সহিহ বুখারী > তিনবার সালাম দেয়া ও অনুমতি চাওয়া ।

সহিহ বুখারী ৬২৪৪

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الله بن المثنى، حدثنا ثمامة بن عبد الله، عن أنس ـ رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سلم سلم ثلاثا، وإذا تكلم بكلمة أعادها ثلاثا‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে ,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাম করতেন , তখন তিনবার সালাম দিতেন এবং যখন কথা বলতেন তখন তিনবার তার পুনরাবৃত্তি করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে ,নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাম করতেন , তখন তিনবার সালাম দিতেন এবং যখন কথা বলতেন তখন তিনবার তার পুনরাবৃত্তি করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৭)

حدثنا إسحاق، أخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الله بن المثنى، حدثنا ثمامة بن عبد الله، عن أنس ـ رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سلم سلم ثلاثا، وإذا تكلم بكلمة أعادها ثلاثا‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২৪৫

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا يزيد بن خصيفة، عن بسر بن سعيد، عن أبي سعيد الخدري، قال كنت في مجلس من مجالس الأنصار إذ جاء أبو موسى كأنه مذعور فقال استأذنت على عمر ثلاثا، فلم يؤذن لي فرجعت فقال ما منعك قلت استأذنت ثلاثا، فلم يؤذن لي فرجعت، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له، فليرجع ‏"‏‏.‏ فقال والله لتقيمن عليه ببينة‏.‏ أمنكم أحد سمعه من النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال أبى بن كعب والله لا يقوم معك إلا أصغر القوم، فكنت أصغر القوم، فقمت معه فأخبرت عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذلك‏.‏ وقال ابن المبارك أخبرني ابن عيينة حدثني يزيد عن بسر سمعت أبا سعيد بهذا‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি আনসারদের এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ আবূ মূসা (রাঃ) ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এসে বললেনঃ আমি তিনবার ‘উমার (রাঃ)- এর নিকট অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হল না। তাই আমি ফিরে এলাম। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে কিসে বাধা দিল? আমি বললামঃ আমি প্রবেশের জন্য তিনবার অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তাই আমি ফিরে এলাম। (কারণ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কেউ তিনবার প্রবেশের অনুমতি চায়। কিন্তু তাতে অনুমতি দেয়া না হয় তবে সে যেন ফিরে যায়। তখন উমার (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তোমাকে এ কথার উপর অবশ্যই প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি সবাইকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাদের মাঝে কেউ আছে কি যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীস শুনেছে? তখন উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আপনার কাছে প্রমাণ দিতে দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তিই উঠে দাঁড়াবে। আর আমি দলের সর্বকনিষ্ঠ ছিলাম। সুতরাং আমি তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বললামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অবশ্যই এ কথা বলেছেন। ইবনু মুবারাক বলেন, আবূ সা’ঈদ হতে ভিন্ন একটি সূত্রেও অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [২০৬২; মুসলিম ৩৮/৭, হাঃ ২১৫৩, আহমাদ ১৯৬৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৮)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি আনসারদের এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ আবূ মূসা (রাঃ) ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এসে বললেনঃ আমি তিনবার ‘উমার (রাঃ)- এর নিকট অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হল না। তাই আমি ফিরে এলাম। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে ভেতরে প্রবেশ করতে কিসে বাধা দিল? আমি বললামঃ আমি প্রবেশের জন্য তিনবার অনুমতি চাইলাম, কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হলো না। তাই আমি ফিরে এলাম। (কারণ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমাদের কেউ তিনবার প্রবেশের অনুমতি চায়। কিন্তু তাতে অনুমতি দেয়া না হয় তবে সে যেন ফিরে যায়। তখন উমার (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তোমাকে এ কথার উপর অবশ্যই প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি সবাইকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাদের মাঝে কেউ আছে কি যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীস শুনেছে? তখন উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! আপনার কাছে প্রমাণ দিতে দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তিই উঠে দাঁড়াবে। আর আমি দলের সর্বকনিষ্ঠ ছিলাম। সুতরাং আমি তাঁর সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বললামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অবশ্যই এ কথা বলেছেন। ইবনু মুবারাক বলেন, আবূ সা’ঈদ হতে ভিন্ন একটি সূত্রেও অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [২০৬২; মুসলিম ৩৮/৭, হাঃ ২১৫৩, আহমাদ ১৯৬৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৮)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا يزيد بن خصيفة، عن بسر بن سعيد، عن أبي سعيد الخدري، قال كنت في مجلس من مجالس الأنصار إذ جاء أبو موسى كأنه مذعور فقال استأذنت على عمر ثلاثا، فلم يؤذن لي فرجعت فقال ما منعك قلت استأذنت ثلاثا، فلم يؤذن لي فرجعت، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له، فليرجع ‏"‏‏.‏ فقال والله لتقيمن عليه ببينة‏.‏ أمنكم أحد سمعه من النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فقال أبى بن كعب والله لا يقوم معك إلا أصغر القوم، فكنت أصغر القوم، فقمت معه فأخبرت عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذلك‏.‏ وقال ابن المبارك أخبرني ابن عيينة حدثني يزيد عن بسر سمعت أبا سعيد بهذا‏.‏


