সহিহ বুখারী > যে ‘লাব্বাইকা’ এবং ‘সা‘দাইকা’ বলে জবাব দিল।

সহিহ বুখারী ৬২৬৭

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، عن معاذ، قال أنا رديف النبي، صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك‏.‏ ثم قال مثله ثلاثا ‏"‏ هل تدري ما حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ‏"‏‏.‏ ثم سار ساعة فقال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك‏.‏ قال ‏"‏ هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم ‏"‏‏.‏ حدثنا هدبة حدثنا همام حدثنا قتادة عن أنس عن معاذ بهٰذا

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, আমি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পেছনে তাঁর সাওয়ারীর উপর উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি আমাকে ডাক দিলেনঃ ওহে মু’আয! আমি বললাম, লাব্বাইকা ওয়া সদাইকা। তারপর তিনি এরূপ তিনবার ডাকলেন। এরপর বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দাদের উপর আল্লাহ্‌র হক কী? তিনি বললেনঃ তা’ হলো, বান্দারা তাঁর ‘ইবাদত করবে আর এতে তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। আবার কিছুক্ষণ চলার পর তিনি বললেনঃ ওহে মু’আয! আমি জবাবে বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া সা’দাইকা। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দা যখন তাঁর ‘ইবাদত করবে, তখন আল্লাহ্‌র উপর বান্দাদের হক কী হবে? তিনি বললেনঃ তা এই যে, তিনি তাদের আযাব দিবেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২০)

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, আমি একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পেছনে তাঁর সাওয়ারীর উপর উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি আমাকে ডাক দিলেনঃ ওহে মু’আয! আমি বললাম, লাব্বাইকা ওয়া সদাইকা। তারপর তিনি এরূপ তিনবার ডাকলেন। এরপর বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দাদের উপর আল্লাহ্‌র হক কী? তিনি বললেনঃ তা’ হলো, বান্দারা তাঁর ‘ইবাদত করবে আর এতে তাঁর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। আবার কিছুক্ষণ চলার পর তিনি বললেনঃ ওহে মু’আয! আমি জবাবে বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া সা’দাইকা। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি জানো যে, বান্দা যখন তাঁর ‘ইবাদত করবে, তখন আল্লাহ্‌র উপর বান্দাদের হক কী হবে? তিনি বললেনঃ তা এই যে, তিনি তাদের আযাব দিবেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২০)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، عن معاذ، قال أنا رديف النبي، صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك‏.‏ ثم قال مثله ثلاثا ‏"‏ هل تدري ما حق الله على العباد أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا ‏"‏‏.‏ ثم سار ساعة فقال ‏"‏ يا معاذ ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك‏.‏ قال ‏"‏ هل تدري ما حق العباد على الله إذا فعلوا ذلك أن لا يعذبهم ‏"‏‏.‏ حدثنا هدبة حدثنا همام حدثنا قتادة عن أنس عن معاذ بهٰذا


সহিহ বুখারী ৬২৬৮

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا زيد بن وهب، حدثنا والله أبو ذر، بالربذة كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرة المدينة عشاء استقبلنا أحد فقال ‏"‏ يا أبا ذر ما أحب أن أحدا لي ذهبا يأتي على ليلة أو ثلاث عندي منه دينار، إلا أرصده لدين، إلا أن أقول به في عباد الله هكذا وهكذا وهكذا ‏"‏‏.‏ وأرانا بيده‏.‏ ثم قال ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ الأكثرون هم الأقلون إلا من قال هكذا وهكذا ‏"‏‏.‏ ثم قال لي ‏"‏ مكانك لا تبرح يا أبا ذر حتى أرجع ‏"‏‏.‏ فانطلق حتى غاب عني، فسمعت صوتا فخشيت أن يكون عرض لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأردت أن أذهب، ثم ذكرت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تبرح ‏"‏‏.‏ فمكثت قلت يا رسول الله سمعت صوتا خشيت أن يكون عرض لك، ثم ذكرت قولك فقمت‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذاك جبريل أتاني، فأخبرني أنه من مات من أمتي لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله وإن زنى وإن سرق‏.‏ قال ‏"‏ وإن زنى وإن سرق ‏"‏‏.‏ قلت لزيد إنه بلغني أنه أبو الدرداء‏.‏ فقال أشهد لحدثنيه أبو ذر بالربذة‏.‏ قال الأعمش وحدثني أبو صالح عن أبي الدرداء نحوه‏.‏ وقال أبو شهاب عن الأعمش ‏"‏ يمكث عندي فوق ثلاث ‏"‏‏.‏

