সহিহ বুখারী > কবিতার মাধ্যমে মুশরিকদের নিন্দা করা ।

সহিহ বুখারী ৬১৫৩

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لحسان ‏ "‏ اهجهم ـ أو قال هاجهم ـ وجبريل معك ‏"‏‏.‏

বারাআ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাস্‌সান (রাঃ) -কে বললেনঃ তুমি কাফিরদের নিন্দা করো। জিবরীল (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কাজে তোমাকে সাহায্য করবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৯)

বারাআ’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাস্‌সান (রাঃ) -কে বললেনঃ তুমি কাফিরদের নিন্দা করো। জিবরীল (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কাজে তোমাকে সাহায্য করবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৯)

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء ـ رضى الله عنه ـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لحسان ‏ "‏ اهجهم ـ أو قال هاجهم ـ وجبريل معك ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৫০

حدثنا مسدد، حدثنا إسماعيل، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم على بعض نسائه ومعهن أم سليم فقال ‏"‏ ويحك يا أنجشة، رويدك سوقا بالقوارير ‏"‏‏.‏ قال أبو قلابة فتكلم النبي صلى الله عليه وسلم بكلمة، لو تكلم بعضكم لعبتموها عليه قوله ‏"‏ سوقك بالقوارير ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট মুশরিকদের নিন্দা করার অনুমতি চাইলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে এ নিন্দা থেকে আমার বংশের মর্যাদা কীভাবে রক্ষা পাবে? তখন হাস্‌সান (রাঃ) বললেনঃ আমি তাদের থেকে আপনাকে এমনভাবে বের করে নেব, যেভাবে মাখানো আটা থেকে চুল বের করা হয়। রাবী ‘উরওয়াহ বর্ণনা করেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -এর কাছে হাস্‌সান (রাঃ) -কে গালি দিতে লাগলাম, তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাঁকে গালি দিওনা। কারণ, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পক্ষ হতে মুশরিকদের প্রতিরোধ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৬)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট মুশরিকদের নিন্দা করার অনুমতি চাইলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে এ নিন্দা থেকে আমার বংশের মর্যাদা কীভাবে রক্ষা পাবে? তখন হাস্‌সান (রাঃ) বললেনঃ আমি তাদের থেকে আপনাকে এমনভাবে বের করে নেব, যেভাবে মাখানো আটা থেকে চুল বের করা হয়। রাবী ‘উরওয়াহ বর্ণনা করেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -এর কাছে হাস্‌সান (রাঃ) -কে গালি দিতে লাগলাম, তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাঁকে গালি দিওনা। কারণ, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পক্ষ হতে মুশরিকদের প্রতিরোধ করতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৬)

حدثنا مسدد، حدثنا إسماعيل، حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم على بعض نسائه ومعهن أم سليم فقال ‏"‏ ويحك يا أنجشة، رويدك سوقا بالقوارير ‏"‏‏.‏ قال أبو قلابة فتكلم النبي صلى الله عليه وسلم بكلمة، لو تكلم بعضكم لعبتموها عليه قوله ‏"‏ سوقك بالقوارير ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৫১

حدثنا أصبغ، قال أخبرني عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن الهيثم بن أبي سنان، أخبره أنه، سمع أبا هريرة، في قصصه يذكر النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أخا لكم لا يقول الرفث ‏"‏‏.‏ يعني بذاك ابن رواحة قال فينا رسول الله يتلو كتابه إذا انشق معروف من الفجر ساطع أرانا الهدى بعد العمى فقلوبنا به موقنات أن ما قال واقع يبيت يجافي جنبه عن فراشه إذا استثقلت بالكافرين المضاجع تابعه عقيل عن الزهري‏.‏ وقال الزبيدي عن الزهري عن سعيد والأعرج عن أبي هريرة‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁর বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের ভাই অর্থাৎ কবি ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) অশ্লীল কথা বলেননি। তিনি বলতেনঃ আমাদের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন, তিনি কুরআন তিলাওয়াত করেন; যখন সকালের মন মাতানো আলো ফুটে উঠে। আমরা পথহারা হবার পর তিনি আমাদের সুপথ দেখিয়েছেন। আর আমরা অন্তরের সাথে একীন করলাম যে, তিনি যা বলেছেন, তা ঘটবেই। তিনি নিজ পৃষ্ঠদেশ বিছানা থেকে আলাদা রেখেই রাত্রি অতিবাহিত করেন। যখন কাফিরদের আনন্দের শয্যা তাদের পক্ষে খুব কষ্টকর হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁর বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের ভাই অর্থাৎ কবি ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) অশ্লীল কথা বলেননি। তিনি বলতেনঃ আমাদের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন, তিনি কুরআন তিলাওয়াত করেন; যখন সকালের মন মাতানো আলো ফুটে উঠে। আমরা পথহারা হবার পর তিনি আমাদের সুপথ দেখিয়েছেন। আর আমরা অন্তরের সাথে একীন করলাম যে, তিনি যা বলেছেন, তা ঘটবেই। তিনি নিজ পৃষ্ঠদেশ বিছানা থেকে আলাদা রেখেই রাত্রি অতিবাহিত করেন। যখন কাফিরদের আনন্দের শয্যা তাদের পক্ষে খুব কষ্টকর হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৭)

