সহিহ বুখারী > মানুষের সঙ্গে শিষ্টাচার করা।

সহিহ বুখারী ৬১৩১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن ابن المنكدر، حدثه عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته‏.‏ أنه، استأذن على النبي صلى الله عليه وسلم رجل فقال ‏"‏ ائذنوا له فبئس ابن العشيرة ‏"‏‏.‏ أو ‏"‏ بئس أخو العشيرة ‏"‏‏.‏ فلما دخل ألان له الكلام‏.‏ فقلت له يا رسول الله قلت ما قلت، ثم ألنت له في القول‏.‏ فقال ‏"‏ أى عائشة، إن شر الناس منزلة عند الله من تركه ـ أو ودعه ـ الناس اتقاء فحشه ‏"‏‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও। সে তার বংশের নিকৃষ্ট সন্তান। অথবা বললেনঃ সে তার গোত্রের ঘৃণ্যতম ভাই। যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সাথে নম্রভাবে কথাবার্তা বললেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি এর ব্যাপারে যা বলার তা বলেছেন। এখন আপনি তার সাথে নম্রভাবে কথা বললেন। তিনি বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! আল্লাহর কাছে মর্যাদায় নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার অশালীন ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তার সংসর্গ বর্জন করে চলে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৮)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও। সে তার বংশের নিকৃষ্ট সন্তান। অথবা বললেনঃ সে তার গোত্রের ঘৃণ্যতম ভাই। যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সাথে নম্রভাবে কথাবার্তা বললেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি এর ব্যাপারে যা বলার তা বলেছেন। এখন আপনি তার সাথে নম্রভাবে কথা বললেন। তিনি বললেনঃ হে 'আয়িশাহ! আল্লাহর কাছে মর্যাদায় নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি, যার অশালীন ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তার সংসর্গ বর্জন করে চলে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن ابن المنكدر، حدثه عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته‏.‏ أنه، استأذن على النبي صلى الله عليه وسلم رجل فقال ‏"‏ ائذنوا له فبئس ابن العشيرة ‏"‏‏.‏ أو ‏"‏ بئس أخو العشيرة ‏"‏‏.‏ فلما دخل ألان له الكلام‏.‏ فقلت له يا رسول الله قلت ما قلت، ثم ألنت له في القول‏.‏ فقال ‏"‏ أى عائشة، إن شر الناس منزلة عند الله من تركه ـ أو ودعه ـ الناس اتقاء فحشه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৩২

حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، أخبرنا ابن علية، أخبرنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، أن النبي صلى الله عليه وسلم أهديت له أقبية من ديباج مزررة بالذهب، فقسمها في ناس من أصحابه وعزل منها واحدا لمخرمة، فلما جاء قال ‏ "‏ خبأت هذا لك ‏"‏‏.‏ قال أيوب بثوبه أنه يريه إياه، وكان في خلقه شىء‏.‏ رواه حماد بن زيد عن أيوب وقال حاتم بن وردان حدثنا أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن المسور، قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কয়েকটি রেশমের তৈরী (সোনার বোতাম লাগান) 'কাবা' হাদিয়া দেয়া হলো। তিনি এগুলো সহাবীদের মধ্যে বেঁটে দিলেন এবং তা থেকে একটি মাখ্রামাহ (রাঃ) -এর জন্য আলাদা করে রাখলেন। পরে যখন তিনি এলেন, তখন তিনি বললেনঃ আমি এটি তোমার জন্য লুকিয়ে রেখেছিলাম। আইয়ূব নিজের কাপড়ের দিকে ইশারা করলেন, তিনি যেন তাঁর কাপড় মাখ্রামাহকে দেখাচ্ছিলেন। মাখ্রামাহ (রাঃ) -এর মেজাজের মধ্যে কিছু (অসন্তুষ্টির ভাব) ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৯)

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কয়েকটি রেশমের তৈরী (সোনার বোতাম লাগান) 'কাবা' হাদিয়া দেয়া হলো। তিনি এগুলো সহাবীদের মধ্যে বেঁটে দিলেন এবং তা থেকে একটি মাখ্রামাহ (রাঃ) -এর জন্য আলাদা করে রাখলেন। পরে যখন তিনি এলেন, তখন তিনি বললেনঃ আমি এটি তোমার জন্য লুকিয়ে রেখেছিলাম। আইয়ূব নিজের কাপড়ের দিকে ইশারা করলেন, তিনি যেন তাঁর কাপড় মাখ্রামাহকে দেখাচ্ছিলেন। মাখ্রামাহ (রাঃ) -এর মেজাজের মধ্যে কিছু (অসন্তুষ্টির ভাব) ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৯)

حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، أخبرنا ابن علية، أخبرنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، أن النبي صلى الله عليه وسلم أهديت له أقبية من ديباج مزررة بالذهب، فقسمها في ناس من أصحابه وعزل منها واحدا لمخرمة، فلما جاء قال ‏ "‏ خبأت هذا لك ‏"‏‏.‏ قال أيوب بثوبه أنه يريه إياه، وكان في خلقه شىء‏.‏ رواه حماد بن زيد عن أيوب وقال حاتم بن وردان حدثنا أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن المسور، قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية‏.‏


