সহিহ বুখারী > ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকা।
সহিহ বুখারী ৬১১৪
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة، إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।[মুসলিম৪৫/৩০, হাঃ ২৬০৯, আহমাদ ৭২২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।[মুসলিম৪৫/৩০, হাঃ ২৬০৯, আহমাদ ৭২২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭১)
حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس الشديد بالصرعة، إنما الشديد الذي يملك نفسه عند الغضب ".
সহিহ বুখারী ৬১১৫
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده جلوس، وأحدهما يسب صاحبه مغضبا قد احمر وجهه فقال النبي صلى الله عليه وسلم" إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه ما يجد لو قال أعوذ بالله من الشيطان الرجيم ". فقالوا للرجل ألا تسمع ما يقول النبي صلى الله عليه وسلم قال إني لست بمجنون.
সুলাইমান ইবনু সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখেই দু’ব্যক্তি গালাগালি করছিল। আমরাও তাঁর কাছেই উপবিষ্ট ছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রেগে গিয়ে গালি দিচ্ছিল যে, তার চেহারা রক্তিম হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একটি কালিমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তবে তার রাগ দূর হয়ে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রাজীম’ পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যক্তিকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললঃ আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭২)
সুলাইমান ইবনু সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সম্মুখেই দু’ব্যক্তি গালাগালি করছিল। আমরাও তাঁর কাছেই উপবিষ্ট ছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রেগে গিয়ে গালি দিচ্ছিল যে, তার চেহারা রক্তিম হয়ে গিয়েছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একটি কালিমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তবে তার রাগ দূর হয়ে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি ‘আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রাজীম’ পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যক্তিকে বলল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললঃ আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭২)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، حدثنا سليمان بن صرد، قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده جلوس، وأحدهما يسب صاحبه مغضبا قد احمر وجهه فقال النبي صلى الله عليه وسلم" إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه ما يجد لو قال أعوذ بالله من الشيطان الرجيم ". فقالوا للرجل ألا تسمع ما يقول النبي صلى الله عليه وسلم قال إني لست بمجنون.
সহিহ বুখারী ৬১১৬
حدثني يحيى بن يوسف، أخبرنا أبو بكر ـ هو ابن عياش ـ عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم أوصني. قال " لا تغضب ". فردد مرارا، قال " لا تغضب ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললঃ আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেনঃ তুমি রাগ করো না।। লোকটি কয়েকবার তা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক বারেই বললেনঃ রাগ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললঃ আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেনঃ তুমি রাগ করো না।। লোকটি কয়েকবার তা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক বারেই বললেনঃ রাগ করো না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৩)
حدثني يحيى بن يوسف، أخبرنا أبو بكر ـ هو ابن عياش ـ عن أبي حصين، عن أبي صالح، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا، قال للنبي صلى الله عليه وسلم أوصني. قال " لا تغضب ". فردد مرارا، قال " لا تغضب ".
সহিহ বুখারী > লজ্জাশীলতা
সহিহ বুখারী ৬১১৯
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহে অবস্থানকারিনী কুমারী মেয়ের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৬)
حدثنا علي بن الجعد، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن مولى، أنس ـ قال أبو عبد الله اسمه عبد الله بن أبي عتبة ـ سمعت أبا سعيد، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها.
সহিহ বুখারী ৬১১৭
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেনঃ লজ্জাশীলতা কল্যাণ ছাড়া কোন কিছুই নিয়ে আনে না। তখন বুশায়র ইবনু কা’ব (রাঃ) বললেনঃ হিকমাতের পুস্তকে লিখা আছে যে, কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা ধৈর্যশীলতা বয়ে আনে। আর কোন্ কোন্ লজ্জাশীলতা এনে দেয় শান্তি ও সুখ। তখন ‘ইমরান (রাঃ) বললেনঃ আমি তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করছি। আর তুমি কিনা (তার স্থলে) আমাকে তোমার পুস্তিকা থেকে বর্ণনা করছ।(মুসলিম১/১২, হাঃ ৩৭, আহমাদ ২০০১৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৪)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي السوار العدوي، قال سمعت عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحياء لا يأتي إلا بخير ". فقال بشير بن كعب مكتوب في الحكمة إن من الحياء وقارا، وإن من الحياء سكينة. فقال له عمران أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتحدثني عن صحيفتك.
সহিহ বুখারী ৬১১৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোকটি (তার ভাইকে) লজ্জা সম্পর্কে ভর্ৎসনা করছিল এবং বলছিল যে, তুমি অধিক লজ্জা করছ, এমনকি সে যেন এ কথাও বলছিল যে, এটা তোমাকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তার অবস্থার উপর ছেড়ে দাও। কারণ নিশ্চয়ই লজ্জা হল ঈমানের অঙ্গ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৫)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، حدثنا ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما مر النبي صلى الله عليه وسلم على رجل وهو يعاتب في الحياء يقول إنك لتستحيي. حتى كأنه يقول قد أضر بك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم" دعه فإن الحياء من الإيمان ".
সহিহ বুখারী > তোমার যদি লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছে কর।
সহিহ বুখারী ৬১২০
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة الأولى إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ববর্তী নবীদের নাসীহাত থেকে মানুষ যা লাভ করেছে তার একটা হলো, যদি তুমি লজ্জাই না কর, তবে যা ইচ্ছা তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭)
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ববর্তী নবীদের নাসীহাত থেকে মানুষ যা লাভ করেছে তার একটা হলো, যদি তুমি লজ্জাই না কর, তবে যা ইচ্ছা তাই কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا أبو مسعود، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن مما أدرك الناس من كلام النبوة الأولى إذا لم تستحي فاصنع ما شئت ".