حدثنا أصبغ، قال أخبرني عبد الله بن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن الهيثم بن أبي سنان، أخبره أنه، سمع أبا هريرة، في قصصه يذكر النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن أخا لكم لا يقول الرفث ‏"‏‏.‏ يعني بذاك ابن رواحة قال فينا رسول الله يتلو كتابه إذا انشق معروف من الفجر ساطع أرانا الهدى بعد العمى فقلوبنا به موقنات أن ما قال واقع يبيت يجافي جنبه عن فراشه إذا استثقلت بالكافرين المضاجع تابعه عقيل عن الزهري‏.‏ وقال الزبيدي عن الزهري عن سعيد والأعرج عن أبي هريرة‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৫২

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة فيقول يا أبا هريرة نشدتك بالله هل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول"‏ يا حسان أجب عن رسول الله، اللهم أيده بروح القدس ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة نعم‏.‏

হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আবূ হুরাইয়া! আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, ওহে হাস্‌সান! তুমি আল্লাহ্‌র রসূলের পক্ষ থেকে প্রত্যুত্তর দাও। হে আল্লাহ্‌! তুমি জিবরীল (আঃ) -এর দ্বারা তাকে সাহায্য কর। আবূ হুরাইয়াহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৮)

হাস্‌সান ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আবূ হুরাইয়া! আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, ওহে হাস্‌সান! তুমি আল্লাহ্‌র রসূলের পক্ষ থেকে প্রত্যুত্তর দাও। হে আল্লাহ্‌! তুমি জিবরীল (আঃ) -এর দ্বারা তাকে সাহায্য কর। আবূ হুরাইয়াহ (রাঃ) বললেনঃ হাঁ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০৮)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثنا إسماعيل، قال حدثني أخي، عن سليمان، عن محمد بن أبي عتيق، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة فيقول يا أبا هريرة نشدتك بالله هل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول"‏ يا حسان أجب عن رسول الله، اللهم أيده بروح القدس ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة نعم‏.‏


সহিহ বুখারী > যে কবিতা মানুষকে এতটা প্রভাবিত করে, যা তাকে আল্লাহর স্মরণ, ‘ইলম হাসিল ও কুর’আন থেকে বাধা দান করে, তা নিষিদ্ধ

সহিহ বুখারী ৬১৫৪

حدثنا عبيد الله بن موسى، أخبرنا حنظلة، عن سالم، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لأن يمتلئ جوف أحدكم قيحا خير له من أن يمتلئ شعرا ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো পেট কবিতা দিয়ে ভরার চেয়ে পুঁজে ভরা অনেক ভাল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১০)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো পেট কবিতা দিয়ে ভরার চেয়ে পুঁজে ভরা অনেক ভাল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১০)

حدثنا عبيد الله بن موسى، أخبرنا حنظلة، عن سالم، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لأن يمتلئ جوف أحدكم قيحا خير له من أن يمتلئ شعرا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৫৫

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت أبا صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأن يمتلئ جوف رجل قيحا يريه خير من أن يمتلئ شعرا ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির পেট কবিতা দিয়ে ভরার চেয়ে এমন পুঁজে ভরা উত্তম, যা তোমাদের পেটকে ধ্বংস করে ফেলে।[মুসলিম পর্ব ৪১/হাঃ ২২৫৭, আহমাদ ১০২০১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির পেট কবিতা দিয়ে ভরার চেয়ে এমন পুঁজে ভরা উত্তম, যা তোমাদের পেটকে ধ্বংস করে ফেলে।[মুসলিম পর্ব ৪১/হাঃ ২২৫৭, আহমাদ ১০২০১] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১১)

حدثنا عمر بن حفص، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، قال سمعت أبا صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأن يمتلئ جوف رجل قيحا يريه خير من أن يمتلئ شعرا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উক্তিঃ তোমার ডান হাত ধূলি ধূসরিত হোক । তোমার হস্তপদ ধ্বংস হোক এবং তোমার কন্ঠদেশ ঘায়েল হোক ।

