সহিহ বুখারী > কাউকে ‘ওয়াইলাকা’ বলা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
সহিহ বুখারী ৬১৫৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال " اركبها ". قال إنها بدنة. قال " اركبها ". قال إنها بدنة. قال " اركبها ويلك ".
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে, তাকে বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি পুনরায় বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বলল, এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অকল্যাণ হোক) তুমি এটির উপর সওয়ার হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিতে দেখে, তাকে বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি পুনরায় বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বললঃ এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ এতে সওয়ার হও। সে বলল, এটি তো কুরবানীর উট। তিনি বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অকল্যাণ হোক) তুমি এটির উপর সওয়ার হয়ে যাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৫)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس ـ رضى الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال " اركبها ". قال إنها بدنة. قال " اركبها ". قال إنها بدنة. قال " اركبها ويلك ".
সহিহ বুখারী ৬১৬০
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال له " اركبها ". قال يا رسول الله إنها بدنة. قال " اركبها ويلك ". في الثانية أو في الثالثة.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে দেখে বললেনঃ তুমি এর উপর সওয়ার হও। সে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটি তো কুরবানীর উট। তখন তিনি দ্বিতীয় বা কিংবা তৃতীয়বার বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অনিষ্ট হোক) তুমি এতে সওয়ার হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৬)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটা কুরবানীর উট হাঁকিয়ে নিয়ে যেতে দেখে বললেনঃ তুমি এর উপর সওয়ার হও। সে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এটি তো কুরবানীর উট। তখন তিনি দ্বিতীয় বা কিংবা তৃতীয়বার বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অনিষ্ট হোক) তুমি এতে সওয়ার হও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال له " اركبها ". قال يا رسول الله إنها بدنة. قال " اركبها ويلك ". في الثانية أو في الثالثة.
সহিহ বুখারী ৬১৬১
حدثنا مسدد، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك،. وأيوب عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، وكان معه غلام له أسود، يقال له أنجشة، يحدو، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ويحك يا أنجشة رويدك بالقوارير ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর এক সফরে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে তখন আনজাশাহ নামের এক কালো গোলাম ছিল। সে পুঁথি গাইছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ ওহে আনজাশাহ! তোমার সর্বনাশ। তুমি উটটিকে কাঁচপাত্র সদৃশ সওয়ারীদের নিয়ে ধীরে চালাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর এক সফরে ছিলাম। তাঁর সঙ্গে তখন আনজাশাহ নামের এক কালো গোলাম ছিল। সে পুঁথি গাইছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ ওহে আনজাশাহ! তোমার সর্বনাশ। তুমি উটটিকে কাঁচপাত্র সদৃশ সওয়ারীদের নিয়ে ধীরে চালাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৭)
حدثنا مسدد، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك،. وأيوب عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، وكان معه غلام له أسود، يقال له أنجشة، يحدو، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ويحك يا أنجشة رويدك بالقوارير ".
সহিহ বুখারী ৬১৬২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال أثنى رجل على رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ويلك قطعت عنق أخيك ـ ثلاثا ـ من كان منكم مادحا لا محالة فليقل أحسب فلانا ـ والله حسيبه ـ ولا أزكي على الله أحدا. إن كان يعلم ".
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে অন্য জনের প্রশংসা করলো। তিনি বললেনঃ ‘ওয়াইলাকা’ (তোমার অমঙ্গল হোক) তুমি তো তোমার ভাই এর গর্দান কেটে দিয়েছ। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। তিনি আরও বললেনঃ যদি তোমাদের কাউকে কারো প্রশংসা করতেই হয়, আর সে তার ব্যাপারে অবগত থাকে, তবে শুধু এতটুকু বলবে যে, আমি এ ব্যক্তি সম্পর্কে এ রকম ধারণা পোষণ করি। প্রকৃত হিসাব নিকাশের মালিক একমাত্র আল্লাহ্। আর আমি নিশ্চিতভাবে আল্লাহ্র সামনে কারো পবিত্রতা বর্ণনা করছি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৮)
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে অন্য জনের প্রশংসা করলো। তিনি বললেনঃ ‘ওয়াইলাকা’ (তোমার অমঙ্গল হোক) তুমি তো তোমার ভাই এর গর্দান কেটে দিয়েছ। তিনি এ কথাটি তিনবার বললেন। তিনি আরও বললেনঃ যদি তোমাদের কাউকে কারো প্রশংসা করতেই হয়, আর সে তার ব্যাপারে অবগত থাকে, তবে শুধু এতটুকু বলবে যে, আমি এ ব্যক্তি সম্পর্কে এ রকম ধারণা পোষণ করি। প্রকৃত হিসাব নিকাশের মালিক একমাত্র আল্লাহ্। আর আমি নিশ্চিতভাবে আল্লাহ্র সামনে কারো পবিত্রতা বর্ণনা করছি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৮)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال أثنى رجل على رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ويلك قطعت عنق أخيك ـ ثلاثا ـ من كان منكم مادحا لا محالة فليقل أحسب فلانا ـ والله حسيبه ـ ولا أزكي على الله أحدا. إن كان يعلم ".
