সহিহ বুখারী > লজ্জাশীলতা
সহিহ বুখারী ৬১১৯
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
সহিহ বুখারী ৬১১৭
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
সহিহ বুখারী ৬১১৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".
সহিহ বুখারী > তোমার যদি লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছে কর।
সহিহ বুখারী ৬১২০
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة الأولى إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ববর্তী নবীদের নাসীহাত থেকে মানুষ যা লাভ করেছে তার একটা হলো, যদি তুমি লজ্জাই না কর, তবে যা ইচ্ছা তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭)
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ববর্তী নবীদের নাসীহাত থেকে মানুষ যা লাভ করেছে তার একটা হলো, যদি তুমি লজ্জাই না কর, তবে যা ইচ্ছা তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة الأولى إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
সহিহ বুখারী > দ্বীনের জ্ঞানার্জন করার জন্য সত্য বলতে কোন লজ্জা নেই।
সহিহ বুখারী ৬১২১
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب ابنة أبي سلمة، عن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، فهل على المرأة غسل إذا احتلمت فقال " نعم إذا رأت الماء ".
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ তো সত্য বলার ক্ষেত্রে লজ্জা করতে নির্দেশ দেন না। সুতরাং মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপরও গোসল করা ফরয? তিনি বললেন, হাঁ, যদি সে পানি, বীর্য দেখতে পায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৮)
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ তো সত্য বলার ক্ষেত্রে লজ্জা করতে নির্দেশ দেন না। সুতরাং মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপরও গোসল করা ফরয? তিনি বললেন, হাঁ, যদি সে পানি, বীর্য দেখতে পায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৮)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب ابنة أبي سلمة، عن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، فهل على المرأة غسل إذا احتلمت فقال " نعم إذا رأت الماء ".
সহিহ বুখারী ৬১২২
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا محارب بن دثار، قال سمعت ابن عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمن كمثل شجرة خضراء، لا يسقط ورقها، ولا يتحات ". فقال القوم هي شجرة كذا. هي شجرة كذا، فأردت أن أقول هي النخلة. وأنا غلام شاب فاستحييت، فقال " هي النخلة ". وعن شعبة حدثنا خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابن عمر مثله وزاد فحدثت به عمر فقال لو كنت قلتها لكان أحب إلى من كذا وكذا.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন একটি সবুজ গাছ, যার পাতা ঝরে না এবং একটির সঙ্গে আর একটি ঘেষা লাগে না। তখন কেউ কেউ বললঃ এটি অমুক গাছ, কেউ বলল অমুক গাছ। তখন আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, এটি খেজুর গাছ। তবে যেহেতু আমি অল্প বয়স্ক তরুন ছিলাম, তাই বলতে লজ্জাবোধ করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বলে দিলেন যে, সেটি খেজুর গাছ। [৬১] আর শু’বাহ (রাঃ) থেকে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, তারপর আমি ‘উমার (রাঃ) -এর নিকট এ সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ যদি তুমি কথাটি বলে দিতে, তবে তা আমার কাছে এত এত অধিক খুশির কারণ হতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন একটি সবুজ গাছ, যার পাতা ঝরে না এবং একটির সঙ্গে আর একটি ঘেষা লাগে না। তখন কেউ কেউ বললঃ এটি অমুক গাছ, কেউ বলল অমুক গাছ। তখন আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, এটি খেজুর গাছ। তবে যেহেতু আমি অল্প বয়স্ক তরুন ছিলাম, তাই বলতে লজ্জাবোধ করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বলে দিলেন যে, সেটি খেজুর গাছ। [৬১] আর শু’বাহ (রাঃ) থেকে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, তারপর আমি ‘উমার (রাঃ) -এর নিকট এ সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ যদি তুমি কথাটি বলে দিতে, তবে তা আমার কাছে এত এত অধিক খুশির কারণ হতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৯)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا محارب بن دثار، قال سمعت ابن عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمن كمثل شجرة خضراء، لا يسقط ورقها، ولا يتحات ". فقال القوم هي شجرة كذا. هي شجرة كذا، فأردت أن أقول هي النخلة. وأنا غلام شاب فاستحييت، فقال " هي النخلة ". وعن شعبة حدثنا خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابن عمر مثله وزاد فحدثت به عمر فقال لو كنت قلتها لكان أحب إلى من كذا وكذا.
