সহিহ বুখারী > বিশেষ প্রয়োজনে অথবা যে কোন উদ্দেশ্যে যিনি তাড়াতাড়ি চলেন।
সহিহ বুখারী ৬২৭৫
حدثنا أبو عاصم، عن عمر بن سعيد، عن ابن أبي مليكة، أن عقبة بن الحارث، حدثه قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم العصر، فأسرع، ثم دخل البيت.
উক্বাহ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্বাহ ইবনু হারিস (রাঃ) বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আসরের সলাত আদায় পূর্বক দ্রুত গিয়ে নিজ ঘরে প্রবেশ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৭)
উক্বাহ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্বাহ ইবনু হারিস (রাঃ) বলেনঃ একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আসরের সলাত আদায় পূর্বক দ্রুত গিয়ে নিজ ঘরে প্রবেশ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৭)
حدثنا أبو عاصم، عن عمر بن سعيد، عن ابن أبي مليكة، أن عقبة بن الحارث، حدثه قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم العصر، فأسرع، ثم دخل البيت.
সহিহ বুখারী ৬২৭৪
حدثنا مسدد، حدثنا بشر، مثله، وكان متكئا فجلس فقال " ألا وقول الزور ". فما زال يكررها حتى قلنا ليته سكت.
মুসাদ্দাদ থেকে বর্নিতঃ
মুসাদ্দাদ, বিশ্রের এক সূত্রে এ রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে অধিক বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। এরপর তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ হুশিয়ার হও! আর (সবচেয়ে বড় গুনাহ) মিথ্যা কথা বলা। এ কথাটা তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বললামঃ হায়! তিনি যদি থামতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৬)
মুসাদ্দাদ থেকে বর্নিতঃ
মুসাদ্দাদ, বিশ্রের এক সূত্রে এ রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে অধিক বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। এরপর তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ হুশিয়ার হও! আর (সবচেয়ে বড় গুনাহ) মিথ্যা কথা বলা। এ কথাটা তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি আমরা বললামঃ হায়! তিনি যদি থামতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৬)
حدثنا مسدد، حدثنا بشر، مثله، وكان متكئا فجلس فقال " ألا وقول الزور ". فما زال يكررها حتى قلنا ليته سكت.
সহিহ বুখারী > পালঙ্ক ব্যবহার করা।
সহিহ বুখারী ৬২৭৬
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وسط السرير، وأنا مضطجعة بينه وبين القبلة تكون لي الحاجة، فأكره أن أقوم فأستقبله فأنسل انسلالا.
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আমার) পালঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর কিবলার মাঝে শুয়ে থাকতাম। যখন আমার কোন প্রয়োজন হতো, তখন আমি তাঁর দিকে মুখ করে উঠে দাঁড়ানো পছন্দ করতাম না বরং আমি শায়িত অবস্থাতেই পেছনের দিক দিয়ে কেটে পড়তাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৮)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আমার) পালঙ্কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁর কিবলার মাঝে শুয়ে থাকতাম। যখন আমার কোন প্রয়োজন হতো, তখন আমি তাঁর দিকে মুখ করে উঠে দাঁড়ানো পছন্দ করতাম না বরং আমি শায়িত অবস্থাতেই পেছনের দিক দিয়ে কেটে পড়তাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৮)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وسط السرير، وأنا مضطجعة بينه وبين القبلة تكون لي الحاجة، فأكره أن أقوم فأستقبله فأنسل انسلالا.
সহিহ বুখারী ৬২৭৭
حدثنا إسحاق، حدثنا خالد،. وحدثني عبد الله بن محمد، حدثنا عمرو بن عون، حدثنا خالد، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك زيد على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي، فدخل على، فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف، فجلس على الأرض، وصارت الوسادة بيني وبينه، فقال لي " أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام ". قلت يا رسول الله. قال " خمسا ". قلت يا رسول الله. قال " سبعا ". قلت يا رسول الله. قال " تسعا ". قلت يا رسول الله. قال " إحدى عشرة ". قلت يا رسول الله. قال " لا صوم فوق صوم داود، شطر الدهر، صيام يوم، وإفطار يوم ".
