সহিহ বুখারী > পরোক্ষ কথা ব’লে মিথ্যা এড়ানো যায়।

সহিহ বুখারী ৬২০৯

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم في مسير له فحدا الحادي، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ارفق يا أنجشة، ويحك، بالقوارير ‏"‏‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মহিলাদের সহ) এক সফরে ছিলেন। হুদী গায়ক হুদী [১৮] গান গেয়ে চলেছিল। তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, আফসোস তোমার প্রতি ওহে আন্জাশা! তুমি কাঁচপাত্র তুল্য সাওয়ারীদের সাথে সদয় হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মহিলাদের সহ) এক সফরে ছিলেন। হুদী গায়ক হুদী [১৮] গান গেয়ে চলেছিল। তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, আফসোস তোমার প্রতি ওহে আন্জাশা! তুমি কাঁচপাত্র তুল্য সাওয়ারীদের সাথে সদয় হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৩)

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم في مسير له فحدا الحادي، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ارفق يا أنجشة، ويحك، بالقوارير ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২১০

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، وأيوب، عن أبي قلابة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم كان في سفر، وكان غلام يحدو بهن يقال له أنجشة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رويدك يا أنجشة، سوقك بالقوارير ‏"‏‏.‏ قال أبو قلابة يعني النساء‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সফরে ছিলেন। তাঁর আন্জাশা নামে এক গোলাম ছিল। সে হুদী গান গেয়ে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তাকে বললেনঃ হে আন্জাশা! তুমি ধীরে উট হাঁকাও, যেহেতু তুমি কাঁচপাত্র তুল্যদের (আরোহী) উট হাঁকিয়ে যাচ্ছ। আবূ কিলাবাহ বর্ণনা করেন, কাঁচপাত্র সদৃশ শব্দ দ্বারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীলোকদেরকে বুঝিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সফরে ছিলেন। তাঁর আন্জাশা নামে এক গোলাম ছিল। সে হুদী গান গেয়ে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তিনি তাকে বললেনঃ হে আন্জাশা! তুমি ধীরে উট হাঁকাও, যেহেতু তুমি কাঁচপাত্র তুল্যদের (আরোহী) উট হাঁকিয়ে যাচ্ছ। আবূ কিলাবাহ বর্ণনা করেন, কাঁচপাত্র সদৃশ শব্দ দ্বারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীলোকদেরকে বুঝিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৪)

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، وأيوب، عن أبي قلابة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم كان في سفر، وكان غلام يحدو بهن يقال له أنجشة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رويدك يا أنجشة، سوقك بالقوارير ‏"‏‏.‏ قال أبو قلابة يعني النساء‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২১১

حدثنا إسحاق، أخبرنا حبان، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن مالك، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم حاد يقال له أنجشة، وكان حسن الصوت، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رويدك يا أنجشة، لا تكسر القوارير ‏"‏‏.‏ قال قتادة يعني ضعفة النساء‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর একটি হুদীগায়ক গোলাম ছিল। তাকে আন্জাশা বলে ডাকা হতো। তার সুর ছিল মধুর। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে আন্জাশা! তুমি ধীরে হাঁকাও, যেন কাঁচের পাত্রগুলো ভেঙ্গে না ফেল। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ‘কাঁচপাত্রগুলো’ শব্দ দ্বারা স্ত্রীলোকদেরকে বুঝিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর একটি হুদীগায়ক গোলাম ছিল। তাকে আন্জাশা বলে ডাকা হতো। তার সুর ছিল মধুর। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে আন্জাশা! তুমি ধীরে হাঁকাও, যেন কাঁচের পাত্রগুলো ভেঙ্গে না ফেল। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ‘কাঁচপাত্রগুলো’ শব্দ দ্বারা স্ত্রীলোকদেরকে বুঝিয়েছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৫)

حدثنا إسحاق، أخبرنا حبان، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا أنس بن مالك، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم حاد يقال له أنجشة، وكان حسن الصوت، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رويدك يا أنجشة، لا تكسر القوارير ‏"‏‏.‏ قال قتادة يعني ضعفة النساء‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২১২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني قتادة، عن أنس بن مالك، قال كان بالمدينة فزع فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا لأبي طلحة فقال ‏ "‏ ما رأينا من شىء، وإن وجدناه لبحرا ‏"‏‏.‏

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার মাদীনাহ্তে (ভয়ংকর শব্দ হলে) ভীতি দেখা দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ) -এর একটা অশ্বে সওয়ার হয়ে এগিয়ে গেলেন এবং (ফিরে এসে) বললেনঃ আমি তো কিছুই দেখতে পেলাম না। আমি এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতই পেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৬)

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার মাদীনাহ্তে (ভয়ংকর শব্দ হলে) ভীতি দেখা দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বলহা (রাঃ) -এর একটা অশ্বে সওয়ার হয়ে এগিয়ে গেলেন এবং (ফিরে এসে) বললেনঃ আমি তো কিছুই দেখতে পেলাম না। আমি এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতই পেয়েছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৬)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، قال حدثني قتادة، عن أنس بن مالك، قال كان بالمدينة فزع فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا لأبي طلحة فقال ‏ "‏ ما رأينا من شىء، وإن وجدناه لبحرا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কোন কিছু সম্পর্কে, তা অবাস্তব মনে করে বলা যে, এটা কোন কিছুই না।

