সহিহ বুখারী > খাবার প্রস্তুত করা ও মেহমান্দের জন্য কষ্ট সংবরন করা।
সহিহ বুখারী ৬১৩৯
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا جعفر بن عون، حدثنا أبو العميس، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال آخى النبي صلى الله عليه وسلم بين سلمان وأبي الدرداء. فزار سلمان أبا الدرداء فرأى أم الدرداء متبذلة فقال لها ما شأنك قالت أخوك أبو الدرداء ليس له حاجة في الدنيا. فجاء أبو الدرداء فصنع له طعاما فقال كل فإني صائم. قال ما أنا بآكل حتى تأكل. فأكل، فلما كان الليل ذهب أبو الدرداء يقوم فقال نم. فنام، ثم ذهب يقوم فقال نم. فلما كان آخر الليل قال سلمان قم الآن. قال فصليا فقال له سلمان إن لربك عليك حقا، ولنفسك عليك حقا، ولأهلك عليك حقا، فأعط كل ذي حق حقه. فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له. فقال النبي صلى الله عليه وسلم" صدق سلمان ". أبو جحيفة وهب السوائي، يقال وهب الخير.
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালমান (রাঃ) ও আবূ দারদা (রাঃ) -এর মধ্যে ভাতৃ বন্ধন স্থাপন করেন। এরপর একদিন সালমান (রাঃ) আবূ দারদা (রাঃ) -এর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। তখন তিনি উম্মু দারদা (রাঃ) -কে নিম্নমানের পোশাকে দেখতে পেলেন।। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেনঃ তোমার ভাই আবূ দারদা (রাঃ) -’র দুনিয়াতে কিছুর দরকার নেই। ইতোমধ্যে আবূ দারদা (রাঃ) এলেন। অতঃপর তার জন্য খাবার তৈরি করে তাঁকে বললেন, ‘আপনি খেয়ে নিন, আমি তো সিয়াম পালন করেছি।’ তিনি বললেনঃ আপনি যতক্ষন না খাবেন ততক্ষন আমিও খাবনা। তখন তিনিও খেলেন। তারপর যখন রাত হলো, তখন আবূ দারদা (রাঃ) সলাতে দাঁড়ালেন। তখন সালমান (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন। তিনি শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে আবার উঠে দাঁড়ালে, তিনি বললেনঃ (আরও) ঘুমান। আবশেষে যখন রাত শেষ হয়ে এল, তখন সালমান (রাঃ) বললেনঃ এখন উঠুন এবং তারা উভয়েই সলাত আদায় করলেন। অতঃপর সালমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার উপর তোমার রবের হক আছে, (তেমনি) তোমার উপর তোমার হক আছে এবং তোমার স্ত্রীরও তোমার উপর হক আছে। সুতরাং তুমি প্রত্যেক হক্দারের দাবী আদায় করবে। তারপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে, তাঁর কাছে তার কথা উল্লেখ করলেনঃ তিনি বললেন, সালমান ঠিকই বলেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৬)
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালমান (রাঃ) ও আবূ দারদা (রাঃ) -এর মধ্যে ভাতৃ বন্ধন স্থাপন করেন। এরপর একদিন সালমান (রাঃ) আবূ দারদা (রাঃ) -এর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। তখন তিনি উম্মু দারদা (রাঃ) -কে নিম্নমানের পোশাকে দেখতে পেলেন।। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেনঃ তোমার ভাই আবূ দারদা (রাঃ) -’র দুনিয়াতে কিছুর দরকার নেই। ইতোমধ্যে আবূ দারদা (রাঃ) এলেন। অতঃপর তার জন্য খাবার তৈরি করে তাঁকে বললেন, ‘আপনি খেয়ে নিন, আমি তো সিয়াম পালন করেছি।’ তিনি বললেনঃ আপনি যতক্ষন না খাবেন ততক্ষন আমিও খাবনা। তখন তিনিও খেলেন। তারপর যখন রাত হলো, তখন আবূ দারদা (রাঃ) সলাতে দাঁড়ালেন। তখন সালমান (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন। তিনি শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে আবার উঠে দাঁড়ালে, তিনি বললেনঃ (আরও) ঘুমান। আবশেষে যখন রাত শেষ হয়ে এল, তখন সালমান (রাঃ) বললেনঃ এখন উঠুন এবং তারা উভয়েই সলাত আদায় করলেন। অতঃপর সালমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার উপর তোমার রবের হক আছে, (তেমনি) তোমার উপর তোমার হক আছে এবং তোমার স্ত্রীরও তোমার উপর হক আছে। সুতরাং তুমি প্রত্যেক হক্দারের দাবী