সহিহ বুখারী ৬১২৩
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم، سمعت ثابتا، أنه سمع أنسا ـ رضى الله عنه ـ يقول جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها فقالت هل لك حاجة في فقالت ابنته ما أقل حياءها. فقال هي خير منك، عرضت على رسول الله صلى الله عليه وسلم نفسها.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলো এবং তাঁর সামনে নিজেকে পেশ করে বললঃ আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? (খবরটি জানার) পরে আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বলেছিলঃ এ মহিলার লজ্জা কত কম! আনাস (রাঃ) বললেনঃ সে তোমার চেয়ে উত্তম। সে তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে নিজেকে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলো এবং তাঁর সামনে নিজেকে পেশ করে বললঃ আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? (খবরটি জানার) পরে আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বলেছিলঃ এ মহিলার লজ্জা কত কম! আনাস (রাঃ) বললেনঃ সে তোমার চেয়ে উত্তম। সে তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে নিজেকে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮০)
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم، سمعت ثابتا، أنه سمع أنسا ـ رضى الله عنه ـ يقول جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها فقالت هل لك حاجة في فقالت ابنته ما أقل حياءها. فقال هي خير منك، عرضت على رسول الله صلى الله عليه وسلم نفسها.
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বানীঃ তোমরা নম্র হও, কঠোর হয়ো না।
সহিহ বুখারী ৬১২৫
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" يسروا ولا تعسروا، وسكنوا ولا تنفروا ".
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নম্র হও এবং কঠোর হয়ো না। শান্তি দান কর, বিদ্বেষ সৃষ্টি করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নম্র হও এবং কঠোর হয়ো না। শান্তি দান কর, বিদ্বেষ সৃষ্টি করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮১)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنس بن مالك ـ رضى الله عنه ـ قال قال النبي صلى الله عليه وسلم" يسروا ولا تعسروا، وسكنوا ولا تنفروا ".
সহিহ বুখারী ৬১২৪
حدثني إسحاق، حدثنا النضر، أخبرنا شعبة، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبيه، عن جده، قال لما بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعاذ بن جبل قال لهما " يسرا ولا تعسرا، وبشرا ولا تنفرا، وتطاوعا ". قال أبو موسى يا رسول الله إنا بأرض يصنع فيها شراب من العسل، يقال له البتع، وشراب من الشعير، يقال له المزر. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" كل مسكر حرام ".
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) -কে (ইয়ামানে) পাঠান, তখন তাদের ওয়াসীয়াত করেনঃ তোমরা (লোকের সাথে) নম্র ব্যবহার করবে, কঠোর হবে না। শুভ সংবাদ দেবে, বিদ্বেষ সৃষ্টি করবে না। আর তোমরা দু’জনের মধ্যে সদ্ভাব বজায় রাখবে। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা এমন এক দেশে যাচ্ছি, যেখানে মধু হতে শরাব প্রস্তুত হয়। একে ‘বিত্উ’ বলা হয়। আর ‘যব’ থেকেও শরাব প্রস্তুত হয়, তাকে বলা হয় ‘মিয্র’। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক নেশার বস্তুই হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮২)
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) -কে (ইয়ামানে) পাঠান, তখন তাদের ওয়াসীয়াত করেনঃ তোমরা (লোকের সাথে) নম্র ব্যবহার করবে, কঠোর হবে না। শুভ সংবাদ দেবে, বিদ্বেষ সৃষ্টি করবে না। আর তোমরা দু’জনের মধ্যে সদ্ভাব বজায় রাখবে। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা এমন এক দেশে যাচ্ছি, যেখানে মধু হতে শরাব প্রস্তুত হয়। একে ‘বিত্উ’ বলা হয়। আর ‘যব’ থেকেও শরাব প্রস্তুত হয়, তাকে বলা হয় ‘মিয্র’। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক নেশার বস্তুই হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮২)
حدثني إسحاق، حدثنا النضر، أخبرنا شعبة، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبيه، عن جده، قال لما بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعاذ بن جبل قال لهما " يسرا ولا تعسرا، وبشرا ولا تنفرا، وتطاوعا ". قال أبو موسى يا رسول الله إنا بأرض يصنع فيها شراب من العسل، يقال له البتع، وشراب من الشعير، يقال له المزر. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" كل مسكر حرام ".