যায়দ ইবনু ওয়াহ্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু ওয়াহ্‌ব (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! আবূ যার (রাঃ) রাবাযাহ নামক স্থানে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে এশার সময় মাদীনায় হার্‌রা নামক স্থান দিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা উহূদ পাহাড়ের সম্মুখীন হলে তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ যার! আমি এটা পছন্দ করি না যে, আমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা আসুক। আর ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছাড়া এক দীনার পরিমাণ সোনাও এক রাত অথবা তিন রাত পর্যন্ত আমার হাতে তা থেকে যাক। বরং আমি পছন্দ করি যে, আমি এগুলো আল্লাহ্‌র বান্দাদের এভাবে বিলিয়ে দেই। (কীভাবে দেবেন) তা তাঁর হাত দিয়ে দেখালেন। তারপর বললেনঃ হে আবূ যার! আমি বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া স’দাইকা, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দুনিয়াতে যার বেশি ধন, আখিরাতে তারা হবে অনেক কম সাওয়াবের অধিকারী। তবে যারা তাদের সম্পদকে এভাবে, এভাবে বিলিয়ে দেবে। তারা হবে এর ব্যতিক্রম। তারপর তিনি আমাকে বললেনঃ আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত, হে আবূ যার! তুমি এ স্থানেই থাকো। এখান থেকে কোথাও যেয়ো না। এরপর তিনি রওয়ানা হয়ে গেলেন, এমনকি আমার অদৃশ্যে চলে গেলেন। এমন সময় একটা শব্দ শুনলাম। এতে আমি শঙ্কিত হয়ে পড়লাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়লেন কিনা? তাই আমি সে দিকে এগিয়ে যেতে চাইলাম। কিন্তু সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর নিষেধাজ্ঞা- যে কোথাও যেয়ো না- মনে পড়লো এবং আমি থেমে গেলাম। এরপর তিনি ফিরে আসলে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি একটা আওয়ায শুনে ভীত হয়ে পড়লাম যে, আপনি সেখানে গিয়ে কোন বিপদে পড়লেন কিনা। কিন্তু আপনার কথা স্মরণ করে থেমে গেলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তিনি ছিলেন জিবরীল। তিনি আমার নিকট এসে সংবাদ দিলেন যে, আমার উম্মাতের মধ্যে যে লোক আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যদিও সে ব্যক্তি ব্যভিচার করে? যদিও সে ব্যক্তি চুরি করে? তিনি বললেনঃ সে যদিও ব্যভিচার করে, যদিও চুরি করে থাকে তবুও। আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি যায়দকে বললাম, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, এ হাদীসের রাবী হলেন আবুদ্‌ দারদা। তিনি বললেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আবূ যারই রাবাযা নামক স্থানে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আ’মাশ (রহঃ) বলেন, আবূ সালিহও আবূ দারদা (রাঃ) সূত্রে আমার কাছে এ রকম বর্ণনা করেছেন। আর আবূ শিহাব, আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ ‘তিন দিনের অতিরিক্ত’। [১২৩৭; মুসলিম ১/৪০, হাঃ ৯৪, আহমাদ ২১৪৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২১)