আদায় করবে। তারপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে, তাঁর কাছে তার কথা উল্লেখ করলেনঃ তিনি বললেন, সালমান ঠিকই বলেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৬)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا جعفر بن عون، حدثنا أبو العميس، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال آخى النبي صلى الله عليه وسلم بين سلمان وأبي الدرداء. فزار سلمان أبا الدرداء فرأى أم الدرداء متبذلة فقال لها ما شأنك قالت أخوك أبو الدرداء ليس له حاجة في الدنيا. فجاء أبو الدرداء فصنع له طعاما فقال كل فإني صائم. قال ما أنا بآكل حتى تأكل. فأكل، فلما كان الليل ذهب أبو الدرداء يقوم فقال نم. فنام، ثم ذهب يقوم فقال نم. فلما كان آخر الليل قال سلمان قم الآن. قال فصليا فقال له سلمان إن لربك عليك حقا، ولنفسك عليك حقا، ولأهلك عليك حقا، فأعط كل ذي حق حقه. فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له. فقال النبي صلى الله عليه وسلم" صدق سلمان ". أبو جحيفة وهب السوائي، يقال وهب الخير.
সহিহ বুখারী > মেহ্মানের সামনে রাগ করা, আর অসহনশীল হওয়া নিন্দনীয় ।
সহিহ বুখারী ৬১৪০
حدثنا عياش بن الوليد، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما أن أبا بكر، تضيف رهطا فقال لعبد الرحمن دونك أضيافك فإني منطلق إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فافرغ من قراهم قبل أن أجيء. فانطلق عبد الرحمن فأتاهم بما عنده فقال اطعموا. فقالوا أين رب منزلنا قال اطعموا. قالوا ما نحن بآكلين حتى يجيء رب منزلنا. قال اقبلوا عنا قراكم، فإنه إن جاء ولم تطعموا لنلقين منه. فأبوا فعرفت أنه يجد على، فلما جاء تنحيت عنه فقال ما صنعتم فأخبروه فقال يا عبد الرحمن. فسكت ثم قال يا عبد الرحمن. فسكت فقال يا غنثر أقسمت عليك إن كنت تسمع صوتي لما جئت. فخرجت فقلت سل أضيافك. فقالوا صدق أتانا به. قال فإنما انتظرتموني، والله لا أطعمه الليلة. فقال الآخرون والله لا نطعمه حتى تطعمه. قال لم أر في الشر كالليلة، ويلكم ما أنتم لم لا تقبلون عنا قراكم هات طعامك. فجاءه فوضع يده فقال باسم الله، الأولى للشيطان. فأكل وأكلوا.
আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) কিছু লোককে মেহমান হিসাবে গ্রহন করলেন। তিনি (তাঁর পুত্র) ‘আবদুর রহমান কে নির্দেশ দিলেন, তোমার এ মেহ্মানদের নিয়ে যাও। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট যাচ্ছি। আমি ফিরে আসার পূর্বেই তুমি তাঁদের খাওয়ানো সেরে নিও। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাদের নিয়ে চলে গেলেন এবং তাঁর ঘরে যা ছিল তা সামনে পেশ করে দিয়ে তাদের বললেন আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ আমাদের এ বাড়ির মালিক কোথায়? তিনি বললেনঃ আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ বাড়ির মালিক না আসা পর্যন্ত আমরা খাবো না। তিনি বললেনঃ আমাদের তরফ থেকে আপনারা আপনাদের খাবার খেয়ে নিন। কারন, আপনারা না খেলে তিনি এলে আমার উপর রাগান্বিত হবেন। কিন্তু তাঁরা অস্বীকার করলেন। আমি ভাবলাম যে, তিনি অবশ্যই আমার উপর রাগান্বিত হবেন। তারপর তিনি ফিরে আসলে আমি তাঁর থেকে এক পাশে সরে পড়লাম। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কী করেছেন। তখন তারা তাঁকে সব বর্ননা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে আবদুর রহমান ! তখন আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডাকলেন, হে আবদুর রহমান! এবারেও আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডেকে বললেনঃ ওরে মুর্খ! আমি তো’কে কসম দিচ্ছি। যদি আমার কথা শুনে থকিস, তবে কেন আসছিস না? তখন আমি বেরিয়ে এসে বললাম, আপনি আপনার মেহ্মানদের জিজ্ঞেস করুন। তখন তারা বললেন, সে ঠিকই আমাদের খাবার এনে দিয়েছিল। তিনি বললেন, তবুও কি আপনারা আমার অপেক্ষা