সহিহ বুখারী > নাম পাল্টে আগের নামের চেয়ে উত্তম নাম রাখা।
সহিহ বুখারী ৬১৯২
حدثنا صدقة بن الفضل، أخبرنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن عطاء بن أبي ميمونة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن زينب، كان اسمها برة، فقيل تزكي نفسها. فسماها رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, যাইনাব (রাঃ) -এর নাম ছিল ‘বাররাহ’ (নেককার)। তখন বলা হল যে, এর দ্বারা তিনি নিজের পবিত্রতা প্রকাশ করছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম রাখলেনঃ ‘যাইনাব’। [মুসলিম ৩৮/৩, হাঃ ২১৪১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৬)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, যাইনাব (রাঃ) -এর নাম ছিল ‘বাররাহ’ (নেককার)। তখন বলা হল যে, এর দ্বারা তিনি নিজের পবিত্রতা প্রকাশ করছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম রাখলেনঃ ‘যাইনাব’। [মুসলিম ৩৮/৩, হাঃ ২১৪১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৬)
حدثنا صدقة بن الفضل، أخبرنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن عطاء بن أبي ميمونة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن زينب، كان اسمها برة، فقيل تزكي نفسها. فسماها رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب.
সহিহ বুখারী ৬১৯১
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل، قال أتي بالمنذر بن أبي أسيد إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين ولد، فوضعه على فخذه وأبو أسيد جالس، فلها النبي صلى الله عليه وسلم بشىء بين يديه، فأمر أبو أسيد بابنه فاحتمل من فخذ النبي صلى الله عليه وسلم فاستفاق النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أين الصبي ". فقال أبو أسيد قلبناه يا رسول الله. قال " ما اسمه ". قال فلان. قال " ولكن أسمه المنذر ". فسماه يومئذ المنذر.
সাহল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, যখন মুনযির ইবনু আবূ উসায়দ জন্মলাভ করলেন, তখন তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে আসা হলো। তিনি তাকে নিজের উরুর উপর রাখলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) পাশেই উপবিষ্ট ছিলেন। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনেই কোন জরুরী কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। ইত্যবসরে আবূ উসায়দ (রাঃ) কারো মাধ্যমে তাঁর উরু থেকে তাঁকে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে কাজ থেকে মুক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ শিশুটি কোথায়? আবূ উসায়দ বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তার নাম কী? তিনি বললেনঃ অমুক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বরং তাঁর নাম ‘মুন্যির’। সে দিন হতে তার নাম রাখলেন ‘মুন্যির’।[মুসলিম ৩৮/৫, হাঃ ২১৪৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৫)
সাহল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, যখন মুনযির ইবনু আবূ উসায়দ জন্মলাভ করলেন, তখন তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে আসা হলো। তিনি তাকে নিজের উরুর উপর রাখলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) পাশেই উপবিষ্ট ছিলেন। এ সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনেই কোন জরুরী কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। ইত্যবসরে আবূ উসায়দ (রাঃ) কারো মাধ্যমে তাঁর উরু থেকে তাঁকে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে কাজ থেকে মুক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ শিশুটি কোথায়? আবূ উসায়দ বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তার নাম কী? তিনি বললেনঃ অমুক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বরং তাঁর নাম ‘মুন্যির’। সে দিন হতে তার নাম রাখলেন ‘মুন্যির’।[মুসলিম ৩৮/৫, হাঃ ২১৪৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৫)
حدثنا سعيد بن أبي مريم، حدثنا أبو غسان، قال حدثني أبو حازم، عن سهل، قال أتي بالمنذر بن أبي أسيد إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين ولد، فوضعه على فخذه وأبو أسيد جالس، فلها النبي صلى الله عليه وسلم بشىء بين يديه، فأمر أبو أسيد بابنه فاحتمل من فخذ النبي صلى الله عليه وسلم فاستفاق النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أين الصبي ". فقال أبو أسيد قلبناه يا رسول الله. قال " ما اسمه ". قال فلان. قال " ولكن أسمه المنذر ". فسماه يومئذ المنذر.