সহিহ বুখারী > যখন কোন ব্যক্তিকে ডাকা হয় আর সে আসে, সেও কি প্রবেশের অনুমতি নিবে ?

সহিহ বুখারী ৬২৪৬

حدثنا أبو نعيم، حدثنا عمر بن ذر،‏.‏ وحدثنا محمد بن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا عمر بن ذر، أخبرنا مجاهد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال دخلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد لبنا في قدح فقال ‏ "‏ أبا هر الحق أهل الصفة فادعهم إلى ‏"‏‏.‏ قال فأتيتهم فدعوتهم، فأقبلوا فاستأذنوا فأذن لهم، فدخلوا‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে গিয়ে একটি পেয়ালায় দুধ পেলেন। তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ হির! তুমি আহলে সুফ্‌ফার নিকট গিয়ে তাদের আমার নিকট ডেকে আন। তখন আমি তাদের কাছে গিয়ে দা’ওয়াত দিয়ে এলাম। তারপর তারা এসে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাদের অনুমতি দেয়া হলো। তারপর তারা প্রবেশ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে তাঁর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে গিয়ে একটি পেয়ালায় দুধ পেলেন। তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবূ হির! তুমি আহলে সুফ্‌ফার নিকট গিয়ে তাদের আমার নিকট ডেকে আন। তখন আমি তাদের কাছে গিয়ে দা’ওয়াত দিয়ে এলাম। তারপর তারা এসে প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাদের অনুমতি দেয়া হলো। তারপর তারা প্রবেশ করল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৯)

حدثنا أبو نعيم، حدثنا عمر بن ذر،‏.‏ وحدثنا محمد بن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا عمر بن ذر، أخبرنا مجاهد، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال دخلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجد لبنا في قدح فقال ‏ "‏ أبا هر الحق أهل الصفة فادعهم إلى ‏"‏‏.‏ قال فأتيتهم فدعوتهم، فأقبلوا فاستأذنوا فأذن لهم، فدخلوا‏.‏


সহিহ বুখারী > শিশুদের সালাম দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২৪৭

حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن سيار، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه أنه مر على صبيان فسلم عليهم وقال كان النبي صلى الله عليه وسلم يفعله‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করা কালে তিনি তাদের সালাম করে বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তা করতেন।[মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করা কালে তিনি তাদের সালাম করে বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তা করতেন।[মুসলিম ৩৯/৫, হাঃ ২১৬৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০০)

حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن سيار، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه أنه مر على صبيان فسلم عليهم وقال كان النبي صلى الله عليه وسلم يفعله‏.‏


সহিহ বুখারী > মহিলাকে পুরুষদের এবং পুরুষকে মহিলাদের সালাম দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২৪৮