সহিহ বুখারী > দ্বীনের জ্ঞানার্জন করার জন্য সত্য বলতে কোন লজ্জা নেই।
সহিহ বুখারী ৬১২১
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب ابنة أبي سلمة، عن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، فهل على المرأة غسل إذا احتلمت فقال " نعم إذا رأت الماء ".
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ তো সত্য বলার ক্ষেত্রে লজ্জা করতে নির্দেশ দেন না। সুতরাং মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপরও গোসল করা ফরয? তিনি বললেন, হাঁ, যদি সে পানি, বীর্য দেখতে পায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৮)
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদিন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ তো সত্য বলার ক্ষেত্রে লজ্জা করতে নির্দেশ দেন না। সুতরাং মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে কি তার উপরও গোসল করা ফরয? তিনি বললেন, হাঁ, যদি সে পানি, বীর্য দেখতে পায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৮)
حدثنا إسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب ابنة أبي سلمة، عن أم سلمة ـ رضى الله عنها ـ قالت جاءت أم سليم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحي من الحق، فهل على المرأة غسل إذا احتلمت فقال " نعم إذا رأت الماء ".
সহিহ বুখারী ৬১২২
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا محارب بن دثار، قال سمعت ابن عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمن كمثل شجرة خضراء، لا يسقط ورقها، ولا يتحات ". فقال القوم هي شجرة كذا. هي شجرة كذا، فأردت أن أقول هي النخلة. وأنا غلام شاب فاستحييت، فقال " هي النخلة ". وعن شعبة حدثنا خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابن عمر مثله وزاد فحدثت به عمر فقال لو كنت قلتها لكان أحب إلى من كذا وكذا.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন একটি সবুজ গাছ, যার পাতা ঝরে না এবং একটির সঙ্গে আর একটি ঘেষা লাগে না। তখন কেউ কেউ বললঃ এটি অমুক গাছ, কেউ বলল অমুক গাছ। তখন আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, এটি খেজুর গাছ। তবে যেহেতু আমি অল্প বয়স্ক তরুন ছিলাম, তাই বলতে লজ্জাবোধ করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বলে দিলেন যে, সেটি খেজুর গাছ। [৬১] আর শু’বাহ (রাঃ) থেকে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, তারপর আমি ‘উমার (রাঃ) -এর নিকট এ সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ যদি তুমি কথাটি বলে দিতে, তবে তা আমার কাছে এত এত অধিক খুশির কারণ হতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন একটি সবুজ গাছ, যার পাতা ঝরে না এবং একটির সঙ্গে আর একটি ঘেষা লাগে না। তখন কেউ কেউ বললঃ এটি অমুক গাছ, কেউ বলল অমুক গাছ। তখন আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, এটি খেজুর গাছ। তবে যেহেতু আমি অল্প বয়স্ক তরুন ছিলাম, তাই বলতে লজ্জাবোধ করলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বলে দিলেন যে, সেটি খেজুর গাছ। [৬১] আর শু’বাহ (রাঃ) থেকে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে যে, তারপর আমি ‘উমার (রাঃ) -এর নিকট এ সম্পর্কে জানালাম। তখন তিনি বললেনঃ যদি তুমি কথাটি বলে দিতে, তবে তা আমার কাছে এত এত অধিক খুশির কারণ হতো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৯)
حدثنا آدم، حدثنا شعبة، حدثنا محارب بن دثار، قال سمعت ابن عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " مثل المؤمن كمثل شجرة خضراء، لا يسقط ورقها، ولا يتحات ". فقال القوم هي شجرة كذا. هي شجرة كذا، فأردت أن أقول هي النخلة. وأنا غلام شاب فاستحييت، فقال " هي النخلة ". وعن شعبة حدثنا خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن ابن عمر مثله وزاد فحدثت به عمر فقال لو كنت قلتها لكان أحب إلى من كذا وكذا.
সহিহ বুখারী ৬১২৩
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم، سمعت ثابتا، أنه سمع أنسا ـ رضى الله عنه ـ يقول جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها فقالت هل لك حاجة في فقالت ابنته ما أقل حياءها. فقال هي خير منك، عرضت على رسول الله صلى الله عليه وسلم نفسها.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলো এবং তাঁর সামনে নিজেকে পেশ করে বললঃ আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? (খবরটি জানার) পরে আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বলেছিলঃ এ মহিলার লজ্জা কত কম! আনাস (রাঃ) বললেনঃ সে তোমার চেয়ে উত্তম। সে তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে নিজেকে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলো এবং তাঁর সামনে নিজেকে পেশ করে বললঃ আপনার কি আমার প্রয়োজন আছে? (খবরটি জানার) পরে আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বলেছিলঃ এ মহিলার লজ্জা কত কম! আনাস (রাঃ) বললেনঃ সে তোমার চেয়ে উত্তম। সে তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে নিজেকে পেশ করেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮০)
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم، سمعت ثابتا، أنه سمع أنسا ـ رضى الله عنه ـ يقول جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم تعرض عليه نفسها فقالت هل لك حاجة في فقالت ابنته ما أقل حياءها. فقال هي خير منك، عرضت على رسول الله صلى الله عليه وسلم نفسها.