সহিহ বুখারী > (কোন কিছু তালাশ করার উদ্দেশে) পানি ও কাদার মধ্যে লাঠি দিয়ে খোঁচা দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২১৬

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث، حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به بين الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا أبو بكر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر فقال ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فإذا عمر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر، وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ افتح ‏{‏له‏}‏ وبشره بالجنة، على بلوى تصيبه أو تكون ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا عثمان، ففتحت له، وبشرته بالجنة، فأخبرته بالذي قال‏.‏ قال الله المستعان‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তিনি মদীনার এক বাগানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতে একটা লাঠি ছিল। তিনি তা দিয়ে পানি ও কাদার মাঝে খোঁচা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তখন আমি গিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের শুভ সংবাদ দিলাম। তারপর আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ জানাও। তখন দেখলাম; তিনি ‘উমার (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আবার আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি হেলান দিয়েছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বললেনঃ খুলে দাও এবং তাঁকে একটি কঠিন বিপদে পড়ার পর জান্নাতবাসী হবার সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি, তিনি ‘উসমান (রাঃ)। আমি তাঁর জন্যও দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা ভবিষ্যদ্বাণী করেন, আমি তাও বিবৃত করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলাই আমার সাহায্যকারী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭০)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তিনি মদীনার এক বাগানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতে একটা লাঠি ছিল। তিনি তা দিয়ে পানি ও কাদার মাঝে খোঁচা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তখন আমি গিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের শুভ সংবাদ দিলাম। তারপর আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ জানাও। তখন দেখলাম; তিনি ‘উমার (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আবার আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি হেলান দিয়েছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বললেনঃ খুলে দাও এবং তাঁকে একটি কঠিন বিপদে পড়ার পর জান্নাতবাসী হবার সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি, তিনি ‘উসমান (রাঃ)। আমি তাঁর জন্যও দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা ভবিষ্যদ্বাণী করেন, আমি তাও বিবৃত করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলাই আমার সাহায্যকারী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭০)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث، حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به بين الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا أبو بكر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر فقال ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فإذا عمر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر، وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ افتح ‏{‏له‏}‏ وبشره بالجنة، على بلوى تصيبه أو تكون ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا عثمان، ففتحت له، وبشرته بالجنة، فأخبرته بالذي قال‏.‏ قال الله المستعان‏.‏


সহিহ বুখারী > কারো হাতের কোন কিছু দিয়ে যমীনে মৃদু আঘাত করা।

সহিহ বুখারী ৬২১৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، عن سليمان، ومنصور، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في جنازة فجعل ينكت الأرض بعود، فقال ‏"‏ ليس منكم من أحد إلا وقد فرغ من مقعده من الجنة والنار ‏"‏‏.‏ فقالوا أفلا نتكل قال ‏"‏ اعملوا فكل ميسر ‏"‏‏.‏ ‏{‏فأما من أعطى واتقى‏}‏ الآية‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমরা এক জানাযায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটা লাক্‌ড়ি দিতে যমীনে মৃদু আঘাত দিয়ে বললেনঃ তোমাদের কোন লোক এমন নয় যার বাসস্থান জান্নাতে অথবা জাহান্নামে নির্ধারিত হয়ে যায়নি। লোকের জিজ্ঞেস করলঃ তা হলে কি আমরা তার উপর নির্ভর করব না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আমাল করে যাও। কারণ যাকে যে জন্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, তার জন্য তা সহজ করে দেয়া হবে। (এরপর তিলাওয়াত করলেন) “যে ব্যাক্তি দান খয়রাত করবে, তাক্‌ওয়া অর্জন করবে..................... শেষ পর্যন্ত”- (সূরাহ আল-লায়ল ৯২/৫)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭১)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, আমরা এক জানাযায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটা লাক্‌ড়ি দিতে যমীনে মৃদু আঘাত দিয়ে বললেনঃ তোমাদের কোন লোক এমন নয় যার বাসস্থান জান্নাতে অথবা জাহান্নামে নির্ধারিত হয়ে যায়নি। লোকের জিজ্ঞেস করলঃ তা হলে কি আমরা তার উপর নির্ভর করব না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আমাল করে যাও। কারণ যাকে যে জন্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, তার জন্য তা সহজ করে দেয়া হবে। (এরপর তিলাওয়াত করলেন) “যে ব্যাক্তি দান খয়রাত করবে, তাক্‌ওয়া অর্জন করবে..................... শেষ পর্যন্ত”- (সূরাহ আল-লায়ল ৯২/৫)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭১)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، عن سليمان، ومنصور، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في جنازة فجعل ينكت الأرض بعود، فقال ‏"‏ ليس منكم من أحد إلا وقد فرغ من مقعده من الجنة والنار ‏"‏‏.‏ فقالوا أفلا نتكل قال ‏"‏ اعملوا فكل ميسر ‏"‏‏.‏ ‏{‏فأما من أعطى واتقى‏}‏ الآية‏.‏


