সহিহ বুখারী > কোন লোকের এ রকম কথা বলা আমার মা-বাপ আপনার প্রতি কুরবান।
সহিহ বুখারী ৬১৮৪
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني سعد بن إبراهيم، عن عبد الله بن شداد، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفدي أحدا غير سعد، سمعته يقول " ارم فداك أبي وأمي ". أظنه يوم أحد.
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আলী (রাঃ) বলেন, আমি সা’দ (রাঃ) ছাড়া আর কারো ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ কথা বলতে শুনিনি যে, আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে সা’দ! তুমি তীর চালাও। আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমার ধারণা হচ্ছে যে, এ কথা তিনি উহুদের যুদ্ধে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩৮)
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আলী (রাঃ) বলেন, আমি সা’দ (রাঃ) ছাড়া আর কারো ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ কথা বলতে শুনিনি যে, আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ হে সা’দ! তুমি তীর চালাও। আমার মাতা-পিতা তোমার প্রতি কুরবান। আমার ধারণা হচ্ছে যে, এ কথা তিনি উহুদের যুদ্ধে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩৮)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني سعد بن إبراهيم، عن عبد الله بن شداد، عن علي ـ رضى الله عنه ـ قال ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفدي أحدا غير سعد، سمعته يقول " ارم فداك أبي وأمي ". أظنه يوم أحد.
সহিহ বুখারী > কোন ব্যক্তির এ কথা বলা যে, আল্লাহ আমাকে তোমার প্রতি কুরবান করুন।
সহিহ বুখারী ৬১৮৫
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا يحيى بن أبي إسحاق، عن أنس بن مالك، أنه أقبل هو وأبو طلحة مع النبي صلى الله عليه وسلم صفية، مردفها على راحلته، فلما كانوا ببعض الطريق عثرت الناقة، فصرع النبي صلى الله عليه وسلم والمرأة، وأن أبا طلحة ـ قال أحسب ـ اقتحم عن بعيره، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله جعلني الله فداك، هل أصابك من شىء. قال " لا ولكن عليك بالمرأة ". فألقى أبو طلحة ثوبه على وجهه فقصد قصدها، فألقى ثوبه عليها فقامت المرأة، فشد لهما على راحلتهما فركبا، فساروا حتى إذا كانوا بظهر المدينة ـ أو قال أشرفوا على المدينة ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم " آيبون تائبون، عابدون لربنا حامدون ". فلم يزل يقولها حتى دخل المدينة.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে তিনি ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) (মদিনায়) আসছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সফিয়্যাহ (রাঃ) তাঁর উটের পেছনে উপবিষ্ট ছিলেন। পথে এক জায়গায় উটের পা পিছলে যায় এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর স্ত্রী পড়ে যান। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) ও তাঁর উট থেকে লাফ দিয়ে নামলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র নবী! আপনার কি কোন চোট লেগেছে? আল্লাহ আমাকে আপনার প্রতি কুরবান করুন। তিনি বললেনঃ না। তবে মহিলাটির খোঁজ নাও। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁর কাপড় দিয়ে চেহারা ঢেকে তাঁর দিকে অগ্রসর হলেন এবং তাঁর উপরও একখানা বস্ত্র ফেলে দিলেন। তখন মহিলাটি উঠে দাঁড়ালেন। এরপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁদের হাওদাটি উটের উপর শক্ত করে বেঁধে দিলেন। তাঁরা উভয়ে সাওয়ার হলেন এবং সবাই আবার রওয়ানা হলেন। অবশেষে যখন তাঁরা মাদীনাহ্র নিকটে পৌছলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে লাগলেনঃ “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্কারী, ‘ইবাদাতকারী এবং একমাত্র স্বীয় রবের প্রশংসাকারী”। তিনি মদিনায় প্রবেশ করা অবধি এ কথাগুলো বলছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে তিনি ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) (মদিনায়) আসছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সফিয়্যাহ (রাঃ) তাঁর উটের পেছনে উপবিষ্ট ছিলেন। পথে এক জায়গায় উটের পা পিছলে যায় এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর স্ত্রী পড়ে যান। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) ও তাঁর উট থেকে লাফ দিয়ে নামলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র নবী! আপনার কি কোন চোট লেগেছে? আল্লাহ আমাকে আপনার প্রতি কুরবান করুন। তিনি বললেনঃ না। তবে মহিলাটির খোঁজ নাও। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁর কাপড় দিয়ে চেহারা ঢেকে তাঁর দিকে অগ্রসর হলেন এবং তাঁর উপরও একখানা বস্ত্র ফেলে দিলেন। তখন মহিলাটি উঠে দাঁড়ালেন। এরপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) তাঁদের হাওদাটি উটের উপর শক্ত করে বেঁধে দিলেন। তাঁরা উভয়ে সাওয়ার হলেন এবং সবাই আবার রওয়ানা হলেন। অবশেষে যখন তাঁরা মাদীনাহ্র নিকটে পৌছলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে লাগলেনঃ “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাহ্কারী, ‘ইবাদাতকারী এবং একমাত্র স্বীয় রবের প্রশংসাকারী”। তিনি মদিনায় প্রবেশ করা অবধি এ কথাগুলো বলছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩৯)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا يحيى بن أبي إسحاق، عن أنس بن مالك، أنه أقبل هو وأبو طلحة مع النبي صلى الله عليه وسلم صفية، مردفها على راحلته، فلما كانوا ببعض الطريق عثرت الناقة، فصرع النبي صلى الله عليه وسلم والمرأة، وأن أبا طلحة ـ قال أحسب ـ اقتحم عن بعيره، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله جعلني الله فداك، هل أصابك من شىء. قال " لا ولكن عليك بالمرأة ". فألقى أبو طلحة ثوبه على وجهه فقصد قصدها، فألقى ثوبه عليها فقامت المرأة، فشد لهما على راحلتهما فركبا، فساروا حتى إذا كانوا بظهر المدينة ـ أو قال أشرفوا على المدينة ـ قال النبي صلى الله عليه وسلم " آيبون تائبون، عابدون لربنا حامدون ". فلم يزل يقولها حتى دخل المدينة.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র নিকট সবচেয়ে প্রিয় নাম সম্পর্কিত।
সহিহ বুখারী ৬১৮৬
حدثنا صدقة بن الفضل، أخبرنا ابن عيينة، حدثنا ابن المنكدر، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقلنا لا نكنيك أبا القاسم ولا كرامة. فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم فقال " سم ابنك عبد الرحمن ".