সহিহ বুখারী ৬১২৬
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها قالت ما خير رسول الله صلى الله عليه وسلم بين أمرين قط إلا أخذ أيسرهما، ما لم يكن إثما، فإن كان إثما كان أبعد الناس منه، وما انتقم رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه في شىء قط، إلا أن تنتهك حرمة الله، فينتقم بها لله.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখন কোন দু’টি কাজের মধ্যে এখতিয়ার দেয়া হতো, তখন তিনি দু’টির মধ্যে অপেক্ষাকৃত সহজটি গ্রহন করতেন যদি তা গুনাহ্র কাজ না হত। আর যদি তা গুনাহের কাজ হতো, তা হলে তিনি তাত্থেকে সবার চেয়ে দূরে সরে থাকতেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহন করতেন না। অবশ্য কেউ আল্লাহ্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে, তিনি আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য তার প্রতিশোধ নিতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৩)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখন কোন দু’টি কাজের মধ্যে এখতিয়ার দেয়া হতো, তখন তিনি দু’টির মধ্যে অপেক্ষাকৃত সহজটি গ্রহন করতেন যদি তা গুনাহ্র কাজ না হত। আর যদি তা গুনাহের কাজ হতো, তা হলে তিনি তাত্থেকে সবার চেয়ে দূরে সরে থাকতেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহন করতেন না। অবশ্য কেউ আল্লাহ্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে, তিনি আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য তার প্রতিশোধ নিতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৩)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة ـ رضى الله عنها ـ أنها قالت ما خير رسول الله صلى الله عليه وسلم بين أمرين قط إلا أخذ أيسرهما، ما لم يكن إثما، فإن كان إثما كان أبعد الناس منه، وما انتقم رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه في شىء قط، إلا أن تنتهك حرمة الله، فينتقم بها لله.
সহিহ বুখারী ৬১২৮
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، ح وقال الليث حدثني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن أبا هريرة، أخبره أن أعرابيا بال في المسجد، فثار إليه الناس ليقعوا به فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعوه، وأهريقوا على بوله ذنوبا من ماء ـ أو سجلا من ماء ـ فإنما بعثتم ميسرين، ولم تبعثوا معسرين ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার এক বেদুঈন মাসজিদে প্রস্রাব করে দিলো। তখন লোকজন তাকে শাসন করার জন্য উত্তেজিত হয়ে পড়ল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দাও এবং তার প্রস্রাবের উপর এক বালতি পানি অথবা একমাত্র পানি ঢেলে দাও। কারণ, তোমাদেরকে নম্র ব্যবহারকারী বানিয়ে পাঠানো হয়েছে, কঠোর ব্যাবহারকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার এক বেদুঈন মাসজিদে প্রস্রাব করে দিলো। তখন লোকজন তাকে শাসন করার জন্য উত্তেজিত হয়ে পড়ল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দাও এবং তার প্রস্রাবের উপর এক বালতি পানি অথবা একমাত্র পানি ঢেলে দাও। কারণ, তোমাদেরকে নম্র ব্যবহারকারী বানিয়ে পাঠানো হয়েছে, কঠোর ব্যাবহারকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৫)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، ح وقال الليث حدثني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن أبا هريرة، أخبره أن أعرابيا بال في المسجد، فثار إليه الناس ليقعوا به فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعوه، وأهريقوا على بوله ذنوبا من ماء ـ أو سجلا من ماء ـ فإنما بعثتم ميسرين، ولم تبعثوا معسرين ".
সহিহ বুখারী ৬১২৭
حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن الأزرق بن قيس، قال كنا على شاطئ نهر بالأهواز قد نضب عنه الماء، فجاء أبو برزة الأسلمي على فرس، فصلى وخلى فرسه، فانطلقت الفرس، فترك صلاته وتبعها حتى أدركها، فأخذها ثم جاء فقضى صلاته، وفينا رجل له رأى، فأقبل يقول انظروا إلى هذا الشيخ ترك صلاته من أجل فرس. فأقبل فقال ما عنفني أحد منذ فارقت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال إن منزلي متراخ فلو صليت وتركت لم آت أهلي إلى الليل. وذكر أنه صحب النبي صلى الله عليه وسلم فرأى من تيسيره.