করছেন? আল্লাহর কসম! আমি আজ রাতে তো খাবো না। মেহ্মানরাও বললেনঃ আল্লাহর কসম! আপনি যে পর্যন্ত না খাবেন ততক্ষন আমরাও খাবো না। তখন তিনি বললেন, আমি আজ রাতের মত মন্দ রাত আর দেখিনি। আমাদের প্রতি আক্ষেপ। আপনারা কি আমাদের খাবার কবূল করলেন না? তখন তিনি (আবদুর রহমানকে ডেকে) বললেনঃ তোমার খাবার নিয়ে এসো। তিনি তা নিয়ে আসলে তিনিই খাবারের উপর নিজ হাত রেখে বললেন, বিস্মিল্লাহ; এ প্রথম ঘটনাটা শয়তানের কারনেই ঘটেছে। তারপর তিনি খেলেন এবং তারাও খেলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৭)
আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) কিছু লোককে মেহমান হিসাবে গ্রহন করলেন। তিনি (তাঁর পুত্র) ‘আবদুর রহমান কে নির্দেশ দিলেন, তোমার এ মেহ্মানদের নিয়ে যাও। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট যাচ্ছি। আমি ফিরে আসার পূর্বেই তুমি তাঁদের খাওয়ানো সেরে নিও। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাদের নিয়ে চলে গেলেন এবং তাঁর ঘরে যা ছিল তা সামনে পেশ করে দিয়ে তাদের বললেন আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ আমাদের এ বাড়ির মালিক কোথায়? তিনি বললেনঃ আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ বাড়ির মালিক না আসা পর্যন্ত আমরা খাবো না। তিনি বললেনঃ আমাদের তরফ থেকে আপনারা আপনাদের খাবার খেয়ে নিন। কারন, আপনারা না খেলে তিনি এলে আমার উপর রাগান্বিত হবেন। কিন্তু তাঁরা অস্বীকার করলেন। আমি ভাবলাম যে, তিনি অবশ্যই আমার উপর রাগান্বিত হবেন। তারপর তিনি ফিরে আসলে আমি তাঁর থেকে এক পাশে সরে পড়লাম। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কী করেছেন। তখন তারা তাঁকে সব বর্ননা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে আবদুর রহমান ! তখন আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডাকলেন, হে আবদুর রহমান! এবারেও আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডেকে বললেনঃ ওরে মুর্খ! আমি তো’কে কসম দিচ্ছি। যদি আমার কথা শুনে থকিস, তবে কেন আসছিস না? তখন আমি বেরিয়ে এসে বললাম, আপনি আপনার মেহ্মানদের জিজ্ঞেস করুন। তখন তারা বললেন, সে ঠিকই আমাদের খাবার এনে দিয়েছিল। তিনি বললেন, তবুও কি আপনারা আমার অপেক্ষা করছেন? আল্লাহর কসম! আমি আজ রাতে তো খাবো না। মেহ্মানরাও বললেনঃ আল্লাহর কসম! আপনি যে পর্যন্ত না খাবেন ততক্ষন আমরাও খাবো না। তখন তিনি বললেন, আমি আজ রাতের মত মন্দ রাত আর দেখিনি। আমাদের প্রতি আক্ষেপ। আপনারা কি আমাদের খাবার কবূল করলেন না? তখন তিনি (আবদুর রহমানকে ডেকে) বললেনঃ তোমার খাবার নিয়ে এসো। তিনি তা নিয়ে আসলে তিনিই খাবারের উপর নিজ হাত রেখে বললেন, বিস্মিল্লাহ; এ প্রথম ঘটনাটা শয়তানের কারনেই ঘটেছে। তারপর তিনি খেলেন এবং তারাও খেলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৭)
حدثنا عياش بن الوليد، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما أن أبا بكر، تضيف رهطا فقال لعبد الرحمن دونك أضيافك فإني منطلق إلى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فافرغ من قراهم قبل أن أجيء. فانطلق عبد الرحمن فأتاهم بما عنده فقال اطعموا. فقالوا أين رب منزلنا قال اطعموا. قالوا ما نحن بآكلين حتى يجيء رب منزلنا. قال اقبلوا عنا قراكم، فإنه إن جاء ولم تطعموا لنلقين منه. فأبوا فعرفت أنه يجد على، فلما جاء تنحيت عنه فقال ما صنعتم فأخبروه فقال يا عبد الرحمن. فسكت ثم قال يا عبد الرحمن. فسكت فقال يا غنثر أقسمت عليك إن كنت تسمع صوتي لما جئت. فخرجت فقلت سل أضيافك. فقالوا صدق أتانا به. قال فإنما انتظرتموني، والله لا أطعمه الليلة. فقال الآخرون والله لا نطعمه حتى تطعمه. قال لم أر في الشر كالليلة، ويلكم ما أنتم لم لا تقبلون عنا قراكم هات طعامك. فجاءه فوضع يده فقال باسم الله، الأولى للشيطان. فأكل وأكلوا.