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের একজনের একটি ছেলে জন্ম নিল। সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। আমরা বললামঃ আমরা তোমাকে আবুল কাসিম ডাকবো না আর সে সম্মানও দেবো না। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ ‘আবদুর রহমান’। [৩১১৪; মুসলিম ৩৮/১, হাঃ ২১৩৩, আহমাদ ১৪৩০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪০)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের একজনের একটি ছেলে জন্ম নিল। সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। আমরা বললামঃ আমরা তোমাকে আবুল কাসিম ডাকবো না আর সে সম্মানও দেবো না। তিনি এ কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ ‘আবদুর রহমান’। [৩১১৪; মুসলিম ৩৮/১, হাঃ ২১৩৩, আহমাদ ১৪৩০০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪০)
حدثنا صدقة بن الفضل، أخبرنا ابن عيينة، حدثنا ابن المنكدر، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقلنا لا نكنيك أبا القاسم ولا كرامة. فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم فقال " سم ابنك عبد الرحمن ".
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণীঃ আমার নামে নাম রাখতে পার, তবে আমার কুন্ইয়াত দিয়ে কারো কুন্ইয়াত (ডাক নাম) রেখো না।
সহিহ বুখারী ৬১৮৮
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن أيوب، عن ابن سيرين، سمعت أبا هريرة، قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪২)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن أيوب، عن ابن سيرين، سمعت أبا هريرة، قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي ".
সহিহ বুখারী ৬১৮৭
حدثنا مسدد، حدثنا خالد، حدثنا حصين، عن سالم، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقالوا لا نكنيه حتى نسأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي ".
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের এক লোকের একটি ছেলে জন্মাল। সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। তখন লোকেরা বললঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত তাকে এ কুন্ইয়াতে ডাকবো না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪১)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের এক লোকের একটি ছেলে জন্মাল। সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। তখন লোকেরা বললঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত তাকে এ কুন্ইয়াতে ডাকবো না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রেখো, কিন্তু আমার কুন্ইয়াতে কারো কুন্ইয়াত রেখো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪১)
حدثنا مسدد، حدثنا خالد، حدثنا حصين، عن سالم، عن جابر ـ رضى الله عنه ـ قال ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقالوا لا نكنيه حتى نسأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال " سموا باسمي، ولا تكتنوا بكنيتي ".
সহিহ বুখারী ৬১৮৯
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، قال سمعت ابن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقالوا لا نكنيك بأبي القاسم، ولا ننعمك عينا. فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال " أسم ابنك عبد الرحمن ".
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমাদের মধ্যেকার এক লোকের একটি ছেলে হলে সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। আমরা বললামঃ আমরা তোমাকে ‘আবুল কাসিম’ কুন্ইয়াতে ডাকবো না। আর এর মাধ্যমে তোমার চোখও ঠাণ্ডা করবো না। তখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা জানাল। তিনি বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ ‘আবদুর রহমান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমাদের মধ্যেকার এক লোকের একটি ছেলে হলে সে তার নাম রাখলো ‘কাসিম’। আমরা বললামঃ আমরা তোমাকে ‘আবুল কাসিম’ কুন্ইয়াতে ডাকবো না। আর এর মাধ্যমে তোমার চোখও ঠাণ্ডা করবো না। তখন লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ কথা জানাল। তিনি বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ ‘আবদুর রহমান।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৪৩)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، قال سمعت ابن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ولد لرجل منا غلام فسماه القاسم فقالوا لا نكنيك بأبي القاسم، ولا ننعمك عينا. فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال " أسم ابنك عبد الرحمن ".