সহিহ বুখারী > মু'মিন এক গর্ত থেকে দু'বার দংশিত হয় না।

সহিহ বুখারী ৬১৩৩

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن عقيل، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لا يلدغ المؤمن من جحر واحد مرتين ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত মু'মিন একই গর্ত থেকে দু'বার দংশিত হয় না। [মুসলিম৫৩/১২, হাঃ ২৯৯৮, আহমাদ ৮৯৩৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯০)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত মু'মিন একই গর্ত থেকে দু'বার দংশিত হয় না। [মুসলিম৫৩/১২, হাঃ ২৯৯৮, আহমাদ ৮৯৩৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯০)

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن عقيل، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لا يلدغ المؤمن من جحر واحد مرتين ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মেহমানের হক।

সহিহ বুখারী ৬১৩৪

حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو، قال دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار ‏"‏‏.‏ قلت بلى‏.‏ قال ‏"‏ فلا تفعل، قم ونم، وصم وأفطر، فإن لجسدك عليك حقا، وإن لعينك عليك حقا، وإن لزورك عليك حقا، وإن لزوجك عليك حقا، وإنك عسى أن يطول بك عمر، وإن من حسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام، فإن بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله ‏"‏‏.‏ قال فشددت فشدد على فقلت فإني أطيق غير ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم من كل جمعة ثلاثة أيام ‏"‏‏.‏ قال فشددت فشدد على قلت أطيق غير ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم نبي الله داود ‏"‏‏.‏ قلت وما صوم نبي الله داود قال ‏"‏ نصف الدهر ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ আমাকে কি এ খবর জানানো হয়নি যে, তুমি সারারাত সলাতে অতিবাহিত কর। আর সারাদিন সিয়াম পালন কর। তিনি বললেনঃ তুমি (এ রকম) করো না। রাতের কিয়দংশ সলাত আদায় কর, আর ঘুমাও। কয়েকদিন সওম পালন কর, আর কয়েকদিন ইফ্‌তার কর (সওম ভঙ্গ কর)। তোমার উপর তোমার শরীরের হক আছে। তোমার উপর তোমার চোখের হক আছে, তোমার উপর তোমার মেহ্মানের হক আছে, আর তোমার উপর তোমার স্ত্রীরও হক আছে। নিশ্চয়ই তুমি তোমার আয়ু দীর্ঘ হবার আশা কর। কাজেই প্রতি মাসে তিনদিন সিয়াম পালনই তোমার পক্ষে যথেষ্ট। কেননা, নিশ্চয়ই প্রতিটি নেক কাজের পরিবর্তে তার দশগুণ সাওয়াব দেয়া হয়। সুতরাং এভাবে সারা বছরই সিয়ামের সাওয়াব পাওয়া যায়। তখন আমি কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর ব্যবস্থা দেয়া হলো। আমি বললামঃ এর চেয়েও অধিক পালনের সামর্থ্য আমার আছে। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি প্রতি সপ্তাহে তিনদিন সিয়াম পালন কর। তখন আমি আরও কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর দেয়া হলো। আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও অধিক সিয়ামের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তবে তুমি আল্লাহ্‌র নবী দাঊদ (আঃ) -এর সিয়াম পালন কর। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র নবী! দাঊদ (আঃ) -এর সিয়াম কী রকম? তিনি বললেন, আধা বছর সিয়াম পালন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯১)

আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ আমাকে কি এ খবর জানানো হয়নি যে, তুমি সারারাত সলাতে অতিবাহিত কর। আর সারাদিন সিয়াম পালন কর। তিনি বললেনঃ তুমি (এ রকম) করো না। রাতের কিয়দংশ সলাত আদায় কর, আর ঘুমাও। কয়েকদিন সওম পালন কর, আর কয়েকদিন ইফ্‌তার কর (সওম ভঙ্গ কর)। তোমার উপর তোমার শরীরের হক আছে। তোমার উপর তোমার চোখের হক আছে, তোমার উপর তোমার মেহ্মানের হক আছে, আর তোমার উপর তোমার স্ত্রীরও হক আছে। নিশ্চয়ই তুমি তোমার আয়ু দীর্ঘ হবার আশা কর। কাজেই প্রতি মাসে তিনদিন সিয়াম পালনই তোমার পক্ষে যথেষ্ট। কেননা, নিশ্চয়ই প্রতিটি নেক কাজের পরিবর্তে তার দশগুণ সাওয়াব দেয়া হয়। সুতরাং এভাবে সারা বছরই সিয়ামের সাওয়াব পাওয়া যায়। তখন আমি কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর ব্যবস্থা দেয়া হলো। আমি বললামঃ এর চেয়েও অধিক পালনের সামর্থ্য আমার আছে। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি প্রতি সপ্তাহে তিনদিন সিয়াম পালন কর। তখন আমি আরও কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর দেয়া হলো। আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও অধিক সিয়ামের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তবে তুমি আল্লাহ্‌র নবী দাঊদ (আঃ) -এর সিয়াম পালন কর। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র নবী! দাঊদ (আঃ) -এর সিয়াম কী রকম? তিনি বললেন, আধা বছর সিয়াম পালন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯১)