সহিহ বুখারী > মেহ্মানকে মেজবানের ( এ কথা) বলা যে, যতক্ষন পর্যন্ত আপনি না খান ততক্ষণ আমিও খাব না।
সহিহ বুখারী ৬১৪১
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان، عن أبي عثمان، قال عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما جاء أبو بكر بضيف له أو بأضياف له، فأمسى عند النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فلما جاء قالت أمي احتبست عن ضيفك ـ أو أضيافك ـ الليلة. قال ما عشيتهم فقالت عرضنا عليه ـ أو عليهم فأبوا أو ـ فأبى، فغضب أبو بكر فسب وجدع وحلف لا يطعمه، فاختبأت أنا فقال يا غنثر. فحلفت المرأة لا تطعمه حتى يطعمه، فحلف الضيف ـ أو الأضياف ـ أن لا يطعمه أو يطعموه حتى يطعمه، فقال أبو بكر كأن هذه من الشيطان فدعا بالطعام فأكل وأكلوا فجعلوا لا يرفعون لقمة إلا ربا من أسفلها أكثر منها، فقال يا أخت بني فراس ما هذا فقالت وقرة عيني إنها الآن لأكثر قبل أن نأكل فأكلوا وبعث بها إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر أنه أكل منها.
আবদূর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আবূ বকর (রাঃ) তাঁর একজন কিংবা কয়েকজন মেহ্মান নিয়ে এলেন এবং সন্ধ্যার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গেলেন। তিনি ফিরে আসলে আমার মা তাঁকে বললেনঃ আপনি মেহ্মানকে, কিংবা বললেন, মেহ্মানদের (ঘরে) রেখে (এতো) রাত কোথায় আটকা পড়েছিলেন? তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি তাদের খাবার দাওনি? তিনি বললেনঃ আমি তাদের সামনে খাবার দিয়েছিলাম কিন্তু তারা, বা সে তা খেতে অস্বীকার করলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) রেগে গাল মন্দ করলেন ও বদ্ দু’আ করলেন। আর শপথ করলেন যে, তিনি খাবার খাবেন না। আমি লুকিয়ে ছিলাম। তিনি আমাকে ডেকে বললেনঃ ওরে মূর্খ! তখন মহিলা (আমার মাও) কসম করলেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খাবেন ততক্ষণ মাও খাবেন না। এদিকে মেহ্মানটি বা মেহ্মানরাও কসম খেয়ে বললেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খান, সে পর্যন্ত তারাও খাবেন না। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে শয়তান থেকে। তারপর তিনি খাবার আনতে বললেন। আর তিনি খেলেন এবং মেহ্মানরাও খেলেন। কিন্তু তারা খাওয়া আরম্ভ করে যতবারই ‘লুক্মা’ উঠাতে লাগলেন, তার নীচে থেকে তার চেয়েও অধিক খাবার বাড়তে লাগলো। তখন তিনি তাঁর স্ত্রীকে ডেকে বললেনঃ হে বানী ফেরাসের বোন এ কী? তিনি বললেনঃ আমার চোখের প্রশান্তির কসম! এতো আমাদের পূর্বের খাবার থেকে এখন অনেক অধিক দেখছি। তখন সবাই খেলেন এবং তা থেকে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কিছু পাঠিয়ে দিলেন। তারপর তিনি বর্ননা করেন যে, তা থেকে তিনিও খেয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৮)
আবদূর রহমান ইবনু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার আবূ বকর (রাঃ) তাঁর একজন কিংবা কয়েকজন মেহ্মান নিয়ে এলেন এবং সন্ধ্যার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গেলেন। তিনি ফিরে আসলে আমার মা তাঁকে বললেনঃ আপনি মেহ্মানকে, কিংবা বললেন, মেহ্মানদের (ঘরে) রেখে (এতো) রাত কোথায় আটকা পড়েছিলেন? তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি তাদের খাবার দাওনি? তিনি বললেনঃ আমি তাদের সামনে খাবার দিয়েছিলাম কিন্তু