সহিহ বুখারী > শিশুদের সালাম দেয়া।
সহিহ বুখারী ৬২৪৭
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن سيار، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه أنه مر على صبيان فسلم عليهم وقال كان النبي صلى الله عليه وسلم يفعله.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করা কালে তিনি তাদের সালাম করে বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তা করতেন।[মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করা কালে তিনি তাদের সালাম করে বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তা করতেন।[মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০০)
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن سيار، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه أنه مر على صبيان فسلم عليهم وقال كان النبي صلى الله عليه وسلم يفعله.
সহিহ বুখারী > মহিলাকে পুরুষদের এবং পুরুষকে মহিলাদের সালাম দেয়া।
সহিহ বুখারী ৬২৪৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا ابن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، قال كنا نفرح يوم الجمعة. قلت ولم قال كانت لنا عجوز ترسل إلى بضاعة ـ قال ابن مسلمة نخل بالمدينة ـ فتأخذ من أصول السلق فتطرحه في قدر، وتكركر حبات من شعير، فإذا صلينا الجمعة انصرفنا ونسلم عليها فتقدمه إلينا، فنفرح من أجله، وما كنا نقيل ولا نتغدى إلا بعد الجمعة.
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জুমু’আহর দিনে খুশি হতাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমাদের একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে কোন লোককে ‘বুদাআ’ নামক খেজুর বাগানে পাঠিয়ে বীট চিনির শিকড় আনতো। তা একটি হাঁড়িতে দিয়ে সে তাতে কিছুটা যবের দানা দিয়ে ঘুঁটে এক রকম খাবার তৈরি করতো। এরপর আমরা যখন জুমু’আহর সলাত আদায় করে ফিরতাম, তখন আমরা ঐ মহিলাকে সালাম দিতাম। তখন সে আমাদের ঐ খাবার পরিবেশন করতো। আমরা এজন্য খুশি হতাম। আমাদের নিয়ম ছিল যে, আমরা জুমু’আহর পরেই মধ্যাহ্ন ভোজন ও মধ্যাহ্ন বিশ্রাম করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০১)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জুমু’আহর দিনে খুশি হতাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমাদের একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে কোন লোককে ‘বুদাআ’ নামক খেজুর বাগানে পাঠিয়ে বীট চিনির শিকড় আনতো। তা একটি হাঁড়িতে দিয়ে সে তাতে কিছুটা যবের দানা দিয়ে ঘুঁটে এক রকম খাবার তৈরি করতো। এরপর আমরা যখন জুমু’আহর সলাত আদায় করে ফিরতাম, তখন আমরা ঐ মহিলাকে সালাম দিতাম। তখন সে আমাদের ঐ খাবার পরিবেশন করতো। আমরা এজন্য খুশি হতাম। আমাদের নিয়ম ছিল যে, আমরা জুমু’আহর পরেই মধ্যাহ্ন ভোজন ও মধ্যাহ্ন বিশ্রাম করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০১)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا ابن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، قال كنا نفرح يوم الجمعة. قلت ولم قال كانت لنا عجوز ترسل إلى بضاعة ـ قال ابن مسلمة نخل بالمدينة ـ فتأخذ من أصول السلق فتطرحه في قدر، وتكركر حبات من شعير، فإذا صلينا الجمعة انصرفنا ونسلم عليها فتقدمه إلينا، فنفرح من أجله، وما كنا نقيل ولا نتغدى إلا بعد الجمعة.
সহিহ বুখারী ৬২৪৯
حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائشة هذا جبريل يقرأ عليك السلام ". قالت قلت وعليه السلام ورحمة الله، ترى ما لا نرى. تريد رسول الله صلى الله عليه وسلم. تابعه شعيب. وقال يونس والنعمان عن الزهري وبركاته.
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ইনি জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন আমিও বললামঃ ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর উদ্দেশ্যে বললেনঃ আমরা যা দেখছি না, তা আপনি দেখছেন। ইউনুস ও নু’মান যুহরী সূত্রে বলেন, এবং ‘বারাকাতুহু’ –ও বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০২)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ইনি জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন আমিও বললামঃ ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর উদ্দেশ্যে বললেনঃ আমরা যা দেখছি না, তা আপনি দেখছেন। ইউনুস ও নু’মান যুহরী সূত্রে বলেন, এবং ‘বারাকাতুহু’ –ও বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০২)
حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائشة هذا جبريل يقرأ عليك السلام ". قالت قلت وعليه السلام ورحمة الله، ترى ما لا نرى. تريد رسول الله صلى الله عليه وسلم. تابعه شعيب. وقال يونس والنعمان عن الزهري وبركاته.
সহিহ বুখারী > যদি কেউ জিজ্ঞেস করেন যে, ইনি কে? আর তিনি বলেন, আমি।
সহিহ বুখারী ৬২৫০
حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ يقول أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في دين كان على أبي فدققت الباب فقال " من ذا ". فقلت أنا. فقال " أنا أنا ". كأنه كرهها.