সহিহ বুখারী ৬১৬৩
حدثني عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا الوليد، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، والضحاك، عن أبي سعيد الخدري، قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يقسم ذات يوم قسما فقال ذو الخويصرة ـ رجل من بني تميم ـ يا رسول الله اعدل. قال " ويلك من يعدل إذا لم أعدل ". فقال عمر ائذن لي فلأضرب عنقه. قال " لا، إن له أصحابا يحقر أحدكم صلاته مع صلاتهم، وصيامه مع صيامهم، يمرقون من الدين كمروق السهم من الرمية، ينظر إلى نصله فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى رصافه فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى نضيه فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى قذذه فلا يوجد فيه شىء، سبق الفرث والدم، يخرجون على حين فرقة من الناس، آيتهم رجل إحدى يديه مثل ثدى المرأة، أو مثل البضعة تدردر ". قال أبو سعيد أشهد لسمعته من النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وأشهد أني كنت مع علي حين قاتلهم، فالتمس في القتلى، فأتي به على النعت الذي نعت النبي صلى الله عليه وسلم.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার নিজ অধিকারভুক্ত কিছু মাল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বন্টন করে দিচ্ছিলেন। এমন সময় তামীম গোত্রের যুল খুয়াইসিরা নামক এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ইনসাফ করুন। তখন তিনি বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অমঙ্গল হোক) আমি ইনসাফ না করলে আর কে ইনসাফ করবে? তখন ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি এর গর্দান উড়িয়ে দেই। তিনি বললেনঃ না। কারণ, তার এমন কতকগুলো সঙ্গী আছে, যাদের সলাতের সামনে নিজেদের সলাতকে তুচ্ছ মনে করবে এবং তাদের সিয়ামের সামনে তোমাদের নিজেদের সিয়ামকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে, যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়...... গোবর ও রক্তকে এমনভাবে অতিক্রম করে যায় যে তীরের অগ্রভাগ দেখলে তাতে কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না, তার উপরিভাগে দেখলেও কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না। তার কাঠামোতেও কোন চিহ্ন নেই। তার পাতির মধ্যেও কোন চিহ্ন নেই। এমন সময় তাদের আবির্ভাব হবে, যখন মুসলিমদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিবে। তাদের পরিচয় হলো, তাদের নেতা এমন এক ব্যক্তি হবে, যার একহাত স্ত্রীলোকের স্তনের মত অথবা পিত্তের মত কাঁপতে থাকবে। রাবী আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি যে, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে একথা শুনেছি এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে ‘আলী (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম যখন তিনি এ দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন। তখন সে লোকটিকে যুদ্ধে নিহত লোকদের মধ্য থেকে তালাশ করে আনার পর তাকে ঠিক সেই হালাতেই পাওয়া গেল, যে হালাতের বর্ণনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়েছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৯)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার নিজ অধিকারভুক্ত কিছু মাল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বন্টন করে দিচ্ছিলেন। এমন সময় তামীম গোত্রের যুল খুয়াইসিরা নামক এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ইনসাফ করুন। তখন তিনি বললেনঃ ওয়াইলাকা (তোমার অমঙ্গল হোক) আমি ইনসাফ না করলে আর কে ইনসাফ করবে? তখন ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি এর গর্দান উড়িয়ে দেই। তিনি বললেনঃ না। কারণ, তার এমন কতকগুলো সঙ্গী আছে, যাদের সলাতের সামনে নিজেদের সলাতকে তুচ্ছ মনে করবে এবং তাদের সিয়ামের সামনে তোমাদের নিজেদের সিয়ামকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে, যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়...... গোবর ও রক্তকে এমনভাবে অতিক্রম করে যায় যে তীরের অগ্রভাগ দেখলে তাতে কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না, তার উপরিভাগে দেখলেও কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না। তার কাঠামোতেও কোন চিহ্ন নেই। তার পাতির মধ্যেও কোন চিহ্ন নেই। এমন সময় তাদের আবির্ভাব হবে, যখন মুসলিমদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিবে। তাদের পরিচয় হলো, তাদের নেতা এমন এক ব্যক্তি হবে, যার একহাত স্ত্রীলোকের স্তনের মত অথবা পিত্তের মত কাঁপতে থাকবে। রাবী আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি যে, আমি নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে একথা শুনেছি এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে ‘আলী (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম যখন তিনি এ দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন। তখন সে লোকটিকে যুদ্ধে নিহত লোকদের মধ্য থেকে তালাশ করে আনার পর তাকে ঠিক সেই হালাতেই পাওয়া গেল, যে হালাতের বর্ণনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়েছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৯)