তারা, বা সে তা খেতে অস্বীকার করলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) রেগে গাল মন্দ করলেন ও বদ্ দু’আ করলেন। আর শপথ করলেন যে, তিনি খাবার খাবেন না। আমি লুকিয়ে ছিলাম। তিনি আমাকে ডেকে বললেনঃ ওরে মূর্খ! তখন মহিলা (আমার মাও) কসম করলেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খাবেন ততক্ষণ মাও খাবেন না। এদিকে মেহ্মানটি বা মেহ্মানরাও কসম খেয়ে বললেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খান, সে পর্যন্ত তারাও খাবেন না। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে শয়তান থেকে। তারপর তিনি খাবার আনতে বললেন। আর তিনি খেলেন এবং মেহ্মানরাও খেলেন। কিন্তু তারা খাওয়া আরম্ভ করে যতবারই ‘লুক্মা’ উঠাতে লাগলেন, তার নীচে থেকে তার চেয়েও অধিক খাবার বাড়তে লাগলো। তখন তিনি তাঁর স্ত্রীকে ডেকে বললেনঃ হে বানী ফেরাসের বোন এ কী? তিনি বললেনঃ আমার চোখের প্রশান্তির কসম! এতো আমাদের পূর্বের খাবার থেকে এখন অনেক অধিক দেখছি। তখন সবাই খেলেন এবং তা থেকে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট কিছু পাঠিয়ে দিলেন। তারপর তিনি বর্ননা করেন যে, তা থেকে তিনিও খেয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৮)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان، عن أبي عثمان، قال عبد الرحمن بن أبي بكر ـ رضى الله عنهما جاء أبو بكر بضيف له أو بأضياف له، فأمسى عند النبي صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فلما جاء قالت أمي احتبست عن ضيفك ـ أو أضيافك ـ الليلة. قال ما عشيتهم فقالت عرضنا عليه ـ أو عليهم فأبوا أو ـ فأبى، فغضب أبو بكر فسب وجدع وحلف لا يطعمه، فاختبأت أنا فقال يا غنثر. فحلفت المرأة لا تطعمه حتى يطعمه، فحلف الضيف ـ أو الأضياف ـ أن لا يطعمه أو يطعموه حتى يطعمه، فقال أبو بكر كأن هذه من الشيطان فدعا بالطعام فأكل وأكلوا فجعلوا لا يرفعون لقمة إلا ربا من أسفلها أكثر منها، فقال يا أخت بني فراس ما هذا فقالت وقرة عيني إنها الآن لأكثر قبل أن نأكل فأكلوا وبعث بها إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر أنه أكل منها.
সহিহ বুখারী > বড়কে সন্মান করা। বয়সে যিনি বড় তিনিই কথাবার্তা ও প্রশ্নাদি শুরু করবেন।
সহিহ বুখারী ৬১৪২
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، هو ابن زيد ـ عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رافع بن خديج، وسهل بن أبي حثمة، أنهما حدثاه أن عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود أتيا خيبر فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلموا في أمر صاحبهم فبدأ عبد الرحمن، وكان أصغر القوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر ". ـ قال يحيى ليلي الكلام الأكبر ـ فتكلموا في أمر صاحبهم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتستحقون قتيلكم ـ أو قال صاحبكم ـ بأيمان خمسين منكم ". قالوا يا رسول الله أمر لم نره. قال " فتبرئكم يهود في أيمان خمسين منهم ". قالوا يا رسول الله قوم كفار. فوداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله. قال سهل فأدركت ناقة من تلك الإبل، فدخلت مربدا لهم فركضتني برجلها. قال الليث حدثني يحيى، عن بشير، عن سهل، قال يحيى حسبت أنه قال مع رافع بن خديج، وقال ابن عيينة حدثنا يحيى عن بشير عن سهل وحده.