সহিহ বুখারী ৬১৫৬

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت إن أفلح أخا أبي القعيس استأذن على بعد ما نزل الحجاب فقلت والله لا آذن له حتى أستأذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن أخا أبي القعيس ليس هو أرضعني، ولكن أرضعتني امرأة أبي القعيس‏.‏ فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن الرجل ليس هو أرضعني، ولكن أرضعتني امرأته‏.‏ قال ‏ "‏ ائذني له، فإنه عمك، تربت يمينك ‏"‏‏.‏ قال عروة فبذلك كانت عائشة تقول حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পর্দার হুকুম অবতীর্ণ হবার পর আবূ কু’আইসের ভাই আফলাহ আমার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুমতি না নিয়ে তাকে অনুমতি দেব না। কারণ আবূ কু’আইসের স্ত্রী আমাকে দুগ্ধ পান করিয়েছেন। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ লোক আমাকে দুধ পান করাননি। বরং তাঁর স্ত্রী আমাকে দুধ পান করিয়েছেন। তিনি বললেনঃ অনুমতি দাও। কারণ এ লোকটি তোমার (দুধ) চাচা। তোমার ডান হস্ত ধূলি ধূসরিত হোক। রাবী ‘উরওয়াহ বলেন, এ কারণেই ‘আয়িশা (রাঃ) বলতেন যে, বংশগত সম্পর্কে যারা হারাম হয়, দুধ পান সম্পর্কেও তোমরা তাদের হারাম গণ্য করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১২)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পর্দার হুকুম অবতীর্ণ হবার পর আবূ কু’আইসের ভাই আফলাহ আমার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমি বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুমতি না নিয়ে তাকে অনুমতি দেব না। কারণ আবূ কু’আইসের স্ত্রী আমাকে দুগ্ধ পান করিয়েছেন। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ লোক আমাকে দুধ পান করাননি। বরং তাঁর স্ত্রী আমাকে দুধ পান করিয়েছেন। তিনি বললেনঃ অনুমতি দাও। কারণ এ লোকটি তোমার (দুধ) চাচা। তোমার ডান হস্ত ধূলি ধূসরিত হোক। রাবী ‘উরওয়াহ বলেন, এ কারণেই ‘আয়িশা (রাঃ) বলতেন যে, বংশগত সম্পর্কে যারা হারাম হয়, দুধ পান সম্পর্কেও তোমরা তাদের হারাম গণ্য করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১২)

حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت إن أفلح أخا أبي القعيس استأذن على بعد ما نزل الحجاب فقلت والله لا آذن له حتى أستأذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن أخا أبي القعيس ليس هو أرضعني، ولكن أرضعتني امرأة أبي القعيس‏.‏ فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن الرجل ليس هو أرضعني، ولكن أرضعتني امرأته‏.‏ قال ‏ "‏ ائذني له، فإنه عمك، تربت يمينك ‏"‏‏.‏ قال عروة فبذلك كانت عائشة تقول حرموا من الرضاعة ما يحرم من النسب‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৫৭

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت أراد النبي صلى الله عليه وسلم أن ينفر فرأى صفية على باب خبائها كئيبة حزينة لأنها حاضت فقال ‏"‏ عقرى حلقى ـ لغة قريش ـ إنك لحابستنا ‏"‏ ثم قال ‏"‏ أكنت أفضت يوم النحر ‏"‏‏.‏ يعني الطواف قالت نعم‏.‏ قال ‏"‏ فانفري إذا ‏"‏‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জ সমাপন শেষে) ফিরে আসার ইচ্ছে পোষণ করলেন। তখন ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার কারণে তাঁর দরজার সামনে সাফিয়্যাহ (রাঃ) চিন্তিত ও বিষণ্ন মুখে দাঁড়িয়ে আছেন দেখতে পেলেন। তখন তিনি কুরাইশদের বাগধারায় বললেনঃ ‘আক্‌রা হাল্‌কা’। তুমি তো দেখছি, আমাদের আটকে দিবে। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কুরবানীর দিনে ফরয তাওয়াফ করেছিলে? তিনি বললেনঃ হাঁ। তখন তিনি বললেনঃ তাহলে এখন রওনা দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৩)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জ সমাপন শেষে) ফিরে আসার ইচ্ছে পোষণ করলেন। তখন ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার কারণে তাঁর দরজার সামনে সাফিয়্যাহ (রাঃ) চিন্তিত ও বিষণ্ন মুখে দাঁড়িয়ে আছেন দেখতে পেলেন। তখন তিনি কুরাইশদের বাগধারায় বললেনঃ ‘আক্‌রা হাল্‌কা’। তুমি তো দেখছি, আমাদের আটকে দিবে। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কুরবানীর দিনে ফরয তাওয়াফ করেছিলে? তিনি বললেনঃ হাঁ। তখন তিনি বললেনঃ তাহলে এখন রওনা দাও।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৩)

حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ قالت أراد النبي صلى الله عليه وسلم أن ينفر فرأى صفية على باب خبائها كئيبة حزينة لأنها حاضت فقال ‏"‏ عقرى حلقى ـ لغة قريش ـ إنك لحابستنا ‏"‏ ثم قال ‏"‏ أكنت أفضت يوم النحر ‏"‏‏.‏ يعني الطواف قالت نعم‏.‏ قال ‏"‏ فانفري إذا ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > ‘যা‘আমূ’ (তারা ধারণা করেন) সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

সহিহ বুখারী ৬১৫৮

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة، مولى أم هانئ بنت أبي طالب أخبره أنه، سمع أم هانئ بنت أبي طالب، تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل، وفاطمة ابنته تستره، فسلمت عليه، فقال ‏"‏ من هذه ‏"‏‏.‏ فقلت أنا أم هانئ بنت أبي طالب‏.‏ فقال ‏"‏ مرحبا بأم هانئ ‏"‏‏.‏ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات، ملتحفا في ثوب واحد، فلما انصرف قلت يا رسول الله زعم ابن أمي أنه قاتل رجلا قد أجرته فلان بن هبيرة‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ ‏"‏‏.‏ قالت أم هانئ وذاك ضحى‏.‏

উম্মু হানী বিন্‌ত আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের বছর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে তাঁকে গোসলরত অবস্থায় পেলাম। তখন তাঁর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁকে পর্দা দিয়ে আড়াল করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ কে? আমি বললামঃ আমি আবূ ত্বলিবের কন্যা উম্মু হানী। তিনি বললেনঃ উম্মু হানীর জন্য মারহাবা। তারপর তিনি যখন গোসল শেষ করলেন। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে আট রাক’আত সলাত আদায় করলেন। তিনি সলাত শেষ করলে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি হুবাইরার ছেলে অমুককে নিরাপত্তা দান করেছিলাম কিন্তু আমার ভাই বলছে, সে তাকে হত্যা করবে। রসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু হানী! তুমি যাকে নিরাপত্তা দিয়েছ, আমিও তাকে নিরাপত্তা দিলাম। উম্মু হানী (রাঃ) বলেনঃ এই সময়টি ছিল চাশ্‌তের সময়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৪)

উম্মু হানী বিন্‌ত আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের বছর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট গিয়ে তাঁকে গোসলরত অবস্থায় পেলাম। তখন তাঁর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁকে পর্দা দিয়ে আড়াল করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ এ কে? আমি বললামঃ আমি আবূ ত্বলিবের কন্যা উম্মু হানী। তিনি বললেনঃ উম্মু হানীর জন্য মারহাবা। তারপর তিনি যখন গোসল শেষ করলেন। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং এক কাপড় গায়ে জড়িয়ে আট রাক’আত সলাত আদায় করলেন। তিনি সলাত শেষ করলে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি হুবাইরার ছেলে অমুককে নিরাপত্তা দান করেছিলাম কিন্তু আমার ভাই বলছে, সে তাকে হত্যা করবে। রসূলুল্লাহ সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু হানী! তুমি যাকে নিরাপত্তা দিয়েছ, আমিও তাকে নিরাপত্তা দিলাম। উম্মু হানী (রাঃ) বলেনঃ এই সময়টি ছিল চাশ্‌তের সময়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬১৪)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة، مولى أم هانئ بنت أبي طالب أخبره أنه، سمع أم هانئ بنت أبي طالب، تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل، وفاطمة ابنته تستره، فسلمت عليه، فقال ‏"‏ من هذه ‏"‏‏.‏ فقلت أنا أم هانئ بنت أبي طالب‏.‏ فقال ‏"‏ مرحبا بأم هانئ ‏"‏‏.‏ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات، ملتحفا في ثوب واحد، فلما انصرف قلت يا رسول الله زعم ابن أمي أنه قاتل رجلا قد أجرته فلان بن هبيرة‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ ‏"‏‏.‏ قالت أم هانئ وذاك ضحى‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00