সহিহ বুখারী ৬১৯৩
حدثنا إبراهيم بن موسى، حدثنا هشام، أن ابن جريج، أخبرهم قال أخبرني عبد الحميد بن جبير بن شيبة، قال جلست إلى سعيد بن المسيب فحدثني أن جده حزنا قدم على النبي صلى الله عليه وسلم. فقال " ما اسمك ". قال اسمي حزن. قال " بل أنت سهل ". قال ما أنا بمغير اسما سمانيه أبي. قال ابن المسيب فما زالت فينا الحزونة بعد.
সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার তাঁর দাদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার নাম কী? তিনি উত্তর দিলেনঃ আমার নাম হায্ন। তিনি বললেনঃ না বরং তোমার নাম ‘সাহ্ল’। তিনি বললেনঃ আমার পিতা আমার যে নাম রেখে গিয়েছেন, তা আমি পাল্টাতে চাই না। ইবনু মুসাইয়্যাব বলেন, ফলে এরপর থেকে আমাদের বংশে দুঃখকষ্টই লেগে আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৭)
সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার তাঁর দাদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার নাম কী? তিনি উত্তর দিলেনঃ আমার নাম হায্ন। তিনি বললেনঃ না বরং তোমার নাম ‘সাহ্ল’। তিনি বললেনঃ আমার পিতা আমার যে নাম রেখে গিয়েছেন, তা আমি পাল্টাতে চাই না। ইবনু মুসাইয়্যাব বলেন, ফলে এরপর থেকে আমাদের বংশে দুঃখকষ্টই লেগে আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৭)
حدثنا إبراهيم بن موسى، حدثنا هشام، أن ابن جريج، أخبرهم قال أخبرني عبد الحميد بن جبير بن شيبة، قال جلست إلى سعيد بن المسيب فحدثني أن جده حزنا قدم على النبي صلى الله عليه وسلم. فقال " ما اسمك ". قال اسمي حزن. قال " بل أنت سهل ". قال ما أنا بمغير اسما سمانيه أبي. قال ابن المسيب فما زالت فينا الحزونة بعد.
সহিহ বুখারী > নবীদের (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামে যারা নাম রাখেন।
সহিহ বুখারী ৬১৯৫
حدثنا سليمان بن حرب، أخبرنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال سمعت البراء، قال لما مات إبراهيم ـ عليه السلام ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم" إن له مرضعا في الجنة ".
আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বারাআ’ (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, যখন ইবরাহীম (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারা যান তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য জান্নাতে দুগ্ধদায়িনী থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৯)
আদী ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বারাআ’ (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, যখন ইবরাহীম (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারা যান তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য জান্নাতে দুগ্ধদায়িনী থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৯)
حدثنا سليمان بن حرب، أخبرنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال سمعت البراء، قال لما مات إبراهيم ـ عليه السلام ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم" إن له مرضعا في الجنة ".
সহিহ বুখারী ৬১৯৪
حدثنا ابن نمير، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا إسماعيل، قلت لابن أبي أوفى رأيت إبراهيم ابن النبي صلى الله عليه وسلم قال مات صغيرا، ولو قضي أن يكون بعد محمد صلى الله عليه وسلم نبي عاش ابنه، ولكن لا نبي بعده.
ইসমা‘ঈল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পুত্র ইবরাহীম (রাঃ) -কে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ তিনি তো বাল্যাবস্থায় মারা গিয়েছেন। যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরে অন্য কেউ নবী হবার বিধান থাকত তবে তাঁর পুত্র জীবিত থাকতেন। কিন্তু তাঁর পরে কোন নবী নাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৮)
ইসমা‘ঈল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পুত্র ইবরাহীম (রাঃ) -কে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ তিনি তো বাল্যাবস্থায় মারা গিয়েছেন। যদি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরে অন্য কেউ নবী হবার বিধান থাকত তবে তাঁর পুত্র জীবিত থাকতেন। কিন্তু তাঁর পরে কোন নবী নাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৮)
حدثنا ابن نمير، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا إسماعيل، قلت لابن أبي أوفى رأيت إبراهيم ابن النبي صلى الله عليه وسلم قال مات صغيرا، ولو قضي أن يكون بعد محمد صلى الله عليه وسلم نبي عاش ابنه، ولكن لا نبي بعده.