حدثني عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا الوليد، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، والضحاك، عن أبي سعيد الخدري، قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يقسم ذات يوم قسما فقال ذو الخويصرة ـ رجل من بني تميم ـ يا رسول الله اعدل. قال " ويلك من يعدل إذا لم أعدل ". فقال عمر ائذن لي فلأضرب عنقه. قال " لا، إن له أصحابا يحقر أحدكم صلاته مع صلاتهم، وصيامه مع صيامهم، يمرقون من الدين كمروق السهم من الرمية، ينظر إلى نصله فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى رصافه فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى نضيه فلا يوجد فيه شىء، ثم ينظر إلى قذذه فلا يوجد فيه شىء، سبق الفرث والدم، يخرجون على حين فرقة من الناس، آيتهم رجل إحدى يديه مثل ثدى المرأة، أو مثل البضعة تدردر ". قال أبو سعيد أشهد لسمعته من النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وأشهد أني كنت مع علي حين قاتلهم، فالتمس في القتلى، فأتي به على النعت الذي نعت النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৬১৬৪
حدثنا محمد بن مقاتل أبو الحسن، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه أن رجلا، أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هلكت. قال " ويحك ". قال وقعت على أهلي في رمضان. قال " أعتق رقبة ". قال ما أجدها. قال " فصم شهرين متتابعين ". قال لا أستطيع. قال " فأطعم ستين مسكينا ". قال ما أجد. فأتي بعرق فقال " خذه فتصدق به ". فقال يا رسول الله أعلى غير أهلي فوالذي نفسي بيده ما بين طنبى المدينة أحوج مني. فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه قال " خذه ". تابعه يونس عن الزهري. وقال عبد الرحمن بن خالد عن الزهري ويلك.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি তো ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ ‘ওয়াইহাকা’ (আফসোস তোমার জন্য) এরপর সে বললঃ আমি রমাযানের মধ্যেই দিনের বেলায় স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ একটা গোলাম আযাদ করে দাও। সে বললঃ আমার কাছে তা নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি এক নাগাড়ে দু’মাস সাওম পালন কর। সে বললঃ আমি এতেও অপারগ। তিনি বললেনঃ তবে তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াও। লোকটি বললঃ আমি এটাও পারি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এক ঝুড়ি খেজুর এলো। তখন তিনি বললেনঃ এটা নিয়ে যাও এবং সদাকাহ করে দাও। সে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তা কি আমার পরিবার ছাড়া অন্যকে দেব? সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার প্রাণ। মাদীনাহ্র উভয় প্রান্তের মধ্যস্থলে আমার চেয়ে অভাবী আর কেউ নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনভাবে হাসলেন, তাঁর পার্শ্বের ছেদন দন্ত পর্যন্ত প্রকাশ পেল। তিনি বললেনঃ তবে তুমিই নিয়ে যাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২০) যুহরি হতে ইউনুস এরকমই বর্ণনা করেছেন। যুহরি হতে ‘আবদুর রহমান বিন খালিদ ‘ওয়াইলাকা’ বলেছেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি তো ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ ‘ওয়াইহাকা’ (আফসোস তোমার জন্য) এরপর সে বললঃ আমি রমাযানের মধ্যেই দিনের বেলায় স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ একটা গোলাম আযাদ করে দাও। সে বললঃ আমার কাছে তা নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি এক নাগাড়ে দু’মাস সাওম পালন কর। সে বললঃ আমি এতেও অপারগ। তিনি বললেনঃ তবে তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াও। লোকটি বললঃ আমি এটাও পারি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এক ঝুড়ি খেজুর এলো। তখন তিনি বললেনঃ এটা নিয়ে যাও এবং সদাকাহ করে দাও। সে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! তা কি আমার পরিবার ছাড়া অন্যকে দেব? সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার প্রাণ। মাদীনাহ্র উভয় প্রান্তের মধ্যস্থলে আমার চেয়ে অভাবী আর কেউ নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনভাবে হাসলেন, তাঁর পার্শ্বের ছেদন দন্ত পর্যন্ত প্রকাশ পেল। তিনি বললেনঃ তবে তুমিই নিয়ে যাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২০) যুহরি হতে ইউনুস এরকমই বর্ণনা করেছেন। যুহরি হতে ‘আবদুর রহমান বিন খালিদ ‘ওয়াইলাকা’ বলেছেন।
حدثنا محمد بن مقاتل أبو الحسن، أخبرنا عبد الله، أخبرنا الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه أن رجلا، أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هلكت. قال " ويحك ". قال وقعت على أهلي في رمضان. قال " أعتق رقبة ". قال ما أجدها. قال " فصم شهرين متتابعين ". قال لا أستطيع. قال " فأطعم ستين مسكينا ". قال ما أجد. فأتي بعرق فقال " خذه فتصدق به ". فقال يا رسول الله أعلى غير أهلي فوالذي نفسي بيده ما بين طنبى المدينة أحوج مني. فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه قال " خذه ". تابعه يونس عن الزهري. وقال عبد الرحمن بن خالد عن الزهري ويلك.
সহিহ বুখারী ৬১৬৫
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن، حدثنا الوليد، حدثنا أبو عمرو الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه أن أعرابيا قال يا رسول الله أخبرني عن الهجرة. فقال " ويحك إن شأن الهجرة شديد، فهل لك من إبل ". قال نعم. قال " فهل تؤدي صدقتها ". قال نعم. قال " فاعمل من وراء البحار، فإن الله لن يترك من عملك شيئا ".