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর নিকট আমার অধিক সওম পালন করার কথা উল্লেখ করা হলো। তখন তিনি আমার ঘরে আসলেন এবং আমি তাঁর উদ্দেশ্যে খেজুরের ছালে ভরা চামড়ার একটা বালিশ পেশ করলাম। তিনি মাটিতেই বসে গেলেন। আর বালিশটা আমার ও তাঁর মাঝে থেকে গেল। তিনি আমাকে বললেনঃ প্রত্যেক মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে পাঁচ দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে সাতদিন? আমি আবার বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে নয়দিন? আমি পুনরায় বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে এগার দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দাউদ (‘আঃ) –এর সওমের চেয়ে অধিক কোন (নাফ্ল) সওম নেই। তিনি প্রত্যেক মাসের অর্ধেক দিন সওম পালন করতেন অর্থাৎ একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন পালন করতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৯)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর নিকট আমার অধিক সওম পালন করার কথা উল্লেখ করা হলো। তখন তিনি আমার ঘরে আসলেন এবং আমি তাঁর উদ্দেশ্যে খেজুরের ছালে ভরা চামড়ার একটা বালিশ পেশ করলাম। তিনি মাটিতেই বসে গেলেন। আর বালিশটা আমার ও তাঁর মাঝে থেকে গেল। তিনি আমাকে বললেনঃ প্রত্যেক মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্যে যথেষ্ট নয়? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে পাঁচ দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে সাতদিন? আমি আবার বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তবে নয়দিন? আমি পুনরায় বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেনঃ তা হলে এগার দিন? আমি বললামঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দাউদ (‘আঃ) –এর সওমের চেয়ে অধিক কোন (নাফ্ল) সওম নেই। তিনি প্রত্যেক মাসের অর্ধেক দিন সওম পালন করতেন অর্থাৎ একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন পালন করতেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৯)
حدثنا إسحاق، حدثنا خالد،. وحدثني عبد الله بن محمد، حدثنا عمرو بن عون، حدثنا خالد، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك زيد على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي، فدخل على، فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف، فجلس على الأرض، وصارت الوسادة بيني وبينه، فقال لي " أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام ". قلت يا رسول الله. قال " خمسا ". قلت يا رسول الله. قال " سبعا ". قلت يا رسول الله. قال " تسعا ". قلت يا رسول الله. قال " إحدى عشرة ". قلت يا رسول الله. قال " لا صوم فوق صوم داود، شطر الدهر، صيام يوم، وإفطار يوم ".
সহিহ বুখারী > হেলান দেয়ার জন্য যাঁকে একটা বালিশ পেশ করা হয়।
সহিহ বুখারী ৬২৭৮
حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا يزيد، عن شعبة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن علقمة، أنه قدم الشأم. وحدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مغيرة، عن إبراهيم، قال ذهب علقمة إلى الشأم، فأتى المسجد فصلى ركعتين فقال اللهم ارزقني جليسا. فقعد إلى أبي الدرداء فقال ممن أنت قال من أهل الكوفة. قال أليس فيكم صاحب السر الذي كان لا يعلمه غيره ـ يعني حذيفة ـ أليس فيكم ـ أو كان فيكم ـ الذي أجاره الله على لسان رسوله صلى الله عليه وسلم من الشيطان ـ يعني عمارا ـ أوليس فيكم صاحب السواك والوساد ـ يعني ابن مسعود ـ كيف كان عبد الله يقرأ {والليل إذا يغشى}. قال {والذكر والأنثى}. فقال ما زال هؤلاء حتى كادوا يشككوني، وقد سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ‘আলক্বামাহ (রহ.) সিরিয়ায় গমন করলেন। তখন তিনি মসজিদে গিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেক সঙ্গী দান করুন। এরপর তিনি আবুদ্ দারদা -এর পাশে গিয়ে বসে পড়লেন। তারপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনি কোন্ শহরের লোক? তিনি জবাব দিলেনঃ আমি কূফার অধিবাসী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ঃ আপনাদের মধ্যে কি সেই লোক নেই। যিনি ঐ ভেদ সম্পর্কে জানতেন, যা অপর কেউ জানতেন না? রাবী বলেন) অর্থাৎ হুযাইফাহ । আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনাদের মধ্যে কি এমন লোক নেই, অথবা আছেন, যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের দু‘আর কারণে শয়তান থেকে পানাহ দিয়েছেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আম্মার তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আর আপনাদের মধ্যে কি সে লোক নেই যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মিস্ওয়াক ও বালিশের দায়িত্বে ছিলেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ । আবুদ্ দারদা তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ সূরায়ে {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} কীভাবে পড়তেন? তিনি বললেনঃ তিনি ‘ওয়ামা খালাকায যাকারা ওয়াল উনসা’র স্থলে ‘ওয়ামা খালাকা’ অংশটুকু বাদ দিয়ে) পড়তেন {وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى}। তখন তিনি বললেনঃ এখানকার লোকেরা আমাকে এ সূরা সম্পর্কে সন্দেহে নিক্ষেপ করেছে। অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ রকমই শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩০)
ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার ‘আলক্বামাহ (রহ.) সিরিয়ায় গমন করলেন। তখন তিনি মসজিদে গিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে একজন নেক সঙ্গী দান করুন। এরপর তিনি আবুদ্ দারদা -এর পাশে গিয়ে বসে পড়লেন। তারপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনি কোন্ শহরের লোক? তিনি জবাব দিলেনঃ আমি কূফার অধিবাসী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন ঃ আপনাদের মধ্যে কি সেই লোক নেই। যিনি ঐ ভেদ সম্পর্কে জানতেন, যা অপর কেউ জানতেন না? রাবী বলেন) অর্থাৎ হুযাইফাহ । আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আপনাদের মধ্যে কি এমন লোক নেই, অথবা আছেন, যাঁকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের দু‘আর কারণে শয়তান থেকে পানাহ দিয়েছেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আম্মার তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ আর আপনাদের মধ্যে কি সে লোক নেই যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মিস্ওয়াক ও বালিশের দায়িত্বে ছিলেন? রাবী বলেন) অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ । আবুদ্ দারদা তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ সূরায়ে {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} কীভাবে পড়তেন? তিনি বললেনঃ তিনি ‘ওয়ামা খালাকায যাকারা ওয়াল উনসা’র স্থলে ‘ওয়ামা খালাকা’ অংশটুকু বাদ দিয়ে) পড়তেন {وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى}। তখন তিনি বললেনঃ এখানকার লোকেরা আমাকে এ সূরা সম্পর্কে সন্দেহে নিক্ষেপ করেছে। অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ রকমই শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩০)
حدثنا يحيى بن جعفر، حدثنا يزيد، عن شعبة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن علقمة، أنه قدم الشأم. وحدثنا أبو الوليد، حدثنا شعبة، عن مغيرة، عن إبراهيم، قال ذهب علقمة إلى الشأم، فأتى المسجد فصلى ركعتين فقال اللهم ارزقني جليسا. فقعد إلى أبي الدرداء فقال ممن أنت قال من أهل الكوفة. قال أليس فيكم صاحب السر الذي كان لا يعلمه غيره ـ يعني حذيفة ـ أليس فيكم ـ أو كان فيكم ـ الذي أجاره الله على لسان رسوله صلى الله عليه وسلم من الشيطان ـ يعني عمارا ـ أوليس فيكم صاحب السواك والوساد ـ يعني ابن مسعود ـ كيف كان عبد الله يقرأ {والليل إذا يغشى}. قال {والذكر والأنثى}. فقال ما زال هؤلاء حتى كادوا يشككوني، وقد سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > জুমু’আহ্র সলাত পর কা-ইলাহ।
সহিহ বুখারী ৬২৭৯
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال كنا نقيل ونتغدى بعد الجمعة.
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা জুমু’আহর সলাতের পরেই ‘কা-ইলাহ’ করতাম এবং দুপুরের খাদ্য গ্রহণ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩১)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা জুমু’আহর সলাতের পরেই ‘কা-ইলাহ’ করতাম এবং দুপুরের খাদ্য গ্রহণ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৩১)
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، قال كنا نقيل ونتغدى بعد الجمعة.