যায়দ ইবনু ওয়াহ্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু ওয়াহ্‌ব (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! আবূ যার (রাঃ) রাবাযাহ নামক স্থানে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, একবার আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে এশার সময় মাদীনায় হার্‌রা নামক স্থান দিয়ে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমরা উহূদ পাহাড়ের সম্মুখীন হলে তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ যার! আমি এটা পছন্দ করি না যে, আমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা আসুক। আর ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছাড়া এক দীনার পরিমাণ সোনাও এক রাত অথবা তিন রাত পর্যন্ত আমার হাতে তা থেকে যাক। বরং আমি পছন্দ করি যে, আমি এগুলো আল্লাহ্‌র বান্দাদের এভাবে বিলিয়ে দেই। (কীভাবে দেবেন) তা তাঁর হাত দিয়ে দেখালেন। তারপর বললেনঃ হে আবূ যার! আমি বললামঃ লাব্বাইকা ওয়া স’দাইকা, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তখন তিনি বললেনঃ দুনিয়াতে যার বেশি ধন, আখিরাতে তারা হবে অনেক কম সাওয়াবের অধিকারী। তবে যারা তাদের সম্পদকে এভাবে, এভাবে বিলিয়ে দেবে। তারা হবে এর ব্যতিক্রম। তারপর তিনি আমাকে বললেনঃ আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত, হে আবূ যার! তুমি এ স্থানেই থাকো। এখান থেকে কোথাও যেয়ো না। এরপর তিনি রওয়ানা হয়ে গেলেন, এমনকি আমার অদৃশ্যে চলে গেলেন। এমন সময় একটা শব্দ শুনলাম। এতে আমি শঙ্কিত হয়ে পড়লাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়লেন কিনা? তাই আমি সে দিকে এগিয়ে যেতে চাইলাম। কিন্তু সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর নিষেধাজ্ঞা- যে কোথাও যেয়ো না- মনে পড়লো এবং আমি থেমে গেলাম। এরপর তিনি ফিরে আসলে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি একটা আওয়ায শুনে ভীত হয়ে পড়লাম যে, আপনি সেখানে গিয়ে কোন বিপদে পড়লেন কিনা। কিন্তু আপনার কথা স্মরণ করে থেমে গেলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তিনি ছিলেন জিবরীল। তিনি আমার নিকট এসে সংবাদ দিলেন যে, আমার উম্মাতের মধ্যে যে লোক আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! যদিও সে ব্যক্তি ব্যভিচার করে? যদিও সে ব্যক্তি চুরি করে? তিনি বললেনঃ সে যদিও ব্যভিচার করে, যদিও চুরি করে থাকে তবুও। আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি যায়দকে বললাম, আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, এ হাদীসের রাবী হলেন আবুদ্‌ দারদা। তিনি বললেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আবূ যারই রাবাযা নামক স্থানে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আ’মাশ (রহঃ) বলেন, আবূ সালিহও আবূ দারদা (রাঃ) সূত্রে আমার কাছে এ রকম বর্ণনা করেছেন। আর আবূ শিহাব, আ’মাশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ ‘তিন দিনের অতিরিক্ত’। [১২৩৭; মুসলিম ১/৪০, হাঃ ৯৪, আহমাদ ২১৪৭১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২১)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثنا زيد بن وهب، حدثنا والله أبو ذر، بالربذة كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرة المدينة عشاء استقبلنا أحد فقال ‏"‏ يا أبا ذر ما أحب أن أحدا لي ذهبا يأتي على ليلة أو ثلاث عندي منه دينار، إلا أرصده لدين، إلا أن أقول به في عباد الله هكذا وهكذا وهكذا ‏"‏‏.‏ وأرانا بيده‏.‏ ثم قال ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏‏.‏ قلت لبيك وسعديك يا رسول الله‏.‏ قال ‏"‏ الأكثرون هم الأقلون إلا من قال هكذا وهكذا ‏"‏‏.‏ ثم قال لي ‏"‏ مكانك لا تبرح يا أبا ذر حتى أرجع ‏"‏‏.‏ فانطلق حتى غاب عني، فسمعت صوتا فخشيت أن يكون عرض لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأردت أن أذهب، ثم ذكرت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تبرح ‏"‏‏.‏ فمكثت قلت يا رسول الله سمعت صوتا خشيت أن يكون عرض لك، ثم ذكرت قولك فقمت‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذاك جبريل أتاني، فأخبرني أنه من مات من أمتي لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏"‏‏.‏ قلت يا رسول الله وإن زنى وإن سرق‏.‏ قال ‏"‏ وإن زنى وإن سرق ‏"‏‏.‏ قلت لزيد إنه بلغني أنه أبو الدرداء‏.‏ فقال أشهد لحدثنيه أبو ذر بالربذة‏.‏ قال الأعمش وحدثني أبو صالح عن أبي الدرداء نحوه‏.‏ وقال أبو شهاب عن الأعمش ‏"‏ يمكث عندي فوق ثلاث ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কেউ কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠাবে না।

সহিহ বুখারী ৬২৬৯

حدثنا إسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقيم الرجل الرجل من مجلسه، ثم يجلس فيه ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।[৯১১; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭, আহমাদ ৬০৬৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২২)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর কাউকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সে সেখানে বসবে না।[৯১১; মুসলিম ৩৯/১১, হাঃ ২১৭৭, আহমাদ ৬০৬৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২২)

حدثنا إسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقيم الرجل الرجل من مجلسه، ثم يجلس فيه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > (আরবি) “যখন বলা হয়- ‘মাজলিস প্রশস্ত করে দাও’, তখন তোমরা তা প্রশস্ত করে দিবে, আল্লাহ্‌ তোমাদেরকে প্রশস্ততা দান করবেন ... ।” (সূরা মুজাদালাহ ৫৮/১১)

সহিহ বুখারী ৬২৭০

حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن يقام الرجل من مجلسه ويجلس فيه آخر، ولكن تفسحوا وتوسعوا‏.‏ وكان ابن عمر يكره أن يقوم الرجل من مجلسه، ثم يجلس مكانه‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে অন্য লোক বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবনু ‘উমার (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার স্থানে অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৩)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন লোককে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে অন্য লোক বসতে নিষেধ করেছেন। তবে তোমরা বসার জায়গা প্রশস্ত করে দাও এবং ব্যবস্থা করে দাও। ইবনু ‘উমার (রাঃ) কেউ তার জায়গা থেকে উঠে যাক এবং তার স্থানে অন্যজন বসুক তা পছন্দ করতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৩)

حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن يقام الرجل من مجلسه ويجلس فيه آخر، ولكن تفسحوا وتوسعوا‏.‏ وكان ابن عمر يكره أن يقوم الرجل من مجلسه، ثم يجلس مكانه‏.‏


সহিহ বুখারী > সাথীদের অনুমতি না নিয়ে মজলিস কিংবা ঘর থেকে উঠে যাওয়া, কিংবা নিজে উঠে যাবার প্রস্তুতি গ্রহণ করা যাতে অন্যরা উঠে যায়।

সহিহ বুখারী ৬২৭১

حدثنا الحسن بن عمر، حدثنا معتمر، سمعت أبي يذكر، عن أبي مجلز، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب ابنة جحش دعا الناس طعموا ثم جلسوا يتحدثون ـ قال ـ فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا، فلما رأى ذلك قام، فلما قام قام من قام معه من الناس، وبقي ثلاثة، وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس، ثم إنهم قاموا فانطلقوا ـ قال ـ فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا، فجاء حتى دخل فذهبت أدخل، فأرخى الحجاب بيني وبينه، وأنزل الله تعالى ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن يؤذن لكم‏}‏ إلى قوله ‏{‏إن ذلكم كان عند الله عظيما‏}‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাইনাব বিন্‌ত জাহশ (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দা’ওয়াত করলেন। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পর বসে বসে অনেক সময় পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে চলে যাবার ভাব প্রকাশ করলেন। কিন্তু তাতেও তাঁরা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকদের মধ্যে যারা দাঁড়াবার ইচ্ছে করলেন, তারা তাঁর সঙ্গেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে আছেন। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাঁকে তাদের চলে যাবার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢুকলেন। তখন আমিও প্রবেশ করতে চাইলে তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্‌ তা’আলা ওয়াহী অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! নবীগৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয় ...... আল্লাহ্‌র দৃষ্টিতে এটা মহা অপরাধ।” – (সূরাহ আল-আহযাব ৩৩/৫৩)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাইনাব বিন্‌ত জাহশ (রাঃ) –কে বিয়ে করলেন, তখন তিনি কয়েকজন লোককে দা’ওয়াত করলেন। তাঁরা খাদ্য গ্রহণের পর বসে বসে অনেক সময় পর্যন্ত আলাপ-আলোচনায় মশগুল থাকলেন। তখন তিনি নিজে চলে যাবার ভাব প্রকাশ করলেন। কিন্তু তাতেও তাঁরা উঠলেন না। তিনি এ অবস্থা দেখে নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। যখন তিনি চলে গেলেন, তখন লোকদের মধ্যে যারা দাঁড়াবার ইচ্ছে করলেন, তারা তাঁর সঙ্গেই উঠে চলে গেলেন। কিন্তু তাদের তিনজন থেকে গেলেন। এরপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরে এসে ঘরে প্রবেশ করতে চাইলেন, তখন দেখলেন যে ঐ তিনজন তখনো বসে আছেন। কিছুক্ষণ পর তারাও উঠে চলে গেলে, আমি গিয়ে তাঁকে তাদের চলে যাবার সংবাদ দিলাম। এরপর তিনি এসে ঘরে ঢুকলেন। তখন আমিও প্রবেশ করতে চাইলে তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। এ সময় আল্লাহ্‌ তা’আলা ওয়াহী অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! নবীগৃহে প্রবেশ কর না যতক্ষণ না তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয় ...... আল্লাহ্‌র দৃষ্টিতে এটা মহা অপরাধ।” – (সূরাহ আল-আহযাব ৩৩/৫৩)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭২৪)

حدثنا الحسن بن عمر، حدثنا معتمر، سمعت أبي يذكر، عن أبي مجلز، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال لما تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب ابنة جحش دعا الناس طعموا ثم جلسوا يتحدثون ـ قال ـ فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا، فلما رأى ذلك قام، فلما قام قام من قام معه من الناس، وبقي ثلاثة، وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس، ثم إنهم قاموا فانطلقوا ـ قال ـ فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا، فجاء حتى دخل فذهبت أدخل، فأرخى الحجاب بيني وبينه، وأنزل الله تعالى ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن يؤذن لكم‏}‏ إلى قوله ‏{‏إن ذلكم كان عند الله عظيما‏}‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00