সহিহ বুখারী ৬১৯৬
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن حصين بن عبد الرحمن، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي، فإنما أنا قاسم أقسم بينكم "
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নাম রাখ। কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখ না। কেননা আমিই কাসিম। আমি তোমাদের মধ্যে (আল্লাহ্র নি‘য়ামাত) বণ্টন করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫০)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নাম রাখ। কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখ না। কেননা আমিই কাসিম। আমি তোমাদের মধ্যে (আল্লাহ্র নি‘য়ামাত) বণ্টন করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫০)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن حصين بن عبد الرحمن، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي، فإنما أنا قاسم أقسم بينكم "
সহিহ বুখারী ৬১৯৮
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال ولد لي غلام، فأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم فسماه إبراهيم، فحنكه بتمرة، ودعا له بالبركة، ودفعه إلى، وكان أكبر ولد أبي موسى.
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার একটি ছেলে জন্মালে আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তিনি তার নাম রেখে দিলেন ইবরাহীম। তারপর তিনি একটা খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিয়ে তার জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন এবং তাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। রাবী বলেন, সে ছিল আবূ মূসা (রাঃ) -এর বড় ছেলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫২)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার একটি ছেলে জন্মালে আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। তিনি তার নাম রেখে দিলেন ইবরাহীম। তারপর তিনি একটা খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিয়ে তার জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন এবং তাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। রাবী বলেন, সে ছিল আবূ মূসা (রাঃ) -এর বড় ছেলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫২)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن عبد الله بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال ولد لي غلام، فأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم فسماه إبراهيم، فحنكه بتمرة، ودعا له بالبركة، ودفعه إلى، وكان أكبر ولد أبي موسى.
সহিহ বুখারী ৬১৯৭
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا أبو حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي، ومن رآني في المنام فقد رآني، فإن الشيطان لا يتمثل صورتي، ومن كذب على متعمدا فليتبوأ مقعده من النار ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখো না। আর যে ব্যক্তি স্বপ্নে আমাকে দেখেছে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছে। শয়তান আমার সুরত গ্রহণ করতে পারে না। আর যে লোক ইচ্ছাপূর্বক আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামেই তার বাসস্থান করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখো না। আর যে ব্যক্তি স্বপ্নে আমাকে দেখেছে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছে। শয়তান আমার সুরত গ্রহণ করতে পারে না। আর যে লোক ইচ্ছাপূর্বক আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামেই তার বাসস্থান করে নেয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫১)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا أبو حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سموا باسمي ولا تكتنوا بكنيتي، ومن رآني في المنام فقد رآني، فإن الشيطان لا يتمثل صورتي، ومن كذب على متعمدا فليتبوأ مقعده من النار ".