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতার কিছু ঋণ ছিল। এ সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলাম এবং দরজায় আঘাত করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি আমি, যেন তিনি তা অপছন্দ করলেন। [২১২৭; মুসলিম ৩৮/৮, হাঃ ২১৫৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৩)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাবির (রাঃ) বলেন, আমার পিতার কিছু ঋণ ছিল। এ সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলাম এবং দরজায় আঘাত করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি আমি, যেন তিনি তা অপছন্দ করলেন। [২১২৭; মুসলিম ৩৮/৮, হাঃ ২১৫৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৩)
حدثنا أبو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا ـ رضى الله عنه ـ يقول أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في دين كان على أبي فدققت الباب فقال " من ذا ". فقلت أنا. فقال " أنا أنا ". كأنه كرهها.
সহিহ বুখারী > যে সালামের জবাব দিল এবং বললঃ ‘আলাইকাস্ সালাম।
সহিহ বুখারী ৬২৫২
حدثنا ابن بشار، قال حدثني يحيى، عن عبيد الله، حدثني سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ثم ارفع حتى تطمئن جالسا ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তারপর উঠে বস ধীরস্থিরভাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তারপর উঠে বস ধীরস্থিরভাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৫)
حدثنا ابن بشار، قال حدثني يحيى، عن عبيد الله، حدثني سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ثم ارفع حتى تطمئن جالسا ".
সহিহ বুখারী ৬২৫১
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه أن رجلا، دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في ناحية المسجد فصلى، ثم جاء فسلم عليه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " وعليك السلام ارجع فصل فإنك لم تصل ". فرجع فصلى، ثم جاء فسلم. فقال " وعليك السلام فارجع فصل، فإنك لم تصل ". فقال في الثانية أو في التي بعدها علمني يا رسول الله. فقال " إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ بما تيسر معك من القرآن، ثم اركع حتى تطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تستوي قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن جالسا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن جالسا، ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ". وقال أبو أسامة في الأخير " حتى تستوي قائما ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাসজিদের একপার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। সে সলাত আদায় করে এসে তাঁকে সালাম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সলাত আদায় করো নি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে এসে আবার সালাম করল। তিনি বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সালাত আদায় করোনি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে তাঁকে সালাম করল। তখন সে দ্বিতীয় বারে অথবা তার পরের বারে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাকে সালাত শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দাঁড়ানোর ইচ্ছে করবে, তখন প্রথমে তুমি যথানিয়মে অযূ করবে। তারপর কিবলামুখী দাঁড়িয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন থেকে যে অংশ তোমার পক্ষে সহজ হবে, তা তিলাওয়াত করবে। তারপর তুমি রুকূ’ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর মাথা তুলে ঠিক সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর সাজদাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর আবার মাথা তুলে বসবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর ঠিক এভাবেই তোমার সালাতের যাবতীয় কাজ সমাধা করবে। আবূ উসামাহ (রাঃ) বলেন, এমনকি শেষে তুমি সোজা হয়ে দণ্ডায়মান হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাসজিদের একপার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। সে সলাত আদায় করে এসে তাঁকে সালাম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সলাত আদায় করো নি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে এসে আবার সালাম করল। তিনি বললেনঃ ওয়া আলাইকাস সালাম; তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কারণ তুমি সালাত আদায় করোনি। সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করে তাঁকে সালাম করল। তখন সে দ্বিতীয় বারে অথবা তার পরের বারে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাকে সালাত শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সালাতে দাঁড়ানোর ইচ্ছে করবে, তখন প্রথমে তুমি যথানিয়মে অযূ করবে। তারপর কিবলামুখী দাঁড়িয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন থেকে যে অংশ তোমার পক্ষে সহজ হবে, তা তিলাওয়াত করবে। তারপর তুমি রুকূ’ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর মাথা তুলে ঠিক সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর সাজদাহ করবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর আবার মাথা তুলে বসবে ধীরস্থিরভাবে। তারপর ঠিক এভাবেই তোমার সালাতের যাবতীয় কাজ সমাধা করবে। আবূ উসামাহ (রাঃ) বলেন, এমনকি শেষে তুমি সোজা হয়ে দণ্ডায়মান হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০৪)
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه أن رجلا، دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في ناحية المسجد فصلى، ثم جاء فسلم عليه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " وعليك السلام ارجع فصل فإنك لم تصل ". فرجع فصلى، ثم جاء فسلم. فقال " وعليك السلام فارجع فصل، فإنك لم تصل ". فقال في الثانية أو في التي بعدها علمني يا رسول الله. فقال " إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ بما تيسر معك من القرآن، ثم اركع حتى تطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تستوي قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن جالسا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن جالسا، ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ". وقال أبو أسامة في الأخير " حتى تستوي قائما ".