সহিহ বুখারী > বিস্ময়ে ‘আল্লাহু আকবার’ অথবা ‘সুব হানাল্লাহ’ বলা।

সহিহ বুখারী ৬২১৮

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، حدثتني هند بنت الحارث، أن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت استيقظ النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ سبحان الله ماذا أنزل من الخزائن، وماذا أنزل من الفتن، من يوقظ صواحب الحجر ـ يريد به أزواجه ـ حتى يصلين، رب كاسية في الدنيا، عارية في الآخرة ‏"‏‏.‏ وقال ابن أبي ثور عن ابن عباس، عن عمر، قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم طلقت نساءك قال ‏"‏ لا ‏"‏‏.‏ قلت الله أكبر‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুম থেকে উঠে বললেনঃ সুব্‌হানাল্লাহ! অদ্যকার রাতে কত যে ধন-ভান্ডার এবং কত যে বিপদাপদ অবতীর্ণ করা হয়েছে। কে আছ যে এ হুজরাবাসিনীদের অর্থাৎ তাঁদের স্ত্রীদের জাগিয়ে দেবে যাতে তাঁরা সলাত আদায় করে। দুনিয়ার কত বস্ত্র পরিহিতা, আখিরাতে উলঙ্গ হবে! ‘উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বললাম, আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। তখন আমি বললামঃ ‘আল্লাহু আকবার’।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭২)

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুম থেকে উঠে বললেনঃ সুব্‌হানাল্লাহ! অদ্যকার রাতে কত যে ধন-ভান্ডার এবং কত যে বিপদাপদ অবতীর্ণ করা হয়েছে। কে আছ যে এ হুজরাবাসিনীদের অর্থাৎ তাঁদের স্ত্রীদের জাগিয়ে দেবে যাতে তাঁরা সলাত আদায় করে। দুনিয়ার কত বস্ত্র পরিহিতা, আখিরাতে উলঙ্গ হবে! ‘উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বললাম, আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। তখন আমি বললামঃ ‘আল্লাহু আকবার’।(আধুনিক প্রকাশনী- , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭২)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، حدثتني هند بنت الحارث، أن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت استيقظ النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ سبحان الله ماذا أنزل من الخزائن، وماذا أنزل من الفتن، من يوقظ صواحب الحجر ـ يريد به أزواجه ـ حتى يصلين، رب كاسية في الدنيا، عارية في الآخرة ‏"‏‏.‏ وقال ابن أبي ثور عن ابن عباس، عن عمر، قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم طلقت نساءك قال ‏"‏ لا ‏"‏‏.‏ قلت الله أكبر‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২১৯

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن علي بن الحسين، أن صفية بنت حيى، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوره وهو معتكف في المسجد في العشر الغوابر من رمضان، فتحدثت عنده ساعة من العشاء ثم قامت تنقلب، فقام معها النبي صلى الله عليه وسلم يقلبها حتى إذا بلغت باب المسجد الذي عند مسكن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم مر بهما رجلان من الأنصار فسلما على رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم نفذا، فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ على رسلكما، إنما هي صفية بنت حيى ‏"‏‏.‏ قالا سبحان الله يا رسول الله‏.‏ وكبر عليهما‏.‏ قال ‏"‏ إن الشيطان يجري من ابن آدم مبلغ الدم، وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما ‏"‏‏.‏

আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী সফীয়্যাহ বিন্‌ত হুইয়াই বর্ণনা করেন যে, রমাযানের শেষ দশ দিনে মাসজিদে রসূলুল্লাহর ই’তিকাফের অবস্থায় তিনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেন। তিনি রাতের প্রথম ভাগে কিছু সময় তাঁর সঙ্গে কথাবার্তার পর ফিরে যাবার জন্য উঠে দাঁড়ালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এগিয়ে দেয়ার জন্যে উঠে দাঁড়ালেন। শেষে যখন তিনি মাসজিদের দরজার নিকট পৌঁছলেন, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বিবি উম্মু সালামাহ্‌র ঘরের নিকটে অবস্থিত, তখন তাঁদের পাশ দিয়ে আনসারের দু’জন লোক যাচ্ছিল। তাঁরা দু’জনেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে সালাম দিল এবং নিজ পথের রওয়ানা হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ ধীরে চল। ইনি হলেন সফীয়্যাহ বিন্‌ত হুইয়াই। তারা বললোঃ সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহ্‌র রসূল। তাদের দু’ জনের মনে তা গুরুত্বপূর্ণ মনে হল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয়ই শয়ত্বন মানুষের রক্তের ভিতর চলাচল করে থাকে। তাই আমার আশঙ্কা হলো যে, সম্ভবতঃ সে তোমাদের অন্তরে সন্দেহ জাগিয়ে দিতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৭,৫৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭৩)

আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী সফীয়্যাহ বিন্‌ত হুইয়াই বর্ণনা করেন যে, রমাযানের শেষ দশ দিনে মাসজিদে রসূলুল্লাহর ই’তিকাফের অবস্থায় তিনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেন। তিনি রাতের প্রথম ভাগে কিছু সময় তাঁর সঙ্গে কথাবার্তার পর ফিরে যাবার জন্য উঠে দাঁড়ালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এগিয়ে দেয়ার জন্যে উঠে দাঁড়ালেন। শেষে যখন তিনি মাসজিদের দরজার নিকট পৌঁছলেন, যা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বিবি উম্মু সালামাহ্‌র ঘরের নিকটে অবস্থিত, তখন তাঁদের পাশ দিয়ে আনসারের দু’জন লোক যাচ্ছিল। তাঁরা দু’জনেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে সালাম দিল এবং নিজ পথের রওয়ানা হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ ধীরে চল। ইনি হলেন সফীয়্যাহ বিন্‌ত হুইয়াই। তারা বললোঃ সুবহানাল্লাহ! হে আল্লাহ্‌র রসূল। তাদের দু’ জনের মনে তা গুরুত্বপূর্ণ মনে হল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ নিশ্চয়ই শয়ত্বন মানুষের রক্তের ভিতর চলাচল করে থাকে। তাই আমার আশঙ্কা হলো যে, সম্ভবতঃ সে তোমাদের অন্তরে সন্দেহ জাগিয়ে দিতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৭,৫৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭৩)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن علي بن الحسين، أن صفية بنت حيى، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوره وهو معتكف في المسجد في العشر الغوابر من رمضان، فتحدثت عنده ساعة من العشاء ثم قامت تنقلب، فقام معها النبي صلى الله عليه وسلم يقلبها حتى إذا بلغت باب المسجد الذي عند مسكن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم مر بهما رجلان من الأنصار فسلما على رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم نفذا، فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ على رسلكما، إنما هي صفية بنت حيى ‏"‏‏.‏ قالا سبحان الله يا رسول الله‏.‏ وكبر عليهما‏.‏ قال ‏"‏ إن الشيطان يجري من ابن آدم مبلغ الدم، وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ঢিল ছোঁড়া প্রসঙ্গে।

সহিহ বুখারী ৬২২০

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت عقبة بن صهبان الأزدي، يحدث عن عبد الله بن مغفل المزني، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الخذف وقال ‏ "‏ إنه لا يقتل الصيد، ولا ينكأ العدو، وإنه يفقأ العين، ويكسر السن ‏"‏‏.‏

আব্‌দুল্লাহ ইব্‌নু মুগাফ্‌ফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঢিল ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেনঃ এটা শিকার মারতে পারে না এবং শত্রুকেও আহত করতে পারে না বরং কারো চোখ ফুঁড়ে দিতে পারে আবার কোন লোকের দাঁত ভেঙ্গে দিতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭৪)

আব্‌দুল্লাহ ইব্‌নু মুগাফ্‌ফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঢিল ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। আর বলেছেনঃ এটা শিকার মারতে পারে না এবং শত্রুকেও আহত করতে পারে না বরং কারো চোখ ফুঁড়ে দিতে পারে আবার কোন লোকের দাঁত ভেঙ্গে দিতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭৪)

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت عقبة بن صهبان الأزدي، يحدث عن عبد الله بن مغفل المزني، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الخذف وقال ‏ "‏ إنه لا يقتل الصيد، ولا ينكأ العدو، وإنه يفقأ العين، ويكسر السن ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00