সহিহ বুখারী ৬১৯৯
حدثنا أبو الوليد، حدثنا زائدة، حدثنا زياد بن علاقة، سمعت المغيرة بن شعبة، قال انكسفت الشمس يوم مات إبراهيم. رواه أبو بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
যিয়াদ ইবনু ইলাকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুগী্রাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) -কে বলতে শুনেছিঃ যে দিন ইবরাহীম (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারা যান, সে দিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। এটি আবূ বাকারাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৩)
যিয়াদ ইবনু ইলাকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুগী্রাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) -কে বলতে শুনেছিঃ যে দিন ইবরাহীম (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারা যান, সে দিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। এটি আবূ বাকারাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৩)
حدثنا أبو الوليد، حدثنا زائدة، حدثنا زياد بن علاقة، سمعت المغيرة بن شعبة، قال انكسفت الشمس يوم مات إبراهيم. رواه أبو بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > ওয়ালীদ নাম রাখা প্রসঙ্গে।
সহিহ বুখারী ৬২০০
أخبرنا أبو نعيم الفضل بن دكين، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، قال لما رفع النبي صلى الله عليه وسلم رأسه من الركعة قال " اللهم أنج الوليد بن الوليد، وسلمة بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة، والمستضعفين بمكة، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها عليهم سنين كسني يوسف "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের রুকু থেকে মাথা তুলে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি ওয়ালীদ, সালামাহ ইবনু হিশাম, আইয়্যাশ ইবনু আবী রাবী‘য়া এবং মাক্কাহ্র দুর্বল মুসলিমদের শত্রুর জ্বালাতন থেকে মুক্তি দাও। আর হে আল্লাহ! মুযার গোত্রকে শক্তভাবে পাকড়াও করো। হে আল্লাহ্! তুমি তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ দাও, যেমন দুর্ভিক্ষ ইউসুফ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে দিয়েছিলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের রুকু থেকে মাথা তুলে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! তুমি ওয়ালীদ, সালামাহ ইবনু হিশাম, আইয়্যাশ ইবনু আবী রাবী‘য়া এবং মাক্কাহ্র দুর্বল মুসলিমদের শত্রুর জ্বালাতন থেকে মুক্তি দাও। আর হে আল্লাহ! মুযার গোত্রকে শক্তভাবে পাকড়াও করো। হে আল্লাহ্! তুমি তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ দাও, যেমন দুর্ভিক্ষ ইউসুফ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে দিয়েছিলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৪)
أخبرنا أبو نعيم الفضل بن دكين، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، قال لما رفع النبي صلى الله عليه وسلم رأسه من الركعة قال " اللهم أنج الوليد بن الوليد، وسلمة بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة، والمستضعفين بمكة، اللهم اشدد وطأتك على مضر، اللهم اجعلها عليهم سنين كسني يوسف "
সহিহ বুখারী > কারো সঙ্গীকে তার নামের কিছু অক্ষর কমিয়ে ডাকা ।
সহিহ বুখারী ৬২০১
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائش هذا جبريل يقرئك السلام ". قلت وعليه السلام ورحمة الله. قالت وهو يرى ما لا نرى.
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! এই যে জিবরীল (‘আ) তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বললেনঃ তাঁর উপরও আল্লাহ্র শান্তি ও রহমত নাযিল হোক। এরপর তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেখেন, যা আমি দেখি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশা! এই যে জিবরীল (‘আ) তোমাকে সালাম বলেছেন। তিনি বললেনঃ তাঁর উপরও আল্লাহ্র শান্তি ও রহমত নাযিল হোক। এরপর তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেখেন, যা আমি দেখি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৫)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عائشة ـ رضى الله عنها ـ زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عائش هذا جبريل يقرئك السلام ". قلت وعليه السلام ورحمة الله. قالت وهو يرى ما لا نرى.
সহিহ বুখারী ৬২০২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كانت أم سليم في الثقل وأنجشة غلام النبي صلى الله عليه وسلم يسوق بهن، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا أنجش، رويدك، سوقك بالقوارير ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার উম্মু সালীম (রাঃ) সফরের সামগ্রীবাহী উটে সাওয়ার ছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর গোলাম আন্জাশ উটগুলোকে জলদি হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ ওহে আন্জাশ! তুমি কাঁচের পাত্র বহনকারী উটগুলো আস্তে আস্তে হাঁকাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার উম্মু সালীম (রাঃ) সফরের সামগ্রীবাহী উটে সাওয়ার ছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর গোলাম আন্জাশ উটগুলোকে জলদি হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ ওহে আন্জাশ! তুমি কাঁচের পাত্র বহনকারী উটগুলো আস্তে আস্তে হাঁকাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৫৬)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس ـ رضى الله عنه ـ قال كانت أم سليم في الثقل وأنجشة غلام النبي صلى الله عليه وسلم يسوق بهن، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا أنجش، رويدك، سوقك بالقوارير ".