأسرة ". فقلت ادع الله أن يجعلني منهم. قال " أنت من الأولين ". فركبت البحر زمان معاوية، فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر، فهلكت.
সহিহ বুখারী > যেভাবে সহজ, সেভাবেই বসা।
সহিহ বুখারী ৬২৮৪
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لبستين، وعن بيعتين اشتمال الصماء، والاحتباء في ثوب واحد، ليس على فرج الإنسان منه شىء، والملامسة، والمنابذة. تابعه معمر ومحمد بن أبي حفصة وعبد الله بن بديل عن الزهري.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ রকমের লেবাস এবং দু’ ধরণের বিক্রয় নিষেধ করেছেন। ইশতিমালে সম্মা [১] এবং এক কাপড় পরে ইহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। এবং মুলামাসা ও মুনাবাযা – বেচাকেনা থেকেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৫)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’ রকমের লেবাস এবং দু’ ধরণের বিক্রয় নিষেধ করেছেন। ইশতিমালে সম্মা [১] এবং এক কাপড় পরে ইহতিবা [২] করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। এবং মুলামাসা ও মুনাবাযা – বেচাকেনা থেকেও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৫)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه ـ قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن لبستين، وعن بيعتين اشتمال الصماء، والاحتباء في ثوب واحد، ليس على فرج الإنسان منه شىء، والملامسة، والمنابذة. تابعه معمر ومحمد بن أبي حفصة وعبد الله بن بديل عن الزهري.
সহিহ বুখারী > যিনি মানুষের সামনে কারো সঙ্গে কানে কানে কথা বলেন। আর যিনি আপন বন্ধুর গোপন কথা কারো কাছে প্রকাশ করেননি। অবশ্য তাঁর মৃত্যুর পর তা প্রকাশ করেন।
সহিহ বুখারী ৬২৮৫
حدثنا موسى، عن أبي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عائشة أم المؤمنين، قالت إنا كنا أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فأقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رآها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما رأى حزنها سارها الثانية إذا هي تضحك. فقلت لها أنا من بين نسائه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم أنت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها عما سارك قالت ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما أخبرتني. قالت أما الآن فنعم. فأخبرتني قالت أما حين سارني في الأمر الأول، فإنه أخبرني أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل سنة مرة " وإنه قد عارضني به العام مرتين، ولا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فإني نعم السلف أنا لك ". قالت فبكيت بكائي الذي رأيت، فلما رأى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين ـ أو ـ سيدة نساء هذه الأمة ".
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহ্র কসম! তাঁর হাঁটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমণ শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ (রাঃ) হাসতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (‘আঃ) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন। কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্য্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহ্র কসম! তাঁর হাঁটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমণ শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ (রাঃ) হাসতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (‘আঃ) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন। কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্য্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
حدثنا موسى، عن أبي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عائشة أم المؤمنين، قالت إنا كنا أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فأقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رآها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما رأى حزنها سارها الثانية إذا هي تضحك. فقلت لها أنا من بين نسائه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم أنت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها عما سارك قالت ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما أخبرتني. قالت أما الآن فنعم. فأخبرتني قالت أما حين سارني في الأمر الأول، فإنه أخبرني أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل سنة مرة " وإنه قد عارضني به العام مرتين، ولا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فإني نعم السلف أنا لك ". قالت فبكيت بكائي الذي رأيت، فلما رأى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين ـ أو ـ سيدة نساء هذه الأمة ".
সহিহ বুখারী ৬২৮৬
حدثنا موسى، عن أبي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عائشة أم المؤمنين، قالت إنا كنا أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فأقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رآها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما رأى حزنها سارها الثانية إذا هي تضحك. فقلت لها أنا من بين نسائه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم أنت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها عما سارك قالت ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما أخبرتني. قالت أما الآن فنعم. فأخبرتني قالت أما حين سارني في الأمر الأول، فإنه أخبرني أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل سنة مرة " وإنه قد عارضني به العام مرتين، ولا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فإني نعم السلف أنا لك ". قالت فبكيت بكائي الذي رأيت، فلما رأى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين ـ أو ـ سيدة نساء هذه الأمة ".