حدثنا إسحاق بن منصور، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو، قال دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار ‏"‏‏.‏ قلت بلى‏.‏ قال ‏"‏ فلا تفعل، قم ونم، وصم وأفطر، فإن لجسدك عليك حقا، وإن لعينك عليك حقا، وإن لزورك عليك حقا، وإن لزوجك عليك حقا، وإنك عسى أن يطول بك عمر، وإن من حسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام، فإن بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله ‏"‏‏.‏ قال فشددت فشدد على فقلت فإني أطيق غير ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم من كل جمعة ثلاثة أيام ‏"‏‏.‏ قال فشددت فشدد على قلت أطيق غير ذلك‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم نبي الله داود ‏"‏‏.‏ قلت وما صوم نبي الله داود قال ‏"‏ نصف الدهر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মেহ্মানের সম্মান রক্ষা করা এবং নিজেই মেহ্মানের খিদমত করা। আল্লাহ্‌র বাণীঃ তোমার নিকট ইব্রাহীম এর সম্মানিত মেহ্মানদের...............। (সূরাহ আয্-যারিয়াত ৫১/২৪)

সহিহ বুখারী ৬১৩৫

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، جائزته يوم وليلة، والضيافة ثلاثة أيام، فما بعد ذلك فهو صدقة، ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه ‏"‏‏.‏ حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، مثله وزاد ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏

আবূ শুরায়হ্ কা'বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্তে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন মেহ্মানের সম্মান করে। মেহ্মানের সম্মান একদিন ও একরাত। আর সাধারণ মেহ্মানদারী তিনদিন ও তিনরাত। এরপরে (তা হবে) 'সদাকাহ'। মেযবানকে কষ্ট দিয়ে, তার কাছে মেহ্মানের অবস্থান করা বৈধ নয়। (অন্যসূত্রে) মালিক (রহঃ) এ রকম বর্ণনা করার পর আরো অধিক বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৫,৫৬৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯২)

আবূ শুরায়হ্ কা'বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্তে ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন মেহ্মানের সম্মান করে। মেহ্মানের সম্মান একদিন ও একরাত। আর সাধারণ মেহ্মানদারী তিনদিন ও তিনরাত। এরপরে (তা হবে) 'সদাকাহ'। মেযবানকে কষ্ট দিয়ে, তার কাছে মেহ্মানের অবস্থান করা বৈধ নয়। (অন্যসূত্রে) মালিক (রহঃ) এ রকম বর্ণনা করার পর আরো অধিক বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৫,৫৬৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯২)

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، جائزته يوم وليلة، والضيافة ثلاثة أيام، فما بعد ذلك فهو صدقة، ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه ‏"‏‏.‏ حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، مثله وزاد ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৩৭

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر ـ رضى الله عنه ـ أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فلا يقروننا فما ترى، فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا، فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏‏.‏

উক্‌বাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি আমাদের কোন জায়গায় পাঠালে আমরা এমন কাওমের কাছে হাজির হই, যারা আমাদের মেহ্‌মানদারি করে না। এ ব্যাপারে আপনার হুকুম কী? তখন তিনি আমাদের বললেনঃ যদি তোমরা কোন কাওমের নিকট হাজির হও, আর তারা তোমাদের মেহ্‌মানদারীর জন্য উপযুক্ত যত্ন নেয়, তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। আর যদি তারা না করে, তা হলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের থেকে মেহ্‌মানদের হক আদায় করে নেবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৪)

উক্‌বাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি আমাদের কোন জায়গায় পাঠালে আমরা এমন কাওমের কাছে হাজির হই, যারা আমাদের মেহ্‌মানদারি করে না। এ ব্যাপারে আপনার হুকুম কী? তখন তিনি আমাদের বললেনঃ যদি তোমরা কোন কাওমের নিকট হাজির হও, আর তারা তোমাদের মেহ্‌মানদারীর জন্য উপযুক্ত যত্ন নেয়, তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। আর যদি তারা না করে, তা হলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের থেকে মেহ্‌মানদের হক আদায় করে নেবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৪)

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر ـ رضى الله عنه ـ أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فلا يقروننا فما ترى، فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا، فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৩৬

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن مهدي، حدثنا سفيان، عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন মেহ্মানের সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন মেহ্মানের সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৩)

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن مهدي، حدثنا سفيان، عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৬১৩৮

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليصل رحمه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহ্‌মানকে সন্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন কল্যাণকর কথা বলে, অথবা চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহ্‌মানকে সন্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌য় ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন কল্যাণকর কথা বলে, অথবা চুপ থাকে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৯৫)

حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليصل رحمه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00