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন গ্রাম্য লোক এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাকে হিজরাতের বিষয়ে কিছু বলুন। তিনি বললেনঃ আফসোস তোমার প্রতি, হিজরাত তো খুব কঠিন কাজ। তোমার কি উট আছে? সে বললঃ হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি এর যাকাত দিয়ে থাক? লোকটি বললঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তুমি সমুদ্রের ঐ পাশ থেকেই ‘আমাল করে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমার ‘আমাল এতটুকু কমিয়ে দিবেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৫৭২৫ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২১)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন গ্রাম্য লোক এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আমাকে হিজরাতের বিষয়ে কিছু বলুন। তিনি বললেনঃ আফসোস তোমার প্রতি, হিজরাত তো খুব কঠিন কাজ। তোমার কি উট আছে? সে বললঃ হাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি এর যাকাত দিয়ে থাক? লোকটি বললঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তবে তুমি সমুদ্রের ঐ পাশ থেকেই ‘আমাল করে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমার ‘আমাল এতটুকু কমিয়ে দিবেন না।(আধুনিক প্রকাশনী- ,৫৭২৫ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২১)
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن، حدثنا الوليد، حدثنا أبو عمرو الأوزاعي، قال حدثني ابن شهاب الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري ـ رضى الله عنه أن أعرابيا قال يا رسول الله أخبرني عن الهجرة. فقال " ويحك إن شأن الهجرة شديد، فهل لك من إبل ". قال نعم. قال " فهل تؤدي صدقتها ". قال نعم. قال " فاعمل من وراء البحار، فإن الله لن يترك من عملك شيئا ".
সহিহ বুখারী ৬১৬৬
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن واقد بن محمد بن زيد، سمعت أبي، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " ويلكم ـ أو ويحكم قال شعبة شك هو ـ لا ترجعوا بعدي كفارا، يضرب بعضكم رقاب بعض ". وقال النضر عن شعبة ويحكم. وقال عمر بن محمد عن أبيه ويلكم أو ويحكم.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘ওয়াইলাকুম’ অথবা ‘ওয়াইহাকুম’ (তোমাদের জন্য আফসোস) আমার পরে তোমরা আবার কাফির অবস্থায় ফিরে যেয়ো না। যাতে তোমরা একে অন্যের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘ওয়াইলাকুম’ অথবা ‘ওয়াইহাকুম’ (তোমাদের জন্য আফসোস) আমার পরে তোমরা আবার কাফির অবস্থায় ফিরে যেয়ো না। যাতে তোমরা একে অন্যের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২২)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن واقد بن محمد بن زيد، سمعت أبي، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " ويلكم ـ أو ويحكم قال شعبة شك هو ـ لا ترجعوا بعدي كفارا، يضرب بعضكم رقاب بعض ". وقال النضر عن شعبة ويحكم. وقال عمر بن محمد عن أبيه ويلكم أو ويحكم.
সহিহ বুখারী ৬১৬৭
حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن رجلا، من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله متى الساعة قائمة قال " ويلك وما أعددت لها ". قال ما أعددت لها إلا أني أحب الله ورسوله. قال " إنك مع من أحببت ". فقلنا ونحن كذلك. قال " نعم ". ففرحنا يومئذ فرحا شديدا، فمر غلام للمغيرة وكان من أقراني فقال " إن أخر هذا فلن يدركه الهرم حتى تقوم الساعة ". واختصره شعبة عن قتادة سمعت أنسا عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক গ্রাম্য লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য আক্ষেপ, তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? সে জবাব দিলঃ আমি তো তার জন্য কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ করিনি, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালবাস, ক্বিয়ামতের দিন তুমি তাঁর সঙ্গেই থাকবে। তখন আমরা বললামঃ আমাদের জন্যও কি এরূপ? তিনি বললেনঃ হাঁ। এতে আমরা সে দিন অতিশয় আনন্দিত হলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, এ সময় মুগীরাহ (রাঃ)’র একটি যুবক বয়সের ছেলে পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে ছিল আমার বয়সী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি এ যুবকটি অধিক দিন বেঁচে থাকে, তবে সে বৃদ্ধ হবার আগেই ক্বিয়ামত সংঘটিত হতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক গ্রাম্য লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমাতে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য আক্ষেপ, তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? সে জবাব দিলঃ আমি তো তার জন্য কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ করিনি, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালবাস, ক্বিয়ামতের দিন তুমি তাঁর সঙ্গেই থাকবে। তখন আমরা বললামঃ আমাদের জন্যও কি এরূপ? তিনি বললেনঃ হাঁ। এতে আমরা সে দিন অতিশয় আনন্দিত হলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, এ সময় মুগীরাহ (রাঃ)’র একটি যুবক বয়সের ছেলে পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে ছিল আমার বয়সী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি এ যুবকটি অধিক দিন বেঁচে থাকে, তবে সে বৃদ্ধ হবার আগেই ক্বিয়ামত সংঘটিত হতে পারে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৩)
حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن رجلا، من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله متى الساعة قائمة قال " ويلك وما أعددت لها ". قال ما أعددت لها إلا أني أحب الله ورسوله. قال " إنك مع من أحببت ". فقلنا ونحن كذلك. قال " نعم ". ففرحنا يومئذ فرحا شديدا، فمر غلام للمغيرة وكان من أقراني فقال " إن أخر هذا فلن يدركه الهرم حتى تقوم الساعة ". واختصره شعبة عن قتادة سمعت أنسا عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > মহামহিম আল্লাহ্র প্রতি ভালবাসার নিদর্শন।
সহিহ বুখারী ৬১৬৮
حدثنا بشر بن خالد، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " المرء مع من أحب ".
আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসবে সে তারই সাথী হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৪)
আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসবে সে তারই সাথী হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৪)
حدثنا بشر بن خالد، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " المرء مع من أحب ".
সহিহ বুখারী ৬১৭০
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن أبي موسى، قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم الرجل يحب القوم ولما يلحق بهم قال" المرء مع من أحب ". تابعه أبو معاوية ومحمد بن عبيد.
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হলোঃ এক ব্যক্তি একদলকে ভালবাসে, কিন্তু (‘আমালে) তাদের সমপর্যায়ের হতে পারেনি। তিনি বললেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসে, সে তারই সাথী হবে।[মুসলিম৪৫/৫০, হাঃ ২৬৪১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৬)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হলোঃ এক ব্যক্তি একদলকে ভালবাসে, কিন্তু (‘আমালে) তাদের সমপর্যায়ের হতে পারেনি। তিনি বললেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসে, সে তারই সাথী হবে।[মুসলিম৪৫/৫০, হাঃ ২৬৪১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৬)
حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن أبي موسى، قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم الرجل يحب القوم ولما يلحق بهم قال" المرء مع من أحب ". تابعه أبو معاوية ومحمد بن عبيد.
সহিহ বুখারী ৬১৬৯
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، قال قال عبد الله بن مسعود ـ رضى الله عنه جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله كيف تقول في رجل أحب قوما ولم يلحق بهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المرء مع من أحب ". تابعه جرير بن حازم وسليمان بن قرم وأبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এমন ব্যক্তির ব্যাপারে আপনি কী বলেন, যে ব্যক্তি কোন দলকে ভালবাসে, কিন্তু (‘আমালের ক্ষেত্রে) তাদের সমান হতে পারেনি? তিনি বললেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসে সে তারই সাথী হবে। [৬১৬৮; মুসলিম ৪৫/৫০/, হাঃ ২৬৪০, আহমাদ ১৮১১৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৫)
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! এমন ব্যক্তির ব্যাপারে আপনি কী বলেন, যে ব্যক্তি কোন দলকে ভালবাসে, কিন্তু (‘আমালের ক্ষেত্রে) তাদের সমান হতে পারেনি? তিনি বললেনঃ মানুষ যাকে ভালবাসে সে তারই সাথী হবে। [৬১৬৮; মুসলিম ৪৫/৫০/, হাঃ ২৬৪০, আহমাদ ১৮১১৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، قال قال عبد الله بن مسعود ـ رضى الله عنه جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله كيف تقول في رجل أحب قوما ولم يلحق بهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المرء مع من أحب ". تابعه جرير بن حازم وسليمان بن قرم وأبو عوانة عن الأعمش عن أبي وائل عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ৬১৭১
حدثنا عبدان، أخبرنا أبي، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن أنس بن مالك، أن رجلا، سأل النبي صلى الله عليه وسلم متى الساعة يا رسول الله قال " ما أعددت لها ". قال ما أعددت لها من كثير صلاة ولا صوم ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله. قال " أنت مع من أحببت ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? সে বললঃ আমি এর জন্য তো অধিক কিছু সালাত, সাওম এবং সদাকাহ আদায় করতে পারিনি। কিন্তু আমি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালবাস তারই সাথী হবে। [৩৬৮৮; মুসলিম ৪৫/৫০, হাঃ ২৬৩৯, আহমাদ ১২০৭৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহ্র রসূল! ক্বিয়ামাত কবে হবে? তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ? সে বললঃ আমি এর জন্য তো অধিক কিছু সালাত, সাওম এবং সদাকাহ আদায় করতে পারিনি। কিন্তু আমি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসি। তিনি বললেনঃ তুমি যাকে ভালবাস তারই সাথী হবে। [৩৬৮৮; মুসলিম ৪৫/৫০, হাঃ ২৬৩৯, আহমাদ ১২০৭৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৭)
حدثنا عبدان، أخبرنا أبي، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن أنس بن مالك، أن رجلا، سأل النبي صلى الله عليه وسلم متى الساعة يا رسول الله قال " ما أعددت لها ". قال ما أعددت لها من كثير صلاة ولا صوم ولا صدقة، ولكني أحب الله ورسوله. قال " أنت مع من أحببت ".
সহিহ বুখারী > কোন লোকের অন্য লোককে ‘দূর হও’ বলা।
সহিহ বুখারী ৬১৭২
حدثنا أبو الوليد، حدثنا سلم بن زرير، سمعت أبا رجاء، سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صائد " قد خبأت لك خبيئا فما هو ". قال الدخ. قال " اخسأ ".