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) ও সাহ্ল ইবনু আবূ হাস্মাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাহ্ল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহ্ল (রাঃ) -কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহ্ল ও ইবনু মাস’ঊদ এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ (রাঃ) ও মুহাইসাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ননাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমান কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই ঊটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৯)
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) ও সাহ্ল ইবনু আবূ হাস্মাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাহ্ল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহ্ল (রাঃ) -কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহ্ল ও ইবনু মাস’ঊদ এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ (রাঃ) ও মুহাইসাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ননাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমান কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই ঊটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৯)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، هو ابن زيد ـ عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رافع بن خديج، وسهل بن أبي حثمة، أنهما حدثاه أن عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود أتيا خيبر فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلموا في أمر صاحبهم فبدأ عبد الرحمن، وكان أصغر القوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر ". ـ قال يحيى ليلي الكلام الأكبر ـ فتكلموا في أمر صاحبهم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتستحقون قتيلكم ـ أو قال صاحبكم ـ بأيمان خمسين منكم ". قالوا يا رسول الله أمر لم نره. قال " فتبرئكم يهود في أيمان خمسين منهم ". قالوا يا رسول الله قوم كفار. فوداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله. قال سهل فأدركت ناقة من تلك الإبل، فدخلت مربدا لهم فركضتني برجلها. قال الليث حدثني يحيى، عن بشير، عن سهل، قال يحيى حسبت أنه قال مع رافع بن خديج، وقال ابن عيينة حدثنا يحيى عن بشير عن سهل وحده.
সহিহ বুখারী ৬১৪৩
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، هو ابن زيد ـ عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رافع بن خديج، وسهل بن أبي حثمة، أنهما حدثاه أن عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود أتيا خيبر فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلموا في أمر صاحبهم فبدأ عبد الرحمن، وكان أصغر القوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر ". ـ قال يحيى ليلي الكلام الأكبر ـ فتكلموا في أمر صاحبهم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتستحقون قتيلكم ـ أو قال صاحبكم ـ بأيمان خمسين منكم ". قالوا يا رسول الله أمر لم نره. قال " فتبرئكم يهود في أيمان خمسين منهم ". قالوا يا رسول الله قوم كفار. فوداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله. قال سهل فأدركت ناقة من تلك الإبل، فدخلت مربدا لهم فركضتني برجلها. قال الليث حدثني يحيى، عن بشير، عن سهل، قال يحيى حسبت أنه قال مع رافع بن خديج، وقال ابن عيينة حدثنا يحيى عن بشير عن سهل وحده.
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) ও সাহ্ল ইবনু আবূ হাস্মাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাহ্ল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহ্ল (রাঃ) -কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহ্ল ও ইবনু মাস’ঊদ এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ (রাঃ) ও মুহাইসাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ননাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমান কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই ঊটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৯)
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) ও সাহ্ল ইবনু আবূ হাস্মাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একবার ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাহ্ল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহ্ল (রাঃ) -কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহ্ল ও ইবনু মাস’ঊদ এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ (রাঃ) ও মুহাইসাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ননাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমান কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহ্ল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই ঊটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৯)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، هو ابن زيد ـ عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رافع بن خديج، وسهل بن أبي حثمة، أنهما حدثاه أن عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود أتيا خيبر فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلموا في أمر صاحبهم فبدأ عبد الرحمن، وكان أصغر القوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر ". ـ قال يحيى ليلي الكلام الأكبر ـ فتكلموا في أمر صاحبهم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتستحقون قتيلكم ـ أو قال صاحبكم ـ بأيمان خمسين منكم ". قالوا يا رسول الله أمر لم نره. قال " فتبرئكم يهود في أيمان خمسين منهم ". قالوا يا رسول الله قوم كفار. فوداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله. قال سهل فأدركت ناقة من تلك الإبل، فدخلت مربدا لهم فركضتني برجلها. قال الليث حدثني يحيى، عن بشير، عن سهل، قال يحيى حسبت أنه قال مع رافع بن خديج، وقال ابن عيينة حدثنا يحيى عن بشير عن سهل وحده.
