সহিহ বুখারী > কেউ কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠাবে না।
সহিহ বুখারী ৬২৬৯
حدثنا إسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يقيم الرجل الرجل من مجلسه، ثم يجلس فيه ".
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।[৯১১; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭, আহমাদ ৬০৬৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।[৯১১; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭, আহমাদ ৬০৬৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২২)
حدثنا إسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يقيم الرجل الرجل من مجلسه، ثم يجلس فيه ".
সহিহ বুখারী > (আরবি) “যখন বলা হয়- ‘মাজলিস প্রশস্ত করে দাও’, তখন তোমরা তা প্রশস্ত করে দিবে, আল্লাহ্ তোমাদেরকে প্রশস্ততা দান করবেন ... ।” (সূরা মুজাদালাহ ৫৮/১১)
সহিহ বুখারী ৬২৭০
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن يقام الرجل من مجلسه ويجلس فيه آخر، ولكن تفسحوا وتوسعوا. وكان ابن عمر يكره أن يقوم الرجل من مجلسه، ثم يجلس مكانه.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে অন্য লোক বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবনু ‘উমার (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার স্থানে অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে অন্য লোক বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবনু ‘উমার (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার স্থানে অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৩)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن يقام الرجل من مجلسه ويجلس فيه آخر، ولكن تفسحوا وتوسعوا. وكان ابن عمر يكره أن يقوم الرجل من مجلسه، ثم يجلس مكانه.
সহিহ বুখারী > সাথীদের অনুমতি না নিয়ে মজলিস কিংবা ঘর থেকে উঠে যাওয়া, কিংবা নিজে উঠে যাবার প্রস্তুতি গ্রহণ করা যাতে অন্যরা উঠে যায়।
সহিহ বুখারী ৬২৭১
حدثنا الحسن بن عمر، حدثنا معتمر، سمعت أبي يذكر، عن أبي مجلز، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب ابنة جحش دعا الناس طعموا ثم جلسوا يتحدثون ـ قال ـ فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا، فلما رأى ذلك قام، فلما قام قام من قام معه من الناس، وبقي ثلاثة، وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس، ثم إنهم قاموا فانطلقوا ـ قال ـ فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا، فجاء حتى دخل فذهبت أدخل، فأرخى الحجاب بيني وبينه، وأنزل الله تعالى {يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن يؤذن لكم} إلى قوله {إن ذلكم كان عند الله عظيما}.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাইনাব বিন্ত জাহশ (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দা’ওয়াত করলেন। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পর বসে বসে অনেক সময় পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে চলে যাবার ভাব প্রকাশ করলেন। কিন্তু তাতেও তাঁরা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকদের মধ্যে যারা দাঁড়াবার ইচ্ছে করলেন, তারা তাঁর সঙ্গেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে আছেন। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাঁকে তাদের চলে যাবার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢুকলেন। তখন আমিও প্রবেশ করতে চাইলে তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্ তা’আলা ওয়াহী অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! নবীগৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয় ...... আল্লাহ্র দৃষ্টিতে এটা মহা অপরাধ।” – (সূরাহ আল-আহযাব ৩৩/৫৩)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাইনাব বিন্ত জাহশ (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দা’ওয়াত করলেন। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পর বসে বসে অনেক সময় পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে চলে যাবার ভাব প্রকাশ করলেন। কিন্তু তাতেও তাঁরা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকদের মধ্যে যারা দাঁড়াবার ইচ্ছে করলেন, তারা তাঁর সঙ্গেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে আছেন। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাঁকে তাদের চলে যাবার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢুকলেন। তখন আমিও প্রবেশ করতে চাইলে তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্ তা’আলা ওয়াহী অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! নবীগৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয় ...... আল্লাহ্র দৃষ্টিতে এটা মহা অপরাধ।” – (সূরাহ আল-আহযাব ৩৩/৫৩)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৪)
حدثنا الحسن بن عمر، حدثنا معتمر، سمعت أبي يذكر، عن أبي مجلز، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب ابنة جحش دعا الناس طعموا ثم جلسوا يتحدثون ـ قال ـ فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا، فلما رأى ذلك قام، فلما قام قام من قام معه من الناس، وبقي ثلاثة، وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس، ثم إنهم قاموا فانطلقوا ـ قال ـ فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا، فجاء حتى دخل فذهبت أدخل، فأرخى الحجاب بيني وبينه، وأنزل الله تعالى {يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن يؤذن لكم} إلى قوله {إن ذلكم كان عند الله عظيما}.
সহিহ বুখারী > দু’ হাঁটুকে খাড়া করে দু’ হাতে বেড় দিয়ে নিতম্বের উপর বসা।
সহিহ বুখারী ৬২৭২
حدثنا محمد بن أبي غالب، أخبرنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، حدثنا محمد بن فليح، عن أبيه، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بفناء الكعبة محتبيا بيده هكذا.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –কে কা’বা’র আঙ্গিনায় দু’ হাঁটু খাড়া করে দু’ হাত দিয়ে তা বেড় দিয়ে এভাবে উপবিষ্ট অবস্থায় পেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৫)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –কে কা’বা’র আঙ্গিনায় দু’ হাঁটু খাড়া করে দু’ হাত দিয়ে তা বেড় দিয়ে এভাবে উপবিষ্ট অবস্থায় পেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৫)
حدثنا محمد بن أبي غالب، أخبرنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، حدثنا محمد بن فليح، عن أبيه، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بفناء الكعبة محتبيا بيده هكذا.