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সা’ঈদকে বললেনঃ আমি তোমার জন্য একটি কথা গোপন রেখেছি, তুমি বলতো সে কথাটা কী? সে বললঃ ‘দুখ’ তখন তিনি বললেনঃ ‘দূর হও’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৮)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু সা’ঈদকে বললেনঃ আমি তোমার জন্য একটি কথা গোপন রেখেছি, তুমি বলতো সে কথাটা কী? সে বললঃ ‘দুখ’ তখন তিনি বললেনঃ ‘দূর হও’।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৮)
حدثنا أبو الوليد، حدثنا سلم بن زرير، سمعت أبا رجاء، سمعت ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لابن صائد " قد خبأت لك خبيئا فما هو ". قال الدخ. قال " اخسأ ".
সহিহ বুখারী ৬১৭৫
قال سالم قال عبد الله قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله، ثم ذكر الدجال فقال " إني أنذركموه، وما من نبي إلا وقد أنذر قومه، لقد أنذره نوح قومه، ولكني سأقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه، تعلمون أنه أعور، وأن الله ليس بأعور ". قال أبو عبد الله خسأت الكلب بعدته خاسئين مبعدين
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহাবাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাবিহিত প্রশংসার পর দাজ্জালের উল্লেখ করে বললেনঃ আমি তোমাদের তার ব্যাপারে সাবধান করে দিচ্ছি। প্রত্যেক নাবীই এর ব্যাপারে তাঁর কওমকে সাবধান করে গিয়েছেন। আমি এর ব্যাপারে এমন কথা বলছি যা অন্য কোন নাবী তাঁর কওমকে বলেননি। তোমরা জেনে রাখ সে কানা; কিন্তু আল্লাহ কানা নন। [৩০৫৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯) আবূ আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, خسأت الكلب অর্থাৎ আমি তাকে দূর করেছি। خايئين অর্থ বিতাড়নকারী।
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহাবাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাবিহিত প্রশংসার পর দাজ্জালের উল্লেখ করে বললেনঃ আমি তোমাদের তার ব্যাপারে সাবধান করে দিচ্ছি। প্রত্যেক নাবীই এর ব্যাপারে তাঁর কওমকে সাবধান করে গিয়েছেন। আমি এর ব্যাপারে এমন কথা বলছি যা অন্য কোন নাবী তাঁর কওমকে বলেননি। তোমরা জেনে রাখ সে কানা; কিন্তু আল্লাহ কানা নন। [৩০৫৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯) আবূ আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, خسأت الكلب অর্থাৎ আমি তাকে দূর করেছি। خايئين অর্থ বিতাড়নকারী।
قال سالم قال عبد الله قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله، ثم ذكر الدجال فقال " إني أنذركموه، وما من نبي إلا وقد أنذر قومه، لقد أنذره نوح قومه، ولكني سأقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه، تعلمون أنه أعور، وأن الله ليس بأعور ". قال أبو عبد الله خسأت الكلب بعدته خاسئين مبعدين
সহিহ বুখারী ৬১৭৩
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن عمر بن الخطاب انطلق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من أصحابه قبل ابن صياد، حتى وجده يلعب مع الغلمان في أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد يومئذ الحلم، فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال " أتشهد أني رسول الله ". فنظر إليه فقال أشهد أنك رسول الأميين. ثم قال ابن صياد أتشهد أني رسول الله فرضه النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال " آمنت بالله ورسله ". ثم قال لابن صياد " ماذا ترى ". قال يأتيني صادق وكاذب. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلط عليك الأمر ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني خبأت لك خبيئا ". قال هو الدخ. قال " اخسأ، فلن تعدو قدرك ". قال عمر يا رسول الله أتأذن لي فيه أضرب عنقه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن يكن هو لا تسلط عليه، وإن لم يكن هو فلا خير لك في قتله ".
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) একদল সাহাবীসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ইবনু সাইয়্যাদের নিকট গমন করেন। তাঁরা সেখানে গিয়ে তাকে বনূ মাগালাহের দুর্গের পার্শ্বে বালকদের খেলায় মগ্ন পেলেন। তখন সে বালেগ হবার নিকটবর্তী বয়সে পৌছেছে। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আগমন টের পেল না যতক্ষণ না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত দিয়ে তাঁর পিঠে মারলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আমিই আল্লাহ্র রসূল! তখন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দিকে তাকেয়ে বললোঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মী সম্প্রদায়ের রসূল! এরপর ইবনু সাইয়্যাদ বললঃ আপনি কি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, আমিই আল্লাহ্র রসূল? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ধাক্কা মেরে বললেনঃ আমি আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের উপর ঈমান রাখি। তারপর আবার তিনি ইবনু সাইয়্যাদকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখতে পাও? সে বললঃ আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাচারী উভয়ই আসেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিষয়টি তোমার উপর এলোমেলো করে দেওয়া হয়েছে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি তোমার (পরীক্ষার) জন্য কিছু গোপন রাখছি। সে বললঃ তা ‘দুখ’। তখন তিনি বললেনঃ ‘দূর হও’। তুমি কখনো তোমার ভাগ্যকে অতিক্রম করতে পারবে না। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি তার ব্যাপারে আমাকে অনুমতি দেন যে, আমি তার গর্দান কেটে দেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ যদি সে (দাজ্জালই) হয়, তাহলে তার উপর তোমাকে ক্ষমতা দেয়া হবে না। আর এ যদি সে না হয়ে থাকে, তবে তাকে হত্যা করা তোমার জন্য ভাল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) একদল সাহাবীসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে ইবনু সাইয়্যাদের নিকট গমন করেন। তাঁরা সেখানে গিয়ে তাকে বনূ মাগালাহের দুর্গের পার্শ্বে বালকদের খেলায় মগ্ন পেলেন। তখন সে বালেগ হবার নিকটবর্তী বয়সে পৌছেছে। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আগমন টের পেল না যতক্ষণ না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত দিয়ে তাঁর পিঠে মারলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আমিই আল্লাহ্র রসূল! তখন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দিকে তাকেয়ে বললোঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি উম্মী সম্প্রদায়ের রসূল! এরপর ইবনু সাইয়্যাদ বললঃ আপনি কি সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, আমিই আল্লাহ্র রসূল? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ধাক্কা মেরে বললেনঃ আমি আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের উপর ঈমান রাখি। তারপর আবার তিনি ইবনু সাইয়্যাদকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কী দেখতে পাও? সে বললঃ আমার নিকট সত্যবাদী ও মিথ্যাচারী উভয়ই আসেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিষয়টি তোমার উপর এলোমেলো করে দেওয়া হয়েছে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি তোমার (পরীক্ষার) জন্য কিছু গোপন রাখছি। সে বললঃ তা ‘দুখ’। তখন তিনি বললেনঃ ‘দূর হও’। তুমি কখনো তোমার ভাগ্যকে অতিক্রম করতে পারবে না। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি তার ব্যাপারে আমাকে অনুমতি দেন যে, আমি তার গর্দান কেটে দেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ যদি সে (দাজ্জালই) হয়, তাহলে তার উপর তোমাকে ক্ষমতা দেয়া হবে না। আর এ যদি সে না হয়ে থাকে, তবে তাকে হত্যা করা তোমার জন্য ভাল হবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن عمر بن الخطاب انطلق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط من أصحابه قبل ابن صياد، حتى وجده يلعب مع الغلمان في أطم بني مغالة، وقد قارب ابن صياد يومئذ الحلم، فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال " أتشهد أني رسول الله ". فنظر إليه فقال أشهد أنك رسول الأميين. ثم قال ابن صياد أتشهد أني رسول الله فرضه النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال " آمنت بالله ورسله ". ثم قال لابن صياد " ماذا ترى ". قال يأتيني صادق وكاذب. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلط عليك الأمر ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني خبأت لك خبيئا ". قال هو الدخ. قال " اخسأ، فلن تعدو قدرك ". قال عمر يا رسول الله أتأذن لي فيه أضرب عنقه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن يكن هو لا تسلط عليه، وإن لم يكن هو فلا خير لك في قتله ".
সহিহ বুখারী ৬১৭৪
قال سالم فسمعت عبد الله بن عمر، يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب الأنصاري يؤمان النخل التي فيها ابن صياد، حتى إذا دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم طفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يتقي بجذوع النخل، وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه، وابن صياد مضطجع على فراشه في قطيفة له فيها رمرمة أو زمزمة، فرأت أم ابن صياد النبي صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل، فقالت لابن صياد أى صاف ـ وهو اسمه ـ هذا محمد. فتناهى ابن صياد. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو تركته بين ".
সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালিম (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, এ ঘটনার পর একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) সেই খেজুর বাগানের দিকে রওয়ানা হলেন, যেখানে ইবনু সাইয়্যাদ ছিল। অবশেষে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাগানে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি খেজুর গাছের আড়ালে চলতে লাগলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল যে, ইবনু সাইয়্যাদ তাঁকে দেখার আগেই যেন তিনি তাঁর কিছু কথাবার্তা শুনে নিতে পারেন। এ সময় ইবনু সাইয়্যাদ তার বিছানায় একখানায় একখানা চাদর গায়ে দিয়ে শুয়েছিল। আর তার চাদরের মধ্যে হতে বিড়বিড় শব্দ শুনা যাচ্ছিল। ইতোমধ্যে ইবনু সাইয়্যাদের মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখল যে, তিনি খেজুরের গাছের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে আসছেন। তখন তার মা তাকে ডেকে বললঃ ওহে সাফ্! –এটা ছিল তার ডাক নাম- এই যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন ইবনু সাইয়্যাদ চুপ হল। তখন রসূলুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ যদি তার মা তাকে সতর্ক না করতো তবে তার (ব্যাপার) প্রকাশ পেয়ে যেতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯)
সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালিম (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, এ ঘটনার পর একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) সেই খেজুর বাগানের দিকে রওয়ানা হলেন, যেখানে ইবনু সাইয়্যাদ ছিল। অবশেষে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাগানে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি খেজুর গাছের আড়ালে চলতে লাগলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল যে, ইবনু সাইয়্যাদ তাঁকে দেখার আগেই যেন তিনি তাঁর কিছু কথাবার্তা শুনে নিতে পারেন। এ সময় ইবনু সাইয়্যাদ তার বিছানায় একখানায় একখানা চাদর গায়ে দিয়ে শুয়েছিল। আর তার চাদরের মধ্যে হতে বিড়বিড় শব্দ শুনা যাচ্ছিল। ইতোমধ্যে ইবনু সাইয়্যাদের মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখল যে, তিনি খেজুরের গাছের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে আসছেন। তখন তার মা তাকে ডেকে বললঃ ওহে সাফ্! –এটা ছিল তার ডাক নাম- এই যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন ইবনু সাইয়্যাদ চুপ হল। তখন রসূলুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ যদি তার মা তাকে সতর্ক না করতো তবে তার (ব্যাপার) প্রকাশ পেয়ে যেতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬২৯)
قال سالم فسمعت عبد الله بن عمر، يقول انطلق بعد ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بن كعب الأنصاري يؤمان النخل التي فيها ابن صياد، حتى إذا دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم طفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يتقي بجذوع النخل، وهو يختل أن يسمع من ابن صياد شيئا قبل أن يراه، وابن صياد مضطجع على فراشه في قطيفة له فيها رمرمة أو زمزمة، فرأت أم ابن صياد النبي صلى الله عليه وسلم وهو يتقي بجذوع النخل، فقالت لابن صياد أى صاف ـ وهو اسمه ـ هذا محمد. فتناهى ابن صياد. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو تركته بين ".