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا ابن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، قال كنا نفرح يوم الجمعة‏.‏ قلت ولم قال كانت لنا عجوز ترسل إلى بضاعة ـ قال ابن مسلمة نخل بالمدينة ـ فتأخذ من أصول السلق فتطرحه في قدر، وتكركر حبات من شعير، فإذا صلينا الجمعة انصرفنا ونسلم عليها فتقدمه إلينا، فنفرح من أجله، وما كنا نقيل ولا نتغدى إلا بعد الجمعة‏.‏

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা জুমু’আহর দিনে খুশি হতাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমাদের একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে কোন লোককে ‘বুদাআ’ নামক খেজুর বাগানে পাঠিয়ে বীট চিনির শিকড় আনতো। তা একটি হাঁড়িতে দিয়ে সে তাতে কিছুটা যবের দানা দিয়ে ঘুঁটে এক রকম খাবার তৈরি করতো। এরপর আমরা যখন জুমু’আহর সলাত আদায় করে ফিরতাম, তখন আমরা ঐ মহিলাকে সালাম দিতাম। তখন সে আমাদের ঐ খাবার পরিবেশন করতো। আমরা এজন্য খুশি হতাম। আমাদের নিয়ম ছিল যে, আমরা জুমু’আহর পরেই মধ্যাহ্ন ভোজন ও মধ্যাহ্ন বিশ্রাম করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০১)

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা জুমু’আহর দিনে খুশি হতাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমাদের একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে কোন লোককে ‘বুদাআ’ নামক খেজুর বাগানে পাঠিয়ে বীট চিনির শিকড় আনতো। তা একটি হাঁড়িতে দিয়ে সে তাতে কিছুটা যবের দানা দিয়ে ঘুঁটে এক রকম খাবার তৈরি করতো। এরপর আমরা যখন জুমু’আহর সলাত আদায় করে ফিরতাম, তখন আমরা ঐ মহিলাকে সালাম দিতাম। তখন সে আমাদের ঐ খাবার পরিবেশন করতো। আমরা এজন্য খুশি হতাম। আমাদের নিয়ম ছিল যে, আমরা জুমু’আহর পরেই মধ্যাহ্ন ভোজন ও মধ্যাহ্ন বিশ্রাম করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০১)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا ابن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، قال كنا نفرح يوم الجمعة‏.‏ قلت ولم قال كانت لنا عجوز ترسل إلى بضاعة ـ قال ابن مسلمة نخل بالمدينة ـ فتأخذ من أصول السلق فتطرحه في قدر، وتكركر حبات من شعير، فإذا صلينا الجمعة انصرفنا ونسلم عليها فتقدمه إلينا، فنفرح من أجله، وما كنا نقيل ولا نتغدى إلا بعد الجمعة‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২৪৯

حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة هذا جبريل يقرأ عليك السلام ‏"‏‏.‏ قالت قلت وعليه السلام ورحمة الله، ترى ما لا نرى‏.‏ تريد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ تابعه شعيب‏.‏ وقال يونس والنعمان عن الزهري وبركاته‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ইনি জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন আমিও বললামঃ ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর উদ্দেশ্যে বললেনঃ আমরা যা দেখছি না, তা আপনি দেখছেন। ইউনুস ও নু’মান যুহরী সূত্রে বলেন, এবং ‘বারাকাতুহু’ –ও বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০২)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ইনি জিবরীল (আঃ) তোমাকে সালাম দিচ্ছেন। তখন আমিও বললামঃ ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর উদ্দেশ্যে বললেনঃ আমরা যা দেখছি না, তা আপনি দেখছেন। ইউনুস ও নু’মান যুহরী সূত্রে বলেন, এবং ‘বারাকাতুহু’ –ও বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭০২)

حدثنا ابن مقاتل، أخبرنا عبد الله، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة هذا جبريل يقرأ عليك السلام ‏"‏‏.‏ قالت قلت وعليه السلام ورحمة الله، ترى ما لا نرى‏.‏ تريد رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ تابعه شعيب‏.‏ وقال يونس والنعمان عن الزهري وبركاته‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00