সহিহ বুখারী ৬২১৩

وقال ابن عباس قال النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم للقبرين يعذبان بلا كبير وإنه لكبير حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا مخلد بن يزيد، أخبرنا ابن جريج، قال ابن شهاب أخبرني يحيى بن عروة، أنه سمع عروة، يقول قالت عائشة سأل أناس رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الكهان فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليسوا بشىء ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله فإنهم يحدثون أحيانا بالشىء يكون حقا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك الكلمة من الحق يخطفها الجني، فيقرها في أذن وليه قر الدجاجة، فيخلطون فيها أكثر من مائة كذبة ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়িশা (রাঃ) বলেন, কয়েকজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গণকদের সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওরা কিছুই না। তারা আবার বললে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ ওরা কিছুই না। তারা আবার বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারা তো কোন সময় এমন কথা বলে দেয়, যা বাস্তবে ঘটে যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কথাটি জিন থেকে পাওয়া। জিনেরা তা (আসমানের ফেরেশতাদের থেকে) ছোঁ মেরে নিয়ে এসে তাদের বন্ধু গণকদের কানে তুলে দেয়, যেভাবে মুরগী তার বাচ্চাদের মুখে দানা তুলে দেয়। তারপর এ গণকরা এর সঙ্গে আরও শতাধিক মিথ্যা কথা মিলিয়ে দেয়। [৩২১০; মুসলিম ৩৯/৩৫, হাঃ ২২২৮, আহমাদ ২৪৬২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৭)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়িশা (রাঃ) বলেন, কয়েকজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গণকদের সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওরা কিছুই না। তারা আবার বললে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ ওরা কিছুই না। তারা আবার বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তারা তো কোন সময় এমন কথা বলে দেয়, যা বাস্তবে ঘটে যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কথাটি জিন থেকে পাওয়া। জিনেরা তা (আসমানের ফেরেশতাদের থেকে) ছোঁ মেরে নিয়ে এসে তাদের বন্ধু গণকদের কানে তুলে দেয়, যেভাবে মুরগী তার বাচ্চাদের মুখে দানা তুলে দেয়। তারপর এ গণকরা এর সঙ্গে আরও শতাধিক মিথ্যা কথা মিলিয়ে দেয়। [৩২১০; মুসলিম ৩৯/৩৫, হাঃ ২২২৮, আহমাদ ২৪৬২৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৭)

وقال ابن عباس قال النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم للقبرين يعذبان بلا كبير وإنه لكبير حدثنا محمد بن سلام، أخبرنا مخلد بن يزيد، أخبرنا ابن جريج، قال ابن شهاب أخبرني يحيى بن عروة، أنه سمع عروة، يقول قالت عائشة سأل أناس رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الكهان فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليسوا بشىء ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله فإنهم يحدثون أحيانا بالشىء يكون حقا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك الكلمة من الحق يخطفها الجني، فيقرها في أذن وليه قر الدجاجة، فيخلطون فيها أكثر من مائة كذبة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আস্মানের দিকে চোখ তোলা। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “(ক্বিয়ামাত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কীভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে? এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে?” (সূরা আল-গাশিয়াহ ৮৮/১৭-১৮)

সহিহ বুখারী ৬২১৪

حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال سمعت أبا سلمة بن عبد الرحمن، يقول أخبرني جابر بن عبد الله، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ثم فتر عني الوحى، فبينا أنا أمشي سمعت صوتا من السماء، فرفعت بصري إلى السماء فإذا الملك الذي جاءني بحراء قاعد على كرسي بين السماء والأرض ‏"‏‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ এরপর আমার প্রতি ওয়াহী আগমন বন্ধ হয়ে গেল। এ সময় আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমি আসমানের দিক থেকে একটি আওয়াজ শুনে আকাশের পানে চোখ তুললাম। তখন হঠাৎ ঐ ফেরেশতাকে আসমান ও যমীনের মাঝে একটি কুরসীর উপর উপবিষ্ট দেখলাম, যিনি হেরায় আমার নিকট এসেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৮)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ এরপর আমার প্রতি ওয়াহী আগমন বন্ধ হয়ে গেল। এ সময় আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম। তখন আমি আসমানের দিক থেকে একটি আওয়াজ শুনে আকাশের পানে চোখ তুললাম। তখন হঠাৎ ঐ ফেরেশতাকে আসমান ও যমীনের মাঝে একটি কুরসীর উপর উপবিষ্ট দেখলাম, যিনি হেরায় আমার নিকট এসেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৮)