সহিহ বুখারী ৬১৪৪
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، حدثني نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أخبروني بشجرة مثلها مثل المسلم، تؤتي أكلها كل حين بإذن ربها، ولا تحت ورقها ". فوقع في نفسي أنها النخلة، فكرهت أن أتكلم وثم أبو بكر وعمر، فلما لم يتكلما قال النبي صلى الله عليه وسلم " هي النخلة ". فلما خرجت مع أبي قلت يا أبتاه وقع في نفسي أنها النخلة. قال ما منعك أن تقولها لو كنت قلتها كان أحب إلى من كذا وكذا. قال ما منعني إلا أني لم أرك ولا أبا بكر تكلمتما، فكرهت.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমাকে এমন একটা বৃক্ষের খবর দাও, যার দৃষ্টান্ত মুসলিমের মত। তা সর্বদা তার প্রতিপালকের নির্দেশে খাদ্য দান করে, আর এর পাতাও ঝড়ে না। তখন আমার মনে হল যে এটি খেজুর গাছ। কিন্তু যেহেতু সে স্থানে আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত থেকেও কথা বলছিলেন না , তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বললেন এটি খেজুর গাছ। তারপর আমি যখন আমার আব্বার সাথে বেরিয়ে এলাম, তখন আমি বললাম আব্বা! আমার মনেও খেয়াল এসেছিল যে, এটা নিশ্চয়ই খেজুর গাছ। তিনি বললেনঃ তোমাকে তা বলতে কিসে বাধা দিয়েছিল? যদি তুমি তা বলতে তাহলে এ কথা আমার কাছে এত এত ধন সম্পদ পাওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয় হত। তিনি বললেনঃ আমাকে শুধু এ কথাই বাধা দিয়েছিল যে, আমি দেখলাম, আপনি ও আবূ বকর (রাঃ) -কেউই কথা বলছেন না। তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করলাম না। [৬১; মুসলিম ৫০/১৫, হাঃ ২৮১১, আহমাদ ৬৪৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আমাকে এমন একটা বৃক্ষের খবর দাও, যার দৃষ্টান্ত মুসলিমের মত। তা সর্বদা তার প্রতিপালকের নির্দেশে খাদ্য দান করে, আর এর পাতাও ঝড়ে না। তখন আমার মনে হল যে এটি খেজুর গাছ। কিন্তু যেহেতু সে স্থানে আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত থেকেও কথা বলছিলেন না , তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বললেন এটি খেজুর গাছ। তারপর আমি যখন আমার আব্বার সাথে বেরিয়ে এলাম, তখন আমি বললাম আব্বা! আমার মনেও খেয়াল এসেছিল যে, এটা নিশ্চয়ই খেজুর গাছ। তিনি বললেনঃ তোমাকে তা বলতে কিসে বাধা দিয়েছিল? যদি তুমি তা বলতে তাহলে এ কথা আমার কাছে এত এত ধন সম্পদ পাওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয় হত। তিনি বললেনঃ আমাকে শুধু এ কথাই বাধা দিয়েছিল যে, আমি দেখলাম, আপনি ও আবূ বকর (রাঃ) -কেউই কথা বলছেন না। তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করলাম না। [৬১; মুসলিম ৫০/১৫, হাঃ ২৮১১, আহমাদ ৬৪৭৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬০০)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، حدثني نافع، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أخبروني بشجرة مثلها مثل المسلم، تؤتي أكلها كل حين بإذن ربها، ولا تحت ورقها ". فوقع في نفسي أنها النخلة، فكرهت أن أتكلم وثم أبو بكر وعمر، فلما لم يتكلما قال النبي صلى الله عليه وسلم " هي النخلة ". فلما خرجت مع أبي قلت يا أبتاه وقع في نفسي أنها النخلة. قال ما منعك أن تقولها لو كنت قلتها كان أحب إلى من كذا وكذا. قال ما منعني إلا أني لم أرك ولا أبا بكر تكلمتما، فكرهت.