সহিহ বুখারী > কাউকে ‘মারহাবা’ বলা
সহিহ বুখারী ৬১৭৬
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أبو التياح، عن أبي جمرة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما قدم وفد عبد القيس على النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " مرحبا بالوفد الذين جاءوا غير خزايا ولا ندامى ". فقالوا يا رسول الله إنا حى من ربيعة وبيننا وبينك مضر، وإنا لا نصل إليك إلا في الشهر الحرام، فمرنا بأمر فصل ندخل به الجنة، وندعو به من وراءنا. فقال " أربع وأربع أقيموا الصلاة، وآتوا الزكاة، وصوم رمضان، وأعطوا خمس ما غنمتم، ولا تشربوا في الدباء، والحنتم، والنقير، والمزفت ".
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ‘আবদুল কায়সের প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলে তিনি বললেনঃ এই প্রতিনিধি দলের প্রতি ‘মারহাবা’, যারা লাঞ্ছিত ও লজ্জিত হয়ে আসেনি। তারা বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা রাবি’য়া গোত্রের লোক। আমরা ও আপনার মাঝে অবস্থান করছে ‘মুযার’ গোত্র। এজন্য আমরা হারাম মাস ব্যতীত আপনার খিদমতে পৌছতে পারি না। সুতরাং আপনি আমাদের এমন কিছু চূড়ান্ত নিয়ম-নীতি বাত্লিয়ে দেন যা অনুসরণ করে আমরা জান্নাতে যেতে পারি এবং আমাদের পেছনে যারা রয়েছে তাদের পথ দেখাতে পারি। তিনি বললেনঃ আমি চারটি ও চারটি নির্দেশ দিচ্ছি। তোমরা সালাত কায়িম করবে, যাকাত দিবে, রমাযান মাসের সিয়াম পালন করবে এবং গানীমাতের মালের পঞ্চমাংশ দান করবে। আর কদুর খোলে, সবুজ রং করা কলসে, খেজুর মূলের পাত্রে আলকাতরা রঙানো পাত্রে পান করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ‘আবদুল কায়সের প্রতিনিধি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলে তিনি বললেনঃ এই প্রতিনিধি দলের প্রতি ‘মারহাবা’, যারা লাঞ্ছিত ও লজ্জিত হয়ে আসেনি। তারা বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা রাবি’য়া গোত্রের লোক। আমরা ও আপনার মাঝে অবস্থান করছে ‘মুযার’ গোত্র। এজন্য আমরা হারাম মাস ব্যতীত আপনার খিদমতে পৌছতে পারি না। সুতরাং আপনি আমাদের এমন কিছু চূড়ান্ত নিয়ম-নীতি বাত্লিয়ে দেন যা অনুসরণ করে আমরা জান্নাতে যেতে পারি এবং আমাদের পেছনে যারা রয়েছে তাদের পথ দেখাতে পারি। তিনি বললেনঃ আমি চারটি ও চারটি নির্দেশ দিচ্ছি। তোমরা সালাত কায়িম করবে, যাকাত দিবে, রমাযান মাসের সিয়াম পালন করবে এবং গানীমাতের মালের পঞ্চমাংশ দান করবে। আর কদুর খোলে, সবুজ রং করা কলসে, খেজুর মূলের পাত্রে আলকাতরা রঙানো পাত্রে পান করবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩০)
حدثنا عمران بن ميسرة، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أبو التياح، عن أبي جمرة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال لما قدم وفد عبد القيس على النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال " مرحبا بالوفد الذين جاءوا غير خزايا ولا ندامى ". فقالوا يا رسول الله إنا حى من ربيعة وبيننا وبينك مضر، وإنا لا نصل إليك إلا في الشهر الحرام، فمرنا بأمر فصل ندخل به الجنة، وندعو به من وراءنا. فقال " أربع وأربع أقيموا الصلاة، وآتوا الزكاة، وصوم رمضان، وأعطوا خمس ما غنمتم، ولا تشربوا في الدباء، والحنتم، والنقير، والمزفت ".