حدثنا ابن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال سمعت أبا سلمة بن عبد الرحمن، يقول أخبرني جابر بن عبد الله، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ثم فتر عني الوحى، فبينا أنا أمشي سمعت صوتا من السماء، فرفعت بصري إلى السماء فإذا الملك الذي جاءني بحراء قاعد على كرسي بين السماء والأرض ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬২১৫

حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا محمد بن جعفر، قال أخبرني شريك، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال بت في بيت ميمونة والنبي صلى الله عليه وسلم عندها، فلما كان ثلث الليل الآخر أو بعضه قعد فنظر إلى السماء فقرأ ‏{‏إن في خلق السموات والأرض واختلاف الليل والنهار لآيات لأولي الألباب‏}‏‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে মাইমূনাহ (রাঃ) -এর ঘরে অবস্থান করছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাঁর গৃহে ছিলেন। যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অথবা কিয়দংশ বাকী ছিল তখন তিনি উঠে বসলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে পাঠ করলেনঃ “নিশ্চয়ই আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত্র ও দিনের আবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন আছে।” (সূরাহ আল ‘ইমরান ৩/১৯০)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৯)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক রাতে মাইমূনাহ (রাঃ) -এর ঘরে অবস্থান করছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাঁর গৃহে ছিলেন। যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অথবা কিয়দংশ বাকী ছিল তখন তিনি উঠে বসলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে পাঠ করলেনঃ “নিশ্চয়ই আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে এবং রাত্র ও দিনের আবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন আছে।” (সূরাহ আল ‘ইমরান ৩/১৯০)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৬৯)

حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا محمد بن جعفر، قال أخبرني شريك، عن كريب، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال بت في بيت ميمونة والنبي صلى الله عليه وسلم عندها، فلما كان ثلث الليل الآخر أو بعضه قعد فنظر إلى السماء فقرأ ‏{‏إن في خلق السموات والأرض واختلاف الليل والنهار لآيات لأولي الألباب‏}‏‏.


সহিহ বুখারী > (কোন কিছু তালাশ করার উদ্দেশে) পানি ও কাদার মধ্যে লাঠি দিয়ে খোঁচা দেয়া।

সহিহ বুখারী ৬২১৬

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث، حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به بين الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا أبو بكر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر فقال ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فإذا عمر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر، وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ افتح ‏{‏له‏}‏ وبشره بالجنة، على بلوى تصيبه أو تكون ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا عثمان، ففتحت له، وبشرته بالجنة، فأخبرته بالذي قال‏.‏ قال الله المستعان‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তিনি মদীনার এক বাগানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতে একটা লাঠি ছিল। তিনি তা দিয়ে পানি ও কাদার মাঝে খোঁচা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তখন আমি গিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের শুভ সংবাদ দিলাম। তারপর আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ জানাও। তখন দেখলাম; তিনি ‘উমার (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আবার আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি হেলান দিয়েছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বললেনঃ খুলে দাও এবং তাঁকে একটি কঠিন বিপদে পড়ার পর জান্নাতবাসী হবার সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি, তিনি ‘উসমান (রাঃ)। আমি তাঁর জন্যও দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা ভবিষ্যদ্বাণী করেন, আমি তাও বিবৃত করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলাই আমার সাহায্যকারী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭০)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তিনি মদীনার এক বাগানে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর হাতে একটা লাঠি ছিল। তিনি তা দিয়ে পানি ও কাদার মাঝে খোঁচা দিচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তখন আমি গিয়ে দেখলাম যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের শুভ সংবাদ দিলাম। তারপর আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন, খুলে দাও এবং তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ জানাও। তখন দেখলাম; তিনি ‘উমার (রাঃ)। আমি তাঁর জন্য দরজা খুললাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আবার আরেক লোক দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি হেলান দিয়েছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বললেনঃ খুলে দাও এবং তাঁকে একটি কঠিন বিপদে পড়ার পর জান্নাতবাসী হবার সুসংবাদ দাও। আমি গিয়ে দেখি, তিনি ‘উসমান (রাঃ)। আমি তাঁর জন্যও দরজা খুলে দিলাম এবং জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা ভবিষ্যদ্বাণী করেন, আমি তাও বিবৃত করলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলাই আমার সাহায্যকারী।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭০)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عثمان بن غياث، حدثنا أبو عثمان، عن أبي موسى، أنه كان مع النبي صلى الله عليه وسلم في حائط من حيطان المدينة، وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم عود يضرب به بين الماء والطين، فجاء رجل يستفتح، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا أبو بكر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر فقال ‏"‏ افتح له وبشره بالجنة ‏"‏‏.‏ فإذا عمر، ففتحت له وبشرته بالجنة، ثم استفتح رجل آخر، وكان متكئا فجلس فقال ‏"‏ افتح ‏{‏له‏}‏ وبشره بالجنة، على بلوى تصيبه أو تكون ‏"‏‏.‏ فذهبت فإذا عثمان، ففتحت له، وبشرته بالجنة، فأخبرته بالذي قال‏.‏ قال الله المستعان‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00