আযরাক ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা 'আহ্ওয়ায' নামক স্থানে একটা খালের ধারে অবস্থান করছিলাম। খালটির পানি শুকিয়ে গিয়েছিল। এমন সময় আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) একটি ঘোড়ায় সাওয়ার হয়ে সেখানে এলেন। তিনি ঘোড়াটিকে ছেড়ে দিয়ে সলাতে দাঁড়ালেন। তখন ঘোড়াটা (দূরে) চলে গেল দেখে তিনি সলাত ছেড়ে দিয়ে ঘোড়ার পিছু নিলেন এবং ঘোড়াটি পেয়ে ধরে আনলেন। তারপর সলাত পূর্ণ করলেন। এ সময় আমাদের মধ্যে একজন বিরূপ সমালোচক ছিলেন। তিনি তা দেখে বললেনঃ এই বৃদ্ধের প্রতি লক্ষ্য কর, সে ঘোড়ার কারণে সলাত ছেড়ে দিল। তখন আবূ বারযাহ (রাঃ) এগিয়ে এসে বললেনঃ যখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হারিয়েছি, তখন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে এভাবে ভর্ৎসনা করেননি। তিনি আরও বললেনঃ আমার বাড়ী অনেক দূরে। সুতরাং যদি আমি সলাত আদায় করতাম এবং ঘোড়াটিকে এভাবেই ছেড়ে দিতাম, তাহলে আমি রাতে নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছতে পারতাম না। তিনি আরও উল্লেখ করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গ লাভ করেছেন এবং তাঁর নম্র ব্যবহার দেখেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৪)
আযরাক ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা 'আহ্ওয়ায' নামক স্থানে একটা খালের ধারে অবস্থান করছিলাম। খালটির পানি শুকিয়ে গিয়েছিল। এমন সময় আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) একটি ঘোড়ায় সাওয়ার হয়ে সেখানে এলেন। তিনি ঘোড়াটিকে ছেড়ে দিয়ে সলাতে দাঁড়ালেন। তখন ঘোড়াটা (দূরে) চলে গেল দেখে তিনি সলাত ছেড়ে দিয়ে ঘোড়ার পিছু নিলেন এবং ঘোড়াটি পেয়ে ধরে আনলেন। তারপর সলাত পূর্ণ করলেন। এ সময় আমাদের মধ্যে একজন বিরূপ সমালোচক ছিলেন। তিনি তা দেখে বললেনঃ এই বৃদ্ধের প্রতি লক্ষ্য কর, সে ঘোড়ার কারণে সলাত ছেড়ে দিল। তখন আবূ বারযাহ (রাঃ) এগিয়ে এসে বললেনঃ যখন থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হারিয়েছি, তখন থেকে আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে এভাবে ভর্ৎসনা করেননি। তিনি আরও বললেনঃ আমার বাড়ী অনেক দূরে। সুতরাং যদি আমি সলাত আদায় করতাম এবং ঘোড়াটিকে এভাবেই ছেড়ে দিতাম, তাহলে আমি রাতে নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছতে পারতাম না। তিনি আরও উল্লেখ করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গ লাভ করেছেন এবং তাঁর নম্র ব্যবহার দেখেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৪)
حدثنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن الأزرق بن قيس، قال كنا على شاطئ نهر بالأهواز قد نضب عنه الماء، فجاء أبو برزة الأسلمي على فرس، فصلى وخلى فرسه، فانطلقت الفرس، فترك صلاته وتبعها حتى أدركها، فأخذها ثم جاء فقضى صلاته، وفينا رجل له رأى، فأقبل يقول انظروا إلى هذا الشيخ ترك صلاته من أجل فرس. فأقبل فقال ما عنفني أحد منذ فارقت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال إن منزلي متراخ فلو صليت وتركت لم آت أهلي إلى الليل. وذكر أنه صحب النبي صلى الله عليه وسلم فرأى من تيسيره.