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহ্র কসম! তাঁর হাঁটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমণ শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ (রাঃ) হাসতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (‘আঃ) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন। কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্য্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর সব স্ত্রী তাঁর নিকট জমায়েত হয়েছিলাম। আমাদের একজনও অনুপস্থিত ছিলাম না। এমন সময় ফাতেমাহ (রাঃ) পায়ে হেঁটে আসছিলেন। আল্লাহ্র কসম! তাঁর হাঁটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাঁটার মতই ছিল। তিনি যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তিনি আমার মেয়ের আগমণ শুভ হোক বলে তাঁকে সম্বর্ধনা জানালেন। এরপর তিনি যখন তাঁকে নিজের ডান পাশে অথবা (রাবী বলেন) বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তার সঙ্গে কানে-কানে কিছু কথা বললেন, তিনি (ফাতেমাহ) খুব অধিক কাঁদতে লাগলেন। এরপর তাঁকে চিন্তিত দেখে দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে তিনি কানে-কানে আরও কিছু কথা বললেন। তখন ফাতেমাহ (রাঃ) হাসতে লাগলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর স্ত্রীগণের মধ্য থেকে আমি বললামঃ আমাদের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিশেষ করে আপনার সঙ্গে বিশেষ কী গোপনীয় কথা কানে-কানে বললেন, যার ফলে আপনি খুব কাঁদছিলেন? এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠে চলে গেলেন, তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি আপনাকে কানে-কানে কী বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর ভেদ (গোপনীয় কথা) ফাঁস করবো না। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর মৃত্যু হল। তখন আমি তাঁকে বললামঃ আপনার উপর আমার যে দাবী আছে, আপনাকে আমি তার কসম দিয়ে বলছি যে, আপনি কি গোপনীয় কথাটি আমাকে জানাবেন না? তখন ফাতেমাহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ এখন আপনাকে জানাবো। সুতরাং তিনি আমাকে জানাতে গিয়ে বললেনঃ প্রথমবার তিনি আমার নিকট যে গোপন কথা বলেন, তা হলো এই যে, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, জিবরীল (‘আঃ) প্রতি বছর এসে পূর্ণ কুরআন একবার আমার নিকট পেশ করতেন। কিন্তু এ বছর তিনি এসে তা আমার কাছে দু’ বার পেশ করেছেন। এতে আমি ধারণা করছি যে, আমার চির বিদায়ের সময় সন্নিকট। সুতরাং তুমি আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে এবং বিপদে ধৈর্য্যধারণ করবে। নিশ্চয়ই আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগমনকারী। তখন আমি কাঁদলাম যা নিজেই দেখলেন। তারপর যখন আমাকে চিন্তিত দেখলেন, তখন দ্বিতীয়বার আমাকে কানে-কানে বললেনঃ তুমি জান্নাতের মুসলিম মহিলাদের অথবা এ উম্মাতের মহিলাদের নেত্রী হওয়াতে সন্তুষ্ট হবে না? (আমি তখন হাসলাম)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩৬)
حدثنا موسى، عن أبي عوانة، حدثنا فراس، عن عامر، عن مسروق، حدثتني عائشة أم المؤمنين، قالت إنا كنا أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده جميعا، لم تغادر منا واحدة، فأقبلت فاطمة ـ عليها السلام ـ تمشي، لا والله ما تخفى مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رآها رحب قال " مرحبا بابنتي ". ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما رأى حزنها سارها الثانية إذا هي تضحك. فقلت لها أنا من بين نسائه خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسر من بيننا، ثم أنت تبكين، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها عما سارك قالت ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره. فلما توفي قلت لها عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما أخبرتني. قالت أما الآن فنعم. فأخبرتني قالت أما حين سارني في الأمر الأول، فإنه أخبرني أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل سنة مرة " وإنه قد عارضني به العام مرتين، ولا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فإني نعم السلف أنا لك ". قالت فبكيت بكائي الذي رأيت، فلما رأى جزعي سارني الثانية قال " يا فاطمة ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين ـ أو ـ سيدة نساء هذه الأمة ".